Dr. Bashudeb Kumar Saha, MBBS, BCS (Health), MS (ENT).
ENT Specialist & Head Neck Surgeon.
Senior Consultant (Department of ENT), Central Police Hospital, Dhaka.
Chief consultant, Malleus ENT Specialized Hospital Limited,
24/1 (Lift 4), Shan Tower, Shantinagar, Dhaka-1217.
For serial contact this number: 09613 651020, 01324 254498, 01324 254499
Dr. Bashudeb Kumar Saha
নাক, কান ও গলার একটি সাধারণ রোগ হলো টনসিলাইটিস। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই রোগটি বেশি দেখা যায়, ফলে বাবা-মায়েরা শিশুদের নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। টনসিলের সংক্রমণ খুবই সাধারণ একটি সমস্যা, যা অনেক ক্ষেত্রেই শুধু ওষুধ খেলেই ভালো হয়ে যায়। তবে বারবার সংক্রমণ হলে এবং রোগীর শারীরিক কষ্ট বেশি হলে অপারেশনের প্রয়োজন হয়।
আমাদের প্রতিদিনের অপারেশনের তালিকায় Tonsillectomy থাকেই। শুধু শিশুদের নয়, বড়দেরও টনসিলের অপারেশন আমাদের করতে হয়। দীর্ঘদিন টনসিলে সংক্রমণ থাকলে এর ভেতরে পুঁজ জমতে পারে, কখনো কখনো টনসিল স্টোন (পাথর) তৈরি হয়। আবার টনসিল ফুলে বড় হয়ে যাওয়ার কারণে ঢোক গিলতে ও খাবার খেতে ব্যথা লাগে। এমনকি অনেকের পানি পান করতেও কষ্ট হয়।
সম্প্রতি আমার এই বোনটি যখন সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে টনসিলের সমস্যা নিয়ে আমার কাছে এলেন, তখন আমি দেখলাম তাঁর ডান পাশের টনসিলে একটি সিস্ট হয়েছে। অনেকেই হয়তো এমন সমস্যা আগে দেখেননি। দেখলেও এটি কী, তা হয়তো জানেন না।
বরাবরের মতো আপনাদের সচেতনতার উদ্দেশ্যে এই সমস্যাটি এবং এর সমাধান নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করেছি। ভিডিওটি দেখবেন আগামীকাল বিকেল ৫:০০টায়। আশা করছি, নিজেরা সচেতন হবেন এবং অন্যদেরও সচেত করবেন।
আপনাদের মঙ্গল ও সুস্থতা কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।
4 hours ago | [YT] | 130
View 3 replies
Dr. Bashudeb Kumar Saha
১০ মাস ১০ দিন পর যখন একটি সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়, তখন সেই সন্তানের মুখ দেখে মায়ের শরীরের সব কষ্ট দূর হয়ে যায়। অনুরূপভাবে, একজন বাবা যখন জানতে পারেন যে তাঁর সন্তানের পৃথিবীতে আগমন হয়েছে, তখন তাঁর মনের আনন্দও কোনো অংশে কম থাকে না।
আমার চেম্বারে মাঝে মাঝে এমন কিছু সন্তানকে নিয়ে বাবা-মা আসেন, যাদের দেখলে আমার খুবই খারাপ লাগে। তারপরও কিছুই বলার থাকে না, কারণ সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় এমন হয়। তিনি যেটা ভালো মনে করেন, সেটাই করেন। মানুষ হিসেবে আমাদের তা মেনে নিতে হয়।
মিষ্টি একটি মেয়ে রাফিয়া। জন্মের পরই তার মা দেখলেন, তার দুটি কানের মধ্যে একটি কান স্বাভাবিক থাকলেও অন্যটি প্রায় নেই বললেই চলে। তারপরও তাঁদের মন খারাপ হয়নি। কিন্তু ৪ বছর পর যখন রাফিয়ার কানে ব্যথা শুরু হলো, তখন তাঁরা আর বসে থাকতে পারলেন না।
সন্তানের কষ্ট দূর করতে এই বাবা-মা অনেক চিকিৎসক ও হাসপাতালে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোথাও কোনো আশ্বাস না পেয়ে তাঁরা অনেকটাই দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। অবশেষে আমার একটি ভিডিও দেখে তাঁরা আমার চেম্বারে আসেন। আমি শিশুটিকে পরীক্ষা করে তার সমস্যার কথা জানলাম।
আমি তার জন্য একটি অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিলাম এবং তাঁরা তাতে সম্মতি দিলেন। কত মাসে শিশুটির জন্ম হয়েছিল, কত বছর পর তার সমস্যা শুরু হলো, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যাটির নাম কী, এবং আমরা কী ধরনের অপারেশন করব—এসব বিষয় নিয়ে জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে একটি ভিডিও দেখতে পারবেন আগামীকাল সকাল ১০:০০টায়।
সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।
6 days ago | [YT] | 944
View 39 replies
Dr. Bashudeb Kumar Saha
সকল প্রশংসা মহান সৃষ্টিকর্তার।
সৃষ্টিকর্তা চাইলে সবকিছুই সম্ভব।
সকল বিপদে তিনি কৃপা করেন।
তাই তো তিনি পরম করুণাময়।
******************************
একজন মানুষ যখন বড় ধরনের রোগে আক্রান্ত হন, তখন তাঁর মনে সারাক্ষণ মৃত্যুভয় কাজ করে। ৭০ বছর বয়সী এই বাবা প্রায় ৩০ বছর ধরে গলার সামনের একটি বিশাল টিউমার নিয়ে দিনের পর দিন কাটিয়েছেন। সুস্থ হতে না পারলেও সন্তান ও তাঁর সহধর্মিণী তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে পাশে ছিলেন।
সব সময় ভাবতেন, “না জানি আমার কখন কী হয়ে যায়।” তবে আমি বলি—সৃষ্টিকর্তা বাঁচিয়ে রাখলে মৃত্যুর কোনো ভয় নেই। বেঁচে থাকার আশায় কত চিকিৎসাই না নিয়েছিলেন তিনি। ভয় এবং মানুষের নানা কথার কারণে অপারেশন করাতে পিছিয়ে ছিলেন এই মানুষটি।
অবশেষে যখন তিনি আমার কাছে এলেন, তখন তাঁর কষ্টের দিনগুলোর কথা আমাকে জানালেন। আমি তাঁকে নির্ভয় করে বললাম, “আপনার কষ্ট দূর হবেই।” সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আমি ও আমার টিম দীর্ঘ সময় নিয়ে সফলভাবে তাঁর অপারেশন সম্পন্ন করি। এরপর তিনি টিউমারমুক্ত একটি নতুন জীবন ফিরে পান।
দুঃখের বিষয়, যে মানুষটি সব সময় তাঁর পাশে থেকে তাঁকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, সেই মানুষটিকেই তিনি হারিয়ে ফেলেছেন। খবরটি শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। আরও কষ্ট পেয়েছি যখন জানলাম, তাঁর স্ত্রী চেয়েছিলেন আমি যেন একদিন তাঁদের বাড়িতে যাই এবং তাঁর হাতের রান্না করা এক বেলা হলেও ডাল-ভাত খাই।
সেটি আর সম্ভব হলো না। তবে আমি আমার পরিবারকে নিয়ে “Patient Follow-up in House”-এ তাঁদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। এক বছর পর তিনি কেমন আছেন, তাঁর বাড়িতে কী ঘটেছিল—সবকিছু মিলিয়ে একটি ভিডিও দেখবেন আগামীকাল সকাল ১০:০০টায়।
আমি এই পরিবারটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি এত বড় একটি অপারেশনে যাঁরা আমার সঙ্গে ছিলেন, বিশেষ করে ডাঃ এস. এম. এ. আলীম, ডাঃ নোবেল, ডাঃ আরাফাত, এবং সকল চিকিৎসক, নার্স, ওটি স্টাফ ও ম্যালিয়াস ইএনটি স্পেশালাইজড হসপিটালের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।
1 week ago | [YT] | 1,068
View 32 replies
Dr. Bashudeb Kumar Saha
পর মানুষে দুঃখ দিলে দুঃখ মনে হয় না,
আপন মানুষ দুঃখ দিলে মেনে নেওয়া যায় না।
একটি গানের দুটি লাইন হলেও, একজন বোনের বাস্তব জীবনের গল্পের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যায়। আজ জানাব একজন বোনের কষ্টের কথা। প্রায় ১৫ বছর আগে, তিনি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে তাঁর আপন বোনের দ্বারা নাকে আঘাত পান। তখন থেকেই শুরু হয় তাঁর কষ্টের জীবন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়ার ফলে তিনি সাময়িকভাবে সুস্থ হলেও, নষ্ট হয়ে গিয়েছিল তাঁর নাকের সৌন্দর্য। অর্থাৎ, তাঁর নাকটি বসে গিয়েছিল। বিষয়টি তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না।
এরপর শুরু হয় তাঁর থেমে না থাকার যাত্রা। নিজের নাকের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে তাঁর চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না। কবিরাজ থেকে শুরু করে যে যেখানে পরামর্শ দিয়েছেন, সেখানেই গিয়েছেন। কিন্তু তারপরও নাকের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে সফল হতে পারেননি।
১৫ বছর আয়নায় নিজেকে দেখেননি এই মানুষটি। সবার কাছ থেকে শুনেছেন শুধু মনকে আঘাত দেওয়া কথা। আপনজন থেকে শুরু করে অপরিচিত মানুষ—যেই তাঁকে দেখেছে, খুব কম মানুষই তাঁকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেছে। কোথাও পাননি সান্ত্বনার হাত। তারপরও তিনি হাল ছাড়েননি।
অবশেষে তিনি আমার ভিডিও দেখে আমার কাছে আসেন এবং তাঁর জীবনের কষ্টের কথাগুলো শেয়ার করেন। আমি তাঁকে বললাম, “আপনার চিকিৎসার দায়িত্ব আমি নিলাম।” চিকিৎসার খরচ বহন করার সামর্থ্য খুব বেশি না থাকা সত্ত্বেও, আমি আমার টিম নিয়ে তাঁর নাকের অপারেশন করেছিলাম।
কয়েকবার ফলো-আপের পর শেষ ফলো-আপে তাঁর সঙ্গে একটি ভিডিও ধারণ করেছিলাম। ভিডিওটি দেখতে পারবেন আগামীকাল সকাল ১০টায়। সেখানে জানতে পারবেন, একজন নারী কতটা সংগ্রাম করে নিজের চেষ্টায় কষ্টের জীবন বদলে দিয়ে আবার সুন্দর জীবন ফিরে পেয়েছেন।
সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ।
2 weeks ago | [YT] | 477
View 20 replies
Dr. Bashudeb Kumar Saha
চোখের আড়াল হলেই মানুষ
মনের আড়াল হয়ে যায়।
****************
কথাটা কার কাছে কতটা সত্য মনে হয় জানিনা, তবে আমি বিশ্বাস করি আপন-পর, চেনা-অচেনা, যেকোনো মানুষ যখন কাছে থাকে তখন তার প্রতি মায়া ও ভালোবাসাটা দূরের মানুষটার চাইতে অনেকটাই বেশী হয়। তাইতো আমি সবসময়েই চাই, বিশেষ করে আমার আপন মানুষগুলো যেন সবসময় আমার চোখের সামনে অর্থাৎ আমার আশেপাশেই যেন থাকে।
বাবা-মা কে হারানোর পর ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তান, স্বজনরাই আমার সুখে থাকার অবলম্বন। আমি সবসময়েই চাই এই মানুষগুলোকে নিয়ে মিলেমিশে একসাথে থাকতে, তাইতো একটু সময় সুযোগ পেলেই তাদের নিয়ে সময় কাটাই, আনন্দ করি, ঘুরতে যাই। এতে করে আমি মানসিক ভাবে অনেকটাই শান্তি পাই।
সুন্দরবন দেখাটা ছিল আমার অনেক দিনের স্বপ্ন, তাইতো ব্যস্ত জীবন থেকে সময় বের করে সবাইকে নিয়ে গিয়েছিলাম সুন্দরবনে ঘুরতে। যেতে যেতে অনেক আনন্দ করলাম, সুন্দরবন ঘুরে দেখলাম এবং রাত কাটালাম নদীর মাঝে "সিম্ফোনি অফ দা ওয়েভ ২" এর ইনডোরে। মনে হয়েছিল একটি ভাসমান বাড়িতে আছি।
২৮ সদস্যের পরিবারের সবাইকে নিয়ে অনেক মজা করেছি, অনেক কিছু দেখেছি-জেনেছি এবং আমার ভালোবাসার মানুষদের জন্য পুরো আয়োজনের ভিডিও ধারণ করেছি। ৩ পর্বের ধারাবাহিক বিনোদনের ১ম পর্ব দেখবেন আগামীকাল সকাল ১০:০০ টায়, আশা করছি সে পর্যন্ত আমার সাথেই থাকবেন।
3 weeks ago | [YT] | 938
View 23 replies
Dr. Bashudeb Kumar Saha
রোগব্যাধি কখনো আপন-পর বোঝে না, ঘরে-বাইরে বোঝে না, দেশে কিংবা প্রবাসেও বোঝে না। যেকোনো স্থানে থাকা অবস্থায় একজন মানুষ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে রোগ সারাতে হলে অবশ্যই ঘরের বাইরে যেতে হবে, একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
চিকিৎসক হিসেবে রোগীদের কতটুকু সেবা করতে পারছি, জানি না। তবে চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছি না। তারপরও হয়তো সবার মনের মতো হতে পারছি না। তবুও থেমে নেই আমি। কাছে-দূরে, পথে-ঘাটে, মোবাইলে—আপন-পর সবার কাছেই যতটুকু পারছি চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছি।
মিষ্টি এই মেয়েটি আমার পরিবারের একজন সদস্য, যার একটি অপারেশন আমি করেছিলাম। বর্তমানে সে কেমন আছে, সেটাই জানাব আজ। একজন চিকিৎসকের একার পক্ষে কখনোই একজন রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা সম্ভব নয়। একটি হাসপাতালের প্রতিটি মানুষেরই অবদান রয়েছে একজন রোগীর সুস্থতার পেছনে।
‘তানিশা’ ম্যালিয়াস পরিবারের একজন সদস্য, যিনি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকদের পাশে থেকে রোগীদের সেবা করে আসছেন। কিন্তু নিজের রোগটিকে গুরুত্ব দিচ্ছিলেন না। তাই বলে রোগও তাকে ছেড়ে দিচ্ছিল না; নিয়মিত কষ্ট দিয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে যখন তিনি আমাকে বিষয়টি জানালেন, আমি সঙ্গে সঙ্গেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলাম।
চিকিৎসা নেওয়ার পর এখন তিনি কেমন আছেন, আগে কেমন ছিলেন, কী হয়েছিল—এসব কিছুই জানতে পারবেন আগামীকাল বিকেল ৫:০০টায় আমার সঙ্গে তার ধারণ করা একটি ভিডিও দেখে। আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই। কারণ সচেতনতাই পারে আমাদের অনেক ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে। ধন্যবাদ সবাইকে।
1 month ago | [YT] | 752
View 35 replies
Dr. Bashudeb Kumar Saha
জনপ্রিয় অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু ভাই, যার অভিনয় দেখেছেন কিন্তু ভালো লাগেনি—এমন মানুষ নেই বললেই চলে। আমার দেখা ‘মনপুরা’ সিনেমায় নায়িকার বাবার চরিত্রে তার অভিনয় অসাধারণ লেগেছে। তিনি আমার খুবই পছন্দের একজন মানুষ।
এমন একজন প্রিয় মানুষকে যখন আমি আমার চেম্বারে পেলাম, তার সঙ্গে কিছু সময় কাটালাম এবং কিছু চিকিৎসাসেবা দিতে পারলাম, তখন নিজের কাছে খুবই ভালো লেগেছিল। একই সঙ্গে তার মেয়েকেও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ হয়েছিল।
মানবদেহের অত্যন্ত মূল্যবান একটি অঙ্গ হলো কান। এটি খুবই সংবেদনশীল। সামান্য ভুল, আঘাত কিংবা অসতর্কতার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। বিষয়টি আমরা প্রতিনিয়তই আমাদের দৈনন্দিন চিকিৎসা-চর্চায় দেখতে পাই।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আমি নিয়মিত স্বাস্থ্যবিষয়ক ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে থাকি। বিশেষ করে ‘Let's Talk With Dr. Bashudeb’ নামে জিটিভিতে সম্প্রচারিত একটি অনুষ্ঠানে বাবু ভাই আমার সঙ্গে ছিলেন। এজন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।
বাবু ভাই যখন আমার চেম্বারে এসেছিলেন, তখন তাকে যে সেবা দিয়েছিলাম, সেই অভিজ্ঞতা এবং তা থেকে সাধারণ মানুষ যা জানতে পারবেন—বিশেষ করে কুয়াকাটায় শুটিংয়ের একটি ঘটনা-সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—এসব নিয়ে ধারণ করা আমার একটি ভিডিও দেখতে পারবেন।
ভিডিওটি দেখবেন আগামীকাল সকাল ১০:০০টায়। সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ।
1 month ago | [YT] | 931
View 22 replies
Dr. Bashudeb Kumar Saha
৩০ বছর বয়সী এই বোনটির জীবনে ৯টি অপারেশন হয়েছিল এবং ছয়বার তাকে জেনারেল অ্যানেস্থেশিয়া, অর্থাৎ পুরোপুরি অজ্ঞান থাকতে হয়েছিল। তারপরও তার মনে কোনো ভয় ছিল না, কারণ তার স্বামী ছিলেন একমাত্র মানুষ, যিনি তাকে ভালোবাসা ও সাহস দিয়ে পাশে ছিলেন।
আমি যখন তার ৯ম অপারেশন করতে গেলাম, তখন জানলাম তার জীবনের সব কষ্টের কথা। সত্যিই, অপারেশনের সময় তার সাহসিকতার প্রশংসা না করলেই নয়। কিন্তু স্বামী পাশে থাকার পরও ছোট্ট সন্তানটির কথা ভেবে এবারের অপারেশন নিয়ে তার অনেকটাই ভয় ছিল।
সৃষ্টিকর্তার কৃপায় এবং সকলের দোয়ায় যখন বোনটির অপারেশন সম্পন্ন করলাম, তখন দেখলাম কত দ্রুত তিনি নিজেকে সুস্থ বলে উপস্থাপন করেছেন। তার ভাষ্যমতে, অতীতের অপারেশনগুলোর তুলনায় এবারের অপারেশনের পর তিনি দ্রুত সুস্থ হয়েছেন।
জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে একটি ভিডিও ধারণ করলাম এবং বুঝতে পারলাম, একজন স্বামীর কতটা ধৈর্য থাকলে তিনি অসুস্থ স্ত্রীর পাশে এভাবে সাহস ও ভালোবাসা নিয়ে থাকতে পারেন। তার একটি ভিডিও আগামীকাল সকাল ১০:০০টায় দেখবেন।
সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ।
1 month ago | [YT] | 532
View 11 replies
Dr. Bashudeb Kumar Saha
একটু সুস্থতার আশায় মানুষ রোগব্যাধি নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যায়, আর চিকিৎসক তাঁর সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যান রোগীর পূর্ণ সুস্থতা ফিরিয়ে দেওয়ার আশায়। যদিও সেটা সব সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না; অনেক সময় চিকিৎসকও নিরুপায় হয়ে যান।
যেকোনো রোগ শুরুতেই চিকিৎসা করা গেলে সেই রোগ খুব সহজেই নিরাময় হয়। তবে মানুষ যখন ডাক্তারের কাছে না গিয়ে বছরের পর বছর শরীরে রোগ পুষে রাখেন, তখন বলা যায় একটি জীবন মৃত্যুর দিকে অগ্রসর হয়।
আমি বারবারই চেষ্টা করি মানুষ যেন রোগ সম্পর্কে জানে এবং সচেতন হয়ে ঘরে বসে না থেকে দ্রুত চিকিৎসা নেয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, এখনো অনেকে আছেন যারা ভয় এবং অর্থের অভাবে হাসপাতালে না গিয়ে ঘরে বসেই সময় কাটান।
মায়ের মতো এই মানুষটি যখন তাঁর স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে আমার চেম্বারে এসেছিলেন, আমি তাঁকে দেখে অনেকটাই অবাক হলাম যে, এত বড় টিউমার নিয়ে তিনি কীভাবে জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁর পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে খুবই কষ্ট পেলাম।
এই মা থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের জটিল এক ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। পাথরের মতো শক্ত, বিশাল একটি ক্যান্সার টিউমার তাঁর থাইরয়েড গ্ল্যান্ডে বাসা বেঁধেছে। বলা যায়, নিথর কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছেন ৬০ বছর বয়সী এই মা জননী।
দুঃখের বিষয় হলেও সত্য, তাঁর এই টিউমারটি অপারেশন করা যাবে না। কেন যাবে না, তা জানতে একটি সচেতনতামূলক ভিডিও দেখবেন আগামীকাল সকাল ১০:০০টায়। সকলে এই মায়ের জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ করবেন। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।
2 months ago | [YT] | 642
View 21 replies
Dr. Bashudeb Kumar Saha
সুখে এবং দুঃখে যে মানুষটি হাসে, সৃষ্টিকর্তাও তাকে ভালোবাসেন। দুঃখ ছাড়া মানুষ জীবনে সুখের অনুভূতি করতে পারে না। সুখের পর যেমন দুঃখ আসে, তেমনি দুঃখের পরও সুখ আসে। তবে হতাশ হওয়া যাবে না। সৃষ্টিকর্তার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে হবে।
হাসিখুশি এই মানুষটি কখনোই ভাবেননি, তাঁর জীবনে এমন একটি কষ্টের বোঝা বইতে হবে। গলার সামনে ছিল বিশাল বড় একটি ক্যান্সারের টিউমার, তবুও তাঁর মনে কোনো হতাশা ছিল না। নিজের কষ্টগুলো হাসি দিয়ে জয় করেছেন এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য চেয়েছেন।
৭৪ বছর বয়সী এই মানুষটি বলা যায়, সুস্থ হওয়ার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। অনেক ছোটাছুটির পর আমার একটি ভিডিও দেখে তাঁর মনে আবার সুস্থ হওয়ার স্বপ্ন জেগেছে। আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যারা আমাকে ভালোবেসে আমার প্রতি আস্থা রেখেছেন।
অবশেষে ৫ ঘণ্টার চেষ্টায়, সৃষ্টিকর্তার কৃপায় এবং সকলের দোয়ায় যখন তাঁর সফল অপারেশন করতে পারলাম, তখন একজন চিকিৎসক হিসেবে যে শান্তি পেয়েছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তাঁরই একটি ভিডিও আগামীকাল সকাল ১০:০০টায় দেখবেন।
আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ, যারা আমাকে এই অপারেশনটি সফল করতে সহযোগিতা করেছেন। সবাই তাঁর জন্য দোয়া করবেন, সৃষ্টিকর্তা যেন তাঁকে সুন্দর একটি জীবন দান করেন। সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করি। ধন্যবাদ।
2 months ago | [YT] | 602
View 18 replies
Load more