নেতাজির জীবন আদর্শ ও তাঁর অজানা সত্য ইতিহাস সন্ধানে এই চ্যানেল সদা দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছে। জনমানসে এই মানুষটিকে নিয়ে জাগরণ সৃষ্টি করাই এই চ্যানেলের উদ্দেশ্য।


I AM BOSE

আমি আইনজীবী কূলের কাছে একটা প্রশ্ন রাখতে চাই? এই পেশার পেশাদারিত্ব মানে কি শুধু নিজের মক্কেলকে জিতিয়ে দেওয়া? মানে এখানে নীতি -আদর্শের কোন জায়গা নেই? মানে পয়সার জন্য মামলা লড়ে একজন আইনজীবী,তাই কি? এটাই কি এই প্রফেশনের পেশাদারিত্ব? কেউ রাজনীতিতে অনেক নীতি আওড়াবেন, আর ব্যাংক ব্যালেন্স কোটি কোটি টাকা করবেন শুধুমাত্র মামলা লড়ে। যেখানে ন্যায়-অন্যায় বলে কোনও ফারাক থাকবে না। এটা কি দ্বিচারিতা? এটা একদিক দিয়ে আইনজীবীকূলকে শুধুমাত্র পেশাদারীত্বের নাম দিয়ে অপমান করা নয় কি? আমি শুধু জানতে চাই?
পেশার জন্য কেউ অন্যায়কে ন্যায় পাইয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন আবার সেই মানুষটাই রাজনীতির ময়দানে অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন!! এইটা আমার সাধারণ মাথায় ঢোকে না। আমি তো এত শিক্ষিত নই তাই জানতে চাইছি শুধুমাত্র।
বাকি আপনারা জনতা জনার্দন এতদিনে বুঝেই গিয়েছেন আসলে সবই ভোট বাক্সের ফাঁকা আওয়াজ। মনুষত্ব বলে কিছু নেই ভেতরটা সম্পূর্ণ ফাঁকা মুড়ির টিন।

4 days ago (edited) | [YT] | 3,221

I AM BOSE

শব্দের ঋষিকে, বাঙালির চিরন্তন আত্মাকে—
২৫ বৈশাখে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। 🌼

2 weeks ago | [YT] | 10,272

I AM BOSE

এটাই আমার পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব ছবি। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজ করতে গিয়ে যা বারবার বুঝতে পেরেছি। আমাকে করা আমার এক সাবস্ক্রাইবারের কমেন্ট আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। সত্যিই উনি বুঝতে পারছেন না আমি কোন পক্ষের দালালি করি! আমি দালালি করতে পারি না এটা কি আমার দোষ? আপনারাই বিচার করবেন। যে আমরা কোন পথে চলেছি!! এই বঙ্গে ভুলকে তো ভুল বলতে পারবেনই না, আর ঠিককে ঠিক বললেও আপনাকে লোকে সন্দেহ করবে। কোনও একটি রাজনৈতিক দলের একটি দিক আমার ভালো লাগতেই পারে। সেই রাজনৈতিক দলকে সবসময় ঠিক বলতে হবে এর কোন মানে নেই । আর সেখানেই সমস্যা দলদাসদের। আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এমন একটা জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে আপনি ফ্রিতে মানুষের উপকার করবেন, সমাজসেবা করবেন। দেখবেন মানুষ তখনো আপনাকে ধান্দাবাজ বলছেন। কিছু মানুষ বলবেন আপনার নিশ্চয়ই কোন উদ্দেশ্য আছে সে কারণেই আপনি সমাজসেবা করছেন। কিন্তু বাস্তব এটাই এরই মধ্যে আমাদের কাজ করতে হয়। কাজ করছি আমরা কাজ করবো। সে মানুষ যে যাই বলুক না কেন।

1 month ago | [YT] | 1,312

I AM BOSE

আজ প্রথম দফার ভোটের পর যে ছবিটা আবারও দেখালম, সত্যিই বলতে ইচ্ছে করছে আমাদের বাঙালিদের কী করুণ অবস্থা। একটা ভোট নিয়ে রক্তারক্তি, মারামারি, ঝামেলা।
আমাদের শিক্ষার মান ও মানসিকতা এখনও যে কতটা পিছিয়ে তা এই ভোট এলেই বোঝা যায়। অনেকেই আশা করেছিলেন এবার আগের মত ঝামেলা হবে না। শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। আজকের ঘটনার পর অনেকেই বলে যাচ্ছেন কমিশন এত কিছু করেও ব্যর্থ!! আচ্ছা ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও তো এই কমিশনই নির্বাচন করায় সেখানে তো এই ছবি দেখতে হয় না। কেন?? আসলে মানসিকতার ফারাক। আর এই ভোট এলেই রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি, বিবেকানন্দ কতদিন চলবে? শুনুন যাই বলুন ওই রামমোহন, বিদ্যাসাগরের রেনেসাঁ এবার ছাড়ুন। মানুষগুলোর বাংলা কি সত্যিই এখন আর আছে? সব হারিয়েছি আমরা। গোটা দেশের কাছে আমরা আজ হাসির খোরাক। বাঙালি নাকি সংবেদনশীল। কিন্তু যাঁরা আজ সারাদিন দৌড়ে বেড়ালো তাঁরা কোন বাঙালি? আসলে আমাদের বাঙালিয়ানার মেকি গর্ব থেকে বেরিয়ে এসে এবার মনে হয় আবারও নতুন করে শুরু করা উচিত। আর হ্যাঁ, এটাকে উৎসব বলবেন না। এটা আমাদের রাজ্যে একটা আতঙ্ক ছাড়া আর কিছু নয়।

1 month ago | [YT] | 2,210

I AM BOSE

আজ আসছি চন্দননগর । আপনিও আসছেন তো?

1 month ago | [YT] | 1,020

I AM BOSE

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এই বিষয় নিয়ে বলার জন্য একটি একটি পডকাস্টে ডাকা হয়েছিল আমাকে। আমার সিনিয়র দাদা দারুন কাজ করছেন। আপনারা পডকাস্টটি শুনে বলুন কেমন লাগলো?


https://youtu.be/Z3uHTUV66EY?si=8D2Rh...

1 month ago | [YT] | 267

I AM BOSE

সম্প্রতি বাংলা সিনেমার অন্যতম পরিচিত মুখ রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক পোস্ট, ভিডিও চোখে পড়ছে। সবই দেখছিলাম। অনেকেই বলছেন—জীবন সত্যিই কতটা ক্ষণিকের। আজ আছি, কাল নেই। কথাটা শুনতে যত সহজ, বাস্তবে ততটাই নির্মম।

রাহুলদাকে প্রথম দেখেছিলাম ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ছবিতে। আমাদের অনেকের মতোই, আমিও মুগ্ধ হয়েছিলাম ওনার অভিনয়ে। বয়সে খুব বেশি বড় নন—আমার সিনিয়র বন্ধুদের সঙ্গে নাকতলা স্কুলে পড়তেন, সেই সূত্রেও ওনাকে চিনতাম। তাই এত অল্প বয়সে, এমন আকস্মিক দুর্ঘটনায় তাঁর চলে যাওয়া—এটা মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন।

রাহুল দাকে শেষ দেখেছিলাম, গৌরবের তৈরি করা ছবি ‘আমিষ’-এর প্রিমিয়ারে। আমার ঠিক দুটো সিট পাশেই বসে ছিলেন। ভাবলাম কথা বলব, কিন্তু কি বলবো ভেবে আর বলা হয়নি।

চিরদিনই.. রিলিজ করার পর তখন আমি তারা নিউজে কাজ করি। প্রিয়াঙ্কা তখন খুব কম বয়স। এখনো মনে আছে দুজনের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। রাহুল দা তখন থেকেই খুব ম্যাচিওর।

সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় যখন ভাবি—পিছনে রয়ে গেল তাঁর পরিবার, প্রিয়াঙ্কা, আর ছোট্ট ছেলে সহজ। একটা সম্পূর্ণ জীবনের গল্প হঠাৎ করেই থেমে গেল। কত স্বপ্ন, কত পরিকল্পনা—সব এক নিমেষে অসমাপ্ত।

কিন্তু এর থেকেও বেশি যেটা ভাবায়, সেটা হলো—একজন মানুষের মৃত্যু নিয়েও আমরা শান্ত থাকতে পারি না। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখি কেউ তাঁর মৃত্যুতে উল্লাস করছে, কেউ তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় খুঁজতে ব্যস্ত। কেউ বলছে তিনি বামপন্থী, কেউ বলছে তিনি নন। কেউ তাঁর পুরনো সাক্ষাৎকার টেনে এনে নিজেদের মত প্রমাণ করতে চাইছে। কী নির্লজ্জের মত রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে।

এই প্রশ্নটাই বারবার মাথায় ঘোরে—আমরা কি সত্যিই মানুষ? এটা কোন সমাজ? এটা কোন বাঙালিয়ানা? মৃত্যুর পরও কি একজন মানুষকে রাজনৈতিক তকমায় মাপতে হবে?

আজকের বাস্তবতা খুব নগ্ন। চারিদিকে স্বার্থ, বিদ্বেষ, কুৎসা আর অমানবিকতার ছড়াছড়ি। যেন মানুষের ভেতরের সংবেদনশীলতা শুকিয়ে গিয়ে শুধু তর্ক আর বিভাজনটাই বেঁচে আছে।

কখনও কখনও সত্যিই মনে হয়—নিজেকে বাঙালি বলতে লজ্জা লাগে। এটাই কি আমাদের বর্তমান সংস্কৃতি? এটাই কি আমাদের পরিচয়?

এখন যেন নিয়ম হয়ে গেছে—আগে বলো তুমি কোন দলে, তারপর তোমার প্রতি সহানুভূতি দেখানো হবে। তার আগে নয়।

একটা মানুষের মৃত্যু আমাদের অন্তত মানুষ হতে শেখাতে পারত। কিন্তু আমরা সেই সুযোগটুকুও হারাচ্ছি।

1 month ago | [YT] | 2,348

I AM BOSE

।। বাংলার রাজনীতি কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে ।।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ঠিক কতটা তলানিতে এসে ঠেকেছে, তার উদাহরণ আমরা সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় আবার দেখলাম। আরও দুঃখের বিষয়—বাংলার একাংশের মিডিয়া সেই নোংরামিকেই ফলাও করে প্রচার করছে। যেন রাজনীতির নামে এই ধরনের ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়িই এখন সবচেয়ে বড় খবর!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালো না লাগার পেছনে আমার কাছে হাজারটা কারণ আছে—যেমনটা পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষের কাছেও আছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশাসনিক ব্যর্থতা, রাজনৈতিক সহিংসতা—এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে, হচ্ছে, এবং হওয়াটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু সেই রাজনৈতিক সমালোচনার জায়গা ছেড়ে যখন কেউ শুধুমাত্র বিধানসভার টিকিট পাওয়ার আশায় ব্যক্তিগত কলঙ্ক ছড়িয়ে রাজনীতি করতে চায়, তখন সেটা আর রাজনীতি থাকে না—সেটা নোংরা ক্ষমতার খেলা হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা কিন্তু এখনো ভুলে যাইনি সেই ভাষা—“জিভ টেনে ছিঁড়ে দেব”—যে সংস্কৃতি একসময় বাংলার রাজনীতিকে কলঙ্কিত করেছিল। আজ যদি আবার সেই একই ধরনের নোংরা রাজনৈতিক কালচারকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হয়, তাহলে সেটা পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যতের জন্য সত্যিই ভয়ংকর সংকেত।

রাজনীতির লড়াই হওয়া উচিত উন্নয়নের। হওয়া উচিত মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে। আগামী দিনে মানুষের জীবনে কী পরিবর্তন আনা যাবে—সেই প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
কিন্তু আজ দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক আদর্শ, বাঙালির সংস্কার, সভ্য রাজনৈতিক আচরণ—সব যেন কোথাও হারিয়ে গেছে।

কখনো কখনো সত্যিই অবাক লাগে—আমি কি সেই পশ্চিমবঙ্গেই বাস করি, যে মাটিতে একদিন রবীন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগর, নেতাজির মতো মহাপুরুষ জন্মেছিলেন? সেই মাটির রাজনীতিকে আজ কতটা নিচে নামিয়ে আনা হচ্ছে!

ভোটের বাজারে কে জিতবে, কে হারবে—তা সময় বলবে। কিন্তু আজ একটা কথা পরিষ্কার—পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতার উপর মানুষের ভরসা ক্রমশ কমছে।

কারণ যারা এতদিন একসঙ্গে রাজনীতি করেছেন, তখন সব ঠিক ছিল—আর আজ বিরোধী হলেই ব্যক্তিগত নোংরা আক্রমণ? এভাবে কি কোনো রুচিশীল রাজনীতি সম্ভব? এভাবে কি মানুষ বিশ্বাস করবে যে আগামী দিনে এই মানুষগুলো আমাদের ভালো কিছু দিতে পারবেন?

তাই প্রশ্নটা আজ আমাদেরই করতে হবে—
আর কতদিন এভাবে চলবে?

রাজনীতির নামে এই নোংরা সংস্কৃতি যদি চলতেই থাকে, তাহলে আগামী দিনে সাধারণ মানুষের কপালে সত্যিই আরও অনেক দুঃখ অপেক্ষা করছে।

সবশেষে একটা কথাই বলি—
রাজনীতির লড়াই হোক উন্নয়নের, নীতির এবং মানুষের ভবিষ্যতের জন্য।
ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়ির জন্য নয়।

2 months ago | [YT] | 1,034

I AM BOSE

Rang baarshe…… দোলের শুভেচ্ছা 🙏

2 months ago | [YT] | 3,113

I AM BOSE

বইটা বেরোনোর পর এবার অনেকেই নড়েচড়ে বসেছেন। আমার চ্যানেল বন্ধ করা শপথ নিয়েছেন অনেকেই। তাঁরা নিশ্চিত থাকুন, আমরা সুভাষের সৈনিক। মাটিতে পুঁতবে তো আকাশ থেকে নামবো। কথা দিলাম। আগেও অনেক চেষ্টা হয়েছে। প্রথম যখন আমার চ্যানেলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল তখন আমার দুটো চ্যানেলে সংখ্যা ছিল দুটোতেই ৮০ হাজার। সেখান থেকে আজ আমি ৬ লাখ ছাড়িয়েছি। এবার উড়িয়ে দিলে কোটিতে পৌঁছব। কিন্তু কোনভাবেই এই মানুষটার সত্যকে সামনে আনতে ছাড়বো না।

আজ পবিত্র মোহন রায়কে বলা ভগবানজির সেই কথাটা খুব মনে পড়ছে। তিনি পবিত্র মোহন রায়কে বলেছিলেন, একদিন সময় আসবে যখন নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা এগিয়ে এসে নিজে থেকেই সেই ইতিহাস বাইরে বের করে আনবে।
আমরা গোটা বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিতে চাই সেই সময় এসে গেছে। ‘ সুভাষ ফিরেছিলেন '
গোটা বাংলায় ইতিমধ্যেই সেই জোয়ার নিয়ে এসেছে।

জয় হিন্দ

2 months ago (edited) | [YT] | 5,011