Dr. Munmun Jahan provides expert, evidence-based guidance on mental health and nutritional psychiatry. Discover how diet, lifestyle, and psychology work together to manage stress, anxiety, depression, and improve overall mental well-being. Subscribe to gain trusted insights and take control of your mental health with confidence.

DR. MUNMUN JAHAN
MBBS, MCPS, MSc (UK)
Consultant Psychiatrist

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ

09638 505 505 অথবা 01763 438 148 | প্রতিদিন সকাল ৯টা – রাত ১০টা

WhatsApp: +8801776110510


Dr. Munmun Jahan

রাত ১১টা- ল্যাপটপ খোলা, কফির কাপ ঠান্ডা হয়ে গেছে। মনে হয়, “আজ একদম মনোযোগ দিয়ে কাজটা শেষ করবো।”

কিন্তু পাঁচ মিনিটও যায় না, হঠাৎ ফোনে একটা নোটিফিকেশন, তারপর রিল, তারপর ইউটিউব, আর আবারও মনোযোগ হারিয়ে যায়।

পরিচিত লাগছে? এই চক্রটা এখন আমাদের প্রায় সবার জীবনের অংশ।

আমরা কাজ শুরু করি প্রচণ্ড উদ্যমে, কিন্তু শেষ করতে পারি না মনোযোগের ঘাটতির জন্য।

অনেকেই ভাবেন, “আমি হয়তো অলস!”

কিন্তু সত্যি কথা হলো, এটা অলসতা না, বরং Executive Dysfunction নামের এক মানসিক অবস্থার প্রভাব; যেখানে মস্তিষ্ক কাজের শুরু, ধারা, আর সমাপ্তি ধরে রাখতে পারে না।

কেন এমন হয়?

➤ অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম
➤ ঘুমের অভাব
➤ মানসিক চাপ
➤ এমনকি অচেতনভাবে পারফেকশনিজমও

মনোযোগ ফেরানো সম্ভব। ছোট ছোট পরিবর্তন, যেমন, “একটা কাজ একসাথে”, “ছোট লক্ষ্য”, আর “নির্দিষ্ট সময়” - এই তিনটিই পারে আপনার ফোকাস ফিরিয়ে আনতে।

আপনিও কি প্রতিদিন এমন চক্রে আটকে যাচ্ছেন? তাহলে এবার একটু ব্রেক নিন। মনোযোগের নিয়ন্ত্রণটা ফিরিয়ে আনুন নিজের হাতে!

12 hours ago | [YT] | 138

Dr. Munmun Jahan

সময় ক্ষতকে দূরে সরিয়ে দেয়, কিন্তু heal সবসময় করে না। Growth, healing, stability এগুলো ক্যালেন্ডারের সাথে আসে না। এগুলো আসে commitment থেকে।

সেই commitment, যেটা আপনি নিজের সাথে করেন। আমরা প্রায়ই বলি, “আমি বদলাতে চাই” “আমি mentally better হতে চাই।” কিন্তু পরের দিনও আমরা একই reaction দিই, একই habit repeat করি, একই toxic cycle-এ ফিরে যাই।

আর সেখানেই আমরা আটকে যাই। কারণ growth সবসময় বড় কোনো মুহূর্তে আসে না। এটা আসে ছোট ছোট pause-এর মধ্যে।

যখন কিছু একটা আপনাকে trigger করলো, আর আপনি আগের মতো react না করে একটু থামলেন। সেই ছোট pause-টাই আসল পরিবর্তন। reaction আর response-এর মাঝখানের সেই কয়েক সেকেন্ড ওখানেই আপনার future version তৈরি হয়।

আপনার full confidence লাগবে না সবসময়। সব উত্তরও জানা লাগবে না। শুধু দরকার, নিজের প্রতি একটা commitment।

Change তখনই শুরু হয়, যখন আপনি নতুন জীবনযাপন করা বন্ধ করে নিজের প্রতি নতুনভাবে respond করা শুরু করেন।

2 days ago | [YT] | 396

Dr. Munmun Jahan

বিশ্বে প্রতি ৮ জনের ১ জন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন..

সংখ্যাটা শুনতে বড় মনে হলেও, এটাই বাস্তবতা। বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী The Lancet-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে, ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১২০ কোটি মানুষ কোনো না কোনো মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন।

যা ১৯৯০ সালের তুলনায় প্রায় ৯৫.৫% বেশি। তবুও আমাদের সমাজে মানসিক সমস্যা নিয়ে কথা বলাটা এখনো একটা ট্যাবু।

কেউ বুকের ব্যথায় ডাক্তারের কাছে গেলে কেউ প্রশ্ন তোলে না, কিন্তু মনের ব্যথায় বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে চাইলে শুনতে হয় -

“এত দুর্বল কেন? অথবা “একটু মনোবল রাখো।”

যে মানুষটা প্রতিদিন হাসিমুখে অফিসে যাচ্ছেন, সে হয়তো ভেতরে ভেতরে একা লড়ছেন।

যে বাচ্চাটা হঠাৎ চুপ হয়ে গেছে, সে হয়তো বলতে পারছে না তার ভেতরে কী চলছে।

আর বর্তমানে ১৮–১৯ বছরের অনেক তরুণ-তরুণী ভয়, ভবিষ্যতের চাপ, comparison, relationship stress এবং identity crisis-এর সাথে নীরবে লড়ছে। এই বয়সে মানসিক চাপকে “attention seeking” বা “phase” ভেবে এড়িয়ে না গিয়ে তাদের কথা শোনা এবং পাশে থাকা খুব জরুরি।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও bipolar disorder-এর মতো কিছু মানসিক সমস্যা নারীদের মধ্যে তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।

অন্যদিকে ADHD, autism spectrum disorder এবং আচরণগত কিছু সমস্যা ছেলেদের মধ্যে বেশি শনাক্ত হয়।

সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়, এটা সাহসের কাজ। নিজের জন্য, নিজের পরিবারের জন্য এবং আশেপাশের মানুষগুলোর জন্য, এই স্টেরিওটাইপ ভাঙার দায়িত্ব আমাদের সবার।

আপনার পরিবারে কেউ যদি মানসিক সমস্যায় ভুগতে থাকে, তাহলে শুধু সেই ব্যক্তি না, ধীরে ধীরে পুরো পরিবারই এর প্রভাব অনুভব করতে শুরু করে। বর্তমানে এমন পরিস্থিতি অহরহ দেখা যাচ্ছে।

আপনি বা আপনার কাছের কেউ যদি দীর্ঘদিন মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্নতায় ভুগে থাকেন, তাহলে আজই কথা বলুন।

3 days ago | [YT] | 475

Dr. Munmun Jahan

হিংসা, রাগ ও নেতিবাচক অনুভূতিগুলো কাটিয়ে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়াই হোক কোরবানির শিক্ষা।

সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক!!

1 week ago | [YT] | 429

Dr. Munmun Jahan

ট্রাফিক, হর্ন, বাজারের ভিড়, রিকশার বেল, মেশিনের শব্দ, নির্মাণস্থলের ড্রিল- এসব শব্দ যেন শুধু কানে নয়, মনে ধাক্কা দেয়। মাথার ভেতর যেন একসাথে হাজারটা আওয়াজ বাজে।


প্রতিদিনের এই শব্দদূষণ আমাদের শরীরের চেয়েও বেশি আঘাত করছে মন ও নার্ভাস সিস্টেমে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গবেষণায় বলছে, দীর্ঘদিনের শব্দদূষণ শুধু শ্রবণশক্তি নয়, বরং মানসিক ক্লান্তি (Mental Burnout), উদ্বেগ, এবং ঘুমের সমস্যার অন্যতম কারণ।


অনেকেই জানেন না, Noise Sensitivity বা শব্দে অতিসংবেদনশীলতা মানে আপনি দুর্বল নন, বরং আপনার মস্তিষ্ক অতিরিক্ত উদ্দীপনায় ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। দিনের পর দিন এই অবিরাম শব্দ আমাদের Cortisol (স্ট্রেস হরমোন) বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে মন হয়ে পড়ে উত্তেজিত, ক্লান্ত, বা কখনও একদম অসহ্য রকম বিরক্ত।


আপনি হয়তো খেয়াল করেছেন, হঠাৎ জোরে হর্ন বাজলে বুক ধক করে ওঠে। সামান্য তর্ক বা আওয়াজেই মাথা ধরে যায়। এটাই emotional overload, যখন মস্তিষ্ক noise off বাটনটা খুঁজে পায় না।


সমাধান শুরু হয় সচেতনতা থেকে, নিজের “noise limit” চেনা, প্রতিদিন ১০ মিনিট “silent time” রাখা, nature sound শুনে মনকে calm করা, প্রয়োজনে noise-cancelling headphone ব্যবহার।


মনের শান্তি, আবেগের ভারসাম্য, আর ঘুমের স্বাভাবিকতা রক্ষার জন্য আমাদের প্রয়োজন সচেতনতা ও ছোট ছোট অভ্যাসের পরিবর্তন। নীরবতার কয়েক মুহূর্ত, নিজের “noise limit” জানা, বা প্রাকৃতিক শব্দের সাথে সময় কাটানো, এসব শুধু শান্তির সময় এনে দেয় না, বরং মানসিক ক্লান্তি, উদ্বেগ ও Burnout কমাতে সাহায্য করে।

1 week ago | [YT] | 317

Dr. Munmun Jahan

এখানে আপনি জানতে পারবেন ‘ইটারনাল গার্ল সিনড্রোম’-এর লক্ষণগুলো কী এবং কীভাবে ধীরে ধীরে এই অবস্থা থেকে বের হওয়া যায়।

1 week ago | [YT] | 31

Dr. Munmun Jahan

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, সবসময় বেশি option থাকা মানেই ভালো না।

আমরা ভাবি, যত বেশি choice থাকবে, তত ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবো।

কিন্তু বাস্তবতা একটু আলাদা।

যখন আপনার সামনে অনেকগুলো option থাকে, আপনি শুধু একটা নির্বাচন করেন না, আপনি বাকি সব সম্ভাবনাকেও ছেড়ে দেন।

আর তখনই মাথায় আসে, “আমি কি সঠিকটা বেছে নিলাম?” “আরো ভালো কিছু কি ছিল?”

এই অদৃশ্য doubt ধীরে ধীরে আপনার satisfaction-টা কমিয়ে দেয়। ফলে decision নেওয়ার পরও একটা অস্বস্তি থেকে যায়।

জীবনের অনেক জায়গায় আমরা এই ফাঁদে পড়ে যাই, career, relationship, এমনকি ছোট ছোট daily choice-এও।

আমরা perfect option খুঁজতে খুঁজতে শান্তিটাকেই হারিয়ে ফেলি। কিন্তু একটা সময় বুঝতে হয়, সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত সবসময় perfect না, যেটাতে আপনি শান্তি পান, সেটাই যথেষ্ট।

জীবন সব option explore করতে হবে এমন না, কিছু decision হটাৎ নিয়ে নিতে হয়, শান্তিতে বাঁচার জন্য।

2 weeks ago | [YT] | 466

Dr. Munmun Jahan

লাভ বম্বিং, গ্যাসলাইটিং আর মানসিক নির্যাতনের অদৃশ্য চক্র কীভাবে কাজ করে? নার্সিসিস্টরা কেন এমপ্যাথদেরই নিজেদের টার্গেট বানায়?

2 weeks ago | [YT] | 35

Dr. Munmun Jahan

মন ক্লান্ত, চোখে ঘুম নেই- চিন্তা ঘুম কেড়ে নিচ্ছে!

রাত গভীর.. চারদিক নিস্তব্ধ, সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে, কিন্তু আপনার মস্তিষ্ক তখনও চলছে ২০০ কিমি গতিতে। একটা চিন্তা শেষ হতে না হতেই আরেকটা শুরু হয়, আজকের কাজ, আগামীকালের দুশ্চিন্তা, সম্পর্কের টানাপোড়েন বা বিচ্ছেদ, আর সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের সফলতা.. আরও কত কি।

সবচেয়ে বেশি ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন টিনএজাররা, যারা পড়াশোনা, সম্পর্ক, ভবিষ্যৎ, আর নিজেদের পরিচয় নিয়ে ভীষণ চাপের মধ্যে থাকেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্য বলছে, প্রতি ৩ জনে ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ঘুমের সমস্যায় ভোগেন এবং বিশ্বে প্রায় ৩০% মানুষ দীর্ঘস্থায়ী Insomnia-তে ভোগেন।

এর অন্যতম বড় কারণ মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ও অতিরিক্ত চিন্তা। যখন আমাদের মন ক্রমাগত ভবিষ্যতের ভয় আর অতীতের আফসোসে ডুবে থাকে, তখন মস্তিষ্ক অতিরিক্ত সতর্ক (hyperactive) হয়ে যায়।

ফলাফল?

ঘুম আসে না, শরীর ক্লান্ত হয়, আর মন হয়ে পড়ে ভারী। Chronic insomnia শুধু ঘুমের সমস্যা নয়, এটা আমাদের মুড, মনোযোগ, এমনকি ইমিউন সিস্টেমকেও দুর্বল করে দেয়।

প্রতিদিনের দুশ্চিন্তা, কাজের চাপ, কিংবা সম্পর্কের টানাপোড়েন, সব মিলিয়ে মানসিকভাবে আমরা “Overloaded” হয়ে পড়ি। দিনের পর দিন এই অস্থিরতা জমে Anxiety হয়ে যায়, আর ধীরে ধীরে গাঢ় হয় Generalized Anxiety Disorder (GAD)-এর ছায়া।

তাহলে সমাধান কী?

➤ রাতে ফোন আর স্ক্রিন থেকে নিজেকে দূরে রাখুন
➤ নিয়মিত ঘুমের সময় ঠিক রাখুন
➤ চিন্তা মাথায় রাখবেন না, কাগজে লিখে ফেলুন
➤ মাইন্ডফুল ব্রিদিং অনুশীলন করুন
➤ ঘুমের জন্য পরিবেশ তৈরি করুন
➤ দিনে হালকা ব্যায়াম, হাঁটা ঘুমের মান বাড়ায়
➤ নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন, সব কিছু পারফেক্ট হতে হবে না
➤ দীর্ঘদিন ঘুমেরে সমস্যা হলে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন

ঘুম আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। আপনার ঘুমের সমস্যা সমাধান হলে, জীবনের অনেক সমস্যাও সমাধান হয়ে যাবে।

2 weeks ago | [YT] | 332

Dr. Munmun Jahan

স্ত্রীর হাত খরচ কি শুধু বিলাসিতা, নাকি প্রয়োজন?

2 weeks ago | [YT] | 32