Music can change the world. Friend's Eye Multimedia is Bangladeshi Music Label, believes in bringing world close together through its music.
Friend's Eye Multimedia is a standard and High Quality Music Video platform. You can find Audio album's music video here in HD Quality. The Videos published in this channel of Friend's Eye Multimedia .
Friend's Eye Multimedia family and its owner MH Raj is working hard to ensure exclusive quality media production for the generation.
Subscribe this entertainment channel and enjoy latest Bengali music videos.
Address:
=======
Friend's Eye Multimedia
GA-72, Baitul Aman Mosjid Market
Gulshan Badda Link Road, Middle Badda
Baddda, Dhaka - 1212
MH Raj
www.facebook.com/mh.raj.photography
Hot Line : +880 1710-282114, +880 1951-565555
E-mail: mehedihasanraj1990@gmail.com
Friend's Eye Multimedia
সেই রাতের পর আর কিছুই আগের মতো ছিল না।
মায়ের চিঠিটা আমি সারারাত বুকে চেপে বসে ছিলাম। বাইরে ফজরের আজান হচ্ছিল, দূরে কোথাও কুকুর ডাকছিল… আর আমার মনে হচ্ছিল আমি যেন নতুন করে জন্ম নিচ্ছি।
একটা মানুষকে এত বছর ধরে ভুল বুঝে বেঁচে ছিলাম।
পরদিন সকালে আমি বাবার ঘরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম।
দরজাটা আধখোলা ছিল।
বাবা নামাজ শেষে জায়নামাজে বসে ছিল। চুলগুলো পুরো সাদা হয়ে গেছে। চোখের নিচে গভীর কালি। মনে হচ্ছিল মানুষটা বহু বছর ধরেই ক্লান্ত।
আমি ধীরে ধীরে বললাম, “আব্বু…”
বাবা মুখ তুলে তাকাল।
আমার হাতে চিঠিটা দেখে তার মুখের রঙ বদলে গেল।
কয়েক সেকেন্ড কেউ কথা বলতে পারলাম না।
তারপর আমি কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করলাম, “মা কোথায়?”
বাবা চোখ নামিয়ে ফেলল।
অনেকক্ষণ চুপ থাকার পর বলল, “জানি না।”
আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম।
“মানে?”
বাবা ধীরে ধীরে বলল, “ও চলে যাওয়ার পর প্রথম দুই বছর যোগাযোগ ছিল। মাঝে মাঝে চিঠি পাঠাইত। তোদের খবর জিজ্ঞেস করত। কিন্তু পরে… হঠাৎ সব বন্ধ হয়ে যায়।”
“আপনি খুঁজেন নাই?”
বাবা তিক্ত হেসে বলল, “অনেক খুঁজছি।”
তারপর আলমারির ড্রয়ার খুলে একটা পুরোনো খাম বের করল।
খামের ওপরে হাসপাতালের নাম।
ভেতরে ছিল একটা মৃত্যু সনদ।
আমার হাত অবশ হয়ে গেল।
নামের জায়গায় লেখা— আমার মায়ের নাম।
মৃত্যুর তারিখ… আজ থেকে আট বছর আগে।
আমি কিছুই অনুভব করতে পারছিলাম না।
মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবী থেমে গেছে।
বাবা ভাঙা গলায় বলল, “ক্যান্সার শেষ পর্যন্ত ওরে ছাড়ে নাই।”
আমি ধীরে ধীরে মেঝেতে বসে পড়লাম।
আট বছর।
আটটা বছর আমি একটা মৃত মানুষকে ঘৃণা করে কাটিয়েছি।
যে মানুষটা শেষ পর্যন্ত একাই লড়েছে।
একাই মরেছে।
আমার বুকের ভেতরটা ছিঁড়ে যাচ্ছিল।
আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম, “আপনি আমাকে বলেন নাই কেন?”
বাবার চোখ ভিজে উঠল।
“কারণ আমি চাইছিলাম তুই তোর মাকে ঘৃণা কইরা না… নিজের স্বপ্ন নিয়া বাঁচ।”
“কিন্তু আমি তো পারি নাই আব্বু… আমি প্রতিরাতে ভাবছি সব আমার দোষ…”
বাবা হঠাৎ আমার মাথায় হাত রাখল।
অনেক বছর পর।
খুব আস্তে বলল, “না মা… কোনো সন্তানের সত্য বলা কখনও দোষ না।”
আমি হাউমাউ করে কেঁদে বাবাকে জড়িয়ে ধরলাম।
সেদিন প্রথমবার বুঝেছিলাম— বড়রা সবসময় শক্ত না।
কখনও কখনও তারা শুধু ভেঙে পড়া মানুষ… যারা পরিবারের জন্য অভিনয় করে যায়।
কয়েকদিন পর আমি মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম।
ছোট্ট এক কোণে ঘাসে ঢেকে থাকা কবর।
পাথরের ওপরে তার নাম লেখা।
আমি অনেকক্ষণ কিছু বলতে পারিনি।
শুধু মাটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম।
তারপর খুব আস্তে বলেছিলাম—
“আমি তোমাকে অনেক ঘৃণা করেছিলাম মা…”
বুকটা কেঁপে উঠল।
“কিন্তু এখন বুঝি… তুমি খারাপ ছিলে না। তুমি শুধু খুব একা ছিলে।”
হঠাৎ বাতাসটা একটু জোরে বয়ে গেল।
গাছের শুকনো পাতা উড়ে এসে আমার পায়ের কাছে পড়ল।
আমি চোখ মুছে হাসার চেষ্টা করলাম।
“আর হ্যাঁ… আমি আর রাগ করে নাই।”
সেদিন কবরস্থান থেকে বের হওয়ার সময় মনে হচ্ছিল বুকের ভেতর বহু বছরের জমে থাকা একটা পাথর একটু একটু করে নেমে যাচ্ছে।
সব ক্ষত পুরোপুরি সারে না।
কিছু ক্ষত শুধু মানুষকে বদলে দেয়।
আর আমি অবশেষে বুঝেছিলাম—
সেদিন বারো বছরের ছোট্ট আমি কোনো সংসার ভাঙিনি।
আমি শুধু সত্যিটা দেখেছিলাম।
MH Raj
1 month ago | [YT] | 1
View 0 replies
Friend's Eye Multimedia
সেদিন রাতটা আমি কোনোভাবেই ঘুমাতে পারিনি।
ঘরের বাতিটা নিভানো ছিল, শুধু জানালার ফাঁক দিয়ে পাশের বিল্ডিংয়ের হলুদ আলো এসে বিছানার এক কোণে পড়ছিল। আমার সামনে ছড়িয়ে ছিল সেই পুরোনো কাগজগুলো।
হাত কাঁপছিল এতটাই, ঠিকমতো ধরতেও পারছিলাম না।
প্রথম কাগজটা ছিল একটা হাসপাতালের রিপোর্ট।
তারিখটা দেখে বুক ধক করে উঠল।
ঠিক সেই সময়ের… যখন মা আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছিল।
রিপোর্টের ওপরে বড় অক্ষরে লেখা ছিল—
“Breast Carcinoma – Stage 3”
আমার চোখ ঝাপসা হয়ে গেল।
আমি বারবার পড়ছিলাম। হয়তো ভুল দেখছি ভেবে।
কিন্তু না।
মায়ের ক্যান্সার ছিল।
আমার পুরো শরীর অবশ হয়ে গেল।
নীলা ফুঁপিয়ে কাঁদছিল পাশে বসে। সে ধীরে ধীরে বলল, “আব্বু এতদিন এটা লুকাইছে…”
আমি শুকনো গলায় বললাম, “না… এটা মিথ্যা… এটা হতে পারে না…”
তারপর দ্বিতীয় কাগজটা খুললাম।
সেটা ছিল বাবার হাতে লেখা একটা চিঠি।
কাগজের কোণ হলদেটে হয়ে গেছে। কিছু জায়গায় পানির দাগ।
হয়তো কান্নার।
আমি কাঁপা হাতে পড়তে শুরু করলাম—
“রোদেলা,
যদি কোনোদিন তুই এই চিঠি পড়িস, তার মানে আমি হয়তো তখন আর থাকব না… অথবা সাহস করে মুখে বলতে পারব না।
তোর মা খারাপ মানুষ ছিল না।
যেদিন তুই ওকে ওই লোকটার সঙ্গে দেখেছিলি, সেদিনই প্রথম আমি সত্যিটা জানতে পারি।
কিন্তু সত্যিটা পুরোটা না।”
আমার বুকের ভেতর ধুকপুক শব্দ হচ্ছিল।
চিঠিতে আরও লেখা ছিল—
“তোর মায়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছিল তার ছয় মাস আগে। চিকিৎসার খরচ, সংসার, তিনটা মেয়ে… সব মিলিয়ে ও ভেঙে পড়েছিল।
অফিসের যে লোকটার সঙ্গে তুই ওকে দেখেছিলি, সে ছিল ওদের কোম্পানির ডিরেক্টর। লোকটা তোর মায়ের চিকিৎসার খরচ দিতে চেয়েছিল।
বিনিময়ে…”
আমি বাকিটা পড়তে পারছিলাম না।
অক্ষরগুলো কাঁপছিল।
চোখের পানি কাগজে পড়ছিল টুপটুপ করে।
নীলা আমার হাত শক্ত করে ধরল।
আমি আবার পড়তে শুরু করলাম—
“তোর মা রাজি হয়নি প্রথমে। অনেকবার না করেছে।
কিন্তু তারপর ডাক্তার যখন বলল, হাতে সময় কম… আর আমার পক্ষে যখন চিকিৎসার টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না…
তখন ও বদলে যেতে শুরু করে।”
আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল।
চিঠির শেষ অংশে বাবা লিখেছিল—
“ও আমাকে সব বলেছিল। কাঁদতে কাঁদতে বলেছিল।
আমি ওকে বলেছিলাম— আমরা গরিব হতে পারি, কিন্তু এইভাবে না।
তখন তোর মা একটা কথাই বলেছিল—
‘আমি মরার আগে শুধু মেয়েগুলারে নিরাপদ দেখে যেতে চাই।’
তারপর যেদিন তুই সব দেখে ফেললি… সেদিন ও পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
কারণ তুই ছিলি ওর সবচেয়ে প্রিয়।”
আমি আর ধরে রাখতে পারলাম না।
হাউমাউ করে কেঁদে উঠলাম।
আমার পুরো শৈশবটা যেন মুহূর্তে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল।
আমি এত বছর ধরে একটা মানুষকে ঘৃণা করেছি… যে মানুষটা হয়তো প্রতিদিন নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করছিল।
কিন্তু একটা প্রশ্ন তখনও মাথায় ঘুরছিল—
তাহলে মা চলে গেল কেন?
কেন একবারও ফিরে তাকাল না?
ঠিক তখনই নীলা ব্যাগের ভেতর থেকে আরেকটা ছোট খাম বের করল।
খামের ওপরে কাঁপা হাতে লেখা—
“রোদেলার জন্য”
আমার বুক কেঁপে উঠল।
এটা মায়ের হাতের লেখা।
আমি ধীরে ধীরে খামটা খুললাম।
ভেতরে ছোট্ট একটা চিঠি।
মাত্র কয়েক লাইন।
“রোদেলা,
তুই যেদিন আমাকে ওই চোখে দেখলি… সেদিন বুঝে গেছিলাম, আমি আর তোর মা হয়ে থাকতে পারব না।
আমি চাইনি তুই আমাকে ঘৃণা করিস। কিন্তু তার থেকেও বেশি চাইনি— তুই আমার মতো জীবন বাঁচিস।
তাই আমি চলে গেছি।
কারণ কখনও কখনও মা’রা পাশে থেকে না… দূরে গিয়েও সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা করে।”
চিঠিটার নিচে একটা লাইন ছিল—
“আর একটা সত্যি আছে… যেটা তোর আব্বুও জানে না।”
আমার হাত কাঁপতে শুরু করল।
শেষ লাইনে লেখা—
“তোর জন্মের আগের একটা ঘটনা… যেটার কারণে আমি সারাজীবন শাস্তি পেয়েছি।”
চলবে…
শেষ পর্ব পেতে পেজটি ফলো দিয়ে রাখুন MH Raj
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
Friend's Eye Multimedia
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
Friend's Eye Multimedia
👍
4 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Friend's Eye Multimedia
5 years ago | [YT] | 2
View 0 replies
Friend's Eye Multimedia
5 years ago | [YT] | 0
View 0 replies
Friend's Eye Multimedia
Drama: One Night
Direction: MH Raj
https://www.youtube.com/watch?v=mtyO9...
6 years ago | [YT] | 9
View 0 replies
Friend's Eye Multimedia
Coming Soon
Drama: One Night
Cast: Md Yeasin Khan & Antonnila Roseleen
Co-artist: Farhad Ahmed Labib, TN Konal Kabir, Adil Alauddin Mithun Baisnab & Others
Story & Edit: MH Raj
DOP : Ismail Hossen
Direction: MH Raj
Label: Friend's Eye Multimedia
Video link
https://www.youtube.com/watch?v=mtyO9...
6 years ago | [YT] | 6
View 0 replies
Friend's Eye Multimedia
Hi i am MH Raj
6 years ago | [YT] | 9
View 0 replies
Load more