পুরুষ ও স্ত্রী পেঁপে গাছ কীভাবে চিনবেন? পেঁপে গাছ তিন ধরনের হয়: স্ত্রী, পুরুষ এবং উভলিঙ্গ বা হিজড়া। প্রত্যেকটি গাছের বৈশিষ্ট্য আলাদা, এগুলোর ফুল এবং ফলের বৈশিষ্ট্যও আলাদা হয়। তবে পেঁপে গাছের লিঙ্গ পরিবর্তন হতে পারে। পুরুষ গাছ হঠাৎ করে ফল দিতে শুরু করতে পারে। আবার উভলিঙ্গ গাছও যথেষ্ট সূর্র র আলো পেলে সারা বছর ফল দেয়। ধারণা করা হয়, তাপমাত্রার ওপর ভিত্তি করে পেঁপে গাছের লিঙ্গ পরিবর্তন হতে পারে। তবে ফুল না আসা পর্যন্ত পেঁপে গাছের লিঙ্গ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
➡️পুরুষ পেঁপে গাছ পুরুষ পেঁপে গাছ চেনা যায় এটি ফুল দেখে। এর ফুল টিউবের মতো লম্বা। পাতার ডাটার গোড়া থেকে ৫ থেকে ৬ ফুট লম্বা চিকন ডাটা বের হয়। ডাটার মাথায় থোকা বেঁধে ধরে ফুল। এক একটি ফুলে পুংকেশর বা পুরুষ যৌনাঙ্গ এবং গর্ভকেশর বা স্ত্রী যৌনাঙ্গ দুটোই থাকে। তবে এ গর্ভকেশর কোনো কাজের নয়, বন্ধ্যা। এ কারণে পুরুষ গাছে ফল ধরে না। তবে পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে পুরুষ গাছের লিঙ্গ বৈশিষ্ট্যেও পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে (বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য) এমনটি হতে পারে। এরকম আবহাওয়ার সময় পুরুষ গাছ উভলিঙ্গ বা হিজড়া গাছে পরিণত হতে পারে। তখন এর গর্ভাকেশর সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন ফুলে পরাগায়ন হয় এবং ফল উৎপন্ন হয়। কখনো কখনো একটি পেঁপে গাছ সাময়িক সময়ের জন্য শুধু পুরুষ ফুল দেয়, খুব দ্রুতই গাছটি স্ত্রী বা হিজড়া গাছে পরিণত হয়। আবার অনেক সময় পুরুষ গাছে আগা কেটে দিলেও সেটি স্ত্রী গাছে পরিণত হয়। তবে এ কৌশল সব সময় যে কাজে দেবে এমন নিশ্চয়তা নেই।
➡️স্ত্রী পেঁপে গাছ স্ত্রী গাছে পাতার গোড়ার উপরে থোকায় থোকায় বা আলাদা ভাবে ফুল ফোটে। তবে এ থোকা পুরুষ গাছের ফুলের থোকার চেয়ে ছোট হয়। স্ত্রী গাছের ফুল পুরুষ গাছের ফুলের চেয়ে বড় হয় তবে ফুলের ডাটাটি পুরুষ গাছের তুলনায় অনেক ছোট। স্ত্রী গাছের ফুলে পুংকেশর থাকে না। তবে সক্রিয় গর্ভকেশর থাকে, এ কারণে পরাগায়ন হলে ফল উৎপন্ন হয়। স্ত্রী গাছের পেঁপে হয় সবুজ বর্ণের এবং ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি লম্বা, ভেতরের অংশ সাদা, পাকলে হলুদ বা গাঢ় কমলা রঙের, বীজ কালো। স্ত্রী পেঁপের ফুলে পরাগযোগ না হলেও ফল উৎপন্ন হতে পারে তবে সে ফলে বীজ হয় না।
➡️উভলিঙ্গ বা হিজড়া পেঁপে গাছ উভলিঙ্গ পেঁপে গাছের ফুলে পুংকেশর ও গর্ভকেশর অর্থাৎ স্ত্রী ও পুরুষ উভয় যৌনাঙ্গ থাকে। আর দুটি যৌনাঙ্গই সক্রিয় থাকে। এ কারণে উভলিঙ্গ পেঁপে গাছে ফল হয়। এধরনের ফল ধরতে ফুলে পরাগযোগেরও দরকার পড়ে না। উভলিঙ্গ পেঁপে গাছ কিন্তু পুরুষ গাছের মতো লিঙ্গ পরিবর্তনও করতেও পারে। গরমকালে বা গাছের আগা কেটে দিলে হিজড়া গাছ স্ত্রী গাছে পরিণত হতে পারে।
⏩অনেক সময় না বুঝে উভয়লিঙ্গ গাছ কেটে ফেলা হয়। কাটার আগে ফল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভালো। অবশ্য বাণিজ্যিক বাগানের জন্য হিজড়া গাছ লাভজনক নয়।
মিলিবাগ বাগানে সংগোপনে মিলি আপু (মিলিবাগ) আসতে পারেন। মিলি নামের কেউ দয়া করে বিব্রত হবেন না। নিছক ফান করা। যাই হউক, প্রাথমিক অবস্থায় এ পোকা দমন করা সহজ। সাবান পানি স্প্রে করে এমনকি হাত দিয়ে বা পুরাতন টুথব্রাশ দিয়েও এটি দমন করা যায়। গাছের গোড়ায় সামান্য সেভিন পাউডার দিয়ে রাখলে পিপড়া থাকবে না। মিলিবাগের বংশ বৃদ্ধিতে পিপড়া ভূমিকা রাখে। বলাই বাহুল্য, পিপড়ার সাথে মিলিবাগের সখ্যতা আছে। নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন। বাড়িতে তৈরী কীটনাশক স্প্রে করা ভাল। একটি আস্ত ছোট রসুন, একটি ছোট পেঁয়াজ, ১ চা চামচ আস্ত গোল মরিচ ভালো করে বেটে পেস্ট করে মিশ্রণটি কে পুনরায় ব্লেন্ডার মেশিনে ভাল করে ব্লেন্ড করে, এই মিশ্রনটি ১ লিটার পানিতে গুলিয়ে তার সাথে ১ টেবিল চামচ “ট্রিকস”লিকুইড ডিসওয়াশ যোগ করে সকালে বোতল ভরে রেখে দিতে হবে। শেষ বিকেলে বোতল জাত মিশ্রনটি চা এর পরিস্কার ছাকনি দিয়ে ছেকে প্রাপ্ত তরলটুকু গাছের ডালে, পাতার নিচে উপরে স্প্রে করতে হবে। অনেকেই নিম তেল পানি মিশিয়ে স্প্রে করে উপকার পেয়েছেন। কিন্তু মিলিবাগ সহজে দমনও হয় না। তাই প্রায়শঃ নিরুপায় হয়ে বাগানে রাসায়নিক কীটনাশক স্প্রে করার দরকার হয়ে পড়ে। আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার। ( এ হিসাব ৫ শতক জমির জন্য) ছাদবাগানীদের জন্য পরিমান আরো কম ব্যবহারের পরামর্শ দিতে চাই। কারন, ছাদ বাগানী প্রতিদিনই বাগানে সময় দিয়ে থাকেন। অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়াই যুক্তিযুক্ত। কীটনাশক স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।
এই সময় ঢাকা শহরের ফলের দোকানে বেশ বড় বড় সাইজের আকর্ষনীয় রঙের বিদেশ থেকে আমদানীকৃত আনার দেখা যাচ্ছে। এই সব আনার একটা দুটো যদি কিনে কোন ভাবে বীজ জার্মিনেশন করা যায় তাহলে কিন্তু খুবই ভালো কিছুর সম্ভাবনা তৈরী হতে পারে। বীজ থেকে জার্মিনেশন হওয়া আনার গাছে মাত্র ৮-১২ মাসে ফুল আসে। ১৫-১৮ মাসে ফল ধরে।
Hasan's Gardening & Fishing
পুরুষ ও স্ত্রী পেঁপে গাছ কীভাবে চিনবেন?
পেঁপে গাছ তিন ধরনের হয়:
স্ত্রী, পুরুষ এবং উভলিঙ্গ বা হিজড়া।
প্রত্যেকটি গাছের বৈশিষ্ট্য আলাদা, এগুলোর ফুল এবং ফলের বৈশিষ্ট্যও আলাদা হয়। তবে পেঁপে গাছের লিঙ্গ পরিবর্তন হতে পারে। পুরুষ গাছ হঠাৎ করে ফল দিতে শুরু করতে পারে। আবার উভলিঙ্গ গাছও যথেষ্ট সূর্র র আলো পেলে সারা বছর ফল দেয়। ধারণা করা হয়, তাপমাত্রার ওপর ভিত্তি করে পেঁপে গাছের লিঙ্গ পরিবর্তন হতে পারে। তবে ফুল না আসা পর্যন্ত পেঁপে গাছের লিঙ্গ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
➡️পুরুষ পেঁপে গাছ
পুরুষ পেঁপে গাছ চেনা যায় এটি ফুল দেখে। এর ফুল টিউবের মতো লম্বা। পাতার ডাটার গোড়া থেকে ৫ থেকে ৬ ফুট লম্বা চিকন ডাটা বের হয়। ডাটার মাথায় থোকা বেঁধে ধরে ফুল। এক একটি ফুলে পুংকেশর বা পুরুষ যৌনাঙ্গ এবং গর্ভকেশর বা স্ত্রী যৌনাঙ্গ দুটোই থাকে। তবে এ গর্ভকেশর কোনো কাজের নয়, বন্ধ্যা। এ কারণে পুরুষ গাছে ফল ধরে না। তবে পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে পুরুষ গাছের লিঙ্গ বৈশিষ্ট্যেও পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে (বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য) এমনটি হতে পারে। এরকম আবহাওয়ার সময় পুরুষ গাছ উভলিঙ্গ বা হিজড়া গাছে পরিণত হতে পারে। তখন এর গর্ভাকেশর সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন ফুলে পরাগায়ন হয় এবং ফল উৎপন্ন হয়। কখনো কখনো একটি পেঁপে গাছ সাময়িক সময়ের জন্য শুধু পুরুষ ফুল দেয়, খুব দ্রুতই গাছটি স্ত্রী বা হিজড়া গাছে পরিণত হয়। আবার অনেক সময় পুরুষ গাছে আগা কেটে দিলেও সেটি স্ত্রী গাছে পরিণত হয়। তবে এ কৌশল সব সময় যে কাজে দেবে এমন নিশ্চয়তা নেই।
➡️স্ত্রী পেঁপে গাছ
স্ত্রী গাছে পাতার গোড়ার উপরে থোকায় থোকায় বা আলাদা ভাবে ফুল ফোটে। তবে এ থোকা পুরুষ গাছের ফুলের থোকার চেয়ে ছোট হয়। স্ত্রী গাছের ফুল পুরুষ গাছের ফুলের চেয়ে বড় হয় তবে ফুলের ডাটাটি পুরুষ গাছের তুলনায় অনেক ছোট। স্ত্রী গাছের ফুলে পুংকেশর থাকে না। তবে সক্রিয় গর্ভকেশর থাকে, এ কারণে পরাগায়ন হলে ফল উৎপন্ন হয়। স্ত্রী গাছের পেঁপে হয় সবুজ বর্ণের এবং ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি লম্বা, ভেতরের অংশ সাদা, পাকলে হলুদ বা গাঢ় কমলা রঙের, বীজ কালো। স্ত্রী পেঁপের ফুলে পরাগযোগ না হলেও ফল উৎপন্ন হতে পারে তবে সে ফলে বীজ হয় না।
➡️উভলিঙ্গ বা হিজড়া পেঁপে গাছ
উভলিঙ্গ পেঁপে গাছের ফুলে পুংকেশর ও গর্ভকেশর অর্থাৎ স্ত্রী ও পুরুষ উভয় যৌনাঙ্গ থাকে। আর দুটি যৌনাঙ্গই সক্রিয় থাকে। এ কারণে উভলিঙ্গ পেঁপে গাছে ফল হয়। এধরনের ফল ধরতে ফুলে পরাগযোগেরও দরকার পড়ে না। উভলিঙ্গ পেঁপে গাছ কিন্তু পুরুষ গাছের মতো লিঙ্গ পরিবর্তনও করতেও পারে। গরমকালে বা গাছের আগা কেটে দিলে হিজড়া গাছ স্ত্রী গাছে পরিণত হতে পারে।
⏩অনেক সময় না বুঝে উভয়লিঙ্গ গাছ কেটে ফেলা হয়। কাটার আগে ফল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভালো। অবশ্য বাণিজ্যিক বাগানের জন্য হিজড়া গাছ লাভজনক নয়।
তথ্যসূত্র--korshon
4 years ago | [YT] | 0
View 0 replies
Hasan's Gardening & Fishing
মিলিবাগ
বাগানে সংগোপনে মিলি আপু (মিলিবাগ) আসতে পারেন। মিলি নামের কেউ দয়া করে বিব্রত হবেন না। নিছক ফান করা।
যাই হউক, প্রাথমিক অবস্থায় এ পোকা দমন করা সহজ। সাবান পানি স্প্রে করে এমনকি হাত দিয়ে বা পুরাতন টুথব্রাশ দিয়েও এটি দমন করা যায়। গাছের গোড়ায় সামান্য সেভিন পাউডার দিয়ে রাখলে পিপড়া থাকবে না। মিলিবাগের বংশ বৃদ্ধিতে পিপড়া ভূমিকা রাখে। বলাই বাহুল্য, পিপড়ার সাথে মিলিবাগের সখ্যতা আছে।
নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন। বাড়িতে তৈরী কীটনাশক স্প্রে করা ভাল। একটি আস্ত ছোট রসুন, একটি ছোট পেঁয়াজ, ১ চা চামচ আস্ত গোল মরিচ ভালো করে বেটে পেস্ট করে মিশ্রণটি কে পুনরায় ব্লেন্ডার মেশিনে ভাল করে ব্লেন্ড করে, এই মিশ্রনটি ১ লিটার পানিতে গুলিয়ে তার সাথে ১ টেবিল চামচ “ট্রিকস”লিকুইড ডিসওয়াশ যোগ করে সকালে বোতল ভরে রেখে দিতে হবে। শেষ বিকেলে বোতল জাত মিশ্রনটি চা এর পরিস্কার ছাকনি দিয়ে ছেকে প্রাপ্ত তরলটুকু গাছের ডালে, পাতার নিচে উপরে স্প্রে করতে হবে।
অনেকেই নিম তেল পানি মিশিয়ে স্প্রে করে উপকার পেয়েছেন। কিন্তু মিলিবাগ সহজে দমনও হয় না। তাই প্রায়শঃ নিরুপায় হয়ে বাগানে রাসায়নিক কীটনাশক স্প্রে করার দরকার হয়ে পড়ে।
আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার। ( এ হিসাব ৫ শতক জমির জন্য) ছাদবাগানীদের জন্য পরিমান আরো কম ব্যবহারের পরামর্শ দিতে চাই। কারন, ছাদ বাগানী প্রতিদিনই বাগানে সময় দিয়ে থাকেন। অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়াই যুক্তিযুক্ত। কীটনাশক স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।
4 years ago | [YT] | 0
View 0 replies
Hasan's Gardening & Fishing
গ্রীন টমেটো, যে টমেটো পাকার পরও সবুজ রং থাকবে।
4 years ago | [YT] | 4
View 0 replies
Hasan's Gardening & Fishing
এই সময় ঢাকা শহরের ফলের দোকানে বেশ বড় বড় সাইজের আকর্ষনীয় রঙের বিদেশ থেকে আমদানীকৃত আনার দেখা যাচ্ছে। এই সব আনার একটা দুটো যদি কিনে কোন ভাবে বীজ জার্মিনেশন করা যায় তাহলে কিন্তু খুবই ভালো কিছুর সম্ভাবনা তৈরী হতে পারে। বীজ থেকে জার্মিনেশন হওয়া আনার গাছে মাত্র ৮-১২ মাসে ফুল আসে। ১৫-১৮ মাসে ফল ধরে।
4 years ago | [YT] | 1
View 0 replies
Hasan's Gardening & Fishing
বোয়াল মাছ
5 years ago | [YT] | 1
View 0 replies
Hasan's Gardening & Fishing
#shorts
পাকিস্তানি আনার
credit -বরকত হাসান ভাই
5 years ago | [YT] | 2
View 0 replies
Hasan's Gardening & Fishing
Amazing dragon fruit house..
Credit -Aminul haque
5 years ago | [YT] | 1
View 0 replies
Hasan's Gardening & Fishing
ছাদ বাগানের আনার।।
ছবি -বরকত হাসান ভাই
5 years ago | [YT] | 1
View 0 replies
Hasan's Gardening & Fishing
Dragon fruit flower
5 years ago | [YT] | 1
View 0 replies
Hasan's Gardening & Fishing
কালো আঙ্গুর।। বরকত হাসান ভাই এর ছাদে
5 years ago | [YT] | 2
View 0 replies
Load more