Assalamu Alaikum,
In 2011 Association for Save the Parents (ASP) was officially approved by Bangladesh Government for the purpose of enforcing the rights of parents who have been abused by their children, whose registration number is Dhaka-08969. Our goal is to organize the separated families and to create social awareness so that no parents should end up in the old age by contempt, neglect, dishonor and go to old-age prison and to ensure legal action against them if no one is aware.
Our goals:
1. No more parents should go to the old age home in my golden Bengal
2. We swore not to be disobedient children of parents.
3. We will not cut ties with our parents.
4. We will not send our parents to the old age home.
5. We will take care of our parents until death and keep them with us.
6. We will not allow parents to beg and do impossible work.
Every conscious person of Bangladesh will be with us by holding this slogan and support us.
Association For Save The Parents
🌿 বৃদ্ধাশ্রম নয়—পরিবারই হোক মা–বাবার শেষ আশ্রয়স্থল 🏡
যেখানেই মা–বাবা অবহেলিত,
📢 সেখান থেকেই আমাদের প্রতিবাদের শুরু ✊
⚖️ মা–বাবার ন্যায্য অধিকার রক্ষা
🚫 বৃদ্ধাশ্রম নামক অমানবিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে
আমাদের অবস্থান স্পষ্ট, মানবিক ও আপসহীন 🤝
🇧🇩 আমরা চাই—
❤️ একটি বৃদ্ধাশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ,
যেখানে মা–বাবা থাকবেন সম্মান, ভালোবাসা ও পরিবারের উষ্ণতায় 🌸
🤲 এই মহৎ উদ্যোগে আপনার সমর্থন ও অংশগ্রহণই
আমাদের এগিয়ে চলার শক্তি 💪
🏛️ Association For Save The Parents
👑(প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান) 🥰
2 weeks ago | [YT] | 1
View 0 replies
Association For Save The Parents
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের আদালতের কাজ চলমান।
এই রিড আবেদনের দায়িত্ব পেলেন।
ড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক
(মহাসচিব বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট)
আইন ও সালিশ বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান
Association For Save The Parents
🇧🇩 মা-বাবার অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক আন্দোলন!🖤
🌸 সুপ্রিয় মহব্বতের ভাই-বোন, বন্ধু, সহপাঠী ও গুণীজন,
আপনার কাছে কিছু মূল্যবান সময় প্রার্থনা করছি ❤️
আমি মোঃ নজরুল ইসলাম,
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান — Association For Save The Parents
(মা-বাবাকে বাঁচানোর জন্য সংগঠন) 🇧🇩
সরকার অনুমোদিত সংস্থা — রেজিস্ট্রেশন নং: ঢাকা ০৮৯৬৯ / স্থাপিত-২০১১ খ্রিষ্টাব্দ।
আজ অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি —
আমরাই পৃথিবীতে প্রথমবারের মতো মা-বাবার অধিকার আদায়ের এই ঐতিহাসিক লড়াইয়ে নেমেছি। এটি শুধু একটি সংগঠনের কাজ না, এটি মানবতার পাশে দাঁড়ানোর এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ। ✊❤️
🔥 বৃদ্ধাশ্রম — মানবসভ্যতার কলঙ্কজনক কারাগার
দুঃখজনক হলেও সত্য,
বৃদ্ধাশ্রম আজ পরিণত হয়েছে এক কলঙ্কজনক কারাগার।
এটি বৃদ্ধদের নিয়ে ব্যবসা করার নিকৃষ্ট বাণিজ্যালয় এবং মানুষ, মানবতা ও মনুষ্যত্বের অবমাননার কলঙ্কজনক কারাগার।
কিছু ব্যক্তি যারা নিজস্ব ব্যক্তি স্বার্থচারিতার উদ্দেশ্যে হাসিলের জন্য "মানবতার ফেরিওয়ালা" সেজে অসহায় বৃদ্ধদের ছবি টিভি মিডিয়ায় প্রচার করে দেশ-বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছেন 💸 বৃদ্ধাশ্রম এর নামে ব্যবসা বাণিজ্য করতেছেন। এই ব্যবসায়ীরা মূলত যে দুর্বলতাগুলোকে পুঁজি করে সহানুভূতি আদায় করেন, তা হলো:
💔 পারিবারিক বিচ্ছেদ ও অবহেলা: আসল সত্য আড়াল করে বয়স্কদের পরিবার কর্তৃক পরিত্যক্ত হওয়ার করুণ গল্প তুলে ধরা হয়, যা মানুষের মনে গভীর সহানুভূতি সৃষ্টি করে।
♿ শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতার অপব্যবহার: হাত-পা-হীন, অন্ধ, বোবা বা শয্যাশায়ী বয়স্কদের 'শো-পিস' হিসেবে ব্যবহার করে তাদের দুর্দশার সর্বোচ্চ করুণ চিত্র প্রচার করা হয়।
💧 মৌলিক চাহিদার অভাব প্রদর্শন: ইচ্ছাকৃতভাবে অপরিষ্কার বা জরাজীর্ণ অবস্থা, স্বল্পমানের খাবার ও চিকিৎসা দেখিয়ে অনুদান বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়।
💰 অতিরিক্ত ব্যয়ের অজুহাত: এই অক্ষম মানুষদের জন্য 'বিশেষ পরিচর্যা', 'দামি ওষুধ' বা 'বিশেষ সরঞ্জামের' প্রয়োজন দেখিয়ে সাধারণের চেয়ে অনেক বেশি অর্থ দাবি করা হয়।
🚨 মূল উদ্দেশ্য: মানুষের সহানুভূতি এবং নৈতিক দায়িত্ববোধকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের পকেট ভরা।
আর যারা মহৎ উদ্দেশ্যে অর্থদান/সহযোগিতা করতেছেন তারা বুঝতেও পারছেন না,
এই সহযোগিতা একের পর এক বাংলাদেশটাকে একটি অমানবিক কারাগারে পরিণত করবে, যার নাম বৃদ্ধাশ্রম। এই প্রচারণার মাধ্যমে বৃদ্ধাশ্রম নামক অমানবিক সংস্কৃতিকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে।
🔎 আমরা গভীর উদ্বেগ ও অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে বহু বৃদ্ধাশ্রম পরিদর্শন করেছি। আমাদের পর্যবেক্ষণ হলো, সেখানে কেবল তথাকথিত মানবতার মুখোশ পরেই সবচেয়ে মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক চিত্রগুলি জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়, যার মূল উদ্দেশ্য হলো উদার ও মহৎপ্রাণ মানুষদের কাছ থেকে মোটা অংকের অনুদান সংগ্রহের এক সুচতুর ব্যবস্থা তৈরি করা। এর ভয়াবহ পরিণতি হলো— একের পর এক কেবল বৃদ্ধাশ্রমের বিশাল বিশাল ইমারত তৈরি হচ্ছে, যা প্রকারান্তরে বৃদ্ধ মা-বাবাদের নিজ বাসা-বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পথকে আরও প্রশস্ত ও সহজ করে দিচ্ছে, এবং পারিবারিক বন্ধনকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
❗ এভাবে চলতে থাকলে আগামী ৫০ বছরে প্রায় প্রতিটি মা-বাবাকে পারিবারিক অবহেলার মধ্য দিয়েই বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হতে পারে। এটিই সেই পাশ্চাত্যের অপ-সংস্কৃতি যা আমাদের সমাজকে গ্রাস করছে।
আমরা সবসময় শুনি—
❤️ “মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য”
এই মানবিক বোধ ও ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে বৃদ্ধাশ্রম— একেবারেই যায় না।
এ ব্যাপারে জাতীয় ঐকমত্য তৈরির কোনো বিকল্প নেই। এখনই সোচ্চার না হলে এই অপসংস্কৃতি আমাদের গ্রাস করবে। সবাই ঐক্যবদ্ধ হোন এবং জনমত তৈরিতে দায়িত্ব নিন। ✊🔥
🇧🇩 আমাদের লক্ষ্য: মাতা-পিতার মর্যাদা রক্ষা ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা
দেশের সকল ধর্মাবলম্বীদের পরিবারগুলোতে সন্তান দ্বারা অবহেলিত মাতা-পিতার অবস্থান এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
📢 আমাদের জনসচেতনতা এবং প্রচারের উদ্যোগসমূহ:
👉 বিভিন্ন ধরনের শোভাযাত্রা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ক্যাম্পেইন, লিফলেট ও লেটার, ই-মেইল, ওয়েব সাইট, সংবাদপত্র, ইলেকট্রোনিক্স মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, ইনফরমেশন বক্স সহ সকল সরকারী-বেসরকারী সংস্থা কর্তৃক প্রকৃত তথ্য আদান-প্রদান এর মাধ্যমে জনসাধারণকে মা-বাবার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রতি সচেতন করা।
👉 মা-বাবাকে সন্তানের সাথে থাকা যে একটি মৌলিক অধিকার, সেই অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রতিটি সন্তানকে সচেতন করা।
👉 দেশের প্রতিটি মা-বাবাই যেন সন্তান দ্বারা কোনো ধরনের অবহেলার শিকার না হয়, সে জন্য দেশের সকল জনসাধারণকে সচেতন করে সকল বৃদ্ধা মাতা-পিতার প্রতি সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য জাতিকে উদ্বুদ্ধ করা।
🌿 কেন এই আন্দোলন জরুরি এবং আমাদের অবস্থান:
মাতা-পিতা সন্তানদের সাথে থাকা একটি মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে এবং তা আমাদের দেশে সু-প্রাচীন কাল থেকেই সকল ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে প্রচলিত আছে।
কিন্তু বাংলাদেশে কিছু অপ-সংস্কৃতি প্রবেশ করে হাঁটি হাঁটি পা পা করে অনেক বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। সে সকল বৃদ্ধাদের অসহায়ত্ব চিত্র টিভি মিডিয়ায় দেখে মা-বাবারা সন্তানদের প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন।
বর্তমান প্রজন্মের সন্তানেরা মা-বাবাকে বৃদ্ধ বয়সে কাছে রেখে সেবা যত্ন করা যে মৌলিক অধিকারের সংস্কৃতি, তা বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পথ বের হয়েছে। এভাবেই বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠিত হতে হতে কোনো একদিন প্রতিটি মা-বাবাকে সেই পাশ্চাত্যের সংস্কৃতিকেই মেনে নিয়ে বৃদ্ধাশ্রমে শরণাপন্ন হতে হবে।
তাই আমরা এই অপ-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আমাদের সংস্থার মাধ্যমে সু-দৃঢ় অবস্থান গড়ে তুলে সেই প্রাচীনকালের সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব।
✨ এই সমাজকে সচেতন করার মহান উদ্দেশ্যে!
🇧🇩 প্রবীণ-বান্ধব বাংলাদেশ গড়তে যারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁদের নিয়ে গঠিত ৮০ জন সিপাহসালার এটি
🌏 আন্তর্জাতিক_ব্যক্তিত্ব 🗣️কূটনীতিবিদ 🧑⚕️ডাক্তার 🏛️সরকারি_আমলা 📜কবি 📖সাহিত্যিক 🔬গবেষক 👨🏫অধ্যাপক 💡রাষ্ট্রচিন্তক 📺মিডিয়া_ব্যক্তিত্ব 🗳️রাজনীতিবিদ 📰কলামিস্ট ✍️জার্নালিস্ট ⚖️বিচারপতি 👨⚖️আইনজীবী 🧑💼ব্যবসায়ী 🍎শিক্ষক-শিক্ষিকা 🏡গৃহিণী 🧑🎓ছাত্র-ছাত্রী ও 👥আমজনতাকে নিয়ে এক ব্যতিক্রমী, সত্যিকার অর্থে পৃথিবীতে প্রথম এই যুগ উপযোগী ও মানবিক আন্দোলনের সূচনা করেছি। উনারা শুধু কমিটিতে আছেন এমনটি নয়। সকলের সাক্ষ্য দিয়েছেন বৃদ্ধাশ্রম বন্ধের আন্দোলন সঠিক। এগুলো আমাদের সব চ্যানেলে ভিডিও দেওয়া আছে।
এ যেন আগামীর বাংলাদেশের জন্য এক সাদা মনের মানুষের মিলনমেলা। এই আন্দোলনকে এগিয়ে দিতে সকলের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চাই।
🌿 মানবতার ডাক — মা-বাবার অধিকার রক্ষায় আমাদের দশ দফা দাবি! 🌿
আমরা, Association For Save The Parents, বিশ্বাস করি যে সমাজে ন্যায়, ভালোবাসা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রথমেই নিশ্চিত করতে হবে মা-বাবার সম্মান ও সুরক্ষা।
আমাদের সংস্থা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে— যাঁদের ত্যাগে আমরা বড় হয়েছি, তাঁদের জীবনের শেষ প্রহরে যেন অনাদর, অবহেলা বা একাকিত্বে কাটাতে না হয়। তাই জনস্বার্থে এবং মানবতার তাগিদে, আমরা মহামান্য আদালত ও সরকারের শরণাপন্ন হয়ে নিচের ১০টি দাবির বাস্তবায়নে কাজ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আমরা আশা করি— এই দশটি বিষয়ে আদালতে রিট করলে সামাজিকভাবে আমরা ব্যাপক সমর্থন পাবো, এবং আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে আর কোনো বাধা থাকবে না।
⚖️ ১. কোনো সন্তান মা-বাবাকে অভুক্ত রাখলে, অবহেলা করলে, অসম্মান করলে, নির্যাতন-নিপীড়ন চালালে, চিকিৎসাবিহীন রাখলে কিংবা বৃদ্ধাশ্রমের মতো কারাগারে দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করলে, ওই মা-বাবার অনুমতি ছাড়া যেকোনো ব্যক্তি কিংবা সংস্থা বাদী হয়ে মামলা করতে পারবে— সেই আইনি বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
🏛️ ২. সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগপত্রে আমরণ মা-বাবার সেবা-যত্নের অঙ্গীকার লিপিবদ্ধ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে মা-বাবাকে অসম্মানের দায়ে সর্বোচ্চ সাজা চাকরি থেকে বরখাস্তের বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
📜 ৩. রাষ্ট্রীয় আইনে বিবাহ রেজিস্ট্রির সময় স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই কাবিননামায় মা-বাবার আমরণ সেবা-যত্নের অঙ্গীকার লিপিবদ্ধ করার আইনি বিধান বাস্তবায়ন করতে হবে।
🔖 ৪. দেশে অঢেল সম্পদ থাকার পরও যারা মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে দেবে এবং বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে যারা বিদেশে পাড়ি জমাবে, তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আইনি বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
🧾 ৫. কোনো সন্তান তার মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে দিতে চাইলে, কী কারণে বৃদ্ধাশ্রমে দিচ্ছে— সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং যেসব মা-বাবা অর্থ-সম্পদ থাকা সত্ত্বেও বৃদ্ধাশ্রমে আছেন, তাঁদের সন্তানদের যথাযথ আইনের আওতায় আনার সুস্পষ্ট বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
📑 ৬. পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের মা-বাবা কোনো সন্তানকে এককভাবে সম্পদ লিখে দিতে চাইলে সব ছেলে-মেয়ের উপস্থিতিতে লিখে দিতে হবে। মা-বাবার সম্পদ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে অসুস্থ অবস্থায় তাঁদের কাছ থেকে সম্পদ লিখে নিতে চাইলে এবং আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে মা-বাবাকে পাগল হিসেবে আখ্যায়িত করে, অসুস্থতার বাহানা দেখিয়ে পাগলা গারদে দিতে চাইলে জেলা প্রশাসকের পূর্বানুমতির আইনি বিধান বাধ্যতামূলক করতে হবে।
⚔️ ৭. পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের কোনো মা-বাবা একাকিত্ব দূর করার জন্য বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চাইলে, সন্তানেরা অনেক সময় সম্পদের পরিমাণ কমে যাওয়ার ভয়ে বিবাহ করতে বাধা প্রদান করেন। এতে দেখা যায়, অনেক বৃদ্ধ মা-বাবা ৮০ থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকেন; কিন্তু শেষ বয়সে তাঁদের দেখার কেউ থাকে না, তাঁরা তখন অনাদর-অবহেলায় মধ্যে দিনাতিপাত করেন এবং পরিশেষে বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই হয়। তাই আমাদের দাবি, কোনো সন্তান যেন বিয়েতে বাধা প্রদান করতে না পারে— সেই আইনি বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
🔍 ৮. কেউ নিজ বাড়িতে অপরিচিত একাধিক অন্যের মা-বাবাকে আশ্রয় দিয়ে আলগা দরদ দেখিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বৃদ্ধাশ্রমের সূত্রপাত করতে চায়। এ ধরনের সূত্রপাতের যৌক্তিক কারণ কী, তা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তদন্তের বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
🚫 ৯. যারা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ভিক্ষাকে পেশা হিসেবে বেছে নেবে এবং শরীর সুস্থ-সবল থাকার পরও ছেলে-মেয়ে ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝামেলা করে অহেতুক অজুহাত দেখিয়ে বৃদ্ধাশ্রমে অবস্থান করে দেশের ভাবমূর্তি ও সামাজিক অবস্থান নষ্ট করবে, তাদেরও আইনের আওতায় আনার বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
⚖️ ১০. কোনো সরকারি অথবা বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তার মা-বাবাকে অভুক্তসহ অবহেলা ও অসম্মান দেখালে, চিকিৎসাবিহীন রাখলে অথবা নির্যাতন-নিপীড়ন করলে এবং বৃদ্ধাশ্রম নামক কারাগারে পাঠানোর পরিবেশ তৈরি করলে সর্বোচ্চ সাজা চাকরি থেকে বরখাস্তের বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
📢 এই ১০টি দাবিই আমাদের সমাজে মানবিক মূল্যবোধ পুনরুদ্ধার এবং মা-বাবার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। 💚
✨ শেষ কথা:
এ ব্যাপারে জাতীয় ঐকমত্য তৈরির কোনো বিকল্প নেই।
যদি মনে করেন আমাদের দাবি মানবিক, ন্যায়সঙ্গত ও মূল্যবান —
তাহলে আমাদের এই আন্দোলনে সমর্থন করুন।
মা-বাবার হাসি ফিরিয়ে আনার এই সংগ্রামে আপনিই আমাদের শক্তি। ❤️🇧🇩
ধন্যবাদান্তে,
মোঃ নজরুল ইসলাম
(Founder Chairman)
Association For Save The Parents
Phone📞: +8801888703884
Email✉️: associationforsavetheparentsb@gmail.com
Please visit 🔵Facebook & 🔴YouTube : Association For Save The Parents
3 weeks ago | [YT] | 1
View 0 replies
Association For Save The Parents
"""একটু সময় হবে প্লিজ এই পোস্টটি ভিজিট করার"""
"""বৃদ্ধাশ্রম এ আর ভালো লাগেনা বাবা!!
"মনে চায় শেষ বয়সে নাতি-নাতনিদের সাথে সময় কাটাতে..."
বাংলাদেশে আমাদের জানামতে।
বেসরকারি পর্যায়ে প্রায় ৬৪৯টি বৃদ্ধাশ্রম বা প্রবীণ নিবাস রয়েছে। তবে সরকারিভাবে পরিচালিত বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা মাত্র ৬টি।
এই একটি বাক্যের ভেতর লুকিয়ে আছে শত শত মায়ের অপূর্ণ স্বপ্ন, হাজারো রাতের কান্না আর এক জীবনের ত্যাগের নিঃশব্দ ইতিহাস।
বৃদ্ধাশ্রমের ছোট্ট একটি ঘর। দেয়ালে ঝুলে আছে সময়ের ক্লান্ত ছাপ। জানালার পাশে বসে থাকা এক বৃদ্ধা মা বারবার দরজার দিকে তাকিয়ে থাকেন। প্রতিবার কারো পায়ের শব্দ শুনলেই বুকটা ধক করে ওঠে—"হয়তো আমার ছেলেটা এসেছে... হয়তো আজ নাতিটা দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরবে..." কিন্তু না, দরজা খুলে আবার অন্য কেউ চলে যায়। অপেক্ষা থেকে যায়, আশা থেকে যায়, শুধু আপন মানুষগুলো আর আসে না।
একসময় এই মায়ের কোলেই ছিল সন্তানের প্রথম পৃথিবী। জ্বরের রাতে সন্তানের কপালে হাত রেখে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন তিনি। নিজের ক্ষুধা লুকিয়ে সন্তানের পাতে শেষ খাবারটুকু তুলে দিয়েছেন। নতুন জামা কেনার সামর্থ্য না থাকলেও সন্তানের ঈদ যেন আনন্দে কাটে, সেই চেষ্টা করেছেন সর্বস্ব দিয়ে। সন্তানের হাসির জন্য নিজের সব কষ্টকে হাসিমুখে গ্রহণ করেছিলেন।
আজ সেই সন্তানদের অনেকেই বড় চাকরি করে, বড় বাড়িতে থাকে, দামি গাড়িতে চলাফেরা করে। কিন্তু সেই বিশাল বাড়ির কোথাও নাকি মায়ের জন্য এক চিলতে জায়গা নেই!
বৃদ্ধাশ্রমে থাকা এক মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছিলেন, "আমি ভেবেছিলাম শেষ বয়সে নাতি-নাতনিদের গল্প শোনাবো। তাদের হাত ধরে হাঁটবো। সন্ধ্যায় সবাই মিলে একসাথে চা খাবো। কিন্তু এখন আমার দিন কাটে এই চার দেয়ালের ভেতরে। এখানে অনেক মানুষ আছে, কিন্তু আমার আপন কেউ নেই..."
কথাগুলো বলতে বলতে তাঁর চোখের কোণ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল। সেই অশ্রু শুধু দুঃখের নয়, ভেঙে যাওয়া স্বপ্নেরও।
রাত গভীর হলে বৃদ্ধাশ্রমের করিডোরে এক ধরনের নিস্তব্ধতা নেমে আসে। কিন্তু সেই নীরবতার মাঝেও শোনা যায় চাপা কান্নার শব্দ। কেউ হয়তো পুরোনো অ্যালবামের ছবি বুকে জড়িয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করেন। কেউ হয়তো সন্তানের ছোটবেলার জামা বা কোনো স্মৃতি আঁকড়ে ধরে থাকেন। কেউ আবার মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করেন—একটা কল আসবে, একটা খোঁজ নেবে, কেউ বলবে, "মা, কেমন আছো?"
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এত অবহেলা, এত কষ্ট, এত একাকীত্বের পরেও কোনো মা সন্তানের অমঙ্গল চান না। তারা এখনো দু'হাত তুলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন—
"হে আল্লাহ, আমার সন্তানদের ভালো রেখো। তাদের জীবনে সুখ দাও। তাদের বিপদ থেকে রক্ষা করো..."
এটাই মা।
যে মা নিজের বুকের ভেতর হাজার ক্ষত লুকিয়ে রেখেও সন্তানের জন্য দোয়া করতে ভোলে না।
মনে রাখতে হবে, মা-বাবা কখনো বোঝা নন। তারা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। যাদের হাত ধরে আমরা প্রথম হাঁটতে শিখেছি, কথা বলতে শিখেছি, পৃথিবীকে চিনতে শিখেছি—তাদের শেষ বয়সে একাকীত্বের অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া শুধু মানবিকতার নয়, বিবেকেরও পরাজয়।
আজ যদি আপনার মা-বাবা বেঁচে থাকেন, তাহলে তাদের একটু সময় দিন। তাদের পাশে বসুন। তাদের কথা শুনুন। একটা ফোন করুন। একটা আলিঙ্গন দিন। কারণ পৃথিবীর সবকিছু হারিয়ে আবার পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু মা-বাবাকে হারিয়ে ফেললে সেই শূন্যতা কোনোদিন পূরণ হয় না।
হয়তো বৃদ্ধাশ্রমের কোনো এক জানালার পাশে বসে থাকা একজন মা এখনো অপেক্ষা করছেন—একদিন তাঁর সন্তান এসে বলবে,
"মা, চলো... তোমাকে বাড়ি নিয়ে যেতে এসেছি।"
আর সেই দিনের অপেক্ষাতেই হয়তো তাঁর দুটি ক্লান্ত চোখ আজও পথ চেয়ে আছে...। 💔🥀
🌿 Not Old Age Homes — Let Family Be Parents’ Final Shelter 🏡
Wherever parents are neglected,
📢 that is where our protest begins ✊
⚖️ We stand firmly for the rights, dignity, and protection of parents.
🚫 Against the inhumane concept of old age homes,
our position is clear, compassionate, and uncompromising 🤝
🇧🇩 We envision a Bangladesh —
❤️ free from old age homes,
where parents live with honor, love, care, and the warmth of family 🌸
🤲 Your support, solidarity, and participation in this noble cause
are the true
🌿 বৃদ্ধাশ্রম নয়—পরিবারই হোক মা–বাবার শেষ আশ্রয়স্থল 🏡
যেখানেই মা–বাবা অবহেলিত,
📢 সেখান থেকেই আমাদের প্রতিবাদের শুরু ✊
⚖️ মা–বাবার ন্যায্য অধিকার রক্ষা
🚫 বৃদ্ধাশ্রম নামক অমানবিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে
আমাদের অবস্থান স্পষ্ট, মানবিক ও আপসহীন 🤝
🇧🇩 আমরা চাই—
❤️ একটি বৃদ্ধাশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ,
যেখানে মা–বাবা থাকবেন সম্মান, ভালোবাসা ও পরিবারের উষ্ণতায় 🌸
🤲 এই মহৎ উদ্যোগে আপনার সমর্থন ও অংশগ্রহণই
আমাদের এগিয়ে চলার শক্তি 💪
🏛️ Association For Save The Parents
🙏 ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা 🥰
মো: নজরুল ইসলাম
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
1 month ago | [YT] | 21
View 0 replies
Association For Save The Parents
🌿 বৃদ্ধাশ্রম নয়—পরিবারই হোক মা–বাবার শেষ আশ্রয়স্থল 🏡
যেখানেই মা–বাবা অবহেলিত,
📢 সেখান থেকেই আমাদের প্রতিবাদের শুরু ✊
⚖️ মা–বাবার ন্যায্য অধিকার রক্ষা
🚫 বৃদ্ধাশ্রম নামক অমানবিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে
আমাদের অবস্থান স্পষ্ট, মানবিক ও আপসহীন 🤝
🇧🇩 আমরা চাই—
❤️ একটি বৃদ্ধাশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ,
যেখানে মা–বাবা থাকবেন সম্মান, ভালোবাসা ও পরিবারের উষ্ণতায় 🌸
🤲 এই মহৎ উদ্যোগে আপনার সমর্থন ও অংশগ্রহণই
আমাদের এগিয়ে চলার শক্তি 💪
🏛️ Association For Save The Parents
👑(প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান) 🥰
1 month ago | [YT] | 4
View 0 replies
Association For Save The Parents
1 month ago | [YT] | 1
View 0 replies
Association For Save The Parents
২৭ শে মার্চ ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ! সন্ধ্যায়—কক্সবাজারের উত্তাল সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের মাঝে!
📄 গন সচেতনতার জন্য আমরা পর্যটকদের হাতে!
🛍️ ব্যাগ বিতরণ: প্রচারণার অংশ হিসেবে আমরা ব্যাগ উপহার উপহার দেই!
3 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
Association For Save The Parents
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আপনাদেরকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
মহান আল্লাহ তা'আলা আপনাদের সকলের
পরিবারের জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য দান করুন—এই দোয়া করি।
ঈদ মোবারক।
ওয়াসসালাম।
3 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Association For Save The Parents
1 One Foundation ও MedSys Soft Limited-এর শুভ উদ্বোধন
অনুষ্ঠানে আমরা আমাদের লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করি।
ঢাকা, বাংলাদেশ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
মানবকল্যাণ, সামাজিক উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবার অঙ্গীকার নিয়ে বাংলাদেশ-চাইনা ফ্রেন্ডশিপ কনফারেন্স সেন্টার,ঢাকায় 1 One Foundation ও MedSys Soft Limited-এর শুভ উদ্বোধন আনুষ্ঠানিকভাবে এক জাঁকজমকপূর্ণ ও ভাবগম্ভীর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক পানি সম্পদ ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নাজিম উদ্দিন আল আজাদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে জনাব এইচ এম সিরাজ, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, অগ্নিবীণা, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁইয়া,গণপ্রজাতন্ত্রী তানজানিয়া সরকারের সম্মানীয় রাষ্ট্রদূত ড. ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডক্টর আজিজুল্লাহ এম নুরুজ্জামান;
গবেষক ও লেখক লে: কর্নেল (অব:) আবু ইউসুফ যোবায়ের উল্লাহ, মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস,
প্রকাশক ও সম্পাদক (আইন ও বিচার) এডভোকেট মোঃ শফিকুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইভেন্ট বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক জান্নাতুল ফেরদৌসী। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক যথাক্রমে এম এ সোহেল আহমেদ, ডা: ফাহাদ আমিন, ডা: নাহিদ আফরিন নিসা, উপদেষ্টা মিজানুর রহমান ভূঁইয়া এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর শেখ তানভীর আহমেদ, সাবেক সিনিয়র সচিব ও সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের সিইও ও কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব মোঃ আসাদুল ইসলাম; গেরিলা কমান্ডার ড. শফিকুল ইসলাম কানু,জাতীয় তরুণ সংঘের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফজলুল হক, ডক্টর লুৎফর রহমান,বিবিসিএফ সভাপতি ড. নাসির হোসেন, প্রফেসর ড.নাইমা খানম, অ্যাডভোকেট ফারা দিবা,অধ্যাপক মাহমুদুল আলম মাসুদ, গাজী মোস্তাফিজুর রহমান, সিম্ফনি সফটটেক লিমিটেডের সিওও কামরুল হাসান,বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইন্তেজার রহমান, পিপিএম;
মেরিন ইঞ্জিনিয়ার শাহ মোমিনুল ইসলাম চৌধুরী নাদিম;
ইবনুল সাঈদ রানা পরিবেশ ও রাজনৈতিক সংগঠক,
প্রাইম আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল সোপানুল ইসলাম সোপান;
শিক্ষাবিদ,গবেষক ও লেখক প্রফেসর ড. শহীদ মঞ্জু;
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম; মানবাধিকার সংগঠক ও বিশিষ্ট উপস্থাপক মন্জুর হোসেন ইশা,
প্রফেসর ডক্টর শরিফ সাকি;
আলহাজ্ব মোহাম্মদ আব্দুর রহিম চেয়ারম্যান বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ঐক্য পরিষদ ; ড.আহসান কবির চেয়ারম্যান বিডিক্যান গ্রুপ;
রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আতাউল্লাহ খান;
ডক্টর শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ;
সৈয়দ হারুন অর রশিদ;
রাজু আহমেদ খান; তাসমিনা জেবিন ফ্লোরা,ফাওজিয়া খানম,পারভেজ, এইচ এন মোতালেব খান সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক মাতৃছায়া,
আব্দুর রহিম চৌধুরী মোজাম্মেল মিয়াজি;
এম এ আলীম সরকার;কবি নাসরিন রহমান বনলতা সম্পাদক; কাজী দিলরুবা জেফু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন 1 One Foundation-এর চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রুহুল আমিন।
সভাপতি তাঁর বক্তব্যে মানবসেবামূলক কার্যক্রম ও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের অঙ্গীকারের পাশাপাশি সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন 1 One Foundation-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও MedSys Soft Limited-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান।
ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যক্রমসমূহ:
অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা, জলবায়ু ও পরিবেশ, নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও সচেতনতা,যুব উন্নয়ন কর্মসংস্থানের প্রস্তুতি, প্রাপ্তবয়স্ক সাক্ষরতা ও গবেষণা।
MedSys Soft Limited মূলত: ডিজিটাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কীয় সেবা প্রদানকারী একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা আধুনিক সফটওয়্যার সমাধানের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে থ্রি ল্যাংগুয়েজ প্রণেতা কবি শাহ ওয়ালিউল্লাহ ফরহাদ পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও কবিতা উপস্থাপন করেন। আব্দুল্লাহ লাবিব ও হুসাইন হুজাইফা হামদ, নাত ও সংগীত পরিবেশন করে অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করেন। দেশ, জাতি ও প্রতিষ্ঠানের সফলতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বার্তা প্রেরক
জান্নাতুল ফেরদৌসী
পরিচালক
4 months ago | [YT] | 6
View 0 replies
Association For Save The Parents
হৃদয় ছোঁয়া এক মুহূর্ত: মা-বাবার অধিকারে বিশিষ্টজনদের সংহতি 🖤
গত ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ। আমাদের স্টুডিওতে এক বিশেষ মুহূর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। মা-বাবার অধিকার ও তাঁদের মর্যাদাকে সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত আমাদের এই আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন দেশের বরেণ্য কয়েকজন ব্যক্তিত্ব। মা-বাবার সেবায় আমাদের এই লড়াইকে তাঁরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেছেন।
আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন:
👑 মুহাম্মদ সারওয়ার হোসাইন ইয়াকুবি (গোপালগঞ্জ)
🕌 খতিব: ভোলা জামে মসজিদ, শাহজাদপুর, গুলশান-২, ঢাকা।
🎓 চেয়ারম্যান: ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসাতুল কুরআন, গুলশান, ঢাকা।
🎙️ ধর্মীয় আলোচক: বাংলাদেশ বেতার ও বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেল।
🏢 নির্বাহী পরিচালক: আমাদের হাউজিং লিমিটেড, গুলশান, ঢাকা।
🤝 সভাপতি: বাংলাদেশ ইসলাম প্রচার পরিষদ, ঢাকা মহানগর উত্তর।
🕋 মু'য়াল্লিম: হজ্জ ও উমরা কাফেলা, গুলশান, ঢাকা।
🌱 ফাউন্ডার: সবুজ পাখির মেলা, গুলশান, ঢাকা।
👥 মু'য়াল্লিম: হিজবুল্লাহ জমিয়তুল মুসলিহীন, গুলশান, ঢাকা।
👑 মোঃ ওমর ফারুক
📖 ইসলামি চিন্তাবিদ, সমাজসেবক ও নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক।
দীর্ঘ আলাপচারিতায় উঠে আসে বর্তমান সমাজ ও পরিবারে মা-বাবার করুণ পরিস্থিতির কথা। আলোচনার এক পর্যায়ে মা-বাবার সীমাহীন ত্যাগের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে পরিবেশ অত্যন্ত আবেগঘন হয়ে ওঠে। তাঁদের অবদানের কথা বলতে গিয়ে উপস্থিত সবার চোখের কোণ সিক্ত হয়ে ওঠে, এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। 🥺
যখন এমন গুণী মানুষেরা মা-বাবার সেবাকে জীবনের পরম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন, তখন আমাদের চলার পথের অনুপ্রেরণা বহুগুণ বেড়ে যায়। তাঁরা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন—মা-বাবার মর্যাদা রক্ষায় এই মানবিক লড়াইয়ে তাঁরা আজীবন আমাদের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন, ইনশাআল্লাহ! ✊✨
তাঁদের এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ধারাবাহিকভাবে আমাদের সকল চ্যানেলে একযোগে প্রচার করা হবে। মা-বাবার প্রতি আমাদের এই ভালোবাসা এবং তাঁদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চলুক অবিরাম। ❤️
5 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
Association For Save The Parents
১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে "আমার সোনার বাংলায় আর কোনো মা-বাবা যেন বৃদ্ধাশ্রমে না যায়।" — এই প্রতিজ্ঞাকে সামনে রেখে Association For Save The Parents (ASP) 'মা-বাবাকে বাঁচানোর জন্য সংগঠন'-এর পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিশাল 'জনমত তৈরির পথসভা' সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
আমাদের এই মানবিক উদ্যোগে সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন এবং মূল্যবান বক্তব্য রেখেছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ:
👤 আহসান উল্লাহ শামীম (প্রধান সমন্বয়কারী, নাগরিক মঞ্চ; মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট সমাজসেবক)।
👤 মো: মিজানুর রহমান (মহাসচিব ও নির্বাচন কমিশনার, ASP; বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ইসলামী চিন্তাবিদ)।
👤 খন্দকার মো: জসীম উদ্দিন (জনসংযোগ বিষয়ক উপদেষ্টা, ASP; সিনিয়র জার্নালিস্ট ও লেখক)।
👤 সাবেক ইসলামিক টেলিভিশন উপস্থাপক ও সাপ্তাহিক রেনেসাঁ পত্রিকার সম্পাদক, তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক্রিডিটেশন কার্ডধারী এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী (মরহুম মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল আজিজ তথা 'ডিকশনারি হুজুর'-এর সুযোগ্য সন্তান)।
👤 খন্দকার মো: সাকিবুল হাসান (শিক্ষক মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ)।
👤 মো: শামীম
👤 মো: জুবায়ের হোসেন জামিল
👤 মো: মাইদুল ইসলাম সহ
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ASP সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
👤 মো: নজরুল ইসলাম
প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই পথসভা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল স্তরের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কবি, সাংবাদিক, লেখক এবং সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা আমাদের এই আন্দোলনকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন জানিয়েছেন। প্রত্যেকের কণ্ঠেই ধ্বনিত হয়েছে একটিই দাবি— "বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক মা-বাবার শেষ আশ্রয়স্থল।" বৃদ্ধাশ্রম কারও কাম্য নয়। মা-বাবার শেষ বয়সের ঠিকানা যেন কোনো আশ্রম নয়, বরং সন্তানের পরম মমতাময় কোল হয়।
✅ আমাদের শপথসমূহ:
👉 মা-বাবার অবাধ্য সন্তান হব না।
👉 মা-বাবার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করব না।
👉 মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাব না।
👉 মা-বাবাকে আমরণ সেবা-যত্ন করব।
👉 মা-বাবার পরামর্শের বাইরে কোনো কাজ করব না।
👉 মা-বাবাকে ভিক্ষাবৃত্তি, কষ্ট ও অসাধ্য কাজ
করতে দেব না।
আসুন, আমরা সকলে মিলে এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলি যেখানে প্রতিটি মা-বাবা সম্মানের সাথে নিজ ঘরে থাকতে পারেন।
#Association_For_Save_The_Parents
#মা_বাবাকে_বাঁচানোর_জন্য_সংগঠন
#ASP #OldAgeHomeFreeBangladesh #জনমত_তৈরি #পথসভা #জাতীয়_প্রেসক্লাব #বৃদ্ধাশ্রম_মুক্ত_বাংলাদেশ #ছাত্র_সমাজের_সমর্থন
6 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
Load more