Love to learn and help others to learn efficiently


Md Faiz Ullah

দুনিয়াতে কেউ আপন হয় না। যে বউ আপন, দু ঘন্টা আপন থাকে তো চার ঘণ্টা ঝগড়া করে। আছে না নেই?
যে ছেলে আপন, সে দু ঘণ্টা কথা শোনে তো চার ঘণ্টা কথা শোনেনা। ঠিক না বেঠিক ? যে ভাই আপন, সে ভাই দুই ঘণ্টা আপন আর দুই ঘণ্টা পর।

যে বাবা আপন, যে সবচেয়ে আপন!! মা আপন, সেও দেখা যাচ্ছে আরেক ভাইয়ের কথা শুনে পর হয়ে যায়। হয় না হয়না??

হাজেরীন! দুনিয়াতে কেউ ষোলো আনা আপন হয়না। আমাদের এই জীবনটা পরকে আপন করার, মানুষকে খুশি করার জন্য একটা সংগ্রাম। ছোটবেলায় বাবা-মাকে খুশি করার চেষ্টা করেছি, পারিনি। কত মারছে! ঠিক না বেঠিক?

বড় হয়ে বান্ধবীদের/বন্ধুদের খুশী করার চেষ্টা করেছি, থাকেনি। ঠিক না বেঠিক?? বিয়ে করে বউকে/স্বামীকে খুশী করার চেষ্টা করেছি ষোলো আনা কখনই হয়নি। ঠিক না বেঠিক?

কর্মক্ষেত্রে, জীবনে, সব জাগায় আমরা বারো আনা ব্যর্থ, যদি চার আনা সফল হইও। ঠিক না বেঠিক??
একজনই আছেন, যাকে আপন করলে তিনি কখনো পর হননা। তিনি কে? আল্লাহ্!!!!!

আল্লাহকে আপন করতে পারলে সবসময় আল্লাহকে সাথে পাবেন। যদি আল্লাহকে আপন করে নিতে পারেন, আপনার বিপদে-আপদে, কষ্টে-দুঃখে সবসময় মনে হবে আল্লাহ্ আপনার সাথেই রয়েছে।

যে বেদনা কারোর কাছে বলা যায় না, বউয়ের কাছে বলা যায়না, মায়ের কাছে বলা যায়না, যে আনন্দে কাউকে শরীক করা যায়না, যদি আল্লাহকে আপন করতে পারেন, সেই আনন্দে আল্লাহকে শরীক করতে পারবেন, সেই বেদনার কথা আল্লাহর কাছে বলে বুকটাকে হালকা করতে পারবেন। কথা কি বুঝতে পেরেছেন?

কাজেই ভাইয়েরা, আসেন না সবাই নিয়ত করি যে এত সহজ কাজ, আমরা নিয়ত করলাম, আল্লাহ্ আমার বাকী জীবন যতটুকু আছে, একদিন হোক আর একশো বছর হোক, আমি তোমার ওলি হওয়ার চেষ্টা করবো। আল্লাহ্ তাআলা সকলের নিয়ত কবুল করে নিন। আমিন!

♥️ ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ্ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)

1 week ago | [YT] | 31

Md Faiz Ullah

ভেনেজুয়েলার স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় এক লক্ষ মানুষের হতাহতের আশংকা! ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সমবেদনা।

মহান আল্লাহর বিশাল সৃষ্টি ও মহাশক্তির সামনে আমরা কত ক্ষুদ্র ও অসহায়! কিয়ামতে এভাবেই আমাদের তিল তিল করে গড়ে তোলা স্থাপনা, সম্পদ ও আয়োজন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যাবে—এ যেন তারই একটি নমুনা।

এসব ঘটনা আমাদের জন্য সতর্কবার্তা। বাংলাদেশে অনেক দিন ধরেই ছোট ছোট ভূমিকম্প হচ্ছে। জনবহুল ও অপরিকল্পিত নগরায়নের এই শহরে যদি অমন ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়, তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা আল্লাহই ভালো জানেন।

আসুন, আমরা আল্লাহর দিকে ফিরে আসি, নির্মাণ ও নিরাপত্তাবিধি মেনে চলি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দুর্যোগ থেকে বাঁচার আগাম ও যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করার অনুরোধ জানাই।

শায়েখ আহমাদুল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ

#earthquake
#venezuela

1 week ago | [YT] | 6

Md Faiz Ullah

১টা বিল্ডিংয়ের ফাউন্ডেশন দুর্বল হলে বিল্ডিং টেকসই হয় না। একইভাবে দুর্বল প্রাথমিক শিক্ষা (ফাউন্ডেশন) ব্যবস্থা দিয়ে হতাশাগ্রস্ত একটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ছাড়া আর কী-ই-বা প্রত্যাশা করা যায়।


প্রাথমিক শিক্ষার সামগ্রিক চরম দুর্দশার কারণে সেখানে কেউই তার বাচ্চাকে পড়াতে চায় না। গ্রামগঞ্জে অপশন না থাকায় হয়তো সবাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠায়, কিন্তু শহরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে মূলত তারাই, যাদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়ানোর সামর্থ্য নেই। অথচ এর সমাধানে নেই কোনো কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ।


কমেন্টে দেওয়া ভিডিওটি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি glimpse মাত্র। যেখানে একজন শিক্ষক ৬টি শ্রেণির মোট ২৩টি ক্লাস নেন। যদিও বাংলাদেশের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই ক্যান্সারাক্রান্ত এবং সেকেলে।


শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ ও কর্মমুখী শিক্ষানীতি প্রণয়ন এবং শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা ছাড়া এই সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।


#শিক্ষকতা
#জীবন
#primaryschool
#primaryteacher
#NTRCA

1 week ago | [YT] | 5

Md Faiz Ullah

জীবনকে একটু সহজ, সুন্দর এবং শান্ত রাখতে চাইলে এই কথাগুলো মনে রাখতে পারেন!

১। অন্যের সাফল্য আপনার ব্যর্থতার প্রমাণ নয়

২। সবকিছু আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে না, এটা মেনে নিতে শিখুন

৩। অন্যের সাথে তুলনা নিজের সুখের সবচেয়ে বড় শত্রু

৪। না বলতে শেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা

৫। ব্যর্থতা শেষ নয়, শেখার একটি ধাপ

৬। নিজের লক্ষ্য অন্যের হাতে তুলে দেবেন না

৭। যা নেই তার চেয়ে যা আছে তার মূল্য বুঝুন

৮। অযথা অভিযোগের চেয়ে সমাধান খোঁজা ভালো

৯। সবাইকে খুশি করা সম্ভব নয়

১০। অপ্রয়োজনীয় তর্ক খুব কম ক্ষেত্রেই উপকার করে

১১। যে কাজ আজ করতে পারেন, তা কাল পর্যন্ত ফেলে রাখবেন না

১২। নিজের কাজের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হয়

১৩। মানুষের কথা নয়, নিজের বিবেকের কথা শুনুন

১৪। জীবনের সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না

১৫। প্রতিটি কঠিন সময় একদিন শেষ হয়

১৬। নিজের মানসিক শান্তির মূল্য বুঝুন

১৭। জীবনে ধীরে এগোনো মানে পিছিয়ে পড়া নয়

১৮। নিজের সীমাবদ্ধতাকে অজুহাত বানাবেন না

১৯। জীবনে সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা নিজের সাথেই

২০। জীবন নিখুঁত হওয়ার জন্য নয়, অর্থপূর্ণ হওয়ার জন্য

— Azizul Haque

1 week ago | [YT] | 11

Md Faiz Ullah

আপনার বয়স ২২-৩০ এর মধ্যে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে ২ লাখ টাকা জমানো।
এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সি মাধ্যমে মদিনা ৬০% দিন বেশি থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা।
প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল,সব নরমাল।
মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,ফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন।
মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নবী (সা) তে।সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন,নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন।
আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন,জমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানি স্বাদ দুনিয়া যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ)
পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন।যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন।
এরপর বের হয়ে মদিনা চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস,মদিনার রাস্তা,সব কিছু কেমন আরামদায়ক।আপনার সেই সময় মনে হবে,মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতে এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)।
হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন।রাস্তা থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে রাস্তায় ছিটিয়ে দিবেন।কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে,কোলে উঠবে,মুরগি খাবে।আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন।এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নবী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন,সামনে কাতারে।
নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।বাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন।মনে হবে,আরেহ এই তো আমার পরিচিত বন্ধু,কত দিনের চেনা।
আস্তে আস্তে ফজরে সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) রওজায় সালাম দিবেন, আপনার মনের কথা বলবেন। সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন।

সিম্পল কিছু কাজ।৷ কিন্ত এই কাজের যে শান্তি,দুনিয়া সব সম্পদ হাতে দিলে আপনি এই শান্তি পাবেন না।
যদি সুযোগ হয়,একবার হলেও মদিনায় যাবেন,বেহেস্ত স্বাদ আপনি দুনিয়া পাবেন।

হে কাবার মালিক!
কবুল করে নেন আমাদের 🖤

সংগৃহীত

1 week ago | [YT] | 46

Md Faiz Ullah

সব পেশাজীবী মানুষের কষ্ট থাকে কিন্তু শিক্ষকদের জীবনে কষ্টের পরিমাণ বড্ড বেশি।

পাশাপাশি শিক্ষকদের (বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার সহ) অধিকাংশ তার কষ্ট/হতাশার কথা কারো সাথে বলতে পারে না। কারন তারা অনেকের রোল মডেল । ফলে তাদের জীবনে চাপ/হতাশা থাকতে নেই, থাকলেও সেটা কাউকে বলতে নেই। রোল মডেল হওয়ায় ফরমাল শিক্ষতার পাশাপাশি অন্য পেশায় তারা ভালো করতে পারে না কারন তাদের অধিকাংশ মানুষ ঠকাতে পারে না।

শিক্ষকদের যোগ্যতার ঘাটতি আছে ঠিকই কিন্তু সেটা কাটিয়ে উঠতে নেই কোন টেকসই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আর প্রশিক্ষণ যা আছে তা কেবল ফর্মালিটি। আর যেহেতু তাদের যোগ্যতার ঘাটতি আছে তাই তাদের জীবন চলার মতো ব্যবস্থা থাকবে কেন!

'শিক্ষকতা একটা মহান পেশা' একটা ফাঁকা বুলি। তবে শিক্ষকদের এই অবনতির পিছনে দায়ী কিছু দলবাজ/তেলবাজ মহান শিক্ষক। জীবনে এমন প্রধান শিক্ষকও দেখেছি যিনি মাসে ২-৩ দিন স্কুলে আসার সুযোগ পান নিজের ইট ভাটার জরুরি রাষ্টীয় কাজে ব্যস্ত থাকায়।

#শিক্ষকতা
#জীবন

2 weeks ago | [YT] | 24

Md Faiz Ullah

আমি দুটো ছোট ছোট রাজকন্যার বাবা, আলহামদুলিল্লাহ। আমার বড় মেয়েটা শীঘ্রই আট বছরে পা দিবে৷ আর ছোটজন পা দিবে চারের ঘরে।

আমার সারাদিনের অনেকটা সময় কাটে তাদের সাথেই। ছোটজন বলে সে হলো নীল পরী, বড়জন বলে সে হলো শাদা পরী।

এই দুই পরীকে ঘিরেই আবর্তিত হয় আমার গোটা দিন। যেন তারা আমাদের জীবনের দুটো সূর্য। আমরা রোজ আবর্তিত হচ্ছি তাদেরকে কেন্দ্র করে।

বাবা হিশেবে আমি খুব ভাগ্যবান যে, আমি দিনের অধিকাংশ সময় আমার দুই পরীর সাথে কাটাবার সুযোগ পাই, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাই সহজ করেছেন। যেহেতু হোম অফিস করি, দিনের অধিকাংশ সময় আমি তাদের চারপাশে থাকার সুযোগ পাই।

আমরা, মানে আমি এবং আমার স্ত্রী, দুজনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি ঘরের মধ্যে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার৷ আমাদের চেষ্টা, ইচ্ছা আর দুয়া হলো—আমাদের দুই পরী মেয়ে আল্লাহর নেককার, সালিহীন, সাবিরীন বান্দা হয়ে বড় হবে, ইন শা আল্লাহ।

আমরা কবরে চলে যাওয়ার পরে, গভীর নিশুতি রাতে জায়নামাযে দাঁড়িয়ে আমাদের কথা স্মরণ করে তারা হুঁহুঁ করে সিজদাহতে কাঁদবে আর বলবে ‘রাব্বির হাম হুমা কামা রব্বাইয়ানি সগীরা’—এরচেয়ে সুন্দর স্বপ্ন এবং মধুর প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!

আমার পরী দুটো আস্তে আস্তে বেড়ে উঠছে আমার চোখের সামনে। প্রতিদিনই যেন আমরা নতুন নতুন অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছি৷ নতুন নতুন জিনিস শিখছি, বুঝছি এবং রপ্ত করছি।

সন্তান বড় করা নিঃসন্দেহে খুবই মহান একটা কাজ৷ এটা এমন একটা কাজ যা সুদীর্ঘ কালের জন্য দুনিয়াতে আমাদের জিইয়ে রাখে। মানুষ হয়তো মরে যায়, কিন্তু নেককার উত্তম সন্তানের মাঝে তারা জীবিত থাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর।

দুটো রাজকন্যাকে যেহেতু নিজের হাতে বড় করছি আলহামদুলিল্লাহ, ফলে নানাবিধ অভিজ্ঞতা নিত্যদিন জমা হচ্ছে ঝুলিতে। সেই অভিজ্ঞতাগুলো আমি লিখতে চাই। জানাতে চাই আরও অনেক অনেক আগ্রহী পিতামাতা আর অভিভাবকদের৷ যদি সেসব থেকে সামান্যও কেউ উপকৃত হয়, তাহলে আমিও তো সেই সওয়াবের অংশ পাব, ইন শা আল্লাহ।

কিন্তু, আমার আইডি আর পেইজে নানান বয়সের, চিন্তার অডিয়েন্স রয়েছেন৷ প্যারেন্টিং রিলেটেড যদি আমি বেশি লেখাজোকা এইখানে দিই, সেসব অনেকের কাছে বিড়ম্বনা অথবা বিরক্তির কারণও হতে পারে।

তাই আমি ঠিক করেছি, প্যারেন্টিং রিলেটেড আমার যা জানাশোনা, অভিজ্ঞতা, বোঝাপড়া, সেসব আমি নির্দিষ্ট একটা জায়গায় লিখব।

এমন চিন্তা থেকেই, আমি Arif Azad's Parenting Notes পেইজটা তৈরি করেছি।

এই পেইজে আমি আমার প্যারেন্টিং অভিজ্ঞতা, এতদসংক্রান্ত বইপত্র, রিভিউ ইত্যাদি পোস্ট করব।

আগ্রহী বাবা-মা, অভিভাবক, ভবিষ্যতে বাবা-মা হবেন এবং প্যারেন্টিং নিয়ে আগ্রহ রাখেন এমনসব মহতী মানুষগুলোকে অনুরোধ করব পেইজটা ফলো করার।

ওয়ামা তাউফিকি ইল্লাবিল্লাহ 💚

আরিফ আজাদ

2 weeks ago | [YT] | 19

Md Faiz Ullah

এই দেশে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তারা শিক্ষকদের সাব-হিউম্যান মনে করে এবং উনারা ভাবেন শিক্ষকদের কোন কিছু করার যোগ্যতা নাই বিধায় শিক্ষকতা পেশায় এসেছে। ফলে শিক্ষকদের দুর্বলতা unprofessionally শিক্ষার্থীদের সামনে ধরিয়ে দিয়ে শিক্ষকদের অপমানিত করতে তাদের বাধে না!

#শিক্ষকতা

2 weeks ago | [YT] | 11

Md Faiz Ullah

রাতের যে অভ্যাসগুলো আপনাকে দীর্ঘমেয়াদে ভোগাবে

আল্লাহ তাআলা রাতকে মানুষের জন্য বিশ্রাম, প্রশান্তি এবং ইবাদতের সময় হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। দিনের কর্মব্যস্ততার পর রাত হলো শরীর, মন ও আত্মার পুনর্গঠনের সময়। কিন্তু আধুনিক জীবনযাত্রায় আমরা এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলেছি, যা ধীরে ধীরে আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্য, মানসিক শান্তি এবং ঈমানি শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ এশার সালাতের পর অযথা গল্পগুজব অপছন্দ করতেন এবং দ্রুত বিশ্রাম গ্রহণকে পছন্দ করতেন। (সহিহ বুখারি: ৫৬৮)

আসুন জেনে নিই রাতের এমন কিছু ক্ষতিকর অভ্যাস সম্পর্কে, যা দীর্ঘমেয়াদে আমাদের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে।

১. পারিবারিক ঝগড়া-বিবাদ করে ঘুমানো

ঘুমানোর আগে স্বামী-স্ত্রী বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া করা মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়। এতে কর্টিসল হরমোন বৃদ্ধি পায়, যা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং বিষণ্নতার ঝুঁকি বাড়ায়।

একজন মুমিনের উচিত দিনের শেষ মুহূর্তগুলো ক্ষমা, ভালোবাসা ও দোয়ার মাধ্যমে শেষ করা।

২. অযথা আড্ডা ও গীবতে মগ্ন থাকা

রাতের মূল্যবান সময় অহেতুক গল্প, পরনিন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নষ্ট করা শুধু সময়ের অপচয়ই নয়, বরং আমলনামায় গুনাহও যুক্ত করে।

অনেক মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্যের সমালোচনায় ব্যস্ত থাকে, অথচ নিজের হিসাব-নিকাশ করার সময় পায় না।

৩. দুশ্চিন্তা ও নেতিবাচক চিন্তা নিয়ে ঘুমানো

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ঘুমের মান নষ্ট করে এবং মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে দেয়। আগামী দিনের পরিকল্পনা করা ভালো, কিন্তু ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত ভয় ও উদ্বেগ আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলকে দুর্বল করে।

৪. ভারী ও তৈলাক্ত খাবার খাওয়া

রাতের শেষভাগে অতিরিক্ত খাবার খেলে হজমে সমস্যা, এসিডিটি, স্থূলতা এবং অনিদ্রার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। অনেকের ক্ষেত্রে এটি দুঃস্বপ্ন ও অস্বস্তিকর ঘুমেরও কারণ হয়।

৫. অতিরিক্ত চা, কফি ও এনার্জি ড্রিংক পান

ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে গভীর ঘুম ব্যাহত হয়। ফলে সকালে ক্লান্তি, খিটখিটে মেজাজ ও মনোযোগের ঘাটতি দেখা দেয়।

৬. স্মার্টফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসের আসক্তি

ঘুমানোর আগে মোবাইল স্ক্রল করা বর্তমানে সবচেয়ে ভয়ংকর অভ্যাসগুলোর একটি। স্ক্রিনের ব্লু-লাইট মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, ফলে ঘুম বিলম্বিত হয় এবং ঘুমের গুণগত মান নষ্ট হয়।

৭. গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা

অকারণে রাত জাগা শরীরের জৈবিক ঘড়িকে (Biological Clock) ক্ষতিগ্রস্ত করে। দীর্ঘমেয়াদে এটি স্মৃতিশক্তি দুর্বলতা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতার কারণ হতে পারে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ এশার পর অযথা কথা বলা অপছন্দ করতেন। (সহিহ বুখারি: ৫৬৮)

৮. গুনাহের মধ্যে রাত কাটানো

অশ্লীল ভিডিও দেখা, হারাম চ্যাট করা, গান-বাজনায় ডুবে থাকা কিংবা অন্য কোনো গুনাহে রাত কাটানো হৃদয়কে কঠিন করে দেয় এবং ইবাদতের স্বাদ নষ্ট করে দেয়।

অনেকের তাহাজ্জুদ, ফজর ও কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক দুর্বল হওয়ার পেছনে রাতের গুনাহ বড় কারণ।

৯. তওবা ছাড়া ঘুমানো

আমরা জানি না আগামী সকাল পর্যন্ত বেঁচে থাকব কি না। তাই প্রতিদিন রাতের শেষে নিজের গুনাহের জন্য তওবা করা এবং মানুষের হক আদায় করার নিয়ত করা উচিত।

মুমিনের ঘুম যেন মৃত্যুর প্রস্তুতির মতো হয়।

১০. আলো জ্বালিয়ে ঘুমানো

অতিরিক্ত আলো মস্তিষ্কের বিশ্রামকে ব্যাহত করে। অন্ধকার পরিবেশ গভীর ও প্রশান্ত ঘুমে সাহায্য করে।

১১. পরিকল্পনাহীনভাবে ঘুমানো

পরদিন কী করবেন তার একটি সংক্ষিপ্ত পরিকল্পনা ছাড়া ঘুমালে সকালে মানসিক চাপ ও বিশৃঙ্খলা বেড়ে যায়। সফল মানুষরা সাধারণত রাতেই পরবর্তী দিনের কাজের রূপরেখা তৈরি করেন।

১২. ফজরের চিন্তা না করে ঘুমানো

অনেক মানুষ ঘুমানোর সময় ফজরের জন্য কোনো প্রস্তুতি নেয় না। অ্যালার্ম না দেওয়া, তাড়াতাড়ি না ঘুমানো কিংবা ফজরকে গুরুত্ব না দেওয়া ধীরে ধীরে ঈমানি দুর্বলতার লক্ষণ হয়ে দাঁড়ায়।

১৩. ঘুমানোর আগে আল্লাহর যিকির পরিত্যাগ করা

রাসূলুল্লাহ ﷺ ঘুমানোর আগে বিভিন্ন যিকির, দোয়া এবং তাসবিহ পড়তেন।

হযরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ শোয়ার সময় ৩৩ বার "সুবহানাল্লাহ", ৩৩ বার "আলহামদুলিল্লাহ" এবং ৩৪ বার "আল্লাহু আকবার" পড়তে শিক্ষা দিয়েছেন। (সহিহ বুখারি: ৬৩২০, সহিহ মুসলিম: ২৭১৪)

১৪. কুরআন তিলাওয়াত ছাড়া ঘুমানো

ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস এবং সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করা সুন্নাহ এবং নিরাপত্তার কারণ।

সহিহ বুখারিতে আয়াতুল কুরসি ও সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। (সহিহ বুখারি: ২৩১১, ৫০০৯)

১৫. ওযু ছাড়া ঘুমানো

রাসূলুল্লাহ ﷺ ওযু অবস্থায় ঘুমাতে উৎসাহ দিয়েছেন। ওযু অবস্থায় ঘুমানো শারীরিক পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক প্রশান্তিও বৃদ্ধি করে।

উপসংহার

রাত হলো আত্মসমালোচনা, তওবা, যিকির এবং বিশ্রামের সময়। একজন বুদ্ধিমান মানুষ তার রাতকে এমনভাবে পরিচালনা করে, যাতে সে দুনিয়ার সফলতা ও আখিরাতের মুক্তি—উভয়টিই অর্জন করতে পারে।

আজ রাত থেকেই সিদ্ধান্ত নিন—অযথা রাত জাগা, মোবাইল আসক্তি, গীবত, ঝগড়া-বিবাদ ও গুনাহের অভ্যাস ত্যাগ করে সুন্নাহসম্মত জীবনযাপন শুরু করবেন। কারণ সুন্দর রাতই সুন্দর সকাল তৈরি করে, আর সুন্দর সকালই সুন্দর জীবন গড়ে তোলে।

----পরিমার্জনায়ঃ আইন উদ্দিন আইনী
:
#Hadith #হাদিস

2 weeks ago | [YT] | 21

Md Faiz Ullah

পাকিস্তানের অন্যতম সেরা নিউরোলজিস্ট প্লেনে ভ্রমণ করছেন। তার এপয়েনমেন্ট পাওয়া অনেক কঠিন। কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হয়।

প্লেনে জার্নির সময় হঠাৎ আবহাওয়া প্রতিকূলে চলে যায়। বজ্রপাত শুরু হয়, ভারী বর্ষণ শুরু হয়। প্লেনটি একটি নিকটবর্তী এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করে। প্লেনে সামান্য সমস্যা হয়েছে, ঠিক হতে সময় লাগবে।

ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, “কতো সময় লাগবে?” বলা হলো ৩ ঘণ্টা।

তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন এই ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা না করে একটি কার/ট্যাক্সি ভাড়া করে তার গন্তব্যের দিকে রওনা হবেন।

গাড়িতে করে রওনা হলেন। রাস্তায় গিয়ে দেখলেন অবস্থা ভয়াবহ। গাছ পড়ে আছে, গাড়ি চালানো যাবে না। অপরিচিত একটি এলাকায় এমন এক বিপদে পড়েছেন কী করবেন কিছুই বুঝতে পারছেন না।

আশেপাশে বাড়িঘর দেখা যাচ্ছে না। গাড়ি থেকে নেমে বাড়ি খুঁজতে লাগলেন। খুঁজতে খুঁজতে একটি বাড়ি পেয়েও গেলেন।

দরজায় কড়া নাড়লে একজন বৃদ্ধা বের হলেন। তাদেরকে বসতে দিলেন। বাইরে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি। তার থাকার কথা একটি কনফারেন্সে, এখন আছেন অচেনা জায়গায় এক বৃদ্ধার কুঁড়েঘরে! তবুও এই অবস্থায় সামান্য আশ্রয় পেয়ে ডাক্তার বেশ খুশি। তিনি নামাজ পড়লেন।

খেয়াল করলেন বৃদ্ধা কিছুক্ষণ পর পর এক কিশোরের যত্ন নিচ্ছেন।

ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, “এ কে? কী হয়েছে তার?”

বৃদ্ধা বললেন, “এ আমার নাতি। তার মা-বাবা মারা গেছেন। আমিই তার দেখাশোনা করি। সে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি, কিছুই হচ্ছে না। সব ডাক্তারই শেষমেশ বলেছেন একজন বড়ো ডাক্তার দেখাতে হবে। কিন্তু, বড়ো ডাক্তারকে দেখানো সম্ভব হচ্ছে না! আমরা এপয়েনমেন্ট নিয়েছি। ৬ মাস পর সেই ডাক্তার দেখাতে হবে।”

ডাক্তার মনোযোগ দিয়ে বৃদ্ধার কথা শুনছেন।

বৃদ্ধা বললেন, “কিন্তু, এই অবস্থায় আমি কী করি এই এতিম বাচ্চাকে নিয়ে? কীভাবে ৬ মাস কাটবে সেই ডাক্তারের অপেক্ষায়? আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে দু’আ করে যাচ্ছি- আল্লাহ আমাদের জন্য সহজ করে দিন, আল্লাহ আপনি চাইলে সবই সম্ভব।”

ডাক্তারের দয়া হলো। তিনি বললেন, “আচ্ছা, সেই ডাক্তারের নাম বলুন, আমি দেখি চেষ্টা করে তার এপয়েনমেন্ট নিতে পারি কিনা!”

বৃদ্ধা বললেন, “উনার নাম ডাক্তার ইশান।”

বৃদ্ধার মুখে ডাক্তারের নাম শুনে ডাক্তারের চোখ বেয়ে পানি ঝরতে লাগলো!

তিনি কান্নাভেজা কণ্ঠে বললেন, “আল্লাহ আপনার দু’আ কবুল করেছেন। যেই ডাক্তারের এপয়েনমেন্টের জন্য ৬ মাস ধরে আপনি অপেক্ষা করছেন, এই ঝড়ের রাতে সেই ডাক্তার আপনার ঘরে হাজির!”

ডাক্তার ইশান বুঝতে পারলেন হঠাৎ করে এই ঝড়-বৃষ্টি, প্লেন নষ্ট হওয়া, গাড়ি নষ্ট হয়ে অপরিচিত এক বাড়িতে আশ্রয় নেয়া এমনি এমনি হয়নি; আল্লাহর প্ল্যানের অংশ। আল্লাহ একজন বৃদ্ধা নারীর দু’আ কবুলের জন্য এসব কিছু ঘটিয়েছেন।

তিনি দু’আর গুরুত্ব বুঝতে পারলেন। আল্লাহ যখন চান, তখন তিনি কীভাবে সেটা ঘটাবেন মানুষ বুঝতেই পারবে না।

ডাক্তার ইশানের উসীলায় বৃদ্ধার নাতির চিকিৎসা করানো হয়।

3 weeks ago | [YT] | 15