Hello Everyone,
I am Sarbani Mandal, I got Philosophy Hons. First Class from Vivekananda College, Thakurpukur.
Completed my Degree in Psychology and Philosophy from Calcutta University.

The Following are the links of my Channels:
1. youtube.com/channel/UCUNF2oSaieCSzNFn1ISi52Q
2. youtube.com/channel/UCD9kh5PaXHcxble4reg_6ZQ
3. youtube.com/channel/UC1EWYUxKN-AtIpU1f5ruq7g


Philosophy World

নিত্যগোপাল💚❤️🙏🙏

3 months ago | [YT] | 5

Philosophy World

প্রশ্ন: কেন কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়? প্রাচীন ও নব্য বৌদ্ধদের অদ্ভুত যুক্তি!
উত্তর:বৌদ্ধ দর্শন অনুসারে, জগতের কোনো কিছুই স্থায়ী নয়। প্রতিটি বস্তু বা সত্তা মাত্র এক মুহূর্তের জন্য উৎপন্ন হয় এবং পরবর্তী মুহূর্তেই বিলীন হয়ে যায়। একেই বলা হয় ক্ষণিকতাবাদ।
প্রাচীন বৌদ্ধদের ব্যাখ্যা :
​প্রাচীন বৌদ্ধরা প্রধানত অনিত্যতার ওপর গুরুত্ব দিতেন। তাদের মতে:
​সংসারের সবকিছুই সংস্কা্র বা সমষ্টি মাত্র।
​কোনো বস্তুরই নিজস্ব কোনো স্থায়ী 'আত্মা' বা 'স্বভাব' নেই।
​তারা বিশ্বাস করতেন বস্তু উৎপন্ন হয়, অবস্থান করে এবং বিনাশ প্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ একটি বস্তুর আয়ু অতি অল্প সময়ের জন্য হলেও স্থায়ী।
নব্য বৌদ্ধদের ব্যাখ্যা:
​পরবর্তীকালের বা নব্য বৌদ্ধ দার্শনিকরা (যেমন— বসুবন্ধু, ধর্মকীর্তি, রত্নকীর্তি) ক্ষণিকতাবাদকে একটি কঠোর যৌক্তিক ভিত্তিতে দাঁড় করান। তাদের যুক্তি হলো অর্থক্রিয়াকারিত্ব:
​যুক্তি: যা কাজ করতে পারে, তাই সত্য বা 'সৎ'। যদি কোনো বস্তু ক্ষণিক না হয়ে স্থায়ী হতো, তবে সে কোনো কাজ করতে পারত না।
​পরিবর্তনহীনতা ও কার্যকারিতা: যদি একটি বীজ চিরকাল একই রকম থাকত (স্থায়ী হতো), তবে তা থেকে কোনোদিন অঙ্কুর বেরোত না। অঙ্কুর বেরোনোর অর্থই হলো বীজের পুরনো অবস্থার ধ্বংস এবং নতুন অবস্থার সৃষ্টি।
​অকাট্য প্রমাণ: নব্য বৌদ্ধরা বলেন, বস্তুর বিনাশের জন্য বাইরের কোনো কারণের প্রয়োজন নেই (যেমন— হাতুড়ির ঘায়ে কলসি ভাঙা)। বস্তু জন্মগতভাবেই বিনাশশীল; হাতুড়ি কেবল সেই বিনাশের প্রক্রিয়াকে আমাদের চোখে দৃশ্যমান করে তোলে।

3 months ago | [YT] | 6

Philosophy World

মানসিক কাজ ও অবসাদ (Mental Work and Fatigue) |
মানসিক কাজ: যখন আমরা মস্তিষ্ক ব্যবহার করে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান করি, পড়াশোনা করি বা চিন্তা করি, তাকেই মানসিক কাজ বলে। এতে শারীরিক শক্তির চেয়ে স্নায়বিক শক্তির ব্যবহার বেশি হয়।
​মানসিক অবসাদ: দীর্ঘক্ষণ একটানা মানসিক কাজ করার ফলে যখন কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়, মনোযোগ কমে যায় এবং ভুল করার প্রবণতা বেড়ে যায়, তাকেই মানসিক অবসাদ বলে।
​অবসাদের কারণ ও লক্ষণ:
​একঘেয়েমি: কাজের মধ্যে বৈচিত্র্য না থাকলে দ্রুত অবসাদ আসে।
​বিশ্রামের অভাব: পর্যাপ্ত বিরতি না নিলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
​পরিবেশ: অতিরিক্ত শব্দ বা অস্বস্তিকর পরিবেশে কাজ করলে দ্রুত ক্লান্তি আসে।
​লক্ষণ: মাথা ব্যথা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া এবং কাজের গতি কমে যাওয়া।

3 months ago | [YT] | 4

Philosophy World

বুদ্ধিবাদ কি? | দেকার্ত, স্পিনোজা ও লাইবনিজ |
​বুদ্ধিবাদ (Rationalism) কি?
​সহজ কথায়, বুদ্ধিবাদ হলো এমন একটি দার্শনিক মতবাদ যা বিশ্বাস করে যে জ্ঞান লাভের একমাত্র বা প্রধান উৎস হলো 'বুদ্ধি'। এই মতানুসারে, আমাদের ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা (দেখা, শোনা বা স্পর্শ) অনেক সময় আমাদের ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে, কিন্তু বিশুদ্ধ যুক্তি এবং বুদ্ধি কখনোই ভুল করে না।
​১. রেনে দেকার্ত (René Descartes)
​তাকে আধুনিক দর্শনের জনক বলা হয়। তার মূল কথা ছিল:
​সংশয় পদ্ধতি: তিনি সবকিছুকে সন্দেহ দিয়ে শুরু করেন। শেষে দেখেন যে, তিনি সন্দেহ করছেন—এই সত্যটিকে সন্দেহ করা যায় না।
​Cogito, Ergo Sum: "আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি।"
​সহজাত ধারণা: তিনি বিশ্বাস করতেন ঈশ্বর বা গণিতের মতো কিছু মৌলিক ধারণা আমাদের মস্তিষ্কে জন্মের সময় থেকেই থাকে।
​২. বারুখ স্পিনোজা (Baruch Spinoza)
​স্পিনোজা ছিলেন চরম বুদ্ধিবাদী। তিনি জ্যামিতিক পদ্ধতিতে দর্শনের ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
​সর্বেশ্বরবাদ: তার মতে, ঈশ্বর এবং প্রকৃতি আলাদা কিছু নয়। "যা কিছু আছে সবই ঈশ্বর।"
​দ্রব্য (Substance): তিনি বিশ্বাস করতেন জগতে দ্রব্য মাত্র একটিই, আর তা হলো ঈশ্বর।
​৩. গটফ্রিড লাইবনিজ (Gottfried Leibniz)
​লাইবনিজ বুদ্ধিবাদকে এক নতুন মাত্রা দেন:
​মোনাডতত্ত্ব (Monadology): তার মতে, বিশ্ব জগত অসংখ্য ক্ষুদ্র, অবিভাজ্য এবং চেতনাসম্পন্ন একক দিয়ে তৈরি, যাকে তিনি 'মোনাড' বা 'চিৎ-পরমাণু' বলেছেন।
​পূর্ব-স্থাপিত শৃঙ্খলা: ঈশ্বর জগত সৃষ্টির সময়ই এই মোনাডগুলোর মধ্যে এমনভাবে সমন্বয় করে দিয়েছেন যে তারা একে অপরের সাথে সংঘর্ষ ছাড়াই সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করে।

3 months ago | [YT] | 4

Philosophy World

শুভরাত্রি ❤️💚

3 months ago | [YT] | 6

Philosophy World

মনোবিজ্ঞান বনাম প্রাকৃতিক বিজ্ঞান:
মনোবিজ্ঞান :মানুষের মন, চিন্তাধারা এবং আচরণ নিয়ে কাজ করে। প্রাকৃতিক বিজ্ঞান : জড় পদার্থ, শক্তি এবং প্রকৃতির ভৌত নিয়ম নিয়ে কাজ করে।

3 months ago | [YT] | 6

Philosophy World

স্বজ্ঞাবাদ (Intuitionism): বিস্তারিত আলোচনা |
স্বজ্ঞাবাদ বা Intuitionism হলো এমন একটি দার্শনিক মতবাদ যা বিশ্বাস করে যে, জ্ঞান অর্জনের জন্য কেবল পঞ্চেন্দ্রিয় (অভিজ্ঞতাবাদ) বা যুক্তি (বুদ্ধিবাদ) যথেষ্ট নয়। বরং মানুষের মধ্যে এমন একটি সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্দৃষ্টি আছে, যার মাধ্যমে সত্যকে সরাসরি উপলব্ধি করা যায়।
​স্বজ্ঞাবাদীদের মতে, কিছু সত্য এতই স্বতঃসিদ্ধ যে সেগুলো প্রমাণ করার জন্য কোনো যুক্তি বা অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। একে বলা হয় অব্যবহিত জ্ঞান (Immediate Knowledge)। এখানে জ্ঞাতা এবং জ্ঞেয় বস্তুর মধ্যে কোনো মাধ্যম (যুক্তি বা ইন্দ্রিয়) থাকে না।
​হেনরি বার্গসোঁ (Henri Bergson): তিনি স্বজ্ঞাবাদের প্রধান প্রবক্তা। তাঁর মতে, বুদ্ধি কেবল জড় জগতকে বুঝতে পারে, কিন্তু জীবনের গতিরূপ বা 'Vital Impulse' (Elan Vital) বুঝতে গেলে স্বজ্ঞার প্রয়োজন।
​বেনেডিক্ট স্পিনোজা: তিনিও জ্ঞানের সর্বোচ্চ স্তর হিসেবে স্বজ্ঞাকে স্বীকার করেছেন।

4 months ago | [YT] | 6

Philosophy World

জীবাত্মা ও পরমাত্মার সংক্ষেপে ব্যাখ্যা
​ভারতীয় দর্শন (বিশেষ করে বেদান্ত) অনুযায়ী:
​জীবাত্মা (Individual Self): জীবাত্মা হলো সেই চৈতন্য যা একটি সীমাবদ্ধ শরীর, মন এবং বুদ্ধির মধ্যে অবস্থান করে। এটি কর্মফল ভোগ করে এবং জন্ম-মৃত্যুর চক্রে আবর্তিত হয়। সহজ কথায়, এটি আমাদের 'অহং' বা ব্যক্তিগত সত্তা।
​পরমাত্মা (Supreme Self): পরমাত্মা হলো মহাজাগতিক বা বিশ্বজনীন সত্তা (ব্রহ্ম)। তিনি নিরাকার, সর্বব্যাপী এবং শুদ্ধ চৈতন্য। তিনি সৃষ্টির উৎস এবং শেষ আশ্রয়।

4 months ago | [YT] | 5

Philosophy World

বৈজ্ঞানিক বা সবিচার বস্তুবাদ:
বস্তুবাদ বা বাস্তববাদ (Realism) অনুসারে, আমাদের মনের বাইরে এক বাস্তব জগত আছে যা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভরশীল নয়। তবে সবিচার বস্তুবাদ সাধারণ বস্তুবাদ (Naive Realism) থেকে আলাদা।
সবিচার বস্তুবাদীদের মতে, আমরা সরাসরি বাহ্যিক বস্তু দেখতে পাই না; বরং বস্তুর একটি 'প্রতিচ্ছবি' বা 'মানসিক চিত্র' (Idea) আমাদের মনে তৈরি হয়।
বস্তুর গুণাবলি: জন লক (John Locke) এই মতবাদের প্রধান প্রবক্তা। তিনি বস্তুর গুণকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন:
মুখ্য গুণ (Primary Qualities): যা বস্তুর নিজস্ব, যেমন— আকার, আয়তন, গতি।
গৌণ গুণ (Secondary Qualities): যা মনের ওপর নির্ভর করে, যেমন— বর্ণ, গন্ধ, স্বাদ।

4 months ago | [YT] | 4

Philosophy World

অদ্বৈতবাদ (Advaita Vedanta)
​অদ্বৈতবাদ (আদি শঙ্করাচার্য প্রবর্তিত) অনুযায়ী— ব্রহ্মই সত্য, জগৎ মিথ্যা।
​অভেদ তত্ত্ব: আত্মা এবং পরমাত্মা (ব্রহ্ম) আসলে এক। আমাদের অজ্ঞতার কারণে আমরা নিজেদের আলাদা মনে করি।
​সোহহং: এর মূল কথা হলো "তত্ত্বমসি" (তুমিই সেই) বা "অহং ব্রহ্মাস্মি" (আমিই ব্রহ্ম)।
​জগত: অদ্বৈতবাদ অনুযায়ী, এই দৃশ্যমান জগত একটি 'মায়া' বা বিভ্রম। যেমন অন্ধকারে দড়িকে সাপ মনে হয়, তেমনি ব্রহ্মকেই আমরা জগত হিসেবে দেখি।
​লক্ষ্য: এখানে উপাসনা নয়, বরং 'জ্ঞান' লাভের মাধ্যমে নিজের স্বরূপকে জানাই হলো মোক্ষ।

5 months ago | [YT] | 4