অচেনা বন্য গ্রামের ছোট্ট বাজারে শুধু চা-বিস্কুটময় লাঞ্চের দিন শেষে গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি এই ছবিটা।
কোচ/মান্দাই/ক্ষত্রীয়/বর্মণ বাড়ির আঙিনা।বইয়ের জন্য বাড়িওয়ালার লাল পোষাক পরিহিত দুই হাতে দুটি শিং নিয়ে দাঁড়ানো স্পেশাল কিছু ছবি রেখেছি।
এসব উনার পিতামহের স্মৃতি।হরিণের শিংয়ের একাংশ ব্যবহার করেছিলেন দোতরা তৈরিতে।শিল্পী ছিলেন।
এখনকার সদালাপি অতুল চন্দ্র কামার কোচ যাত্রাপালায় কাজ করেছেন।শিল্পী মানুষ।নিজের দাদার দাদার নাম জানেন।
(পরিচয়ের সুবিধার্থে কোচ লিখলাম। যদিও উনারা এখন বর্মণ/ক্ষত্রীয় এসব লিখেন কোচ মান্দাইয়ের জায়গায়)।জমি বিক্রির জাতিগত কিছু রীতিগত সীমাবদ্ধতায় বৃটিশ আমলে আদমশুমারির সময় ক্ষত্রীয় উপাধি পান আবেদন করে।)
উনার দাদা বড় একটা রুপার পয়সা দিয়েছিলেন।২৪ বছর আগে কালিয়াকৈর বাজারে ১২০০ টাকা বিক্রি করেছেন।
বালু নদীতে বেরাইদ থেকে ইছাপুরায় লোকাল ট্রলার চলতো।
২০১৫ সালে আমেরিকান এম্বাসির বিপরীতে ভাটারা থানার সামনে থেকে লোকাল সিএনজিতে অচেনা বেরাইদে প্রথমবার যাই।
চলতি পথের উল্লেখযোগ্য অংশেই দেখেছি নিচু জমি এবং ধানক্ষেত।এখন যেখানে ইউনাইটেড/শেফ'স টেবিল ঐসব এলাকা আরকি।একশো ফিট/ফুট তখন হয়ে উঠেনি বোধহয়।
বেরাইদের বালু নদীর উদ্দেশ্যেই যাওয়া সেদিন।
বেরাইদে কিছু পুরাতন মসজিদ আছে শুনেছি। সবচেয়ে পুরানোটি কত সালে নির্মিত?
বেরাইদের চামড়ার ব্যবসা প্রসিদ্ধ। আগের সময়ের দ্বিতীয় হাজারীবাগ বলা যেত নাকি?
ট্রলার ঘাটে দেখি ইছাপুরার লোকাল ট্রলার।সেদিন আবার ইছাপুরায় হাটবার।
তখনো বেরাইদের বিপরীতে জলসিঁড়ি আবাসনের মহাযজ্ঞ শূরু হয়নি বোধহয়।চোখে পড়েনি তেমন কিছু।এখনকার মত দৃষ্টিনন্দন সেতুর তো প্রশ্নই আসে না তখন।
জলসিঁড়িতে বিলুপ্ত হওয়া সাবেক গ্রামগুলোর নাম কি?
ইছাপুরায় (রুপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ) যাওয়ার পথে একের পর এক অগণিত কার্গো দেখেছিলাম।বালু নদীতে বালুর নৌযান। বিলঝিল ভরাট করে আবাসনের খেলা আরকি।
ঢাকার শহরতলীর বিখ্যাত গ্রাম্য হাট ইছাপুরা।একটু উত্তরেই এখনকার নীলা মার্কেট।তখন তো আর ভাইরাল স্পট ছিল না এটা।ছিলোই না বোধহয় খাদ্যের দোকানগুলো ওখানে।
ইছাপুরার পশ্চিম পাড় থেকেই লেগুনায় উঠে খিলক্ষেত হয়ে ফিরেছিলাম সেবার।
রুপগঞ্জের বাঘবেড়ে আমার সাবেক কর্মস্থল ব্যাংকটির একটা উপশাখা ছিল।আমি কাজ করতাম গাজীপুরের বাঘের বাজারে। প্রায়ই হেড অফিস থেকে পাঠানো হার্ডকপির চিঠি অদলবদল হয়ে যেত বাঘবেড় এবং বাঘের বাজারের মধ্যে। মেইলের যুগ না হলে চরম ভোগান্তি হত।
বাঘবেড়ের উত্তর পাশের এলাকায়(এখনকার পূর্বাচল) ছিল গুতিয়াব গজারি গড়। সেখানে বাঘের ভয়ে একসময় বাদী-বিবাদী দলবেঁধে হাঁটতো ভাওয়াল থেকে ঢাকার আদালতে যাওয়ার পথে হেঁটে হেঁটে।
আবু জাফর শামসুদ্দীনের (জন্ম ১৯১১) আত্মস্মৃতি বইতে উনার বাবার সময়ে স্মৃতি/শ্রুতি অবলম্বনে লিখেছেন বাঘের বিষয়টি।
১৯৬৬-৬৭ সালের কথা।কোন্দা নৌকায় চড়ে এই বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন দাদার কাকা,দাদার চাচাতো বোন এবং উনায সমবয়সী আমার ফুপু।
দাদার কাকার বড় একটা কোন্দা ছিল।তাল গাছের ছোট নৌযান। প্রতিদিন ছুটে বেড়াতেন বিল-বিলান্তরে।
টেকের উঁচু জমির দেখাশোনা করতেন,বড়শি দিয়ে মাছ ধরতেন,বন এলাকায় বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে যেতেন, মসজিদে ইমামতিও করতেন। টুকটাক আরবি-ফার্সি-উর্দু জানতেন।লোকে বলতো মুন্সী।
সেদিন কথায় কথায় ফুপু বলছিলেন উনারা ১০/১২ বছর বয়সে গজারি গড়(শালবন) দেখার আবদার করতে থাকেন।
ফুফুর বাবার(আমার দাদা) মৃত্যুর (১৯৬৫) পরবর্তী সময়।
একদিন রাজি হলেন নিজের মেয়ে এবং সমবয়সী নাতনীকে (বড় ভাইয়ের) নিয়ে গজারি গড় দেখাতে নিয়ে যেতে।
ছোট-বড় তিনটি বিল শেষে তৃতীয় গ্রামের মাথায় আড়ালজুরী খালের 'হুতি' এলাকা।
বনের পাশে শেষ বাড়ি। উঁচু টেক।
কোন্দা থেকে নামিয়ে টেকের ঢালে দুজনকে অপেক্ষায় রেখে তিনি উপরে উঠলেন বন্ধুর/সমমনা শুভাকাঙ্ক্ষীর বাড়ি।
ঐ সময় ফুফুরা ওপাশের টেকে দেখতে পেলেন বন্য শূকরের পাল।তখন অবশ্য চিতাবাঘ-টাইগার বিলুপ্ত এই বন থেকে।
এরপর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হল ছোট কিশোরী মেহমানদের। উপরের উঠে ফুফুরা অবাক।বনের পাশের বাড়িতে বড় বড় মাটির ঘর।মুরগি রান্না হচ্ছে।
খোঁজে খোঁজে অবশেষে সেই বাড়িতে আজ গেলাম আমি।অনুভব করলাম ঐ সময়টা।(৯০ বছর বয়সী নানা মিলু খানের মাধ্যমে সনাক্ত করেছি বাড়িটা)
টেহার বাপের বাড়ি/টুকুর বাড়ি/কেরামত আলীর বাড়ি।
দুনিয়ায় উনি নাই,ছেলেরা নাই।নাতিদের সময় এখন।
মোস্তফা নামে ৬৫ বছরের একজন নাতির সাথে গল্প হল আজ এখানে। উনার দাদা সরসপুরের সমতল থেকে পাশের তরুল গ্রামের উঁচু ভূমিতে এসে বসত গড়েছিলেন।
১৯৫১ সালে ঈদগাহ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় টেহার বাপের আর্থিক এবং স্বেচ্ছাশ্রমের মূল্যবান অবদান রয়েছে এমদাদ খান(আমার দাদার দাদা),আরজু মিয়া, আয়নার বাপদের(ইয়াছিন ফকির)মত।
টেহার বাপের তাঁত ছিল।সেই তাঁত বিক্রি করেই এই টেকে জমি কিনেছিলেন।উনার নাতীদের লোকে বলতো তাঁতীর নাতি।টেহা কারো নাম হয়।হয়তো টেকে(আঞ্চলিক ভাষায় 'টেহ'বাড়ি করেছেন বলেই এই নাম।
দাদার কাকা অর্থাৎ যার সাথে কোন্দায় বন দেখতে গিয়েছিলেন উনারা,আমার পৌনে তিন বছর বয়সে উনার মৃত্যু হয়।
সৌভাগ্যক্রমে ঐ বয়সেরই দুটি ঝাঁপসা স্মৃতি কেন যেন মনে আছে।
(১)ফর্সা দাঁড়িওয়ালা একজন বৃদ্ধ আমার সাথে কথা বলার চেষ্টা করছেন। ২)দাফন করা হয়ে গিয়েছে। মোনাজাতের আগ মুহূর্তে বড়দের ভীড়ে পাশে থাকা ছোট একটা বড়ই গাছের পাতা ধরার চেষ্টা করছি।
Nazib Mahfuz Khan
গাজীপুরের জামালপুর বাজারটি শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত।নদীর ওপাড়েই নরসিংদীর পলাশ সদর/শহর।
আজ শনিবার ছিল জামালপুরে হাটবার।
12 hours ago | [YT] | 7
View 0 replies
Nazib Mahfuz Khan
বিলের দ্বীপ/অন্তরীপ আমদাইর গ্রাম।
কালিয়াকৈরের মধ্যপাড়া ইউনিয়ন।
কাপাসিয়ায় আছে আমরাইদ বাজার/গ্রাম।
1 day ago | [YT] | 6
View 0 replies
Nazib Mahfuz Khan
অচেনা বন্য গ্রামের ছোট্ট বাজারে শুধু চা-বিস্কুটময় লাঞ্চের দিন শেষে গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি এই ছবিটা।
কোচ/মান্দাই/ক্ষত্রীয়/বর্মণ বাড়ির আঙিনা।বইয়ের জন্য বাড়িওয়ালার লাল পোষাক পরিহিত দুই হাতে দুটি শিং নিয়ে দাঁড়ানো স্পেশাল কিছু ছবি রেখেছি।
এসব উনার পিতামহের স্মৃতি।হরিণের শিংয়ের একাংশ ব্যবহার করেছিলেন দোতরা তৈরিতে।শিল্পী ছিলেন।
এখনকার সদালাপি অতুল চন্দ্র কামার কোচ যাত্রাপালায় কাজ করেছেন।শিল্পী মানুষ।নিজের দাদার দাদার নাম জানেন।
(পরিচয়ের সুবিধার্থে কোচ লিখলাম। যদিও উনারা এখন বর্মণ/ক্ষত্রীয় এসব লিখেন কোচ মান্দাইয়ের জায়গায়)।জমি বিক্রির জাতিগত কিছু রীতিগত সীমাবদ্ধতায় বৃটিশ আমলে আদমশুমারির সময় ক্ষত্রীয় উপাধি পান আবেদন করে।)
উনার দাদা বড় একটা রুপার পয়সা দিয়েছিলেন।২৪ বছর আগে কালিয়াকৈর বাজারে ১২০০ টাকা বিক্রি করেছেন।
দামাদামি করেননি।দোকানি এটাই দিয়েছে।
মটরসাইকেল ঠিক করার জন্য বিক্রি করেছিলেন।
এভাবেই তো ঐতিহাসিক উপাদান সব গলে যায় মুছে যায়।
(টাঙ্গাইল সীমান্তবর্তী গাজীপুর কালিয়াকৈরের চাপাইর ইউনিয়ন।)
2 days ago | [YT] | 5
View 0 replies
Nazib Mahfuz Khan
ভাল্লুকবেড়ের প্রায় অর্ধেক এবং ধূলিগড়ার ৩০ শতাংশ মানুষ কোচ/মান্দাই সম্প্রদায়ের।
গতকাল গিয়েছিলাম গাজীপুর কালিয়াকৈরের চাপাইর ইউনিয়নের পাশাপাশি এই দুটো গ্রামে।
ভাল্লুকবেড়ের পশ্চিম পাশেই টাঙ্গাইল জেলার শুরু।ঐ যে কিডনী নাটকের শুটিং হওয়া সেই 'তেলিনা' গ্রাম সেখানে।
বৈচিত্র্যময় গাজীপুর জেলা।
ভালো লাগলো জন বৈচিত্র্যময় নৃগোষ্ঠীর এই বিপুল উপস্থিতি দেখে।
স্থানীয় কোচ/ক্ষত্রীয়দের মতে কালিয়াকৈর উপজেলার মাঝে গ্রাম হিসেবে সবচেয়ে বেশি কোচদের বসবাস ধূলিগড়াতেই।
2 days ago | [YT] | 10
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
১০০ টাকায় ৩০ পিস দেশী লাল পেয়ারা বিক্রি করলো সেধে।
আজ ছিল কাপাসিয়ায় হাটবার।কান্দানিয়া গ্রাম থেকে নিজ গাছের লাল পেয়ারা নিয়ে এসেছিলেন একজন।
এতটুকুই ছিল বিক্রি করার পর সবশেষ উনার কাছে।
বললেন এতক্ষণ ১২০ দরে বিক্রি করেছেন এখন ১০০ টাকা কেজিতে ছেড়ে দিবেন।
আধা কেজি দিতে বললাম।
মাপতে গিয়ে বললেন সবটুকু নিয়ে যান ১০০ টাকায়।মাপার দরকার নাই।অনেক বেশি আছে এক কেজির চেয়ে।
আজ দুপুরে এই গৃহস্থের মাধ্যমে কাপাসিয়ায় যেন একখণ্ড স্বরুপ কাঠি/ভিমরুলী নেমে এসেছিল।
অর্ধেক কাটা লাল অংশটা উনার কাছে এভাবে ছিল ক্রেতা আকর্ষণ তথা জাত চেনানোর জন্য।
দিতে দিতে বললেন চারটা আপেলের সমান একটা পেয়ারার ভিটামিন।
©FB Page-Nazib Mahfuz khan
4 days ago | [YT] | 19
View 4 replies
Nazib Mahfuz Khan
বালু নদীতে বেরাইদ থেকে ইছাপুরায় লোকাল ট্রলার চলতো।
২০১৫ সালে আমেরিকান এম্বাসির বিপরীতে ভাটারা থানার সামনে থেকে লোকাল সিএনজিতে অচেনা বেরাইদে প্রথমবার যাই।
চলতি পথের উল্লেখযোগ্য অংশেই দেখেছি নিচু জমি এবং ধানক্ষেত।এখন যেখানে ইউনাইটেড/শেফ'স টেবিল ঐসব এলাকা আরকি।একশো ফিট/ফুট তখন হয়ে উঠেনি বোধহয়।
বেরাইদের বালু নদীর উদ্দেশ্যেই যাওয়া সেদিন।
বেরাইদে কিছু পুরাতন মসজিদ আছে শুনেছি। সবচেয়ে পুরানোটি কত সালে নির্মিত?
বেরাইদের চামড়ার ব্যবসা প্রসিদ্ধ। আগের সময়ের দ্বিতীয় হাজারীবাগ বলা যেত নাকি?
ট্রলার ঘাটে দেখি ইছাপুরার লোকাল ট্রলার।সেদিন আবার ইছাপুরায় হাটবার।
তখনো বেরাইদের বিপরীতে জলসিঁড়ি আবাসনের মহাযজ্ঞ শূরু হয়নি বোধহয়।চোখে পড়েনি তেমন কিছু।এখনকার মত দৃষ্টিনন্দন সেতুর তো প্রশ্নই আসে না তখন।
জলসিঁড়িতে বিলুপ্ত হওয়া সাবেক গ্রামগুলোর নাম কি?
ইছাপুরায় (রুপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ) যাওয়ার পথে একের পর এক অগণিত কার্গো দেখেছিলাম।বালু নদীতে বালুর নৌযান। বিলঝিল ভরাট করে আবাসনের খেলা আরকি।
ঢাকার শহরতলীর বিখ্যাত গ্রাম্য হাট ইছাপুরা।একটু উত্তরেই এখনকার নীলা মার্কেট।তখন তো আর ভাইরাল স্পট ছিল না এটা।ছিলোই না বোধহয় খাদ্যের দোকানগুলো ওখানে।
ইছাপুরার পশ্চিম পাড় থেকেই লেগুনায় উঠে খিলক্ষেত হয়ে ফিরেছিলাম সেবার।
রুপগঞ্জের বাঘবেড়ে আমার সাবেক কর্মস্থল ব্যাংকটির একটা উপশাখা ছিল।আমি কাজ করতাম গাজীপুরের বাঘের বাজারে। প্রায়ই হেড অফিস থেকে পাঠানো হার্ডকপির চিঠি অদলবদল হয়ে যেত বাঘবেড় এবং বাঘের বাজারের মধ্যে। মেইলের যুগ না হলে চরম ভোগান্তি হত।
বাঘবেড়ের উত্তর পাশের এলাকায়(এখনকার পূর্বাচল) ছিল গুতিয়াব গজারি গড়। সেখানে বাঘের ভয়ে একসময় বাদী-বিবাদী দলবেঁধে হাঁটতো ভাওয়াল থেকে ঢাকার আদালতে যাওয়ার পথে হেঁটে হেঁটে।
আবু জাফর শামসুদ্দীনের (জন্ম ১৯১১) আত্মস্মৃতি বইতে উনার বাবার সময়ে স্মৃতি/শ্রুতি অবলম্বনে লিখেছেন বাঘের বিষয়টি।
©FB Page-Nazib Mahfuz khan
5 days ago | [YT] | 9
View 3 replies
Nazib Mahfuz Khan
এই খালে নদী ছিল।
১৭৮৭ এবং ১৮৯৭ এর ধাক্কায় ছোট নদী হয়েছে বড় খাল।
বানার(শীতলক্ষ্যা) টু বানারের সংযোগ ধারা।
কাপাসিয়ার বড়ধারার খাল।
এখানে কালো পানি দেখতে চাইলে, জায়গাটা ধ্বং/স করতে চাইলে কি স্থাপন করতে হবে অপরুপ সৌন্দর্যময় এই পরিপূর্ণ আবাসিক অঞ্চলে?
6 days ago | [YT] | 18
View 4 replies
Nazib Mahfuz Khan
সাঙ্গু এবং মাতামুহুরী নদীর মধ্যবর্তী এলাকাটি বোধহয় এখন সবচেয়ে বেশি বন্যা কবলিত।
উপজেলা হিসেবে চট্টগ্রামের বাঁশখালী কি সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত?
বাঁশখালীর উত্তর সীমানায় সাঙ্গু এবং দক্ষিণে মাতামুহুরী নদী।
6 days ago | [YT] | 10
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
১৯৬৬-৬৭ সালের কথা।কোন্দা নৌকায় চড়ে এই বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন দাদার কাকা,দাদার চাচাতো বোন এবং উনায সমবয়সী আমার ফুপু।
দাদার কাকার বড় একটা কোন্দা ছিল।তাল গাছের ছোট নৌযান। প্রতিদিন ছুটে বেড়াতেন বিল-বিলান্তরে।
টেকের উঁচু জমির দেখাশোনা করতেন,বড়শি দিয়ে মাছ ধরতেন,বন এলাকায় বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে যেতেন, মসজিদে ইমামতিও করতেন। টুকটাক আরবি-ফার্সি-উর্দু জানতেন।লোকে বলতো মুন্সী।
সেদিন কথায় কথায় ফুপু বলছিলেন উনারা ১০/১২ বছর বয়সে গজারি গড়(শালবন) দেখার আবদার করতে থাকেন।
ফুফুর বাবার(আমার দাদা) মৃত্যুর (১৯৬৫) পরবর্তী সময়।
একদিন রাজি হলেন নিজের মেয়ে এবং সমবয়সী নাতনীকে (বড় ভাইয়ের) নিয়ে গজারি গড় দেখাতে নিয়ে যেতে।
ছোট-বড় তিনটি বিল শেষে তৃতীয় গ্রামের মাথায় আড়ালজুরী খালের 'হুতি' এলাকা।
বনের পাশে শেষ বাড়ি। উঁচু টেক।
কোন্দা থেকে নামিয়ে টেকের ঢালে দুজনকে অপেক্ষায় রেখে তিনি উপরে উঠলেন বন্ধুর/সমমনা শুভাকাঙ্ক্ষীর বাড়ি।
ঐ সময় ফুফুরা ওপাশের টেকে দেখতে পেলেন বন্য শূকরের পাল।তখন অবশ্য চিতাবাঘ-টাইগার বিলুপ্ত এই বন থেকে।
এরপর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হল ছোট কিশোরী মেহমানদের।
উপরের উঠে ফুফুরা অবাক।বনের পাশের বাড়িতে বড় বড় মাটির ঘর।মুরগি রান্না হচ্ছে।
খোঁজে খোঁজে অবশেষে সেই বাড়িতে আজ গেলাম আমি।অনুভব করলাম ঐ সময়টা।(৯০ বছর বয়সী নানা মিলু খানের মাধ্যমে সনাক্ত করেছি বাড়িটা)
টেহার বাপের বাড়ি/টুকুর বাড়ি/কেরামত আলীর বাড়ি।
দুনিয়ায় উনি নাই,ছেলেরা নাই।নাতিদের সময় এখন।
মোস্তফা নামে ৬৫ বছরের একজন নাতির সাথে গল্প হল আজ এখানে। উনার দাদা সরসপুরের সমতল থেকে পাশের তরুল গ্রামের উঁচু ভূমিতে এসে বসত গড়েছিলেন।
১৯৫১ সালে ঈদগাহ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় টেহার বাপের আর্থিক এবং স্বেচ্ছাশ্রমের মূল্যবান অবদান রয়েছে এমদাদ খান(আমার দাদার দাদা),আরজু মিয়া, আয়নার বাপদের(ইয়াছিন ফকির)মত।
টেহার বাপের তাঁত ছিল।সেই তাঁত বিক্রি করেই এই টেকে জমি কিনেছিলেন।উনার নাতীদের লোকে বলতো তাঁতীর নাতি।টেহা কারো নাম হয়।হয়তো টেকে(আঞ্চলিক ভাষায় 'টেহ'বাড়ি করেছেন বলেই এই নাম।
দাদার কাকা অর্থাৎ যার সাথে কোন্দায় বন দেখতে গিয়েছিলেন উনারা,আমার পৌনে তিন বছর বয়সে উনার মৃত্যু হয়।
সৌভাগ্যক্রমে ঐ বয়সেরই দুটি ঝাঁপসা স্মৃতি কেন যেন মনে আছে।
(১)ফর্সা দাঁড়িওয়ালা একজন বৃদ্ধ আমার সাথে কথা বলার চেষ্টা করছেন।
২)দাফন করা হয়ে গিয়েছে। মোনাজাতের আগ মুহূর্তে বড়দের ভীড়ে পাশে থাকা ছোট একটা বড়ই গাছের পাতা ধরার চেষ্টা করছি।
1 week ago | [YT] | 18
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
অর্ধেক ভ্যান বড় কাঁঠাল ৮০০ টাকায় বিক্রি করলো এখন সিলেট (হবিগঞ্জ) থেকে আসা পাইকারের নিকট।
শুক্রবার,সকাল সাতটা।
বাগুনি বাজার, কাপাসিয়া।
1 week ago | [YT] | 13
View 2 replies
Load more