Pinaki Bhattacharya

Pinaki Bhattacharya is a Bangladeshi writer and political commentator living in exile in Paris. Author of 19 non-fiction books and the Amazon-bestselling novel Fulkumari, he is a physician and MBA graduate from Sorbonne Business School and is currently pursuing a PhD in Political Economy.

Disclaimer: This channel provides commentary, opinion, and analysis on political and public affairs based on publicly available sources. Statements of opinion should not be interpreted as assertions of fact unless supported by cited sources. If any information presented is inaccurate, corrections will be made when credible evidence is provided.

Publisher: NARRATION NEXUS S.A.S
Editorial responsibility: Pinaki Bhattacharya
Business address: 66 Avenue des Champs-Élysées, 75008 Paris
Contact: east.westfr@protonmail.com
Hosting: YouTube (Google LLC)


Pinaki Bhattacharya

🤣🤣🤣

1 week ago | [YT] | 19,062

Pinaki Bhattacharya

বিএনপির দৌড়ে কে সেরা?

1 week ago | [YT] | 6,455

Pinaki Bhattacharya

1 week ago | [YT] | 20,488

Pinaki Bhattacharya

জুলাইয়ের সন্তানেরা মরে না। তারা শুধু তাদের দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনকে ইনসাফের পথে, হকের পক্ষে, জুলুমের বিরুদ্ধে কুরবানি করে। ওরা জীবন বাঁচাতে রাজপথে যায়নি। ওরা জীবন হাতে নিয়েই জুলাইয়ের ময়দানে নেমেছিল। ওরা জানত, বাতিলের সামনে, জালিমের সামনে মাথা নত করে বেঁচে থাকা জীবন নয়, বরং ইনসাফের পক্ষে দাঁড়িয়ে জীবন দিলে তার সামনে মহাজীবনের দরজা খুলে যায়। জুলাইয়ের যোদ্ধারা সেই মহাজীবনের স্বাদ পাইছে।

ওরা রাজপথে শুধু প্রতিবাদের জন্য ছিলোনা, ছিলো শাহাদাতের মাকাম স্পর্শ করার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে।
ওরা গিয়েছিল মহাজীবনের স্বাদ পেতে। জুলাই যোদ্ধাদের জীবন কবরের অন্ধকারে শেষ হয় না, তাদের জীবন শহীদের রক্তে, মজলুমের দোয়ায়, মুক্ত স্বদেশের স্মৃতিতে, ইতিহাসের কিতাবে জিন্দা থাকে।

জুলাইয়ের এই সন্তানেরা কোনো বিচ্ছিন্ন প্রজন্ম নয়।
ওদের রক্ত বাঁধা আছে হাজার শহীদের রক্তের সিলসিলায়। পলাশীর বিশ্বাসঘাতকতা থেকে স্বাধীনতার রক্তধারা, শাপলা চত্বর থেকে জুলাইয়ের রাজপথ, এক দীর্ঘ শাহাদাতের কাফেলায় ওরা যুক্ত হয়েছে।

ওরা মরলেও ওরা পরাজিত নয়। ওরা মরলেও ওরা নিঃশেষ নয়। ওরা মরলেও ওরা বীর। ওরা মরলেও ওরা বিপ্লবের সন্তান। ওরা মরলেও ওরা ইনসাফের সৈনিক। ওরা মরলেও ওরা ফ্যাসিবাদের অন্তিম কম্পন। ওরা এই জাতির ভালোবাসায় স্মরণে সিক্ত হয়ে থাকবে সবসময়।

জুলাইয়ের সন্তানেরা মরে না। ওরা জীবন দিয়ে ইতিহাস লেখে। ওরা লড়াইয়ের অনির্বান মশাল রেখে যায় পরবর্তী প্রজন্মের জন্য। ওদের জীবন ওদের লড়াইয়ের সিলিসিলা কখনো হারিয়ে যায় না। সেই সিলসিলা থেকে জন্ম নেয় নতুন শপথ, নতুন কিয়াম, নতুন ইনকিলাব।

কারিনা কায়সার, আমাদের বোন। আমাদের কমরেড। আমাদের স্মরণে, আমাদের সংকল্পে, আমাদের লড়াইয়ে কারিনা আমাদের সাথে থাকবে, আজ কাল শত শতাব্দী ধরে৷ বাংলাদেশ নামটা যতোদিন থাকবে ততোদিন। জুলাই জিন্দা থাকবে যতোদিন ততোদিন।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

1 week ago | [YT] | 12,364

Pinaki Bhattacharya

বিএনপিতে দৌড়ে কে সেরা?

1 week ago | [YT] | 3,758

Pinaki Bhattacharya

শহীদী মুর্দার রক্তে লাল শাপলা

3 weeks ago | [YT] | 43,086

Pinaki Bhattacharya

বাংলাদেশের সাংবাদিক। এইবার বুঝিছেন তো ঘটনা কী?

3 weeks ago | [YT] | 14,644

Pinaki Bhattacharya

~বিএনপি'র বেআইনি কর্মকাণ্ডে নির্বাচন কমিশনের চোখ বন্ধ~

মিসেস আন্না মিনজ একজন বাংলাদেশি উন্নয়ন নির্বাহী, যিনি চলতি মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি নাটোরের বড়াইগ্রামের ওঁরাও আদিবাসী সম্প্রদায়ের নেত্রী এবং তিন দশকের বেশি সময় ধরে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছেন।

তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং উত্তরবঙ্গ থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত একজন সৌভাগ্যবতি নারী।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আরপিও-এর ১২(১)(ঝ) উপ-ধারা, যা মূলত এনজিও (NGO) বা বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট বাধানিষেধ আরোপ করে।

সহজ ভাষায় এই বিধানটির ব্যাখ্যা ও প্রভাব নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. মূল বিধানের ব্যাখ্যা:

এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যদি তিনি:

• কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান বা তহবিল গ্রহণ করে এমন কোনো বেসরকারি সংস্থায় (NGO) নির্বাহী পদে (Executive Post) কর্মরত থাকেন।

• অথবা, উক্ত পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন, অবসর নিয়েছেন বা পদচ্যুত হয়েছেন—কিন্তু সেই সময় থেকে এখনো ৩ (তিন) বছর পার হয়নি।

২. কেন এই বিধান?

এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনে বিদেশি অর্থের প্রভাব বা স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) কমিয়ে আনা। যারা সরাসরি বিদেশি ফান্ডে পরিচালিত সংস্থায় নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে থাকেন, তারা যেন জাতীয় নির্বাচনে কোনো বিদেশি গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে না পারেন, সেটি নিশ্চিত করাই এই ৩ বছরের ‘কুলিং পিরিয়ড’ বা অপেক্ষমাণ সময়ের উদ্দেশ্য।

৩. গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলি:

এই ধারাটি কার্যকর হওয়ার জন্য কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত হতে হয়:

• তহবিলের উৎস: সংস্থাটিকে অবশ্যই বিদেশি রাষ্ট্র বা কোনো বিদেশি সংস্থা (যেমন: দাতা সংস্থা) থেকে অর্থায়নপ্রাপ্ত হতে হবে।

• পদের ধরন: ব্যক্তিটিকে অবশ্যই ওই সংস্থার ‘নির্বাহী পদে’ থাকতে হবে। সাধারণ কর্মচারী বা মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের ক্ষেত্রে সাধারণত এটি ততটা কঠোরভাবে প্রযোজ্য হয় না, যতটা শীর্ষ কর্মকর্তাদের (যেমন: পরিচালক, প্রধান নির্বাহী বা নির্বাহী কমিটির সদস্য) ক্ষেত্রে হয়।

• সময়সীমা: পদ ছাড়ার পর ৩ বছর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অযোগ্যতা বহাল থাকবে।

৪. সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের সাথে সম্পর্ক:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে কারা সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য। আর আরপিও-এর ১২ ধারা মূলত সেই যোগ্যতার পাশাপাশি আরও কিছু অতিরিক্ত ‘অযোগ্যতা’ (Disqualifications) যুক্ত করেছে।

৫. প্রয়োগ ও প্রভাব:

নির্বাচন কমিশন যখন মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই (Scrutiny) করে, তখন তারা দেখেন যে কোনো প্রার্থী কোনো বিদেশি অনুদানপুষ্ট এনজিও-র প্রধান বা বড় পদে চাকরি করেছিলেন কি না। যদি দেখা যায় তিনি তেমন কোন পদ ছাড়ার ৩ বছরের মধ্যে নির্বাচন করছেন, তবে এই ১২(১)(ঝ) ধারা অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাবে।

সংক্ষেপে: যদি কেউ বিদেশি অর্থায়নে চলা কোনো এনজিও-র বড় পদে চাকরি করেন, তবে রাজনীতিতে বা সংসদ নির্বাচনে সক্রিয় হতে চাইলে তাকে অন্তত ৩ বছর আগে সেই পদ ছাড়তে হবে।

1 month ago | [YT] | 5,364