আপনার আদরের সন্তান কি ইদানীং খাবার দেখলে দূরে সরে যাচ্ছে বা একদমই খেতে চাচ্ছে না, ছোট বাচ্চাদের এই অনীহার পেছনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ থাকতে পারে।
সাধারণত শিশুদের নতুন দাঁত ওঠার সময় মুখে তীব্র ব্যথা হওয়ার কারণে তারা যেকোনো খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলে। আবার সর্দি বা জ্বরের মতো সাধারণ অসুস্থতায় মুখের স্বাদ ও গন্ধ না পাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই তাদের খাওয়ার রুচি অনেক কমে যায়। অনেক সময় মায়েরা ভালোবেসে বা দুশ্চিন্তা থেকে বাচ্চাকে জোর করে খাওয়াতে যান, যা শিশুর মনে খাবারের প্রতি এক ধরণের দীর্ঘস্থায়ী ভয় তৈরি করে দেয়।
এর বাইরেও যদি আপনার সন্তান প্রধান খাবারের মাঝের সময়ে অতিরিক্ত স্ন্যাকস বা মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খেয়ে ফেলে, তবে মূল খাবারের প্রতি তার অনীহা ও অরুচি হওয়াটাই স্বাভাবিক। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় শরীরে রক্তশূন্যতা বা জিঙ্কের তীব্র ঘাটতি থাকলেও শিশুদের ক্ষুধামন্দা দেখা দিতে পারে।
তাই আপনার বাচ্চা দীর্ঘদিন ঠিকমতো না খেলে তার ওজন দিন দিন কমে যাচ্ছে কিনা সেদিকে কড়া নজর রাখুন। যদি দেখেন শিশুর এই অরুচি টানা দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হচ্ছে, তবে ঘরে বসে না থেকে আপনার সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য দ্রুত একজন অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
Dr Nahid Uz Zaman
আপনার আদরের সন্তান কি ইদানীং খাবার দেখলে দূরে সরে যাচ্ছে বা একদমই খেতে চাচ্ছে না, ছোট বাচ্চাদের এই অনীহার পেছনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ থাকতে পারে।
সাধারণত শিশুদের নতুন দাঁত ওঠার সময় মুখে তীব্র ব্যথা হওয়ার কারণে তারা যেকোনো খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলে। আবার সর্দি বা জ্বরের মতো সাধারণ অসুস্থতায় মুখের স্বাদ ও গন্ধ না পাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই তাদের খাওয়ার রুচি অনেক কমে যায়। অনেক সময় মায়েরা ভালোবেসে বা দুশ্চিন্তা থেকে বাচ্চাকে জোর করে খাওয়াতে যান, যা শিশুর মনে খাবারের প্রতি এক ধরণের দীর্ঘস্থায়ী ভয় তৈরি করে দেয়।
এর বাইরেও যদি আপনার সন্তান প্রধান খাবারের মাঝের সময়ে অতিরিক্ত স্ন্যাকস বা মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খেয়ে ফেলে, তবে মূল খাবারের প্রতি তার অনীহা ও অরুচি হওয়াটাই স্বাভাবিক। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় শরীরে রক্তশূন্যতা বা জিঙ্কের তীব্র ঘাটতি থাকলেও শিশুদের ক্ষুধামন্দা দেখা দিতে পারে।
তাই আপনার বাচ্চা দীর্ঘদিন ঠিকমতো না খেলে তার ওজন দিন দিন কমে যাচ্ছে কিনা সেদিকে কড়া নজর রাখুন। যদি দেখেন শিশুর এই অরুচি টানা দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হচ্ছে, তবে ঘরে বসে না থেকে আপনার সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য দ্রুত একজন অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies