নেতাজির জীবন আদর্শ ও তাঁর অজানা সত্য ইতিহাস সন্ধানে এই চ্যানেল সদা দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছে। জনমানসে এই মানুষটিকে নিয়ে জাগরণ সৃষ্টি করাই এই চ্যানেলের উদ্দেশ্য।
হে আমার ‘ ভগবান ‘ তুমি আর কত সইবে অপমান! সুভাষ তোমাকে বোঝা সত্যিই শক্ত । তোমাকে বুঝতে গেলে অনেক বড় একটা মন দরকার হয়! রাজনৈতিক বিভাজন দিয়ে তোমাকে বোঝা যায় না। সেটা সেদিন কংগ্রেসও পারেনি আর আজও.....
আমার তোমাকে নিয়ে যতটুকু কাজ সেতো তোমাকেই জানানো এক শ্রদ্ধাঞ্জলি। আজও আমার কাছে তুমি একদিকে আর গোটা পৃথিবী অন্যদিকে। তাই ঘটা করে ২৩ জানুয়ারি পালনে আজ আর উপস্থিত থাকি না । আমাদের মত কিছু মানুষের কাছে ৩৬৫ দিনই সুভাষ জয়ন্তী ।
রাজনৈতিক শিষ্টাচার কাকে বলে সেতো তোমার থেকেই শেখা উচিৎ আজ গোটা দেশের ।
গান্ধীজির এত বিরোধিতা এত রাজনৈতিক অপমান সত্ত্বেও তাকেই তুমি বানিয়ে দিলে ‘জাতির জনক’। তাঁর বিরুদ্ধে কখনও একটা কথাও বলোনি। শুধু বলেছ, রাজনৈতিক বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু আমাদের পথ এক। কই এই শিষ্টাচারের কথা তো কোনও রাজনৈতিক বাঙালি বলে না!
চরম বিরোধী নেহেরু, তবুও গান্ধী- নেহেরু ব্রিগেড নিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ লড়াইয়ে নামল। এই শিষ্টাচার কতজন বোঝে?
তুমি যখন বিদেশী শক্তির হাত ধরে দেশকে স্বাধীন করার লড়াই লড়ছ তখন কিছু মানুষ এ দেশে বসেই ব্রিটিশদের সঙ্গে লুডো খেলছিল। আর ভাবতে লজ্জা লাগে তাঁরাই এক একজন এখন দেশের মহান নেতা। আর তুমি ও তোমার দল ফরওয়ার্ড ব্লক আজ গুন্ডা আখ্যা পেয়েছো। এই তোমার দেশ। এই তোমার দেশের জনগণ। এই তোমার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
আসলে প্রত্যেকের দল প্রত্যেককে মহান বানিয়েছে, তোমার দল বিকিয়ে গিয়েছিল। তাই তোমাকে সবাই ধার নিয়েছে বারবার। কাজ শেষ হলে আবার মূর্তির মতন ফিরিয়ে দিয়ে গেছে বা জলে ভাসিয়ে দিয়েছে।
তোমার হয়ে সমস্বরে আওয়াজ কবে কোথায়ই বা উঠেছে?
আজও বুঝি আক্ষেপটা কোথায় ছিল! কিন্তু দেশবাসী বোঝেনি। তুমি কেন বাইরে এলেনা? এই প্রশ্নের উত্তর বারবার শুনতে হয় আমাকে। আমাদের শুনতে হয় যাঁরা আমরা তোমার ইতিহাস নিয়ে কাজ করি।
আমি এটা বোঝাতে তাদের অক্ষম, আজও যেখানে তোমার বিরুদ্ধে এত তিরস্কার সেদিন তুমি বাইরে এলে তোমাকে কি সহজেই ছেড়ে দিত দেশের মাতব্বররা ?
তোমার বাংলাই যেখানে তোমাকে বারবার শত্রু মনে করেছে সেখানে গোটা দেশের থেকে প্রত্যাশা তোমার ছিল না। আজও সেই জলজ্যান্ত প্রমান তোমার চোখের সামনে।
গুমনাম, তোমার কাছে ছিল এক অদ্ভুত প্রসস্তি। দিনের শেষে এক অদ্ভুত আনন্দ। সবার অলক্ষে যেখানে সন্ধ্যে নামে, ঘরে ফিরে আসে পাখি। সেই আঁধারনামা প্রান্তে বসে শুধু শেষ দিনের প্রতীক্ষায় বসে থাকা, সেই মানুষটাকে আজও কেউ বোঝেনি।
না তোমাকে কেউ বোঝেনি। তোমাকে বোঝা শক্ত। তুমি সাধু হতে পারো না। সবাই এমনটাই বলে। কারণ তোমার তো একটাই কাজ শুধু সেনার বেশে যুদ্ধ করবে। শ্যামবাজারের মূর্তি হয়ে বেঁচে থাকবে। আর সেই মূর্তির তলায় লুটেপুটে খাবে কিছু সুবিধাবাদী নেতা। মানুষ হাততালি দেবে। শুধু তোমার গলায় একটা মালা ঝুলিয়ে বলবে, জয়তু নেতাজি।
এর থেকে বেশি দেশ না তোমাকে কিছু দিয়েছে, না তুমি সেই আশা করেছিলে।
তাই নিজেকে সমস্ত কিছুর আড়ালে নিয়ে গিয়ে একটা কথাই বলেছ, “ আমি একজন মৃত ব্যক্তি”। এই শব্দের মধ্যে কতটা তাচ্ছিল্য আছে, দুঃখ আছে, কষ্ট আছে সেটা দেশবাসী আজও বোঝেনি।
হয়তো আর কোনদিন বুঝবেও না।
কিন্তু লড়াই এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে না হে বীর সৈনিক। যে লড়াইয়ের পথ তুমি দেখিয়ে দিয়ে গেছো, সেটা আজও শেষ হয়ে যায়নি।
নতুন সময় আসবেই নতুন প্রজন্মের হাত ধরে। আমি জানি তুমি শুধু সেই দিনের অপেক্ষায় বসে আছো।
ধর্ষণের আগুনে কিছু মানুষ এখন নিজেদের অর্ডার দেওয়া মোমবাতি নিয়ে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার চাঙ্গা করতে নেমে পড়েছেন। খুন ও ধর্ষণের শিকার ওই ছোট মেয়েটি এখন তাঁদের কাছে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার মাধ্যম। ওটা প্রতিবাদের মোমবাতি নয় ধান্দার মোম। না হলে এই সময়ও কেউ রং দেখে মোম কেনে??? আর জি করের সময় অন্য ধান্দা ছিল তাই পথে নামলেই আক্রমণ । আর আজ?? ছি: বাংলার রাজনীতি ছি:!
কলকাতার একটি কর্পোরেট হাউস থেকে আমাকে বেশ কয়েকবার ফোন করা হয়েছে। নেতাজি নিয়ে একটা সেমিনার করার জন্য। বেশ কয়েকবার ফোনে কী কী প্রয়োজন আমার সেটা জানতে চাওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে অফিসের কর্মীরা সবাই অধীর আগ্রহে বসে রয়েছে আমার বক্তব্য শোনার জন্য।।
‘সুভাষ ফিরেছিলেন' বইটি রিলিজ হওয়ার পর সাম্প্রতিক সময়ে আমি বেশ কিছু জায়গায় গিয়েছি, নেতাজিকে নিয়ে নিজের বক্তব্য রেখেছি। কিন্তু এটা ছিল একটা আজব অফিস। কলকাতার বুকে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে দেখে সত্যি ভয় লাগে। সমস্ত কিছু বেশ কিছু মাস ধরে ঠিক হওয়ার পর আমাকে বলা হলো হিন্দি বা ইংরেজিতে বক্তব্য রাখতে হবে।
আমি বললাম একেবারেই সম্ভব নয়, একজন বাঙালি লেখক বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটার হিসেবেই আমার পরিচিতি। আমার বইটি বাংলায় বেরিয়েছে। তাই যদি সেমিনার করতে হয় তাহলে বাংলাতেই করতে হবে। হ্যাঁ মাঝে ইংরেজিতে বা হিন্দিতে কিছু একটা কথা বলা সেটা অন্য বিষয়। সেই শর্তে রাজি হওয়ার কিছুদিন পর সেই অফিসের এক কর্মী, যিনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। তিনি ফোন করে বললেন, যে দুঃখিত দাদা আমরা সেমিনারটি করতে পারছি না।। আমাদের পারমিশন দেওয়া হচ্ছে না।
কারণ ? তাঁদের কর্তৃপক্ষ নাকি জানিয়েছে বাংলায় করা যাবে না। করলে হিন্দি বা ইংরেজিতে সেমিনার করতে হবে। আমি তাঁকে উত্তরে বললাম আমার সৌভাগ্য আমি এরকম অফিসে নেতাজিকে নিয়ে যাইনি।
ভাবুন একবার, বাঙালির কী করুন অবস্থা। আজও অবাঙালি বসেদের চাপে নেতাজিকে নিয়ে একটি বাংলা সেমিনার করবে কলকাতায় বসে সেটাও সম্ভব নয়।
বাংলায় বসে বাংলা বিদ্বেষ। চাইলে কোম্পানিটির নাম বলে দিতে পারতাম কিন্তু এতটা নিচে আমি নামতে শিখিনি।
কিন্তু আমার মনে হয় কখনো কখনো প্রতিবাদটা এতটা জোরালো হওয়া উচিত যেখানে নিজের পেশার থেকে জাতিসত্তা অনেক আগে থাকবে।
আজও ইংরেজিতে কথা বললে বা বই লিখলে মানুষ এলিট মনে করে। সেখানে বাংলা? কিন্তু গর্বের বিষয় এটাই নেতাজিকে নিয়ে বই লিখে সবচেয়ে বেশি বিক্রি মনে হয় বাংলাতেই হয়েছে। আর সেই বই বাংলা ভাষাতেই লেখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময় যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ , ‘ সুভাষ ফিরেছিলেন'।
বাঙালি আজকাল আর এসব ভিডিও দেখেনা। এটা অভিযোগ নয় এটা সত্যি। বাঙালির আজ চাই রাজনৈতিক কচকচানি। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সায়নী ঘোষ, এটাই এখন বাঙালির টপিক। সেই বাঙালি যারা একদিন বিবেকানন্দকে চরিত্রহীন বলেছিল। সেই অতীতের লজ্জা যখন আজকে ঢাকতে চাই তখন সেই ভিডিওতে ভিউজ আসে না। কারণ এখানে ধর্মের সুড়সুড়ি বা রাজনৈতিক লড়াই নেই। নেই চাটুকারিতা, অশ্লীলতা বা হালফিলের কমেডিপনা। এক বাঙালির বীরপুরুষকে সেদিন কিভাবে অপমান করা হয়েছিল সেই ইতিহাস জানার ইচ্ছে যখন দেখি মানুষের মধ্যে অনেকটাই কম, তখন ভাবি এই ধরনের ভিডিও কেনই বা বানাবো। কী দরকার এই সমাজ থেকে সচেতন করার।
কিন্তু মানুষ কম দেখলেও সত্য জানানো আমাদের দায়িত্ব। তাই এই ধরনের সত্য ও মানবিক আলোচনাগুলো I AM BOSE চ্যানেলে চলবেই!
ভিডিওটি ইতিমধ্যেই I AM BOSE চ্যানেলে আপলোড হয়েছে, চাইলে এখনই দেখে নিতে পারেন!
নেহেরুকে পেছনে ফেলে দেশের সবচেয়ে বেশিদিন প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড নরেন্দ্র মোদীর। ১২ বছর পূর্ণ করল মোদি সরকার। এই চোর ও ধন্দাবাজির দুনিয়ায় সব সরকারেরই ভালো এবং খারাপ দিক থাকে, এই সরকারেরও রয়েছে। তবুও আমরা এই সরকারের আমলে অনেক কিছুই পজেটিভ পেয়েছি বলেই আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস। এই রেকর্ড মাইল ফলক ছোঁয়ার জন্য অনেক শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীকে।
আমি আইনজীবী কূলের কাছে একটা প্রশ্ন রাখতে চাই? এই পেশার পেশাদারিত্ব মানে কি শুধু নিজের মক্কেলকে জিতিয়ে দেওয়া? মানে এখানে নীতি -আদর্শের কোন জায়গা নেই? মানে পয়সার জন্য মামলা লড়ে একজন আইনজীবী,তাই কি? এটাই কি এই প্রফেশনের পেশাদারিত্ব? কেউ রাজনীতিতে অনেক নীতি আওড়াবেন, আর ব্যাংক ব্যালেন্স কোটি কোটি টাকা করবেন শুধুমাত্র মামলা লড়ে। যেখানে ন্যায়-অন্যায় বলে কোনও ফারাক থাকবে না। এটা কি দ্বিচারিতা? এটা একদিক দিয়ে আইনজীবীকূলকে শুধুমাত্র পেশাদারীত্বের নাম দিয়ে অপমান করা নয় কি? আমি শুধু জানতে চাই? পেশার জন্য কেউ অন্যায়কে ন্যায় পাইয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন আবার সেই মানুষটাই রাজনীতির ময়দানে অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন!! এইটা আমার সাধারণ মাথায় ঢোকে না। আমি তো এত শিক্ষিত নই তাই জানতে চাইছি শুধুমাত্র। বাকি আপনারা জনতা জনার্দন এতদিনে বুঝেই গিয়েছেন আসলে সবই ভোট বাক্সের ফাঁকা আওয়াজ। মনুষত্ব বলে কিছু নেই ভেতরটা সম্পূর্ণ ফাঁকা মুড়ির টিন।
এটাই আমার পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব ছবি। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজ করতে গিয়ে যা বারবার বুঝতে পেরেছি। আমাকে করা আমার এক সাবস্ক্রাইবারের কমেন্ট আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। সত্যিই উনি বুঝতে পারছেন না আমি কোন পক্ষের দালালি করি! আমি দালালি করতে পারি না এটা কি আমার দোষ? আপনারাই বিচার করবেন। যে আমরা কোন পথে চলেছি!! এই বঙ্গে ভুলকে তো ভুল বলতে পারবেনই না, আর ঠিককে ঠিক বললেও আপনাকে লোকে সন্দেহ করবে। কোনও একটি রাজনৈতিক দলের একটি দিক আমার ভালো লাগতেই পারে। সেই রাজনৈতিক দলকে সবসময় ঠিক বলতে হবে এর কোন মানে নেই । আর সেখানেই সমস্যা দলদাসদের। আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এমন একটা জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে আপনি ফ্রিতে মানুষের উপকার করবেন, সমাজসেবা করবেন। দেখবেন মানুষ তখনো আপনাকে ধান্দাবাজ বলছেন। কিছু মানুষ বলবেন আপনার নিশ্চয়ই কোন উদ্দেশ্য আছে সে কারণেই আপনি সমাজসেবা করছেন। কিন্তু বাস্তব এটাই এরই মধ্যে আমাদের কাজ করতে হয়। কাজ করছি আমরা কাজ করবো। সে মানুষ যে যাই বলুক না কেন।
I AM BOSE
হে আমার ‘ ভগবান ‘ তুমি আর কত সইবে অপমান!
সুভাষ তোমাকে বোঝা সত্যিই শক্ত ।
তোমাকে বুঝতে গেলে অনেক বড় একটা মন দরকার হয়! রাজনৈতিক বিভাজন দিয়ে তোমাকে বোঝা যায় না। সেটা সেদিন কংগ্রেসও পারেনি আর আজও.....
আমার তোমাকে নিয়ে যতটুকু কাজ সেতো তোমাকেই জানানো এক শ্রদ্ধাঞ্জলি। আজও আমার কাছে তুমি একদিকে আর গোটা পৃথিবী অন্যদিকে।
তাই ঘটা করে ২৩ জানুয়ারি পালনে আজ আর উপস্থিত থাকি না । আমাদের মত কিছু মানুষের কাছে ৩৬৫ দিনই সুভাষ জয়ন্তী ।
রাজনৈতিক শিষ্টাচার কাকে বলে সেতো তোমার থেকেই শেখা উচিৎ আজ গোটা দেশের ।
গান্ধীজির এত বিরোধিতা এত রাজনৈতিক অপমান সত্ত্বেও তাকেই তুমি বানিয়ে দিলে ‘জাতির জনক’।
তাঁর বিরুদ্ধে কখনও একটা কথাও বলোনি। শুধু বলেছ, রাজনৈতিক বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু আমাদের পথ এক। কই এই শিষ্টাচারের কথা তো কোনও রাজনৈতিক বাঙালি বলে না!
চরম বিরোধী নেহেরু, তবুও গান্ধী- নেহেরু ব্রিগেড নিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ লড়াইয়ে নামল। এই শিষ্টাচার কতজন বোঝে?
তুমি যখন বিদেশী শক্তির হাত ধরে দেশকে স্বাধীন করার লড়াই লড়ছ তখন কিছু মানুষ এ দেশে বসেই ব্রিটিশদের সঙ্গে লুডো খেলছিল।
আর ভাবতে লজ্জা লাগে তাঁরাই এক একজন এখন দেশের মহান নেতা। আর তুমি ও তোমার দল ফরওয়ার্ড ব্লক আজ গুন্ডা আখ্যা পেয়েছো।
এই তোমার দেশ। এই তোমার দেশের জনগণ। এই তোমার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
আসলে প্রত্যেকের দল প্রত্যেককে মহান বানিয়েছে, তোমার দল বিকিয়ে গিয়েছিল। তাই তোমাকে সবাই ধার নিয়েছে বারবার। কাজ শেষ হলে আবার মূর্তির মতন ফিরিয়ে দিয়ে গেছে বা জলে ভাসিয়ে দিয়েছে।
তোমার হয়ে সমস্বরে আওয়াজ কবে কোথায়ই বা উঠেছে?
আজও বুঝি আক্ষেপটা কোথায় ছিল! কিন্তু দেশবাসী বোঝেনি।
তুমি কেন বাইরে এলেনা? এই প্রশ্নের উত্তর বারবার শুনতে হয় আমাকে। আমাদের শুনতে হয় যাঁরা আমরা তোমার ইতিহাস নিয়ে কাজ করি।
আমি এটা বোঝাতে তাদের অক্ষম, আজও যেখানে তোমার বিরুদ্ধে এত তিরস্কার সেদিন তুমি বাইরে এলে তোমাকে কি সহজেই ছেড়ে দিত দেশের মাতব্বররা ?
তোমার বাংলাই যেখানে তোমাকে বারবার শত্রু মনে করেছে সেখানে গোটা দেশের থেকে প্রত্যাশা তোমার ছিল না।
আজও সেই জলজ্যান্ত প্রমান তোমার চোখের সামনে।
গুমনাম, তোমার কাছে ছিল এক অদ্ভুত প্রসস্তি। দিনের শেষে এক অদ্ভুত আনন্দ। সবার অলক্ষে যেখানে সন্ধ্যে নামে, ঘরে ফিরে আসে পাখি। সেই আঁধারনামা প্রান্তে বসে শুধু শেষ দিনের প্রতীক্ষায় বসে থাকা, সেই মানুষটাকে আজও কেউ বোঝেনি।
না তোমাকে কেউ বোঝেনি। তোমাকে বোঝা শক্ত।
তুমি সাধু হতে পারো না। সবাই এমনটাই বলে। কারণ তোমার তো একটাই কাজ শুধু সেনার বেশে যুদ্ধ করবে। শ্যামবাজারের মূর্তি হয়ে বেঁচে থাকবে।
আর সেই মূর্তির তলায় লুটেপুটে খাবে কিছু সুবিধাবাদী নেতা।
মানুষ হাততালি দেবে। শুধু তোমার গলায় একটা মালা ঝুলিয়ে বলবে, জয়তু নেতাজি।
এর থেকে বেশি দেশ না তোমাকে কিছু দিয়েছে, না তুমি সেই আশা করেছিলে।
তাই নিজেকে সমস্ত কিছুর আড়ালে নিয়ে গিয়ে একটা কথাই বলেছ, “ আমি একজন মৃত ব্যক্তি”।
এই শব্দের মধ্যে কতটা তাচ্ছিল্য আছে, দুঃখ আছে, কষ্ট আছে সেটা দেশবাসী আজও বোঝেনি।
হয়তো আর কোনদিন বুঝবেও না।
কিন্তু লড়াই এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে না হে বীর সৈনিক। যে লড়াইয়ের পথ তুমি দেখিয়ে দিয়ে গেছো, সেটা আজও শেষ হয়ে যায়নি।
নতুন সময় আসবেই নতুন প্রজন্মের হাত ধরে। আমি জানি তুমি শুধু সেই দিনের অপেক্ষায় বসে আছো।
5 days ago | [YT] | 7,897
View 354 replies
I AM BOSE
ধর্ষণের আগুনে কিছু মানুষ এখন নিজেদের অর্ডার দেওয়া মোমবাতি নিয়ে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার চাঙ্গা করতে নেমে পড়েছেন। খুন ও ধর্ষণের শিকার ওই ছোট মেয়েটি এখন তাঁদের কাছে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার মাধ্যম। ওটা প্রতিবাদের মোমবাতি নয় ধান্দার মোম। না হলে এই সময়ও কেউ রং দেখে মোম কেনে??? আর জি করের সময় অন্য ধান্দা ছিল তাই পথে নামলেই আক্রমণ । আর আজ?? ছি: বাংলার রাজনীতি ছি:!
6 days ago (edited) | [YT] | 1,465
View 92 replies
I AM BOSE
কলকাতার একটি কর্পোরেট হাউস থেকে আমাকে বেশ কয়েকবার ফোন করা হয়েছে। নেতাজি নিয়ে একটা সেমিনার করার জন্য। বেশ কয়েকবার ফোনে কী কী প্রয়োজন আমার সেটা জানতে চাওয়া হয়েছে।
বলা হয়েছে অফিসের কর্মীরা সবাই অধীর আগ্রহে বসে রয়েছে আমার বক্তব্য শোনার জন্য।।
‘সুভাষ ফিরেছিলেন' বইটি রিলিজ হওয়ার পর সাম্প্রতিক সময়ে আমি বেশ কিছু জায়গায় গিয়েছি, নেতাজিকে নিয়ে নিজের বক্তব্য রেখেছি। কিন্তু এটা ছিল একটা আজব অফিস। কলকাতার বুকে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে দেখে সত্যি ভয় লাগে।
সমস্ত কিছু বেশ কিছু মাস ধরে ঠিক হওয়ার পর আমাকে বলা হলো হিন্দি বা ইংরেজিতে বক্তব্য রাখতে হবে।
আমি বললাম একেবারেই সম্ভব নয়, একজন বাঙালি লেখক বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটার হিসেবেই আমার পরিচিতি। আমার বইটি বাংলায় বেরিয়েছে। তাই যদি সেমিনার করতে হয় তাহলে বাংলাতেই করতে হবে। হ্যাঁ মাঝে ইংরেজিতে বা হিন্দিতে কিছু একটা কথা বলা সেটা অন্য বিষয়। সেই শর্তে রাজি হওয়ার কিছুদিন পর সেই অফিসের এক কর্মী, যিনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। তিনি ফোন করে বললেন, যে দুঃখিত দাদা আমরা সেমিনারটি করতে পারছি না।। আমাদের পারমিশন দেওয়া হচ্ছে না।
কারণ ? তাঁদের কর্তৃপক্ষ নাকি জানিয়েছে বাংলায় করা যাবে না। করলে হিন্দি বা ইংরেজিতে সেমিনার করতে হবে।
আমি তাঁকে উত্তরে বললাম আমার সৌভাগ্য আমি এরকম অফিসে নেতাজিকে নিয়ে যাইনি।
ভাবুন একবার, বাঙালির কী করুন অবস্থা। আজও অবাঙালি বসেদের চাপে নেতাজিকে নিয়ে একটি বাংলা সেমিনার করবে কলকাতায় বসে সেটাও সম্ভব নয়।
বাংলায় বসে বাংলা বিদ্বেষ। চাইলে কোম্পানিটির নাম বলে দিতে পারতাম কিন্তু এতটা নিচে আমি নামতে শিখিনি।
কিন্তু আমার মনে হয় কখনো কখনো প্রতিবাদটা এতটা জোরালো হওয়া উচিত যেখানে নিজের পেশার থেকে জাতিসত্তা অনেক আগে থাকবে।
আজও ইংরেজিতে কথা বললে বা বই লিখলে মানুষ এলিট মনে করে। সেখানে বাংলা?
কিন্তু গর্বের বিষয় এটাই নেতাজিকে নিয়ে বই লিখে সবচেয়ে বেশি বিক্রি মনে হয় বাংলাতেই হয়েছে। আর সেই বই বাংলা ভাষাতেই লেখা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময় যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ , ‘ সুভাষ ফিরেছিলেন'।
2 weeks ago | [YT] | 3,997
View 276 replies
I AM BOSE
বাঙালি আজকাল আর এসব ভিডিও দেখেনা। এটা অভিযোগ নয় এটা সত্যি। বাঙালির আজ চাই রাজনৈতিক কচকচানি। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সায়নী ঘোষ, এটাই এখন বাঙালির টপিক। সেই বাঙালি যারা একদিন বিবেকানন্দকে চরিত্রহীন বলেছিল। সেই অতীতের লজ্জা যখন আজকে ঢাকতে চাই তখন সেই ভিডিওতে ভিউজ আসে না। কারণ এখানে ধর্মের সুড়সুড়ি বা রাজনৈতিক লড়াই নেই। নেই চাটুকারিতা, অশ্লীলতা বা হালফিলের কমেডিপনা। এক বাঙালির বীরপুরুষকে সেদিন কিভাবে অপমান করা হয়েছিল সেই ইতিহাস জানার ইচ্ছে যখন দেখি মানুষের মধ্যে অনেকটাই কম, তখন ভাবি এই ধরনের ভিডিও কেনই বা বানাবো। কী দরকার এই সমাজ থেকে সচেতন করার।
কিন্তু মানুষ কম দেখলেও সত্য জানানো আমাদের দায়িত্ব। তাই এই ধরনের সত্য ও মানবিক আলোচনাগুলো
I AM BOSE চ্যানেলে চলবেই!
ভিডিওটি ইতিমধ্যেই I AM BOSE চ্যানেলে আপলোড হয়েছে, চাইলে এখনই দেখে নিতে পারেন!
2 weeks ago (edited) | [YT] | 1,133
View 34 replies
I AM BOSE
হিমাচলের দুর্গম পাহাড়ে বসবাসকারী এক মিষ্টি শিশুর সঙ্গে কিছুক্ষণ কাটালাম ।
4 weeks ago | [YT] | 5,389
View 81 replies
I AM BOSE
নেহেরুকে পেছনে ফেলে দেশের সবচেয়ে বেশিদিন প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড নরেন্দ্র মোদীর। ১২ বছর পূর্ণ করল মোদি সরকার। এই চোর ও ধন্দাবাজির দুনিয়ায় সব সরকারেরই ভালো এবং খারাপ দিক থাকে, এই সরকারেরও রয়েছে। তবুও আমরা এই সরকারের আমলে অনেক কিছুই পজেটিভ পেয়েছি বলেই আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস। এই রেকর্ড মাইল ফলক ছোঁয়ার জন্য অনেক শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীকে।
1 month ago | [YT] | 6,181
View 325 replies
I AM BOSE
শহর কলকাতাকে সাজাতে বেআইনি হকার উচ্ছেদ আপনি সমর্থন করেন?
1 month ago | [YT] | 1,051
View 268 replies
I AM BOSE
আমি আইনজীবী কূলের কাছে একটা প্রশ্ন রাখতে চাই? এই পেশার পেশাদারিত্ব মানে কি শুধু নিজের মক্কেলকে জিতিয়ে দেওয়া? মানে এখানে নীতি -আদর্শের কোন জায়গা নেই? মানে পয়সার জন্য মামলা লড়ে একজন আইনজীবী,তাই কি? এটাই কি এই প্রফেশনের পেশাদারিত্ব? কেউ রাজনীতিতে অনেক নীতি আওড়াবেন, আর ব্যাংক ব্যালেন্স কোটি কোটি টাকা করবেন শুধুমাত্র মামলা লড়ে। যেখানে ন্যায়-অন্যায় বলে কোনও ফারাক থাকবে না। এটা কি দ্বিচারিতা? এটা একদিক দিয়ে আইনজীবীকূলকে শুধুমাত্র পেশাদারীত্বের নাম দিয়ে অপমান করা নয় কি? আমি শুধু জানতে চাই?
পেশার জন্য কেউ অন্যায়কে ন্যায় পাইয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন আবার সেই মানুষটাই রাজনীতির ময়দানে অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন!! এইটা আমার সাধারণ মাথায় ঢোকে না। আমি তো এত শিক্ষিত নই তাই জানতে চাইছি শুধুমাত্র।
বাকি আপনারা জনতা জনার্দন এতদিনে বুঝেই গিয়েছেন আসলে সবই ভোট বাক্সের ফাঁকা আওয়াজ। মনুষত্ব বলে কিছু নেই ভেতরটা সম্পূর্ণ ফাঁকা মুড়ির টিন।
1 month ago (edited) | [YT] | 3,361
View 338 replies
I AM BOSE
শব্দের ঋষিকে, বাঙালির চিরন্তন আত্মাকে—
২৫ বৈশাখে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। 🌼
2 months ago | [YT] | 10,272
View 103 replies
I AM BOSE
এটাই আমার পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব ছবি। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজ করতে গিয়ে যা বারবার বুঝতে পেরেছি। আমাকে করা আমার এক সাবস্ক্রাইবারের কমেন্ট আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। সত্যিই উনি বুঝতে পারছেন না আমি কোন পক্ষের দালালি করি! আমি দালালি করতে পারি না এটা কি আমার দোষ? আপনারাই বিচার করবেন। যে আমরা কোন পথে চলেছি!! এই বঙ্গে ভুলকে তো ভুল বলতে পারবেনই না, আর ঠিককে ঠিক বললেও আপনাকে লোকে সন্দেহ করবে। কোনও একটি রাজনৈতিক দলের একটি দিক আমার ভালো লাগতেই পারে। সেই রাজনৈতিক দলকে সবসময় ঠিক বলতে হবে এর কোন মানে নেই । আর সেখানেই সমস্যা দলদাসদের। আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এমন একটা জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে আপনি ফ্রিতে মানুষের উপকার করবেন, সমাজসেবা করবেন। দেখবেন মানুষ তখনো আপনাকে ধান্দাবাজ বলছেন। কিছু মানুষ বলবেন আপনার নিশ্চয়ই কোন উদ্দেশ্য আছে সে কারণেই আপনি সমাজসেবা করছেন। কিন্তু বাস্তব এটাই এরই মধ্যে আমাদের কাজ করতে হয়। কাজ করছি আমরা কাজ করবো। সে মানুষ যে যাই বলুক না কেন।
2 months ago | [YT] | 1,315
View 200 replies
Load more