❤️Hi friends. I am Rima, this is my channel Rima art365.my channel a new drawing and batter Art video and tutorial on how to do shading vary realistic and how to use white charcoal pencil. On toned textured paper.
I will Teach you how to draw in a simple way....... .

. ..... ((So Please hit the subscribe my Channel. #Rima art and drawing# den on ball button, because. I need Your Support a lot....
#Art #printing #drowning
#draw #Crafts

❤️❤️thank you for watching❤️❤️


Rima art365

স্বামী কর্তৃক তালাকপ্রাপ্তা কোনো রমনীকে তালাকের কারণ জিজ্ঞেস করুন। সে বলবে, একেবারেই তুচ্ছ কারণে। সে আমাকে তার নিকট বোনের বাড়িতে যেতে বলেছিল। আমি না করতে সে রেগে উঠে ও গালমন্দ করতে করতে একপর্যায়ে আমাকে তালাক দিয়ে বসে।
আপনি একটু বিচক্ষণতার সাথে যদি ভাবেন তাহলে বুঝতে পারবেন, এ তুচ্ছ বিষয়টি কিছুতেই তালাকের কারণ হতে পারে না। এ সেই দিয়াশলাইয়ের কাঠির ভারে উটের কোমর ভেঙ্গে যাওয়ার গল্পের ন্যায় তুচ্ছ অজুহাত।

এক ব্যক্তির হৃষ্টপুষ্ট একটি উট ছিল। একবার সে সফরের মনস্থ করল। সে তার সফরের সামান উটের পিঠে উঠিয়ে বাঁধতে শুরু করে। উটটি স্বাভাবিকভাবে শান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একে একে তার পিঠে প্রায় চারটি উটের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হলো। বোঝার ভারে উটটি বারবার কেঁপে উঠছিল। উপস্থিত লোকেরা বারবার তাকে সতর্ক করে বলল, যা উঠিয়েছো, এ তো অনেক। উটটি এর বেশি একটুও বহন করতে পারবে না।

সে এতটুকুতে তুষ্ট ছিল না। তারপরও সে খড়ের একটি আটি উটের পিঠে রাখলো ও বলল, এটিই শেষ, এটা বেশ হালকা। খড়ের আটিটি রাখতে না রাখতেই উটটি ধপাস করে মাটির ওপর পড়ে যায়। এই ঘটনা পরবর্তীতে প্রবাদ-গল্পে পরিণত হয় এবং এ দিকে ইশারা করেই তৈরি হয় প্রবাদ বাক্য- দিয়াশলাইয়ের কাঠি উটের কোমর ভেঙ্গে ফেলেছে।

একবার ভাবুন! তাহলে দেখবেন খড়ের আঁটিটি এখানে উপলক্ষ মাত্র। সে যেন বিনা অপরাধে অভিযুক্ত মালুম। খড়ের আঁটিটি মূলত উটের কোমর ভাঙ্গেনি, আর বড় বড় বোঝার ভারই তার কোমর ভেঙ্গে দিয়েছে। বোঝা ওঠানোর আরম্ভ থেকেই উটটি ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে।

একসময় যখন তার সহ্যের সীমা পার হয়ে গেছে তখন সামান্য জিনিসের ভারেই তার কোমর ভেঙ্গে গেছে। এদিকে তালাকপ্রাপ্তা রমনীটির অবস্থাও অনুরূপ। আমি পূর্ণ আস্থার সাথে বলতে পারি, শুধু স্বামীর সাথে বোনের বাড়িতে যেতে অস্বীকার করাটাই তার তালাকের কারণ নয়। তাছাড়া পূর্বের কৃত আরো অনেক অন্যায় ও অপরাধ ছিল এর মূল কারণ। যেমন এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে:

স্বামীর আদেশ অমান্য করা

তার চাওয়া পূর্ণ না করা ...

তার নিকট হৃদ্যতাপূর্ণ আচরণ না করা...

কারণে-অকারণে জেদ ধরা ...

তার মত ও সিদ্ধান্তের মূল্যায়ন না করা ইত্যাদি। পদে পদে তার এ জাতীয় আচরণের কারণে স্বামীর হৃদয়- অ্যাকাউন্টে সঞ্চিত ভালোবাসার অ্যামাউন্ট হ্রাস পেয়েছে, নতুন করে কিছুই যোগ হয়নি। হৃদয়ে ব্যাথার যখম হয়েছে, সান্তনার প্রলেপ দেয়া হয়নি।
অবশেষে এতদিন স্বামী বেচারা ধৈর্য ধরেছিল, সব কিছু সহ্য করছিল। অবশেষে যখন সহ্যের সীমা পার হয়ে গেছে তখন এ সামান্য বিষয়ই তালাকের কারণ হয়ে গেছে এবং উটের কোমর ভেঙ্গে গেছে। এর বিপরীতে স্ত্রী যদি স্বামীর সব বিষয়ে যত্নবান হতো, তার নিকট সদাচরণ করতো, প্রেমপূর্ণ ভাব প্রকাশ করতো, হৃদ্যতা ও ভালোবাসা বিনিময় করতো, হাসি-ঠাট্টা গল্প করতো, স্বামীর পানাহার ও পোশাক-পরিচ্ছদের প্রতি যত্নবান হতো ও তার সকল মত ও সিদ্ধান্তকে মূল্যায়ন করতো, তাহলে স্ত্রীর জন্য শত কোটি ভালোবাসা জমা হতো।

পরবর্তীতে ঘটনাক্রমে যদি সে স্বামীর বোনের বাড়িতে যেতে অস্বীকারও করতো, তাতে তেমন কিছু ঘটতো না। তার এই একটি দোষ বহু গুণের সাগরে হারিয়ে যেতো।

জীবনকে উপভোগ করুন।

#short
@short
#Story

1 year ago | [YT] | 1

Rima art365

নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো।
হাত লাগলেই শেষ।
সেইটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোনো পুরুষের।
এই হাত লাগা শুধু শারীরিক স্পর্শে না,
পুরুষের সঙ্গতায়ও নারীর লজ্জা কেটে যায়।
.
যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে,
তার লজ্জা তত কমবে।
.
যেমন-চিত্র নায়িকারা।
বিকিনি পড়তেও দ্বিধা করেনা।
পুরুষের মাঝে থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে।
.
কনজারভেটিভ ফ্যামিলির মেয়েকে ওড়না ছাড়া
দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।
.
ইদানিং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের
ভূমিকা পালন করছে।-
ফেসবুকে বন্ধু বেশি।
.
অতি-আধুনিকরা ছেলে বন্ধুর সঙ্গে
পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে।
ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা
বলে- মাইন্ড করলে বলে '' জাস্ট
কিডিং, টেক ইট ইজি।'
.
ইজিলি নিতে নিতে সেই অশালীন
বিষয় আর অশালীন লাগে না।
লজ্জা শেষ !
.
আবার ফেসবুকে প্রেমিক বেশি!!
কেউ প্রেমে পড়েছে তো,
প্রেমিক রোমান্সের ছলে অশ্লীল কথা বলে।
স্বামীর মতো।
এরপর ব্রেকআপ হয়।
আবার কারো প্রেমে পড়ে।
আবারো চুম্মা-চাটি,আরো কত কি করে !!
.
আবার ব্রেকাপ।
.
লজ্জা -শরমের মাথা খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ
হয়ে যায়।
.
'প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস করে,
পুরুষের সব বিলীন হয়ে যায়।
.
নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি ইয়াবার মতো।
প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে।
পরে ২০-২৫ টা খেলেও কাজ হয় না।
ব্যস !
এক সময় পুরুষের প্রতি ফিলিংস কাজ করেনা।
.
প্রেমিকের ভালবাসা তার কাছে পানসে লাগে।
.
একটার পর একটা পুরুষ বদল করে।
কিন্তু স্থির হতে পারে না।
.
জানাশোনা শেষ হলেই - আর ভালো লাগে না।
বোরিং লাগে।
.
কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতে ভালবাসার
অনুভূতিই শেষ !
.
মুরব্বীরা বলতেন বিয়ের পরে মেয়ের
লজ্জা কমে।
বাচ্চা হবার পরে আরো কমে যায়।
তখন বুঝতাম না।
ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়।
tongue emoticon
.
এখন বুঝি।
আগে মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিলো পুরুষ।
তাই বিয়ের পরের কথা এসেছে।
.
এখন বিয়ে লাগে না পুরুষের কাছে
আসতে- ফেসবুক হলেই চলে।
ফেসবুক সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।
.

লেখাটি না বুঝলে আরেকবার পড়ুন,
তারপরে মন্তব্য করুণ।
.

আর যাদের এই লেখা পড়ে গায়ে লাগবে লেখাটা বিশেষ ভাবে তাদের জন্য..

1 year ago | [YT] | 1