আজ তোমাদের জীবনের এক বিশেষ দিন- উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হতে চলেছে। একজন শিক্ষক হিসেবে এই মুহূর্তে আমার হৃদয় জুড়ে আছে আশা ,প্রার্থনা এবং শুভকামনা।
আমি চাই আমার প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী যেন তাদের কঠোর পরিশ্রমের যোগ্য ফল পায় । তারা যেন নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে। এই পরীক্ষার ফলাফল হোক তাদের জীবনের নতুন সূচনা, আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি।
প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা মনে রেখো ফলাফল যেমনই হোক না কেন তোমরা আমাদের গর্ব। আত্মবিশ্বাস ধরে রাখো ,ভালো কিছু নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
প্রত্যেকের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ। তোমাদের ভবিষ্যৎ হোক সাফল্যময় ও আলোকোজ্জ্বল। শুভেচ্ছান্তে - তোমাদের প্রিয় প্রসাদ স্যার
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা- আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করছি। ফলাফল যেমনই হোক না কেন মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ পুরো পথ নয় । আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। প্রসাদ স্যার
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা- আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করছি। ফলাফল যেমনই হোক না কেন মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ পুরো পথ নয় । আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। প্রসাদ স্যার
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা- আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করছি। ফলাফল যেমনই হোক না কেন মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ পুরো পথ নয় । আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। প্রসাদ স্যার
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা- আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করছি। ফলাফল যেমনই হোক না কেন মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ পুরো পথ নয় । আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। প্রসাদ স্যার
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা-
আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন-মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যাবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করি। ফলাফল যেমনই হোক না কেন, মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ ,পুরো পথ নয়। আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে এরকম আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে । তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
ইদানিং যে হাসপাতাল সংবাদ শিরোনামে সেই আরজিকর (রাধাগোবিন্দ কর) মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইতিহাস তা জানেন কী?
ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর সংক্ষেপে আরজিকর। আরজিকর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কথা আমরা সবাই প্রায় জানি। কলকাতার বুকে সেরা সরকারি হাসপাতালের মধ্যে এটি অন্যতম। কিন্তু আপনাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় কে ছিলেন আরজিকর? তাহলে অধিকাংশ বাঙালি লজ্জায় পড়বেন। অথচ আরজিকর অর্থাৎ ডাক্তার রাধা গোবিন্দ কর ছিলেন ব্রিটিশ শাসিত বাংলায় চিকিৎসা শাস্ত্রের রেনেসাঁ পুরুষ। চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বাংলার মানুষের সুলভ্য করতে তিনি সারাটা জীবন লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। হাওড়া জেলার রামরাজাতলা স্টেশনে নেমে মিনিট পনেরোর পথ পেরোলেই পৌঁছানো যায় বেতড়ের বিখ্যাত কর বাড়িতে, রাধাগোবিন্দ করের জন্মভিটে ।1852 সালের 23 শে আগস্ট তাঁর জন্মদিবস। বাবা দুর্গাদাস কর ঢাকায় মিডফোর্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পড়াশোনায় অসম্ভব মেধাবী রাধাগোবিন্দ কর ।হেয়ার স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাস করার পর চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাঠ গ্রহণের জন্য 1880 সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। 1883 সালে কলকাতা ছেড়ে স্কটল্যান্ডে পাড়ি দেন রাধাগোবিন্দ।ভর্তি হন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে। 1887 সালে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিদ্যার শ্রেষ্ঠ অলংকারের ভূষিত হন MRCP হয়ে। বন্ধুবান্ধব ও অধ্যাপক বৃন্দ তাঁকে বিলেতে থেকে যাওয়ার কথা বললেও তিনি কিন্তু ফিরে এলেন তাঁর জন্মভূমি, মাতৃভূমি এই বাংলায়। একজন বিলেত ফেরত ডাক্তার হয়ে তিনি দাঁড়ালেন এই বাংলার অসংখ্য অসহায় গরীব মানুষের পাশে। তাই তিনি মনস্থির করলেন এদেশের মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল তৈরি করবেন। কিন্তু টাকা কোথায়? ঠিক করলেন, ভিক্ষা করবেন। নিজের সবকিছু বিক্রি করে দিবেন। যেমন ভাবা তেমন কাজ। কলকাতার বড়লোক ধনীদের কাছ থেকে ভিক্ষা করতে শুরু করলেন । কলকাতায় তখনকার দিনের বড়লোকদের বাড়িতে কোন আনন্দ অনুষ্ঠান হলে বা তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানে ডাক্তার কর সেই বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন আর অভ্যাগত আমন্ত্রিতরা এলে ভিক্ষা চাইতেন। অনুরোধ কিছু টাকা-পয়সা যদি সাহায্য করেন খুব উপকার হয় সবার জন্য একটা হাসপাতাল তৈরি করতে পারি।
সবাই দেখছেন একজন বিলাত ফেরত MRCP ডাক্তার মানুষের জন্য হাসপাতাল করার জন্য ভিক্ষা চাইছেন। পরিচিতরা বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞাসা করে,' স্যার, ডাক্তারবাবু ,আপনি!'
শ্রদ্ধায় তাড়াতাড়ি সাধ্যমত সহযোগিতা করেন আবার কেউ কেউ মুখ দেখিয়ে পাশ কাটিয়ে চলেও যায়। শত অপমান সহ্য করেও নিরংকার মানুষটি হাসপাতাল তৈরি স্বপ্ন সার্থক করার জন্য নির্দ্বিধায় অর্থ সাহায্য চাইতেন। শুধু তাই নয় চিকিৎসক হিসেবে অর্জিত অর্থের সমস্তটাই দান করে গিয়েছেন মেডিকেল স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপনে।
এইভাবে ভিক্ষা করে নিজের যাবতীয় সব বিক্রি করে 25000 টাকায় বেলগাছিয়ায় 12 বিঘা জমি কিনে নেন ডাক্তার কর ।এরপর 70000 ব্যয়ে সেখানে গড়ে উঠল হাসপাতাল। শয্যা সংখ্যা 30 । ঠিকানা 1 নম্বর বেলগাছিয়া রোড। হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে 18,000 দান করেন স্বয়ং প্রিন্স অ্যালবার্ট ভিক্টর । তাই হাসপাতালের নাম রাখা হয় আলবার্ট ভিক্টর হাসপাতাল। 1916 সালের 5 জুলাই মেডিকেল কলেজের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করেন লর্ড কারমাইকেল। তাঁর সম্মানে বদলে যায় নাম ।দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত কারমাইকেল মেডিকেল কলেজ হিসেবে পরিচিত ছিল এই চিকিৎসা শিক্ষাকেন্দ্র টি। 1948 সালে তীব্র আর্থিক সংকটের সময় ফের নাম বদলের দাবি ওঠে। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায় অবশ্য তা হতে দেননি। তাঁর উদ্যোগেই ডাক্তার রাধাগোবিন্দ করের নামে কলেজের নাম রাখা হয়। 1918 সালের 19 ডিসেম্বর ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাধাগোবিন্দ কর। মৃত্যুর সময় রাধাগোবিন্দ করের নিজস্ব সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। শুধু ছিল বেলগাছিয়ায় গড়ে তোলা একটি বাড়ি । সেই বাড়িটিও উইল করে দান করে যান মেডিকেল কলেজকে। রাধাগোবিন্দ কর ছিলেন উনিশ শতকের বাংলার চিকিৎসা শাস্ত্রের প্রকৃত রেনেসাঁ পুরুষ।
এই মহান চিকিৎসক প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালের বর্তমান অবস্থায় আমরা খুবই মর্মাহত জানিনা কবে তার হৃত গৌরব আবার ফিরে আসবে---?
আজ শিক্ষক দিবসের পুণ্য সকালে আমার সকল প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। সবাই ভালো থেকো। মঙ্গলময় ঈশ্বরের কাছে সকলের সুস্থতা কামনা করি। তোমাদের জীবনের মঙ্গলদীপ ও ভবিষ্যৎ আর উজ্জ্বল শিক্ষায় প্রজ্জ্বলিত হোক ,এই আশা রাখি।
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা আগামীকাল তোমাদের পরীক্ষার রেজাল্ট। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষার বাধা অতিক্রম করতে চলেছ। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে কামনা করি যেন তোমাদের রেজাল্ট খুব ভালো হয়। দিনটা যেন তোমাদের সঙ্গে সঙ্গে মা-বাবারও খুব আনন্দে কাটে। এই প্রসঙ্গে সিঙ্গাপুরের একজন প্রিন্সিপালের কথা মনে পড়ে গেল, যিনি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লিখেছিলেন । চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ এরকম-
আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে আপনাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে । একটা বিষয়ে মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিয়েছে তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে যার গণিত শেখার কোন দরকার নেই । একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই। একজন সঙ্গীতশিল্পী হবে যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তার ভবিষ্যতে কিছু আসে যায় না। একজন খেলোয়ার হবে তার শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।
যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায় সেটা হবে খুবই চমৎকার কিন্তু যদি না পায় তাহলে প্লিজ তাদের নিজেদের উপর বিশ্বাস কিংবা সম্মান টুকু কেড়ে নেবেন না । তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়। এটাতো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক আপনি সবসময় তাকে ভালবাসবেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না।
প্লিজ, এই কাজটি করুন ,যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে।
একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না।
প্লিজ, আর একটা কথা মনে রাখবেন যে এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার ,ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর, বা আইনজীবীরাই একমাত্র সুখী মানুষ নন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্কুলের কলেজের যেকোনো এক্সামে ভালো নাম্বার পাওয়ার জন্য যেসব সূত্র অবলম্বন করা উচিত সেই নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করা হয়েছে তা সবাই গিয়ে তাড়াতাড়ি দেখে নাও
আজ রাখি বন্ধন একটি মহা পবিত্র ও সুন্দরদিন। এই দিনে আমি আমার সমস্ত ভিউয়ার্স বোনেদের স্নেহ ও ভালোবাসা জানাই। আজকের দিনে সমস্ত ভাই- বোনদের মধ্যে ভালোবাসা , ঘনিষ্ঠতা এবং বিশ্বাস দৃঢ় হোক। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হিন্দু মুসলমান সমস্ত ভাই-বোনদের মধ্যে একতার প্রতীক হিসাবে যে রাখি বন্ধন এর সূচনা করেছিলেন, আজ সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প জর্জরিত ভারতবর্ষে সম্প্রীতির মেলবন্ধন ঘটাতে এসো আমরা সবাই মিলে সেই মহান রাখি বন্ধন উৎসবে ব্রতী হই ।এই অনুষ্ঠানের দ্বারা আমরা সমস্ত সম্প্রদায়ের ভাইবোনের মধ্যে ভালোবাসা ও স্নেহের বন্ধন কে দৃঢ় ,শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করে তুলি
Prasad Tutorials
1 year ago | [YT] | 3
View 0 replies
Prasad Tutorials
উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা
আজ তোমাদের জীবনের এক বিশেষ দিন- উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হতে চলেছে। একজন শিক্ষক হিসেবে এই মুহূর্তে আমার হৃদয় জুড়ে আছে আশা ,প্রার্থনা এবং শুভকামনা।
আমি চাই আমার প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী যেন তাদের কঠোর পরিশ্রমের যোগ্য ফল পায় । তারা যেন নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে। এই পরীক্ষার ফলাফল হোক তাদের জীবনের নতুন সূচনা, আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি।
প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা মনে রেখো ফলাফল যেমনই হোক না কেন তোমরা আমাদের গর্ব। আত্মবিশ্বাস ধরে রাখো ,ভালো কিছু নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
প্রত্যেকের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ। তোমাদের ভবিষ্যৎ হোক সাফল্যময় ও আলোকোজ্জ্বল।
শুভেচ্ছান্তে -
তোমাদের প্রিয় প্রসাদ স্যার
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Prasad Tutorials
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা-
আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করছি।
ফলাফল যেমনই হোক না কেন মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ পুরো পথ নয় । আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
প্রসাদ স্যার
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা-
আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করছি।
ফলাফল যেমনই হোক না কেন মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ পুরো পথ নয় । আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
প্রসাদ স্যার
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা-
আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করছি।
ফলাফল যেমনই হোক না কেন মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ পুরো পথ নয় । আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
প্রসাদ স্যার
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা-
আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করছি।
ফলাফল যেমনই হোক না কেন মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ পুরো পথ নয় । আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
প্রসাদ স্যার
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা-
আজ তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন-মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই দিনটির জন্য তোমরা অনেক পরিশ্রম ও অধ্যাবসায় করেছো। তোমাদের পরিশ্রম যেন সফল হয়, তোমাদের রেজাল্ট যাতে খুব ভালো হয় মঙ্গলময়ের কাছে এই কামনা করি।
ফলাফল যেমনই হোক না কেন, মনে রেখো এটি জীবনের একটি ধাপ ,পুরো পথ নয়। আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে এরকম আরো অনেক সাফল্য তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে । তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
প্রসাদ স্যার
1 year ago | [YT] | 6
View 0 replies
Prasad Tutorials
2025 Madhyamik Examination Routine
1 year ago | [YT] | 4
View 3 replies
Prasad Tutorials
R.G.KAR (রাধাগোবিন্দ কর)
ইদানিং যে হাসপাতাল সংবাদ শিরোনামে সেই আরজিকর (রাধাগোবিন্দ কর) মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইতিহাস তা জানেন কী?
ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর সংক্ষেপে আরজিকর। আরজিকর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কথা আমরা সবাই প্রায় জানি। কলকাতার বুকে সেরা সরকারি হাসপাতালের মধ্যে এটি অন্যতম। কিন্তু আপনাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় কে ছিলেন আরজিকর? তাহলে অধিকাংশ বাঙালি লজ্জায় পড়বেন। অথচ আরজিকর অর্থাৎ ডাক্তার রাধা গোবিন্দ কর ছিলেন ব্রিটিশ শাসিত বাংলায় চিকিৎসা শাস্ত্রের রেনেসাঁ পুরুষ। চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বাংলার মানুষের সুলভ্য করতে তিনি সারাটা জীবন লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।
হাওড়া জেলার রামরাজাতলা স্টেশনে নেমে মিনিট পনেরোর পথ পেরোলেই পৌঁছানো যায় বেতড়ের বিখ্যাত কর বাড়িতে, রাধাগোবিন্দ করের জন্মভিটে ।1852 সালের 23 শে আগস্ট তাঁর জন্মদিবস। বাবা দুর্গাদাস কর ঢাকায় মিডফোর্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পড়াশোনায় অসম্ভব মেধাবী রাধাগোবিন্দ কর ।হেয়ার স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাস করার পর চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাঠ গ্রহণের জন্য 1880 সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। 1883 সালে কলকাতা ছেড়ে স্কটল্যান্ডে পাড়ি দেন রাধাগোবিন্দ।ভর্তি হন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে। 1887 সালে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিদ্যার শ্রেষ্ঠ অলংকারের ভূষিত হন MRCP হয়ে। বন্ধুবান্ধব ও অধ্যাপক বৃন্দ তাঁকে বিলেতে থেকে যাওয়ার কথা বললেও তিনি কিন্তু ফিরে এলেন তাঁর জন্মভূমি, মাতৃভূমি এই বাংলায়। একজন বিলেত ফেরত ডাক্তার হয়ে তিনি দাঁড়ালেন এই বাংলার অসংখ্য অসহায় গরীব মানুষের পাশে। তাই তিনি মনস্থির করলেন এদেশের মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল তৈরি করবেন। কিন্তু টাকা কোথায়?
ঠিক করলেন, ভিক্ষা করবেন। নিজের সবকিছু বিক্রি করে দিবেন। যেমন ভাবা তেমন কাজ। কলকাতার বড়লোক ধনীদের কাছ থেকে ভিক্ষা করতে শুরু করলেন । কলকাতায় তখনকার দিনের বড়লোকদের বাড়িতে কোন আনন্দ অনুষ্ঠান হলে বা তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানে ডাক্তার কর সেই বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন আর অভ্যাগত আমন্ত্রিতরা এলে ভিক্ষা চাইতেন। অনুরোধ কিছু টাকা-পয়সা যদি সাহায্য করেন খুব উপকার হয় সবার জন্য একটা হাসপাতাল তৈরি করতে পারি।
সবাই দেখছেন একজন বিলাত ফেরত MRCP ডাক্তার মানুষের জন্য হাসপাতাল করার জন্য ভিক্ষা চাইছেন। পরিচিতরা বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞাসা করে,' স্যার, ডাক্তারবাবু ,আপনি!'
শ্রদ্ধায় তাড়াতাড়ি সাধ্যমত সহযোগিতা করেন আবার কেউ কেউ মুখ দেখিয়ে পাশ কাটিয়ে চলেও যায়। শত অপমান সহ্য করেও নিরংকার মানুষটি হাসপাতাল তৈরি স্বপ্ন সার্থক করার জন্য নির্দ্বিধায় অর্থ সাহায্য চাইতেন। শুধু তাই নয় চিকিৎসক হিসেবে অর্জিত অর্থের সমস্তটাই দান করে গিয়েছেন মেডিকেল স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপনে।
এইভাবে ভিক্ষা করে নিজের যাবতীয় সব বিক্রি করে 25000 টাকায় বেলগাছিয়ায় 12 বিঘা জমি কিনে নেন ডাক্তার কর ।এরপর 70000 ব্যয়ে সেখানে গড়ে উঠল হাসপাতাল। শয্যা সংখ্যা 30 । ঠিকানা 1 নম্বর বেলগাছিয়া রোড। হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে 18,000 দান করেন স্বয়ং প্রিন্স অ্যালবার্ট ভিক্টর । তাই হাসপাতালের নাম রাখা হয় আলবার্ট ভিক্টর হাসপাতাল। 1916 সালের 5 জুলাই মেডিকেল কলেজের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করেন লর্ড কারমাইকেল। তাঁর সম্মানে বদলে যায় নাম ।দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত কারমাইকেল মেডিকেল কলেজ হিসেবে পরিচিত ছিল এই চিকিৎসা শিক্ষাকেন্দ্র টি। 1948 সালে তীব্র আর্থিক সংকটের সময় ফের নাম বদলের দাবি ওঠে। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায় অবশ্য তা হতে দেননি। তাঁর উদ্যোগেই ডাক্তার রাধাগোবিন্দ করের নামে কলেজের নাম রাখা হয়।
1918 সালের 19 ডিসেম্বর ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাধাগোবিন্দ কর। মৃত্যুর সময় রাধাগোবিন্দ করের নিজস্ব সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। শুধু ছিল বেলগাছিয়ায় গড়ে তোলা একটি বাড়ি । সেই বাড়িটিও উইল করে দান করে যান মেডিকেল কলেজকে। রাধাগোবিন্দ কর ছিলেন উনিশ শতকের বাংলার চিকিৎসা শাস্ত্রের প্রকৃত রেনেসাঁ পুরুষ।
এই মহান চিকিৎসক প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালের বর্তমান অবস্থায় আমরা খুবই মর্মাহত জানিনা কবে তার হৃত গৌরব আবার ফিরে আসবে---?
1 year ago | [YT] | 3
View 0 replies
Prasad Tutorials
শিক্ষক দিবসের পুণ্য লগ্নে -
ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি
আজ শিক্ষক দিবসের পুণ্য সকালে আমার সকল প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। সবাই ভালো থেকো। মঙ্গলময় ঈশ্বরের কাছে সকলের সুস্থতা কামনা করি। তোমাদের জীবনের মঙ্গলদীপ ও ভবিষ্যৎ আর উজ্জ্বল শিক্ষায় প্রজ্জ্বলিত হোক ,এই আশা রাখি।
1 year ago | [YT] | 9
View 3 replies
Prasad Tutorials
২০২৪ একাদশ পরীক্ষার প্রথম সেমিস্টার এর রুটিন
1 year ago | [YT] | 6
View 2 replies
Prasad Tutorials
আমার প্রিয় মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা আগামীকাল তোমাদের পরীক্ষার রেজাল্ট। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষার বাধা অতিক্রম করতে চলেছ। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে কামনা করি যেন তোমাদের রেজাল্ট খুব ভালো হয়। দিনটা যেন তোমাদের সঙ্গে সঙ্গে মা-বাবারও খুব আনন্দে কাটে। এই প্রসঙ্গে সিঙ্গাপুরের একজন প্রিন্সিপালের কথা মনে পড়ে গেল, যিনি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লিখেছিলেন । চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ এরকম-
আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে আপনাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে । একটা বিষয়ে মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিয়েছে তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে যার গণিত শেখার কোন দরকার নেই । একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই। একজন সঙ্গীতশিল্পী হবে যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তার ভবিষ্যতে কিছু আসে যায় না। একজন খেলোয়ার হবে তার শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।
যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায় সেটা হবে খুবই চমৎকার কিন্তু যদি না পায় তাহলে প্লিজ তাদের নিজেদের উপর বিশ্বাস কিংবা সম্মান টুকু কেড়ে নেবেন না । তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়। এটাতো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক আপনি সবসময় তাকে ভালবাসবেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না।
প্লিজ, এই কাজটি করুন ,যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে।
একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না।
প্লিজ, আর একটা কথা মনে রাখবেন যে এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার ,ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর, বা আইনজীবীরাই একমাত্র সুখী মানুষ নন।
অশেষ শুভেচ্ছা,
প্রিন্সিপাল।
2 years ago | [YT] | 8
View 4 replies
Prasad Tutorials
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্কুলের কলেজের যেকোনো এক্সামে ভালো নাম্বার পাওয়ার জন্য যেসব সূত্র অবলম্বন করা উচিত সেই নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করা হয়েছে তা সবাই গিয়ে তাড়াতাড়ি দেখে নাও
2 years ago | [YT] | 12
View 1 reply
Prasad Tutorials
আজ রাখি বন্ধন একটি মহা পবিত্র ও সুন্দরদিন।
এই দিনে আমি আমার সমস্ত ভিউয়ার্স বোনেদের স্নেহ
ও ভালোবাসা জানাই। আজকের দিনে সমস্ত ভাই- বোনদের মধ্যে ভালোবাসা , ঘনিষ্ঠতা এবং বিশ্বাস দৃঢ় হোক। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হিন্দু মুসলমান সমস্ত ভাই-বোনদের মধ্যে একতার প্রতীক হিসাবে যে রাখি বন্ধন এর সূচনা করেছিলেন, আজ সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প জর্জরিত ভারতবর্ষে সম্প্রীতির মেলবন্ধন ঘটাতে এসো আমরা সবাই মিলে সেই মহান রাখি বন্ধন উৎসবে ব্রতী হই ।এই অনুষ্ঠানের দ্বারা আমরা সমস্ত সম্প্রদায়ের ভাইবোনের মধ্যে ভালোবাসা ও স্নেহের বন্ধন কে দৃঢ় ,শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করে তুলি
2 years ago | [YT] | 11
View 1 reply
Load more