Pinaki Bhattacharya is a Bangladeshi writer and political commentator living in exile in Paris. Author of 19 non-fiction books and the Amazon-bestselling novel Fulkumari, he is a physician and MBA graduate from Sorbonne Business School and is currently pursuing a PhD in Political Economy.
Disclaimer: This channel provides commentary, opinion, and analysis on political and public affairs based on publicly available sources. Statements of opinion should not be interpreted as assertions of fact unless supported by cited sources. If any information presented is inaccurate, corrections will be made when credible evidence is provided.
Publisher: NARRATION NEXUS S.A.S
Editorial responsibility: Pinaki Bhattacharya
Business address: 66 Avenue des Champs-Élysées, 75008 Paris
Contact: east.westfr@protonmail.com
Hosting: YouTube (Google LLC)
Pinaki Bhattacharya
~২০২৬-শে এসে ইণ্ডিয়া ও ইসরায়েল একসাথে নেমেছে
হয়তো জেএমবি’র যায়গায় হামাসের নাম ব্যবহৃত হবে ~
২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট (বুধবার) দেশজুড়ে সিরিজ বোমা হামলার দিন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ৫ দিনের সরকারি সফরে চীন যান। সেদিন সকাল ৯টার দিকে তিনি ঢাকা থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এর দুই ঘণ্টার মধ্যে দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটে, যার দায় স্বীকার করে তথাকথিত ‘জি/হাদি’ সংগঠন জেএমবি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সফর সংক্ষিপ্ত করে ১৯ আগস্ট (শুক্রবার) দেশে ফিরে আসেন।
এই ঘটনাটি যে তখন ইণ্ডিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সংগঠিত করেছিল পরবর্তীতে তা দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট হয়। চীনের সাথে বাংলাদেশের গভীর, বহুমাত্রিক ও কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপিত হোক এটা বৃহৎ প্রতিবেশী দেশটি তখনও চায় নি, এখনো বহু বাধা দিচ্ছে।
সম্প্রতি ইণ্ডিয়ায় নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রেউভেন আজার এনডিটিভি-কে বলেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কার্যক্রম বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে বিস্তৃত হচ্ছে। ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার পতনের পর ২০২৪ সালে এই ব্যক্তি দিল্লিতে বসে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন হচ্ছে বলে দাবি করেছিল।
তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) হল ইন্ডিয়ার সৃষ্ট ও পুষ্ট পাকিস্তান বিরোধী একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। এখন চিন্তা করে দেখুন, জেএমবি নামক বাংলাদেশ বিরোধী এই গোষ্ঠী তখন কারা সৃষ্টি করেছিল? ইতিমধ্যে হামাস নাম দিয়ে বাংলাদেশে যদি কোন গুপ্ত সংগঠন অঙ্কুরিত হয় তাহলে এটা কারা বানাতে পারে!
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার-এর মত বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী ইণ্ডিয়া অনুসারী সংবাদমাধ্যমগুলো হয়তো বহু বিচিত্র রিপোর্ট, মন্তব্য কলাম ও প্রবন্ধ-নিবন্ধ আগেভাগেই মুসাবিদা করে বসে অপেক্ষা করছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে ২৩ জুন (মঙ্গলবার) সরকারি সফরে চীনে পৌঁছবেন। তাঁর এই অগ্রযাত্রা রুখতে বাংলাদেশ বিরোধী দেশি-বিদেশী ষড়যন্ত্রকরীরা উঠেপড়ে লেগেছে। শত্রুদের এই বিপজ্জনক অপতৎপরতা ঠেকাতে জাতীয় স্বার্থে দেশবাসীকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
3 weeks ago | [YT] | 11,079
View 442 replies
Pinaki Bhattacharya
~গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় গভীর নিদ্রায় মগ্ন~
২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট, ইন্ডিয়ান লেখক ও গণমাধ্যম পরামর্শক সুদীপ চক্রবর্তী গণঅভ্যুত্থানের বিপ্লবী রূপান্তরের চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যান। তখন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউল্যাব-এ সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। তবে তাঁর আসল উদ্দেশ্য যে শিক্ষকতা নয়, গোয়েন্দাবৃত্তি তা পর্যবেক্ষকমলে অনেকেরই জানা ছিল। ঢাকায় ফ্যাসিবাদের যুগে দায়িত্বপালনকারী ইন্ডিয়ান হাইকমিশন হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার কথা ভুলে যাবার নয়। যিনি সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় থেকে অবসরের পর হিন্দু মৌলবাদী ক্ষমতাসীন বিজেপি’র নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন এবং ইন্ডিয়ার রাজ্যসভার সদস্যও মনোনীত হয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এই সুদীপ চক্রবর্তী। মেয়ো কলেজে পড়ার সময়কার শৈশবের বন্ধু, দু’জনের মধ্যে মতাদর্শ, রাজনীতি এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন দীর্ঘদিনের।
পর্যবেক্ষক মহল মনে করে, ঢাকায় সুদীপ চক্রবর্তীর উপস্থিতি ছিল কৌশলগত। বিজেপিপন্থী কূটনীতিক হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাবার পর তার তৈরি করা অ্যাসেটদের (এজেন্টদের) দেখভালের দায়িত্ব ছিল এই শিক্ষকের ছদ্মবেশধারই ‘র’-এর (ইন্ডিয়ার কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা) কর্মকর্তার। তার কাজ ছিল বাংলাদেশের খুনি হাসিনার অনুসারী চেতনাপন্থী শিক্ষক, সাংবাদিক ও কবি-সাহিত্যিকদের ইন্ডিয়ার প্রভাববলয়ে সংগঠিত রাখা।
ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনকালে বাংলাদেশবিরোধী ইন্ডিয়ার গোয়েন্দাদের এই নির্দিষ্ট চ্যানেলটির পৃষ্ঠপোষকতা করত বাটপার কর্নেল কাজী শাহেদ আহমেদের পরিবার, তাদের ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব), ঢাকা ট্রিবিউন, বাংলা ট্রিবিউনসহ জেমকন গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে। দুর্বৃত্ত শাহেদের মেঝ ছেলে কাজী আনিস আহমেদ (দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত ও পলাতক) সেই সময় এই সুদীপ চক্রবর্তীকে উদারভাবে পুরস্কৃত করেছিল।
ইন্ডিয়ান এস্টাবলিশমেন্টের সঙ্গে কাজী পরিবারের ও জেমকন গ্রুপের বিশেষ সম্পর্কের কারণে এরা ঐতিহাসিকভাবে ব্যাপক মুনাফা লুটে কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক বনেছে। স্বৈরাচারী ও দুর্নীতিগ্রস্ত পচা জেনারেলের এরশাদের আমল থেকেই বড় বড় সরকারি কন্ট্রাক্ট বাগানো শুরু করে বাটপার কর্নেল কাজী শাহেদ আহমেদ। যে ধারা পরবর্তীকালে দুইটি বিএনপি সরকার (যদিও লোকটি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়া, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-বিদ্বেষী ছিল), খুনি হাসিনার প্রথম সরকার, এক এগারোর মিলিটারি-ব্যাকড তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর অব্যাহত ছিল।
এই কর্নেল শাহেদের অর্থে পুষ্ট হয়ে “আজকের কাগজ” নামক ইন্ডিয়ার স্বার্থ অনুকূলে যে পত্রিকাটি ৯০-এর দশকে প্রকাশিত হয়েছিল, সেটির মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ইসলামবিরোধী কুৎসা রটনা করে জনমনের প্রকৃত দেশপ্রেমিক শক্তির বিরুদ্ধে বৈরী মনোভাব তৈরি করা। “আজকের কাগজ” প্রজেক্টের মাধ্যমে তখন কয়েকশত তরুণ, তরুণীকে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়ে এসে নাঈমুল ইসলাম খান (খুনি হাসিনার প্রেস সচিব) ও মতিউর রহমানসহ (সম্পাদক, প্রথম আলো) আরও কিছু ঝানু অপারেটর মিলে প্রশিক্ষিত করেছিল ইন্ডিয়া অনুরাগ সৃষ্টির পাশাপাশি স্বদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিরোধিতার শিক্ষা-দীক্ষায়।
সাংবাদিকতার নামে দেশ-বিধ্বংসী এই ধারা আজও প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, ঢাকা ট্রিবিউন, বাংলা ট্রিবিউন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডাড-সহ আরো কিছু গণমাধ্যম তাদের সাংবাদিকতার ছদ্মাবেশে অব্যাহতভাবেই চালাচ্ছে। সেজন্যেই কাজী নাবিল আহমেদকে দেওয়া ইন্ডিয়ান গোয়েন্দাদের কাজ তার অবর্তমানে এখন সম্পন্ন করার দায়িত্ব নিয়েছেন ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম। কখনও দেখা যাবে অন্য কোনো ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব পালন করছেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান অথবা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর সম্পাদক এনাম আহমেদ আর ঢাকা ট্রিবিউন ও বাংলা ট্রিবিউনের মতো আরো অনেক গণমাধ্যম তো আছেই!
“পলাশীর যুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলার পতন একটি পুনর্মূল্যায়ন” নামে আজ দ্য ডেইলি স্টার তাদের ইতিহাস আড্ডায় (২০ জুন, শনিবার, বিকেল ৫:৩০ টায়) ইন্ডিয়া থেকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ঢাকায় ডেকে এনেছে কুখ্যাত এই ‘র’ অপারেটর সুদীপ চক্রবর্তীকে। এভাবেই মাহফুজ আনামরা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ, খুনি হাসিনা এবং ইন্ডিয়ার স্বার্থানুকূল কবি, লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিকদের পুনঃপ্রতিষ্ঠার কাজে তৎপর হয়ে উঠেছেন। দেশবিরোধী এই অপকর্ম কে, কারা, কখন, কিভাবে এবং কোন বিদেশি সংস্থার অর্থ ও পৃষ্ঠপোষকতায় সম্পন্ন বা সম্পাদন করছে সে বিষয়ে ডিজিএফআই, এনএসআই এবং এসবি’র কোন সার্ভেলেন্স বা মনোযোগ আছে বলে তাদের কাজ কোন প্রমাণ বহন করে না।
এই সুদীপ চক্রবর্তীকে ধরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কাজী আনিস আহমেদ ও তার দুই ভাই কাজী নাবিল আহমেদ ও কাজী ইনাম আহমেদ এখন কোথায়, কোন দেশে আছে এবং খুন, গুম ও দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হয়ে দেশ ছেড়ে ইন্ডিয়ায় আশ্রয় নেওয়া অন্যান্য কুখ্যাত অপরাধী সম্পর্কে তার কাছ থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।
দেশের অভ্যন্তরে সদাসক্রিয় সার্বভৌমত্ববিরোধী সফট পাওয়ারের নানান তৎপরতার বিষয়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না। উপরন্ত সেখানে যখন দায়িত্বে আছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিলং সালাউদ্দিন তখন তেমন কিছু আশা করাই বৃথা।
3 weeks ago | [YT] | 12,639
View 390 replies
Pinaki Bhattacharya
🤣🤣🤣
1 month ago | [YT] | 19,059
View 498 replies
Pinaki Bhattacharya
বিএনপির দৌড়ে কে সেরা?
1 month ago | [YT] | 6,482
View 979 replies
Pinaki Bhattacharya
1 month ago | [YT] | 20,496
View 928 replies
Pinaki Bhattacharya
জুলাইয়ের সন্তানেরা মরে না। তারা শুধু তাদের দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনকে ইনসাফের পথে, হকের পক্ষে, জুলুমের বিরুদ্ধে কুরবানি করে। ওরা জীবন বাঁচাতে রাজপথে যায়নি। ওরা জীবন হাতে নিয়েই জুলাইয়ের ময়দানে নেমেছিল। ওরা জানত, বাতিলের সামনে, জালিমের সামনে মাথা নত করে বেঁচে থাকা জীবন নয়, বরং ইনসাফের পক্ষে দাঁড়িয়ে জীবন দিলে তার সামনে মহাজীবনের দরজা খুলে যায়। জুলাইয়ের যোদ্ধারা সেই মহাজীবনের স্বাদ পাইছে।
ওরা রাজপথে শুধু প্রতিবাদের জন্য ছিলোনা, ছিলো শাহাদাতের মাকাম স্পর্শ করার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে।
ওরা গিয়েছিল মহাজীবনের স্বাদ পেতে। জুলাই যোদ্ধাদের জীবন কবরের অন্ধকারে শেষ হয় না, তাদের জীবন শহীদের রক্তে, মজলুমের দোয়ায়, মুক্ত স্বদেশের স্মৃতিতে, ইতিহাসের কিতাবে জিন্দা থাকে।
জুলাইয়ের এই সন্তানেরা কোনো বিচ্ছিন্ন প্রজন্ম নয়।
ওদের রক্ত বাঁধা আছে হাজার শহীদের রক্তের সিলসিলায়। পলাশীর বিশ্বাসঘাতকতা থেকে স্বাধীনতার রক্তধারা, শাপলা চত্বর থেকে জুলাইয়ের রাজপথ, এক দীর্ঘ শাহাদাতের কাফেলায় ওরা যুক্ত হয়েছে।
ওরা মরলেও ওরা পরাজিত নয়। ওরা মরলেও ওরা নিঃশেষ নয়। ওরা মরলেও ওরা বীর। ওরা মরলেও ওরা বিপ্লবের সন্তান। ওরা মরলেও ওরা ইনসাফের সৈনিক। ওরা মরলেও ওরা ফ্যাসিবাদের অন্তিম কম্পন। ওরা এই জাতির ভালোবাসায় স্মরণে সিক্ত হয়ে থাকবে সবসময়।
জুলাইয়ের সন্তানেরা মরে না। ওরা জীবন দিয়ে ইতিহাস লেখে। ওরা লড়াইয়ের অনির্বান মশাল রেখে যায় পরবর্তী প্রজন্মের জন্য। ওদের জীবন ওদের লড়াইয়ের সিলিসিলা কখনো হারিয়ে যায় না। সেই সিলসিলা থেকে জন্ম নেয় নতুন শপথ, নতুন কিয়াম, নতুন ইনকিলাব।
কারিনা কায়সার, আমাদের বোন। আমাদের কমরেড। আমাদের স্মরণে, আমাদের সংকল্পে, আমাদের লড়াইয়ে কারিনা আমাদের সাথে থাকবে, আজ কাল শত শতাব্দী ধরে৷ বাংলাদেশ নামটা যতোদিন থাকবে ততোদিন। জুলাই জিন্দা থাকবে যতোদিন ততোদিন।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।
1 month ago | [YT] | 12,355
View 375 replies
Pinaki Bhattacharya
বিএনপিতে দৌড়ে কে সেরা?
1 month ago | [YT] | 3,764
View 592 replies
Pinaki Bhattacharya
শহীদী মুর্দার রক্তে লাল শাপলা
2 months ago | [YT] | 43,031
View 465 replies
Load more