Happy Birthday My Weakness....🎉🎂🎊 Many many happy returns of the day...🎊🎉 Sarajibon valo thak. Jibonr arekti bosor amar sathe katanor jonno onek onek donnobad. @Queen_Kobra
#আমার_প্রিয়_প্রহরে_তুমি_আছো #লেখিকা: মাইমুনা_ইসলাম_রাহি #পর্ব: ১৯ দুপুর ৩ টা বাজে দুপুর হয়ে গেছে এখনো বাসায় ফিরেনি দেখে রোহানা হালিমাকে বলল, হালিমা মুনাকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস কর ওরা সবাই কোথায়? হালিমা মাইমুনার নাম শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। রাগি কন্ঠে হালিমা বললো, ভাবি তুমি ওই মেয়েকে কল দেও আমি দিতে পারবো না। রোহানা শ্বাস ছেড়ে বলে, হালিমা রাগ করে থাকিস না ওইটা তো তোরই মেয়ে তাই না। হালিমা কিছুই বললেন না কিছু একটা ভাবছেন। রোহানা রাহিকে কল দিলো কল রিসিভ হলো না পরপর ৪ বার কল দিলো কিন্তু রিসিভ হলো না। রোহানা চিন্তিত হয়ে বলল, কল রিসিভ করছে না মুনায়। হালিমা মোবাইলের দিকে তাকিয়ে বলল, ও এমনি অপেক্ষা করো হয় তো একটু পর দিবে কল। প্রায় ৫ মিনিট পর রাহি রোহানাকে কল দিলো। রোহানা কল ধরেই রাহিকে বকা দিতে শুরু করলো। এসব কথা গায়ে না লাগিয়ে রাহি বলল, বার বার কল দিচ্ছেলে কেন সেটা বলো..!! রোহানা এবার শান্ত হয়ে বলল, তোরা কোথায়? দুপুরের খাবার খেতে আসলি না কেন? দুপুরে খেয়েছিস? এই প্রশ্নের ভেতর একটা প্রশ্নের ও উত্তর দিলো না রাহি। ভিন্ন কথা বলল, রাতে আসবো রাখি। ************************************************ রোদের সোনালী আলো রাহির ফর্সা ত্বকে এসে পড়লো। তামিম রাহির গা গেসে বসলো। আকাশের দিকে চোখ ছোট ছোট করে বলল, রাহি তোর ভেতরে কি ভালোবাসা বলতে কিছু আছে..?? হঠাৎ এই প্রশ্নে বেশ অবাক হয় রাহি। ভ্রু কুঁচকে রাহি বলল, হঠাৎ এই প্রশ্ন করছিস কেন..?? তামিম এবার রাহির চোখে চোখ রেখে বলল, রাহি একটা কথা বলব। রাহি ঘার বাঁকা করে বলল, হুম বলে ফেল। তামিম রাহির গালে হাত রেখে বলল, I don't know if you will believe it or not, but I really love you very much, Rahi. রাহি তামিমের কাছ থেকে বেশ দূরত্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, তামিম নিজের কাজে মন দে এসব বিষয়ে পরে ভাবা যাবে। তামিম রাহি জরিয়ে ধরে বলল, রাহি প্লিজ আজকে উত্তরটা দে। রাহি কিছুই বলল না চুপ চাপ দাঁড়িয়ে আছে তামিমকে দূরে সরিয়েও দেয় না। রাহিও তামিম কে জড়িয়ে ধরে তামিম এবার মহাখুশি হয়ে যায়। তামিম খুশিতে আত্মহারা হয়ে বলল, আমি আমার উত্তর পেয়ে গেছি। রাহি মুচকি হেসে বলল, যদি এটা ভুল ধারণা হয়..?? তামিম দীর্ঘ সময় চুপ থেকে বলল, কনফিউজড করে দিচ্ছিস। রাহি হাসলো। রাহি পকেট থেকে ফোন বের করে আলিশাকে কল দিলো। প্রথম বারেই ফোন রিসিভ হলো। রাহি শান্ত মেজাজে বলল, আলিশা আমি একটা ঠিকানা পাঠাচ্ছি ওইখানে চলে আসো। আলিশা অবাক হয়ে বলল, এখনই আসতে হবে..?? রাহি বিরক্তি নিয়ে বলে, আরে ভাই হ্যাঁ এখনই আমি তোকে ৩০ মিনিট সময় দিচ্ছি। এই বলে রাহি কল কেটে দিলো। আলিশা তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে বাসা থেকে বের হলো। ঠিকানা অনুযায়ী আলিশা আসলো। আলিশা এসে অবাক হয়ে যায়। রাহি হাতের দু আঙ্গুলে সিগারেট রেখে বলল, Good darling. আলিশা রাহিকে অবাক হয়ে বলল, তুমি সিগারেট খাও..?? আর তোমরা সবাই এখানে কেন? আমাকে এখানে আসতে বললে কেন? তাজউদ্দীন মুচকি হেসে বলল, বোন আমার একটা একটা করে প্রশ্ন কর না হলে ম্যাডামজি রেগে যাবে। শেষের কথাটা রাহির দিকে ইশারা করে বললো। আলিশা রাহির দিকে তাকিয়ে বলল, ম্যাডাম মানে..!? রাহি সিগারেটে টান দিয়ে বলল, আস্তে আস্তে সব বুঝে যাবে।
#আমার_প্রিয়_প্রহরে_তুমি_আছো #লেখিকা:মাইমুনা ইসলাম রাহি #পর্ব: ১৮ ---------------------------------------------------- চারদিকে ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। মাঝে মাঝে বজ্রপাত হচ্ছে। প্রিন্স তার বোনকে দেখে অবাক হচ্ছে তার বোন কি ছিল আর কি হয়ে গেলো কথাটা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। প্রিন্স শান্ত কন্ঠে বলল~ আপু চলো ড্রেস চেঞ্জ করে আবার বেড়তে হবে। রাহির অভিব্যক্তি বুঝা গেলো না। রাহি~ হুম চল। কথাটা বলতে বলতে গাড়িতে উঠল রাহি। রাহিকে গাড়িতে উঠতে দেখে সবাই গাড়িতে উঠল। গাড়ি এসে থামলো দেওয়ান বাড়ির গেটের সামনে। রাহি গাড়ি থেকে নেমে তাড়াতাড়ি বাড়ির ভেতর ঢুকে। হালিমা রাহিকে ভেজা শরীরে আর শার্টে লেগে থাকা রক্তের ছাপ দেখে অবাক হয়। হালিমা কিছু বলতে যাবে তার আগেই রাহি নিজের রুমে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর বাসর ভেতর প্রবেশ করে তাজউদ্দীন, তামিম, প্রিন্স। এবার হালিমা দেওয়ান বলল~ কিরে তোরা কোথায় গিয়েছিলি আর এরকম ভিজেছিস কেন? তামিম আর প্রিন্স কিছু না বলে উপরে চলে যায়। তাজউদ্দীন সাধারণ ভাবে বলল~ মানুষের কি কাজ থাকতে পারে না। হালিমাকে কিছু বলতে না দিয়ে তাজউদ্দীন তার রুমে চলে যায়। হালিমা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে সেদিকে। রোহানা দেওয়ানকে বলল~ দেখেছো ভাবি কীভাবে কথা বলল তোমার ছেলে? রোহানা ইতস্তত হয়ে বলল~ আমি তাজউদ্দীনের সাথে কথা বলব। প্রায় ১০ মিনিট পর রাহি রুম থেকে বের হয়ে নিচে আসে। রোহানা দেওয়ানকে উদ্দেশ্য করে রাহি বলল~ বড় মা এক কাপ কফি দিবে? রোহানা মুচকি হেসে বলল~ হ্যাঁ মা তুই বস আমি দিচ্ছি। কিছুক্ষণ পর রোহানা দেওয়ান রাহিকে কফি দিয়ে গেলো তখন তাজউদ্দীন এসে রাহির কানে ফিসফিস করে বলল~ ম্যাডাম সবাই রেডি আপনি কি এখন যাবেন নাকি একটু পরে? রাহি বাঁকা চোখে তাজউদ্দীনের দিকে তাকিয়ে বলল~ কফি খেয়ে যাবো। তাজউদ্দীন ভদ্র ছেলের মত মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ সম্মতি দেয়। ৫ মিনিট পর রাহি কফি শেষ করে বাসা থেকে বের হয়। তাজউদ্দীন কি একটা ভেবে বলল~ এখন কোথায় যাবি? রাহি বিরক্তি নিয়ে বলল~ দেখতে পাবি এখন চল। ____-----____-----____-----____----____----___ দুপুর ১:৩০ কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি পড়ছে বুঝা যাচ্ছে না। প্রচন্ড রোদে ঘেমে বিরক্ত হয় রাহি। কিন্তু রাহির একটা জিনিস ভেবে খুশি হয় কালকে তার অফিস Udbhavan হবে শুধু মাত্র কোম্পানির নামটা লাগানো বাকি সেটা আজকের মধ্যেই হয়ে যাবে। রাহি রহস্যময় হাসি দিয়ে বলল~ এবার দেখি কে আটকায় এই মাইমুনা দেওয়ান রাহিকে। সবাই বাঁকা হেসে বলল~ সবাইকে একা হাতে সামলানোর খমতা আমাদের বসের আছে। রাহি বাঁকা হেসে বলল~ Tomorrow is a very special day for me. তামিম, তাজিন, তাজউদ্দীন, প্রিন্স এক সাথে বলল~ To us too
(কোন রকম ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। এবং সরি খুব দেরিতে আপলোড দেওয়ার জন্য)
এই ৪ দিন মন শরীর কোনোটাই ভালো না। ভিডিও বা কোন পোস্ট আপলোড করতে ইচ্ছে করে না। আমার আবার এটা বাজে অভ্যাস মন ভালো না থাকলে শরীর ও ভালো থাকে না। ভাবছিলাম ২০২৬ সাল অনেক ভালো কাটবে কিন্তু না ২০২৬ সাল আরো খারাপ কাটতেছে কিছু পারিবারিক সমস্যার কারণে আমার জীবন শেষ হয়ে যাইতেছে। মন মেজাজ সব সময় খারাপ থাকে ভালো কথা বললেও রাগ উঠে যায়। ভাই মানুষ জীবনে কত কিছু পায় আর আমি কিছুই পাই না। ২০২৫ সাল ও ভালো কাটে নাই এখন ২০২৬ সাল ও খারাপ কাটতেছে। কি করব কিছুই বুঝতে পারছি না। আমার পাশে কেউ থাকে না হয় তো ভবিষ্যতেও কেউ থাকবে না তাতে আমার কোন কিছু যায় আসে না। যারা চলে যেতে চায় তাদের আমি আটকাই না বরং বলি যা ভাই যা তোর মতো ২ নৌকায় পা দিয়ে চলা মানুষকে আমি আমার জীবনে রাখতে চাই না। যাই হোক আমি ভাবছি কালকে থেকে তোমাদের জন্য আবার ভিডিও আপলোড দিবো এবং উপন্যাস ও আপলোড দিবো। সবাই ভালো থেকো। আল্লাহ হাফেজ..😌🕊️ ইতি--- তোমাদের গল্পের মহল...😫
#আমার_প্রিয়_প্রহরে_তুমি_আছো #লেখিকা: মাইমুনা_ইসলাম_রাহি #পর্ব: ১৮ -------------------------------------------------------- প্রিন্স অস্থির হয়ে যায়। প্রিন্স ভয়ে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলল~ আপু যদি পুলিশ আমাদের ধরে ফেলে..!! রাহি বাঁকা হেসে বলল~ পুলিশ তো দূর দেশের প্রধানমন্ত্রী ও কিছু বলতে পারবে না। প্রিন্স গম্ভীর গলায় বলল~ কেন আপু..?? রাহি তাচ্ছিল্য ভাবে হেসে বলল~ এত সাহস এখনো কারো হয়নি যে এই মাইমুনা দেওয়ান রাহির সাথে পাঙ্গা নিবে। পরিবেশটা থমথমে নিস্তব্ধ। সূর্য কালো মেঘে ঢেকে গেছে মনে হচ্ছে একটু পরই বৃষ্টি পড়বে। রাহি সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল~ ছেলেটার লাশকে টুকরো টুকরো করে কেটে নদীতে ফেলে দে। আরিক স্বাভাবিক ভাবে বলল~ মি. তন্ময় এভাবে দাঁড়িয়ে থাকবেন নাকি একটু সাহায্যও করবেন..?? তন্ময় কথাটা না শোনার ভান ধরে গাড়িতে গিয়ে বসল। রাহি অগ্নি দৃষ্টি নিয়ে তামিমের দিকে তাকায় ব্যাস এই তাকানোটাই যথেষ্ট। তামিম তাড়াতাড়ি আরিককে নিয়ে লাশটি গাড়ির ডিকিতে রাখে। রাহি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল~ বাসায় যেতে হবে কিন্তু বাসায় গেলেও জামেলা আছে রক্তে মাখা শরীর নিয়ে তো বাসায় যাওয়া যাবে না। তামিম কিছু একটা ভেবে বলল~ আরে ম্যাডাম আপনি তো বৃষ্টিতে ভিজতে পাড়েন বৃষ্টিতে ভিজলে সব রক্ত বৃষ্টির পানির সাথে চলে যাবে তারপর বাসায় গেলে কোন অসুবিধা হবে না জামা কাপড় চেঞ্জ করে আবার চলে আসতে পারবেন। রাহি তামিমের কথায় হ্যাঁ সম্মতিতে মাথা নাড়ায়। কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় মাঝেমধ্যে মেঘ গর্জে উঠছে। রাহি চোখ বন্ধ করে অতীতের স্মৃতিগুলো ভাবছে। কিছু কিছু স্মৃতি ছিল ভালো আমার কিছু কিছু স্মৃতি ছিল খারাপ। 10 বছর আগের আগে কেমন ছিল আর এখন কেমন আছে সেটা ভেবে মাঝে মাঝে অবাক হই রাহি। একজন সাধারণ মানুষ থেকে মাফিয়া হয়ে গিয়েছে 10 বছরে। এই 10 বছরে কত কি ঘটে গেছে তা রাহির পরিবার কিছুই জানেনা। ফ্রেন্ড গ্রুপে সবচেয়ে চঞ্চল মেয়ে ছিল রাহি। চুপচাপ খুব কমই থাকতো মন খারাপের সময় শুধু চুপচাপ থাকতো। কিন্তু এখন সেই মেয়ে খুব কম কথা বলে প্রয়োজনের বাইরে কোন কথা বলতে চায় না। এই পরিবর্তন ফ্রেন্ড গ্রুপের কেউই মেনে নিতে পারে না। এই 10 বছরের আগের জীবনে কত কিছু হয়ে গেছে তার সাক্ষী আছে তার ফ্রেন্ডরা। রাহি নিজের পরিবার বলতে ফ্রেন্ড মহল কেই বুঝে। হঠাৎ মেঘ গর্জে ওঠোর শব্দে রাহির হুশ ফিরল। রাহি একা বৃষ্টিতে ভিজছে তা না সবাই বৃষ্টিতে ভিজছে। একটু আগে যে একটা মানুষকে নিকৃষ্ট ভাবে খুন করা হয়েছে সেটা তাদের মনেই নেই। তামিম রাহির হাত ধরে বলল~ এই বৃষ্টির দিনে তোর জন্য একটা গান গাইতে চাই আমি। তামিমের কথায় সবাই তামিম আর রাহির দিকে তাকায়। রাহি মুচকি হেসে বলল~ হুম অবশ্যই শুনা গান। তামিম কাশি দিয়ে গলা পরিষ্কার করে গানের লিরিক্স শুরু করল~ ~বৃষ্টি ভেজা রাতে~ ~ আমি তোমায় নিয়ে যাবো~ ~যতগুলো কথা হয়নি বলা~ ~তোমাকেই বলে দিবো~ ~স্বপ্নীল এই পৃথিবীকে আজ তোমার রঙে রাঙাবো~ ~ অনেক দূরের আকাশ পথে~ ~তোমায় নিয়ে হারাবো~ ~অনেক করে পাবো~ ~তোমার অনেক বেশি হবো~ ~হাতটা ধরে পথটা ভুলে মনের কথা কবো~ ~হাতটা ধরে পথটা ভুলে মনের কথা কবো~ রাহি অনেক অবাক কিন্তু কিছুক্ষণ পর হেসে বলল~ আমার জন্য এত সুন্দর গান গাওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। তামিম মুখ কালো করে বলল~ গানটার মানে কি তুই বুঝলি না..?? রাহি মুচকি হেসে বলল~ বলছি আমি কিন্তু এখন সম্ভব না। তামিম জানতো এই উত্তর আসবে তাও প্রশ্ন করেছে প্রতিবার এই উত্তর শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেছে তামিম।
আমার প্রিয় প্রহরে তুমি আছো উপন্যাসটি Happy Ending দিবো নাকি Sad Ending দিবো এটা নিয়ে একটি ভোটিং পোস্ট দিয়েছিলাম...💌 আমার প্রিয় প্রহরে তুমি আছো উপন্যাসটির Happy Ending এর জন্য ভোট দিয়েছো অনেকেই তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার প্রিয় প্রহরে তুমি আছো উপন্যাসটির Happy Ending হবে আর এই উপন্যাসটিকে নিয়ে কোন রকম প্রশ্ন থাকলে করতে পারো সবার প্রশ্নের উত্তর দিবো ইনশাল্লাহ...💌🕊️
Congratulations Bestie...💌🫀 Your path was not easy, it was very difficult. You worked hard. It is true that if you work hard, success will come. You are much bigger. I was by your side, I am and I will be by your side for the rest of my life, Insha Allah. All the best...💌🕊️ I say it again. Congratulations....💌🫀
#আমার_প্রিয়_ প্রহরে_ তুমি_আছো #লেখিকা: মাইমুনা_ইসলাম_রাহি #পর্ব: ১৭ তন্ময় এবার অট্টহাসি দিয়ে বললো: তুই কার কাছে জীবন ভিক্ষা চাচ্ছিস..!! জীবনেও ওর কাছ থেকে ক্ষমা পাবি না ওর মনে তো কোন আবেগ কাজ করে না এই রাহির কাছে জীবন ভিক্ষা চেয়ে লাভ নেই। ছেলেটি রাহির নাম শুনে ভয়ে ঢোক গিললো। ভয়ে আমতা আমতা করে বলল: রাহি এই সেই মাইমুনা দেওয়ান রাহি। ভয়ে ছেলেটির হাত পা কাঁপছে। রাহি তাচ্ছিল্য ভাবে হাসলো। রাহি ছেলেটির কাছ থেকে ২ কদম দূরে গিয়ে দাঁড়ায়। রাহি অভিব্যক্তি বুঝা বড়ই কঠিন। ছেলেটি তন্ময় এর দিকে তাকিয়ে আকুতি মিনতি করে বলল: প্লিজ আমাকে বাঁচান আমি মরতে চাই না। এবার তন্ময় সহ সবাই অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো। তামিম ছেলেটিকে এক টানে দাঁড়া করালো। গম্ভীর গালায় বলল: রাহি যেহেতু বলেছে তোর কলিজা বের করবে তো সেটা যেভাবেই হোক বের করবে কেউ আটকাতে পারবে না। আর শুধু তোর কলিজা না চোখ ও বের করবে কারণ তুই ওই দুটি চোখ দিয়ে ওর বোনকে দেখেছিস তোর দুটি হাত টুকরো টুকরো করবে কারণ তুই ওই হাত দিয়ে ওর বোনকে স্পর্শ করেছিস। তামিম ছেলেটির কলার ঠিক করতে করতে বলল: মরার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায় আর বেশি সময় নেই তোর হাতে। শেষের কথাটুকু হাতের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলে। ছেলেটি বুঝতে পারে এদের মতো নিষ্ঠুর মানুষের কাছে জীবন ভিক্ষা চেয়ে লাভ নেই। আজকে তার জীবনের শেষ দিন। ছেলেটি আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে মনে কি যেন ভাবছে। হঠাৎ রাহি ছেলেটির পেটে লাথি দিলো। ছেলেটি রাস্তায় শুয়ে পড়ে। রাহি বাঁকা হাসে কিন্তু এই হাসি কেউই দেখতে পায় না। রাহি কর্কশ গম্ভীর গলায় বলল: ছুড়ি দে। আরিক পকেট থেকে ছুড়ি বের করে রাহির হাতে দিলো। রাহি আস্তে আস্তে ছেলেটির পাশে হাঁটু গেড়ে বসে ছেলেটিকে এক টানে বসিয়ে ১ থেকে ৩ পর্যন্ত কাউন্ট করে। ৩ পর্যন্ত কাউন্ট করা শেষ হতে ছুড়িটি ছেলেটির চোখে ঢুকিয়ে দেয়। ছেলেটির চিৎকারে গাছ বসে থাকা পাখি গুলো উরতে থাকে। রাহি ছেলেটির চোখ বের করে হাতে নেয়। ছেলেটির চোখ থেকে রক্ত পড়তে থাকে। রাহি ছেলেটির অন্য চোখটিও বের করে হাতে নেয়। সেই দৃশ্য ছিল ভয়ানক কোন সাধারণ মানুষ সেই দৃশ্য সহ্য করতে পারতো না। ছেলেটির দুই চোখ দিয়ে রক্ত পড়ছে। ছেলেটি ব্যথায় আর্তনাদ দিতে থাকে। সেই আর্তনাদ শুনে সবাই অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে। রাহি তাচ্ছিল্য হাসি দিয়ে বলল: কষ্ট হচ্ছে খুব কষ্ট হচ্ছে এটাই তো আমি চাই। রাহি হাত থেকে ছুড়িটি ফেলে দেয়। রাহি মুখ সাধারণ রেখে বলল: কুড়াল দে। তামিম গাড়ি থেকে কুড়াল বের করে রাহির হাতে দেয়। কুড়াল হাতে নিয়ে রাহি দাঁড়িয়ে পড়ে এক কোপে ছেলেদের ডান হাত কেটে ফেলে। ছেলেটি ব্যথায় আর্তনাদ দিতে থাকে। রাস্তার চারদিকে রক্ত ছড়িয়ে পড়েছে। রাহির সাদা শার্টেও রক্ত ছিটে এসেছে। রাহির মুখেও রক্ত। রাহি আরেকটি কোপ দিয়ে ছেলেটির বাম হাত কেটে ফেলে। ছেলেটির আর্তনাদ কেউ শুনতে পায় না। ছেলেটির প্রাণ আসছে আর যাচ্ছে। চিৎকার করার শক্তিটুকু পাচ্ছে না ছেলেটি। রাহি কুড়াল ফেলে ছেলেটির পাশে হাঁটু গেড়ে বসে ছুড়িটি হাতে নেয়। ছেলেটির বুক বড়াবড় ছুড়িটি ঢুকিয়ে দেয়। ছেলেটি শেষবারের মতো একটা চিৎকার দেয়। নিস্তেজ হয়ে পড়ে ছেলেটির দেহ। রাহি ছেলেটির বুক ছিদ্র করে ছেলেটির কলিজা হাতে নিয়ে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে। প্রিন্স ছেলেটির কলিজা দেখে নিচে পড়ে যেতে নেয় তামিম প্রিন্সকে ধরে বলে: আরে এসব ছোট খাটো জিনিস দেখে এমন হাইপার হয়ে যাচ্ছিস কেনো..?? প্রিন্স অবাক হয়ে তামিমের দিকে তাকিয়ে বলল: এসব ছোট খাটো জিনিস..?? রাহির পুরো শরীর রক্তে মাখা মনে হচ্ছে রক্ত দিয়ে গোসল করে এসেছে। রাহির দিকে তাকিয়ে তামিম বলল: আমরা দিন শুরু করি রক্ত দিয়ে। রাহি রহস্যময় হাসি দিয়ে বলল: আরে প্রিন্স এখন থেকে তোর দিনও শুরু হবে রক্ত দিয়ে।
( কোন রকম ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করে দিও আর এই উপন্যাসটি নিয়ে কোন রকম প্রশ্ন থাকলে করতে পারো)
গল্পের মহল 📚
Happy Birthday My Weakness....🎉🎂🎊
Many many happy returns of the day...🎊🎉
Sarajibon valo thak. Jibonr arekti bosor amar sathe katanor jonno onek onek donnobad.
@Queen_Kobra
2 days ago | [YT] | 4
View 2 replies
গল্পের মহল 📚
#আমার_প্রিয়_প্রহরে_তুমি_আছো
#লেখিকা: মাইমুনা_ইসলাম_রাহি
#পর্ব: ১৯
দুপুর ৩ টা বাজে দুপুর হয়ে গেছে এখনো বাসায় ফিরেনি দেখে রোহানা হালিমাকে বলল,
হালিমা মুনাকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস কর ওরা সবাই কোথায়?
হালিমা মাইমুনার নাম শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। রাগি কন্ঠে হালিমা বললো,
ভাবি তুমি ওই মেয়েকে কল দেও আমি দিতে পারবো না।
রোহানা শ্বাস ছেড়ে বলে,
হালিমা রাগ করে থাকিস না ওইটা তো তোরই মেয়ে তাই না।
হালিমা কিছুই বললেন না কিছু একটা ভাবছেন। রোহানা রাহিকে কল দিলো কল রিসিভ হলো না পরপর ৪ বার কল দিলো কিন্তু রিসিভ হলো না। রোহানা চিন্তিত হয়ে বলল,
কল রিসিভ করছে না মুনায়।
হালিমা মোবাইলের দিকে তাকিয়ে বলল,
ও এমনি অপেক্ষা করো হয় তো একটু পর দিবে কল।
প্রায় ৫ মিনিট পর রাহি রোহানাকে কল দিলো। রোহানা কল ধরেই রাহিকে বকা দিতে শুরু করলো। এসব কথা গায়ে না লাগিয়ে রাহি বলল,
বার বার কল দিচ্ছেলে কেন সেটা বলো..!!
রোহানা এবার শান্ত হয়ে বলল,
তোরা কোথায়? দুপুরের খাবার খেতে আসলি না কেন? দুপুরে খেয়েছিস?
এই প্রশ্নের ভেতর একটা প্রশ্নের ও উত্তর দিলো না রাহি। ভিন্ন কথা বলল,
রাতে আসবো রাখি।
************************************************
রোদের সোনালী আলো রাহির ফর্সা ত্বকে এসে পড়লো। তামিম রাহির গা গেসে বসলো। আকাশের দিকে চোখ ছোট ছোট করে বলল,
রাহি তোর ভেতরে কি ভালোবাসা বলতে কিছু আছে..??
হঠাৎ এই প্রশ্নে বেশ অবাক হয় রাহি।
ভ্রু কুঁচকে রাহি বলল,
হঠাৎ এই প্রশ্ন করছিস কেন..??
তামিম এবার রাহির চোখে চোখ রেখে বলল,
রাহি একটা কথা বলব।
রাহি ঘার বাঁকা করে বলল,
হুম বলে ফেল।
তামিম রাহির গালে হাত রেখে বলল,
I don't know if you will believe it or not, but I really love you very much, Rahi.
রাহি তামিমের কাছ থেকে বেশ দূরত্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে বলল,
তামিম নিজের কাজে মন দে এসব বিষয়ে পরে ভাবা যাবে।
তামিম রাহি জরিয়ে ধরে বলল,
রাহি প্লিজ আজকে উত্তরটা দে।
রাহি কিছুই বলল না চুপ চাপ দাঁড়িয়ে আছে তামিমকে দূরে সরিয়েও দেয় না। রাহিও তামিম কে জড়িয়ে ধরে তামিম এবার মহাখুশি হয়ে যায়। তামিম খুশিতে আত্মহারা হয়ে বলল,
আমি আমার উত্তর পেয়ে গেছি।
রাহি মুচকি হেসে বলল,
যদি এটা ভুল ধারণা হয়..??
তামিম দীর্ঘ সময় চুপ থেকে বলল,
কনফিউজড করে দিচ্ছিস।
রাহি হাসলো। রাহি পকেট থেকে ফোন বের করে আলিশাকে কল দিলো। প্রথম বারেই ফোন রিসিভ হলো।
রাহি শান্ত মেজাজে বলল,
আলিশা আমি একটা ঠিকানা পাঠাচ্ছি ওইখানে চলে আসো।
আলিশা অবাক হয়ে বলল,
এখনই আসতে হবে..??
রাহি বিরক্তি নিয়ে বলে,
আরে ভাই হ্যাঁ এখনই আমি তোকে ৩০ মিনিট সময় দিচ্ছি।
এই বলে রাহি কল কেটে দিলো। আলিশা তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে বাসা থেকে বের হলো। ঠিকানা অনুযায়ী আলিশা আসলো। আলিশা এসে অবাক হয়ে যায়। রাহি হাতের দু আঙ্গুলে সিগারেট রেখে বলল,
Good darling.
আলিশা রাহিকে অবাক হয়ে বলল,
তুমি সিগারেট খাও..?? আর তোমরা সবাই এখানে কেন?
আমাকে এখানে আসতে বললে কেন?
তাজউদ্দীন মুচকি হেসে বলল,
বোন আমার একটা একটা করে প্রশ্ন কর না হলে ম্যাডামজি রেগে যাবে।
শেষের কথাটা রাহির দিকে ইশারা করে বললো।
আলিশা রাহির দিকে তাকিয়ে বলল,
ম্যাডাম মানে..!?
রাহি সিগারেটে টান দিয়ে বলল,
আস্তে আস্তে সব বুঝে যাবে।
1 week ago | [YT] | 13
View 3 replies
গল্পের মহল 📚
Congratulations 🎉🎉🎉
Pase aci aro agea Jao...
@NargisBegum51211
4 weeks ago | [YT] | 17
View 10 replies
গল্পের মহল 📚
#আমার_প্রিয়_প্রহরে_তুমি_আছো
#লেখিকা:মাইমুনা ইসলাম রাহি
#পর্ব: ১৮
----------------------------------------------------
চারদিকে ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। মাঝে মাঝে বজ্রপাত হচ্ছে। প্রিন্স তার বোনকে দেখে অবাক হচ্ছে তার বোন কি ছিল আর কি হয়ে গেলো কথাটা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। প্রিন্স শান্ত কন্ঠে বলল~
আপু চলো ড্রেস চেঞ্জ করে আবার বেড়তে হবে।
রাহির অভিব্যক্তি বুঝা গেলো না।
রাহি~
হুম চল।
কথাটা বলতে বলতে গাড়িতে উঠল রাহি। রাহিকে গাড়িতে উঠতে দেখে সবাই গাড়িতে উঠল। গাড়ি এসে থামলো দেওয়ান বাড়ির গেটের সামনে। রাহি গাড়ি থেকে নেমে তাড়াতাড়ি বাড়ির ভেতর ঢুকে। হালিমা রাহিকে ভেজা শরীরে আর শার্টে লেগে থাকা রক্তের ছাপ দেখে অবাক হয়। হালিমা কিছু বলতে যাবে তার আগেই রাহি নিজের রুমে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর বাসর ভেতর প্রবেশ করে তাজউদ্দীন, তামিম, প্রিন্স। এবার হালিমা দেওয়ান বলল~
কিরে তোরা কোথায় গিয়েছিলি আর এরকম ভিজেছিস কেন?
তামিম আর প্রিন্স কিছু না বলে উপরে চলে যায়। তাজউদ্দীন সাধারণ ভাবে বলল~
মানুষের কি কাজ থাকতে পারে না।
হালিমাকে কিছু বলতে না দিয়ে তাজউদ্দীন তার রুমে চলে যায়। হালিমা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে সেদিকে। রোহানা দেওয়ানকে বলল~
দেখেছো ভাবি কীভাবে কথা বলল তোমার ছেলে?
রোহানা ইতস্তত হয়ে বলল~
আমি তাজউদ্দীনের সাথে কথা বলব।
প্রায় ১০ মিনিট পর রাহি রুম থেকে বের হয়ে নিচে আসে।
রোহানা দেওয়ানকে উদ্দেশ্য করে রাহি বলল~
বড় মা এক কাপ কফি দিবে?
রোহানা মুচকি হেসে বলল~
হ্যাঁ মা তুই বস আমি দিচ্ছি।
কিছুক্ষণ পর রোহানা দেওয়ান রাহিকে কফি দিয়ে গেলো তখন তাজউদ্দীন এসে রাহির কানে ফিসফিস করে বলল~
ম্যাডাম সবাই রেডি আপনি কি এখন যাবেন নাকি একটু পরে?
রাহি বাঁকা চোখে তাজউদ্দীনের দিকে তাকিয়ে বলল~
কফি খেয়ে যাবো।
তাজউদ্দীন ভদ্র ছেলের মত মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ সম্মতি দেয়। ৫ মিনিট পর রাহি কফি শেষ করে বাসা থেকে বের হয়। তাজউদ্দীন কি একটা ভেবে বলল~
এখন কোথায় যাবি?
রাহি বিরক্তি নিয়ে বলল~
দেখতে পাবি এখন চল।
____-----____-----____-----____----____----___
দুপুর ১:৩০ কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি পড়ছে বুঝা যাচ্ছে না। প্রচন্ড রোদে ঘেমে বিরক্ত হয় রাহি। কিন্তু রাহির একটা জিনিস ভেবে খুশি হয় কালকে তার অফিস Udbhavan হবে শুধু মাত্র কোম্পানির নামটা লাগানো বাকি সেটা আজকের মধ্যেই হয়ে যাবে। রাহি রহস্যময় হাসি দিয়ে বলল~
এবার দেখি কে আটকায় এই মাইমুনা দেওয়ান রাহিকে।
সবাই বাঁকা হেসে বলল~
সবাইকে একা হাতে সামলানোর খমতা আমাদের বসের আছে।
রাহি বাঁকা হেসে বলল~
Tomorrow is a very special day for me.
তামিম, তাজিন, তাজউদ্দীন, প্রিন্স এক সাথে বলল~
To us too
(কোন রকম ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। এবং সরি খুব দেরিতে আপলোড দেওয়ার জন্য)
1 month ago | [YT] | 17
View 7 replies
গল্পের মহল 📚
এই ৪ দিন মন শরীর কোনোটাই ভালো না। ভিডিও বা কোন পোস্ট আপলোড করতে ইচ্ছে করে না। আমার আবার এটা বাজে অভ্যাস মন ভালো না থাকলে শরীর ও ভালো থাকে না। ভাবছিলাম ২০২৬ সাল অনেক ভালো কাটবে কিন্তু না ২০২৬ সাল আরো খারাপ কাটতেছে কিছু পারিবারিক সমস্যার কারণে আমার জীবন শেষ হয়ে যাইতেছে। মন মেজাজ সব সময় খারাপ থাকে ভালো কথা বললেও রাগ উঠে যায়। ভাই মানুষ জীবনে কত কিছু পায় আর আমি কিছুই পাই না। ২০২৫ সাল ও ভালো কাটে নাই এখন ২০২৬ সাল ও খারাপ কাটতেছে। কি করব কিছুই বুঝতে পারছি না। আমার পাশে কেউ থাকে না হয় তো ভবিষ্যতেও কেউ থাকবে না তাতে আমার কোন কিছু যায় আসে না। যারা চলে যেতে চায় তাদের আমি আটকাই না বরং বলি যা ভাই যা তোর মতো ২ নৌকায় পা দিয়ে চলা মানুষকে আমি আমার জীবনে রাখতে চাই না। যাই হোক আমি ভাবছি কালকে থেকে তোমাদের জন্য আবার ভিডিও আপলোড দিবো এবং উপন্যাস ও আপলোড দিবো। সবাই ভালো থেকো।
আল্লাহ হাফেজ..😌🕊️
ইতি--- তোমাদের গল্পের মহল...😫
1 month ago | [YT] | 10
View 19 replies
গল্পের মহল 📚
#আমার_প্রিয়_প্রহরে_তুমি_আছো
#লেখিকা: মাইমুনা_ইসলাম_রাহি
#পর্ব: ১৮
--------------------------------------------------------
প্রিন্স অস্থির হয়ে যায়। প্রিন্স ভয়ে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলল~
আপু যদি পুলিশ আমাদের ধরে ফেলে..!!
রাহি বাঁকা হেসে বলল~
পুলিশ তো দূর দেশের প্রধানমন্ত্রী ও কিছু বলতে পারবে না।
প্রিন্স গম্ভীর গলায় বলল~
কেন আপু..??
রাহি তাচ্ছিল্য ভাবে হেসে বলল~
এত সাহস এখনো কারো হয়নি যে এই মাইমুনা দেওয়ান রাহির সাথে পাঙ্গা নিবে।
পরিবেশটা থমথমে নিস্তব্ধ। সূর্য কালো মেঘে ঢেকে গেছে মনে হচ্ছে একটু পরই বৃষ্টি পড়বে। রাহি সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল~
ছেলেটার লাশকে টুকরো টুকরো করে কেটে নদীতে ফেলে দে।
আরিক স্বাভাবিক ভাবে বলল~
মি. তন্ময় এভাবে দাঁড়িয়ে থাকবেন নাকি একটু সাহায্যও করবেন..??
তন্ময় কথাটা না শোনার ভান ধরে গাড়িতে গিয়ে বসল। রাহি অগ্নি দৃষ্টি নিয়ে তামিমের দিকে তাকায় ব্যাস এই তাকানোটাই যথেষ্ট। তামিম তাড়াতাড়ি আরিককে নিয়ে লাশটি গাড়ির ডিকিতে রাখে। রাহি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল~
বাসায় যেতে হবে কিন্তু বাসায় গেলেও জামেলা আছে রক্তে মাখা শরীর নিয়ে তো বাসায় যাওয়া যাবে না।
তামিম কিছু একটা ভেবে বলল~
আরে ম্যাডাম আপনি তো বৃষ্টিতে ভিজতে পাড়েন বৃষ্টিতে ভিজলে সব রক্ত বৃষ্টির পানির সাথে চলে যাবে তারপর বাসায় গেলে কোন অসুবিধা হবে না জামা কাপড় চেঞ্জ করে আবার চলে আসতে পারবেন।
রাহি তামিমের কথায় হ্যাঁ সম্মতিতে মাথা নাড়ায়। কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় মাঝেমধ্যে মেঘ গর্জে উঠছে। রাহি চোখ বন্ধ করে অতীতের স্মৃতিগুলো ভাবছে। কিছু কিছু স্মৃতি ছিল ভালো আমার কিছু কিছু স্মৃতি ছিল খারাপ। 10 বছর আগের আগে কেমন ছিল আর এখন কেমন আছে সেটা ভেবে মাঝে মাঝে অবাক হই রাহি। একজন সাধারণ মানুষ থেকে মাফিয়া হয়ে গিয়েছে 10 বছরে। এই 10 বছরে কত কি ঘটে গেছে তা রাহির পরিবার কিছুই জানেনা। ফ্রেন্ড গ্রুপে সবচেয়ে চঞ্চল মেয়ে ছিল রাহি। চুপচাপ খুব কমই থাকতো মন খারাপের সময় শুধু চুপচাপ থাকতো। কিন্তু এখন সেই মেয়ে খুব কম কথা বলে প্রয়োজনের বাইরে কোন কথা বলতে চায় না। এই পরিবর্তন ফ্রেন্ড গ্রুপের কেউই মেনে নিতে পারে না। এই 10 বছরের আগের জীবনে কত কিছু হয়ে গেছে তার সাক্ষী আছে তার ফ্রেন্ডরা। রাহি নিজের পরিবার বলতে ফ্রেন্ড মহল কেই বুঝে। হঠাৎ মেঘ গর্জে ওঠোর শব্দে রাহির হুশ ফিরল। রাহি একা বৃষ্টিতে ভিজছে তা না সবাই বৃষ্টিতে ভিজছে। একটু আগে যে একটা মানুষকে নিকৃষ্ট ভাবে খুন করা হয়েছে সেটা তাদের মনেই নেই। তামিম রাহির হাত ধরে বলল~
এই বৃষ্টির দিনে তোর জন্য একটা গান গাইতে চাই আমি।
তামিমের কথায় সবাই তামিম আর রাহির দিকে তাকায়।
রাহি মুচকি হেসে বলল~
হুম অবশ্যই শুনা গান।
তামিম কাশি দিয়ে গলা পরিষ্কার করে গানের লিরিক্স শুরু করল~
~বৃষ্টি ভেজা রাতে~
~ আমি তোমায় নিয়ে যাবো~
~যতগুলো কথা হয়নি বলা~
~তোমাকেই বলে দিবো~
~স্বপ্নীল এই পৃথিবীকে আজ তোমার রঙে রাঙাবো~
~ অনেক দূরের আকাশ পথে~
~তোমায় নিয়ে হারাবো~
~অনেক করে পাবো~
~তোমার অনেক বেশি হবো~
~হাতটা ধরে পথটা ভুলে মনের কথা কবো~
~হাতটা ধরে পথটা ভুলে মনের কথা কবো~
রাহি অনেক অবাক কিন্তু কিছুক্ষণ পর হেসে বলল~
আমার জন্য এত সুন্দর গান গাওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
তামিম মুখ কালো করে বলল~
গানটার মানে কি তুই বুঝলি না..??
রাহি মুচকি হেসে বলল~
বলছি আমি কিন্তু এখন সম্ভব না।
তামিম জানতো এই উত্তর আসবে তাও প্রশ্ন করেছে প্রতিবার এই উত্তর শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেছে তামিম।
( কোনরকম ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করে দিও)
1 month ago | [YT] | 24
View 11 replies
গল্পের মহল 📚
আমার প্রিয় প্রহরে তুমি আছো উপন্যাসটি Happy Ending দিবো নাকি Sad Ending দিবো এটা নিয়ে একটি ভোটিং পোস্ট দিয়েছিলাম...💌
আমার প্রিয় প্রহরে তুমি আছো উপন্যাসটির Happy Ending এর জন্য ভোট দিয়েছো অনেকেই তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার প্রিয় প্রহরে তুমি আছো উপন্যাসটির Happy Ending হবে আর এই উপন্যাসটিকে নিয়ে কোন রকম প্রশ্ন থাকলে করতে পারো সবার প্রশ্নের উত্তর দিবো ইনশাল্লাহ...💌🕊️
1 month ago | [YT] | 11
View 6 replies
গল্পের মহল 📚
Congratulations Bestie...💌🫀
Your path was not easy, it was very difficult. You worked hard. It is true that if you work hard, success will come. You are much bigger. I was by your side, I am and I will be by your side for the rest of my life, Insha Allah. All the best...💌🕊️
I say it again. Congratulations....💌🫀
1 month ago | [YT] | 18
View 13 replies
গল্পের মহল 📚
#আমার_প্রিয়_ প্রহরে_ তুমি_আছো
#লেখিকা: মাইমুনা_ইসলাম_রাহি
#পর্ব: ১৭
তন্ময় এবার অট্টহাসি দিয়ে বললো: তুই কার কাছে জীবন ভিক্ষা চাচ্ছিস..!! জীবনেও ওর কাছ থেকে ক্ষমা পাবি না ওর মনে তো কোন আবেগ কাজ করে না এই রাহির কাছে জীবন ভিক্ষা চেয়ে লাভ নেই।
ছেলেটি রাহির নাম শুনে ভয়ে ঢোক গিললো। ভয়ে আমতা আমতা করে বলল: রাহি এই সেই মাইমুনা দেওয়ান রাহি।
ভয়ে ছেলেটির হাত পা কাঁপছে। রাহি তাচ্ছিল্য ভাবে হাসলো। রাহি ছেলেটির কাছ থেকে ২ কদম দূরে গিয়ে দাঁড়ায়। রাহি অভিব্যক্তি বুঝা বড়ই কঠিন। ছেলেটি তন্ময় এর দিকে তাকিয়ে আকুতি মিনতি করে বলল: প্লিজ আমাকে বাঁচান আমি মরতে চাই না।
এবার তন্ময় সহ সবাই অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো। তামিম ছেলেটিকে এক টানে দাঁড়া করালো। গম্ভীর গালায় বলল: রাহি যেহেতু বলেছে তোর কলিজা বের করবে তো সেটা যেভাবেই হোক বের করবে কেউ আটকাতে পারবে না। আর শুধু তোর কলিজা না চোখ ও বের করবে কারণ তুই ওই দুটি চোখ দিয়ে ওর বোনকে দেখেছিস তোর দুটি হাত টুকরো টুকরো করবে কারণ তুই ওই হাত দিয়ে ওর বোনকে স্পর্শ করেছিস।
তামিম ছেলেটির কলার ঠিক করতে করতে বলল: মরার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায় আর বেশি সময় নেই তোর হাতে।
শেষের কথাটুকু হাতের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলে। ছেলেটি বুঝতে পারে এদের মতো নিষ্ঠুর মানুষের কাছে জীবন ভিক্ষা চেয়ে লাভ নেই। আজকে তার জীবনের শেষ দিন। ছেলেটি আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে মনে কি যেন ভাবছে। হঠাৎ রাহি ছেলেটির পেটে লাথি দিলো। ছেলেটি রাস্তায় শুয়ে পড়ে। রাহি বাঁকা হাসে কিন্তু এই হাসি কেউই দেখতে পায় না। রাহি কর্কশ গম্ভীর গলায় বলল: ছুড়ি দে।
আরিক পকেট থেকে ছুড়ি বের করে রাহির হাতে দিলো। রাহি আস্তে আস্তে ছেলেটির পাশে হাঁটু গেড়ে বসে ছেলেটিকে এক টানে বসিয়ে ১ থেকে ৩ পর্যন্ত কাউন্ট করে। ৩ পর্যন্ত কাউন্ট করা শেষ হতে ছুড়িটি ছেলেটির চোখে ঢুকিয়ে দেয়। ছেলেটির চিৎকারে গাছ বসে থাকা পাখি গুলো উরতে থাকে। রাহি ছেলেটির চোখ বের করে হাতে নেয়। ছেলেটির চোখ থেকে রক্ত পড়তে থাকে। রাহি ছেলেটির অন্য চোখটিও বের করে হাতে নেয়। সেই দৃশ্য ছিল ভয়ানক কোন সাধারণ মানুষ সেই দৃশ্য সহ্য করতে পারতো না। ছেলেটির দুই চোখ দিয়ে রক্ত পড়ছে। ছেলেটি ব্যথায় আর্তনাদ দিতে থাকে। সেই আর্তনাদ শুনে সবাই অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে। রাহি তাচ্ছিল্য হাসি দিয়ে বলল: কষ্ট হচ্ছে খুব কষ্ট হচ্ছে এটাই তো আমি চাই।
রাহি হাত থেকে ছুড়িটি ফেলে দেয়। রাহি মুখ সাধারণ রেখে বলল: কুড়াল দে।
তামিম গাড়ি থেকে কুড়াল বের করে রাহির হাতে দেয়। কুড়াল হাতে নিয়ে রাহি দাঁড়িয়ে পড়ে এক কোপে ছেলেদের ডান হাত কেটে ফেলে। ছেলেটি ব্যথায় আর্তনাদ দিতে থাকে। রাস্তার চারদিকে রক্ত ছড়িয়ে পড়েছে। রাহির সাদা শার্টেও রক্ত ছিটে এসেছে। রাহির মুখেও রক্ত। রাহি আরেকটি কোপ দিয়ে ছেলেটির বাম হাত কেটে ফেলে। ছেলেটির আর্তনাদ কেউ শুনতে পায় না। ছেলেটির প্রাণ আসছে আর যাচ্ছে। চিৎকার করার শক্তিটুকু পাচ্ছে না ছেলেটি। রাহি কুড়াল ফেলে ছেলেটির পাশে হাঁটু গেড়ে বসে ছুড়িটি হাতে নেয়। ছেলেটির বুক বড়াবড় ছুড়িটি ঢুকিয়ে দেয়। ছেলেটি শেষবারের মতো একটা চিৎকার দেয়। নিস্তেজ হয়ে পড়ে ছেলেটির দেহ। রাহি ছেলেটির বুক ছিদ্র করে ছেলেটির কলিজা হাতে নিয়ে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে। প্রিন্স ছেলেটির কলিজা দেখে নিচে পড়ে যেতে নেয় তামিম প্রিন্সকে ধরে বলে: আরে এসব ছোট খাটো জিনিস দেখে এমন হাইপার হয়ে যাচ্ছিস কেনো..??
প্রিন্স অবাক হয়ে তামিমের দিকে তাকিয়ে বলল: এসব ছোট খাটো জিনিস..??
রাহির পুরো শরীর রক্তে মাখা মনে হচ্ছে রক্ত দিয়ে গোসল করে এসেছে। রাহির দিকে তাকিয়ে তামিম বলল: আমরা দিন শুরু করি রক্ত দিয়ে।
রাহি রহস্যময় হাসি দিয়ে বলল: আরে প্রিন্স এখন থেকে তোর দিনও শুরু হবে রক্ত দিয়ে।
( কোন রকম ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করে দিও আর এই উপন্যাসটি নিয়ে কোন রকম প্রশ্ন থাকলে করতে পারো)
1 month ago (edited) | [YT] | 16
View 11 replies
গল্পের মহল 📚
আমার প্রিয় প্রহরে তুমি আছো উপন্যাসটির Happy Ending চাও নাকি Sad Ending চাও..??😌🫀
1 month ago | [YT] | 11
View 6 replies
Load more