We ("EduArun") publish news regarding education, government job(tet,ssc,wbcs), order ,public awareness, teacher information that based on different sources,news media.Keep watching and like,share, comment and subscribe our channel to watch our all video.
For any business enquiry email id : arunkokond@gmail.com
EduArun
পরবর্তীতে যারা চাকরির পরীক্ষা দিতে যাবেন , তাদের জন্য বিশেষ কিছু সতর্কবার্তা :-
১) পরীক্ষা দেওয়ার আগেই একজন ভালো lawyer বেছে রাখুন ।
২) পরীক্ষা দেওয়ার পর OMR SHEET Invigilator কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন তা জানার জন্য তার পিছু ধাওয়া করুন ।
৩) কর্তৃপক্ষ OMR Scan করছে কিনা তার তদারকি করুন । স্ক্যান না করলে তৎক্ষণাৎ স্ক্যান করার জন্য জোড় করুন ।
৪) নিয়োগ গেজেট মেনে নিয়োগ হচ্ছে কিনা সেটা খেয়াল রাখুন ।
৫) কর্তৃপক্ষ সঠিক সংস্থাকে দিয়ে প্যানেল তৈরী করছে কিনা তার খবরও রাখতে হবে ।
৬) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র NCTE ও সমস্ত নিয়ম মেনে হয়েছে কিনা সেটা জেনে তবেই পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রশ্ন Accept করুন ।
৭) Interview যিনি নিচ্ছেন তাকে জিজ্ঞেস করুন আপনি সঠিক নিয়ম মেনে আমার ইন্টারভিউ নিয়েছেন তো ? সব প্রশ্ন করেছেন তো ? কিছু বাকি নেই তো ? এই ইন্টারভিউ বৈধ তো ? প্রয়োজনে তাকে দিয়ে বন্ড পেপার এ স্বাক্ষর করিয়ে নিন । এই সব প্রশ্নের সদর্থক উত্তর পেলে তবেই ইন্টারভিউ কক্ষ ত্যাগ করুন ।
৮) অ্যাপটিটিউড টেস্ট এর সঠিক প্রয়োগ ইন্টারভিউ কর্তা করেছেন কিনা তা খতিয়ে দেখুন ।
৯) মোট পরীক্ষার্থীর ( উত্তর থেকে দক্ষিণ ও পূর্ব থেকে পশ্চিম ) কেউ কোথাও ঘুষ দিচ্ছে কিনা প্রতিনিয়ত খবর রাখতে হবে । ঘুষ দিলেই তাকে বারণও আপনাকেই করতে হবে ।
১০) এতো কিছু পেরিয়েও যদি আপনি চাকরী পান তবে একেবারেই মাইনে খরচ করবেন না । কোনো ভালো সুদ দেয় এমন জায়গায় জমিয়ে রাখুন । এক পয়সাও খরচ করা যাবেনা ।
সরকারী চাকরী বলে কথা । এটুকুতো করতেই হবে আপনাকে ।
#copied
2 years ago (edited) | [YT] | 17
View 2 replies
EduArun
Utsashree Vacancy update
2 years ago | [YT] | 2
View 0 replies
EduArun
আগামীকাল বাঁকুড়া জেলার 7 জন প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকা কে CBI তলব। সঠিক বিষয় টা না জেনে মিডিয়ার ভুল প্রচার।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
বাঁকুড়া থেকে সত্যিই 7 জন শিক্ষক কে CBI কিছু documents যাচাই করার কারণে নিজাম প্যালেসে ডেকেছে। এই শিক্ষক শিক্ষিকা দের মধ্যে রয়েছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ের ভিত্তিতে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক শিক্ষিকারাও। যাদের তথ্য কোর্ট নিজেই যাচাই করে চাকরি দিয়েছে।
আর একজন শিক্ষিকা রয়েছেন যিনি TET দিয়েছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ও চাকরি তে নিযুক্ত হয়েছিলেন বাঁকুড়া জেলায়। যেহেতু উনি পশ্চিম মেদিনীপুরের TET পাশ candidates তাই উনার TET Admit roll number 15 দিয়ে শুরু। এদিকে কয়েক মাস আগে CBI যখন সব Teacher এর তথ্য চায় তখন সংশ্লিষ্ট দপ্তর ভুল করে উনার বর্তমান পোস্টিং জেলা র TET roll number code 16 দিয়ে roll number পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে উনার roll number CBI এর খাতায় মিলছে না, তাই তলব করা হয়েছে। উনার Admit ও documents দেখার সাথে সাথেই CBI বিষয় টা বুঝতে পারবেন।
এরকম মিসম্যাচ documents এর কারণে প্রায় ই Teacher দের যেতে হয় এমনকি আজও কিছু Teacher কে CBI দপ্তরে একই কারণে যেতে হয়। তাদের সব Documents সাথে সাথেই CBI সন্তুষ্ট হয়ে তাদের আসতে বলেন। আগামীকালও যাদের ডাকা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও একই ঘটবে। নিচে ওই শিক্ষিকার documents দিলাম আপনারা নিজেরাও যাচাই করলে বুঝতে পারবেন মিডিয়া কতোটা ভুল প্রচার করছে বাঁকুড়া র বিষয় টা নিয়ে ।
সবশেষে বলি এভাবে দুর্নীতি ধরা সম্ভব নয়, এগুলো শুধুমাত্র মিডিয়া ট্রায়াল চলছে, চাকরি প্রার্থী দের এসব দেখিয়ে দেখিয়ে আসল নিয়োগ থেকে দূরে রাখা হচ্ছে ।
@copied
2 years ago | [YT] | 23
View 3 replies
EduArun
২০১৭র শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলী
এবং
Legal Aid Cell of India র সদস্যদের
উদ্দেশ্যে
আপনারা ভুলে যান আমি কোনো পোস্টে Union of India vs Tulsiram Patel এর রায়ের ভিত্তিতে legal pleading করতে বলেছি। কাউকে অনুরোধ করবেন না, বেকার অপমানিত হবেন। ওই পোস্ট ভুলে যান।
Legal Aid Cell of India ( LACI ) নামে একটি সংগঠন তৈরি হচ্ছে, কিছু technical ground এ কাজ আটকে আছে, আমি লাইভে বিস্তারিত বলবো। এই LACI রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অনেকগুলো মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গরমের ছুটির সময় আমার পরিচিত তিনজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এসেছিলেন, আমি তাদের প্রত্যেকের সাথে আলাদা করে পেশাদার পদ্ধতিতে consultation fee দিয়ে LACI র মামলা এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের মামলা নিয়ে আলোচনা করেছি, হাইকোর্টের দুজন সিনিয়র আইনজীবীর সঙ্গেও আলোচনা করেছি।
এরা সবাই বলছেন শিক্ষক শিক্ষিকাদের SLP ডিভিশন বেঞ্চে ফিরে আসবে অভিজিৎ গাঙ্গুলির রায়ে stay হয়ে, কারন ডিভিশনে শুনানি শেষ হয়ে রায় হয়নি, SLP premature. তাছাড়া ডিভিশন বেঞ্চ তাদের ১৯শে মের অর্ডারে পরস্পরবিরোধী কথা বলেছেন। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে প্যানেল বাতিল হয়েছে এটা স্বীকার করে অভিজিৎ গাঙ্গুলির রায়ে stay দিয়েছেন, আবার শুনানি সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই আগস্ট মাসের মধ্যে নতুন ইন্টারভিউ করতে বলেছেন। শুনানির পরবর্তী তারিখ ১৯শে সেপ্টেম্বর, যদি আগস্ট মাসে সবাইকে নতুন ইন্টারভিউ দিতে হয়, তাহলে ওই শুনানি অপ্রয়োজনীয়। সেইজন্য বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের অভিমত - সুপ্রিম কোর্ট অভিজিৎ গাঙ্গুলির রায়ে stay দিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে ফেরত পাঠাবে যাতে মামলার নিষ্পত্তির আগে নতুন ইন্টারভিউ না হয়।
যদি এই রায় হয়, ডিভিশন যদি চূড়ান্ত রায়ে অভিজিৎ গাঙ্গুলির রায় বহাল রাখেন, তখন শিক্ষক শিক্ষিকাদের ওই ফাইনাল রায়ের বিরুদ্ধে নতুন SLP করতে হবে।
Collected from
শিশির কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় (ফেসবুক)
3 years ago | [YT] | 6
View 1 reply
EduArun
কোনো SLP আবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য ফেরত পাঠানো মানে ওই SLP dismissed না, disposed of, অর্থাৎ ওই SLP শেষ। এবার ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে যারা হারবেন তারা আবার এই রায়ের বিরুদ্ধে নতুন SLP করবেন। যদি শিক্ষক সংগঠন হারেন তাঁরা করবেন, শিক্ষক সংগঠন জিতলে প্রিয়াঙ্কা নস্কর করবেন। সুতরাং চূড়ান্ত রায় সুপ্রিম কোর্টেই হবে। শিক্ষক সংগঠনের উচিত যদি মামলা ফিরে আসে, ডিভিশন বেঞ্চে ঠিকমতো লড়াই করা। যতদিন না ডিভিশনে শুনানি শেষে রায় হবে, নতুন ইন্টারভিউ হবে না।
Collected from
শিশির কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় (ফেসবুক)
3 years ago | [YT] | 14
View 1 reply
EduArun
২০১৭র শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলী
এবং
Legal Aid Cell of India র সদস্যদের
উদ্দেশ্যে
আপনারা ভুলে যান আমি কোনো পোস্টে Union of India vs Tulsiram Patel এর রায়ের ভিত্তিতে legal pleading করতে বলেছি। কাউকে অনুরোধ করবেন না, বেকার অপমানিত হবেন। ওই পোস্ট ভুলে যান।
Legal Aid Cell of India ( LACI ) নামে একটি সংগঠন তৈরি হচ্ছে, কিছু technical ground এ কাজ আটকে আছে, আমি লাইভে বিস্তারিত বলবো। এই LACI রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অনেকগুলো মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গরমের ছুটির সময় আমার পরিচিত তিনজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এসেছিলেন, আমি তাদের প্রত্যেকের সাথে আলাদা করে পেশাদার পদ্ধতিতে consultation fee দিয়ে LACI র মামলা এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের মামলা নিয়ে আলোচনা করেছি, হাইকোর্টের দুজন সিনিয়র আইনজীবীর সঙ্গেও আলোচনা করেছি।
এরা সবাই বলছেন শিক্ষক শিক্ষিকাদের SLP ডিভিশন বেঞ্চে ফিরে আসবে অভিজিৎ গাঙ্গুলির রায়ে stay হয়ে, কারন ডিভিশনে শুনানি শেষ হয়ে রায় হয়নি, SLP premature. তাছাড়া ডিভিশন বেঞ্চ তাদের ১৯শে মের অর্ডারে পরস্পরবিরোধী কথা বলেছেন। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে প্যানেল বাতিল হয়েছে এটা স্বীকার করে অভিজিৎ গাঙ্গুলির রায়ে stay দিয়েছেন, আবার শুনানি সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই আগস্ট মাসের মধ্যে নতুন ইন্টারভিউ করতে বলেছেন। শুনানির পরবর্তী তারিখ ১৯শে সেপ্টেম্বর, যদি আগস্ট মাসে সবাইকে নতুন ইন্টারভিউ দিতে হয়, তাহলে ওই শুনানি অপ্রয়োজনীয়। সেইজন্য বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের অভিমত - সুপ্রিম কোর্ট অভিজিৎ গাঙ্গুলির রায়ে stay দিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে ফেরত পাঠাবে যাতে মামলার নিষ্পত্তির আগে নতুন ইন্টারভিউ না হয়।
যদি এই রায় হয়, ডিভিশন যদি চূড়ান্ত রায়ে অভিজিৎ গাঙ্গুলির রায় বহাল রাখেন, তখন শিক্ষক শিক্ষিকাদের ওই ফাইনাল রায়ের বিরুদ্ধে নতুন SLP করতে হবে।
Collected from
শিশির কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় (ফেসবুক)
3 years ago | [YT] | 1
View 0 replies
EduArun
৩২ হাজার ভুক্তভোগী শিক্ষকদের একটি কথা বলি, আমি natural justice এর ব্যাখ্যা, legal error এবং SLP তে legal pleading নিয়ে যে পোস্ট করেছি, তার কমেন্টে আমাকে ধন্যবাদ দিয়ে, প্রণাম জানিয়ে কোনো লাভ নেই। অনেকেই বাড়ি এসে প্রণাম করতে চাইছেন সেটার প্রয়োজন নেই। আপনাদের চাকরি নিরাপদ হোক, তারপর ধন্যবাদ দেবেন, প্রণাম করবেন।
আমি যে কথাগুলো লিখছি সেটা আমার ব্যক্তিগত কথা নয়, সুপ্রিম কোর্টের settled legal position এবং procedure. Petitioner যদি তার পিটিশনে লিখিত legal pleading না দেয়, তাহলে SLP দাঁড়াবে না। Legal pleading এ যদি না লেখা হয় - this Hon'ble Court has already held in Union of India vs Tulsiram Patel that violation of natural justice amounts to violation of Article 14 and 16, তাহলে জজ নিজে থেকে আপনাদের আইনজীবীকে বলবেন না - আপনি Tulsiram Patel এর রায় উল্লেখ করুন। এটা জজেরা করেন না, তাহলে কোর্টের নিরপেক্ষতা নষ্ট হয়। Cricket এর umpire কখনো batsman কে বলে না - বল স্পিন করছে, তোমার পা ঠিকমতো নড়ছে না।
সুপ্রিম কোর্টের ভাষাতেই তাদের সামনে তাদের settled legal position তুলে ধরেন দক্ষ অভিজ্ঞ আইনজীবী - আপনার রায়েই আছে ..... ইত্যাদি। তখন সুপ্রিম কোর্ট SLP admission করতে বাধ্য হয়। Tulsiram Patel সাত জজের জাজমেন্ট, এটাকে অগ্রাহ্য করতে নয় জজের বেঞ্চ লাগবে।
কলকাতা পুলিশের অফিসারদের সংগঠনের সম্পাদক হিসেবে সহকর্মীদের এই ধরণের natural justice ভঙ্গের মামলায় আমি এই ধরনের legal pleading যেটা Tulsiram Patel এর রায়ের ভিত্তিতে লেখা হয়েছিল তার ফলে উপকৃত হয়েছি। এর মধ্যে দুটি মামলায় বিকাশরন্জন দাঁড়িয়ে ছিলেন, জিতেছিলাম। সংগঠন ছেড়ে দেয়ার পর ২০১২ তে আমার অধীনস্থ কিছু পুলিশ কর্মচারীদের একটি মামলা করি সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে Article 32 তে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে তাদের বরখাস্ত করা হয়। অভিযোগ ছিল তারা সিপিএমের সদস্য এবং সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত। সেই মামলায় এই Tulsiram Patel এর রায়ের ভিত্তিতে legal pleading তাদের চাকরি ফিরিয়ে দেয়।
সুতরাং আমাকে প্রণাম না করে আপনাদের SLP তে যাতে এই legal pleading থাকে সেটা নিশ্চিত করুন। যদি ফাইল হয়ে গিয়েছে SLP তে না থাকে ( নেই আমি জানি ) Application for permission for additional legal pleading করে ঢোকানো যায়।
Collected From
শিশির কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় (ফেসবুক)
3 years ago | [YT] | 17
View 3 replies
EduArun
আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার
Natural Justice
Legal Error
-এবং-
SLPর Legal Pleadings
প্রথমেই বলে রাখা দরকার – এই লেখায় কোনও অসৎ ব্যক্তি অথবা মহিলাকে সমর্থন করা হচ্ছে না, trained teachersদের বিষয় এখানে নেই, যারা দীর্ঘদিন ধরে চাকরির দাবিতে ধর্ণা দিচ্ছেন তাদের বিষয়েও এই লেখা নয়, তাদের প্রতি সম্পূর্ণ সহমর্মিতা নিয়ে আমি বলছি – তাঁরা যে তথ্যের ভিত্তিতে নিজেদের ‘যোগ্য’ বলছেন, সেই তথ্যের ভিত্তিতে পর্ষদ এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানের ১৪, ১৬, এবং ২১ নম্বর ধারা ভঙ্গের অভিযোগে Writ petition করে চাকরির দাবি করুন।
ফেসবুকের ‘সততা পরিষদ’ কে জানাই, সুপ্রীম কোর্টে ৩২ হাজার শিক্ষকের মামলায় যে রায়ই হোক, পৃথিবীর সর্বোচ্চ আদালতও যদি বিচারপতি শ্রী অভিজিৎ গাঙ্গুলীর ১২ই মে, ২০২৩ এর রায় বহাল রাখে, আমি আমার অবস্থান পরিবর্তন করবোনা, ওই রায়টি বেআইনী, কারন ওই রায় বিচারের মানদণ্ড Natural Justice এর দুটি প্রতিষ্ঠিত নীতি ভঙ্গ করেছে –
[1] Audi alteram partem [ Latin ] – Hear the other side, both the sides must be heard, no man should be condemned unheard, there must be a fairness on the part of the deciding authority.
[2] Nemo debet esse judex in propria causa [ Latin ] – No man should be judge of his own cause, the deciding authority must be impartial and without bias.
অর্থাৎ আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কারো বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহন করা যাবে না এবং নিজের বিচার নিজেই কেউ করবে না, সিদ্ধান্ত যিনি নিচ্ছেন তাকে নিরপেক্ষ এবং unbiased হতে হবে। [ আমি কিন্তু বলছিনা শ্রী গাঙ্গুলী মিডিয়ায় বলেছেন – ঢাকিসুদ্ধ বিসর্জন দেবো, বিকাশরঞ্জনের পায়ের নীচে বসে আইন শিখেছি. সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের মঞ্চে বিকাশবাবু বলেছেন – ২০১৭র পুরো প্যানেল বাতিল করতে হবে, কলকাতা হাইকোর্ট এবং বামপন্থী আইনজীবিরা তৃণমূল আমলে নিযুক্ত শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, তাই বামপন্থী বিচারপতি নিরপেক্ষতা বিসর্জন দিয়ে biased order দিয়েছেন। ওসব ফেসবুকীয় অশিক্ষিতের যুক্তি। ]
উপরে যে কথাগুলো লিখলাম সেটা বিচারপতিও জানেন, রায় দেওয়ার সময় তিনি সচেতন – natural justice ভঙ্গ করে রায় হচ্ছে। সেইজন্য রায়ে logic নিয়েছেন – যেহেতু fraud প্রমাণিত ‘legal niceties’ এর প্রয়োজন নেই । কিভাবে fraud প্রমাণিত হলো ? তিনি লিখেছেন – ইতিমধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্ণীতির মামলায় বহু লোক জেলে আছে। ওই মামলাতে তদন্তের আদেশ তো ওনারই, সেই রায় finality হয়নি, যারা জেলে আছে তারা অভিযুক্ত, অপরাধী প্রমাণ হয়নি, ফৌজদারী কোর্টে trial শুরুই হয়নি। কিন্তু বিচারপতি নিজেই নিজের রায়ের finality দিলেন, ফৌজদারি মামলা শুরুর আগেই ঘোষণা করলেন অভিযুক্তরা অপরাধী, সুতরাং ৩২ হাজার শিক্ষকের panel বাতিলের সময় কাউকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়ার প্রয়োজন নেই। ৩২ হাজারকেই কিন্তু ডাকতে হতো না, representative capacity তে কিছু শিক্ষককে ডাকা যেত, শিক্ষক সংগঠনকে ডাকা যেত। শ্রীগাঙ্গুলী নিজের রায় নিজেই বিচার করেছেন, pre-decided mind নিয়ে মামলা শুনেছেন, আগে থেকেই স্থির করেছেন যেহেতু অনেকের বাড়িতে টাকা পাওয়া গিয়েছে, সুতরাং এখানেও fraud হয়েছে।
১৯শে মে, ২০২৩ এর অর্ডারে কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চ লিখেছেন – prima facie প্রমাণিত natural justice ভঙ্গ হয়েছে এবং সেই কারনে চাকরি বাতিলের রায়ে স্থগিতাদেশ দিচ্ছি। তারপরেই পরস্পরবিরোধী কথা আছে – বিস্তারিত শুনানী ছাড়া বোঝা যাবে না fraud হয়েছে কিনা। তাহলে বিস্তারিত শুনানী না করে কিভাবে অর্ডার দিলেন অগস্ট মাসের মধ্যে fresh interview এর প্র্রক্রিয়া শেষ করতে ?
বিচারপতি শ্রী গাঙ্গুললীর চোখে হয়তো natural justice এক ‘legal niceties’, আইনী প্রসাধন, পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক দেশের বিচারব্যবস্থায় নয়। সর্বত্র এটা বিচার পদ্ধতির মেরুদণ্ড, mandatory procedure, কারন এর জন্ম গ্রীসে, তখন ছিল natural law, গ্রীকদের কাছ থেকে রোমানদের হাত ঘুরে বৃটিশদের কাছে এসে natural justice. ভারতের বিচারব্যবস্থায় এটা অপরিহার্য, কারন আমাদের সংবিধানের Article 21 –‘ Protection of life and personal liberty – No person should be deprived of his life or personal liberty except according to procedure established of law’. এই prescribed procedure of law হলো natural justice. ঘৃণ্যতম অপরাধে অভিযুক্তকেও natural justice মেনেই শাস্তি দিতে হবে। সুপ্রীম কোর্ট বলছে সংবিধানের ১৪ নং ধারা natural justiceএর অভিভাবক, ১৪ নং ধারা স্বৈরতন্ত্রের বিরোধী – an anti thesis of arbitrariness – natural justice ভঙ্গ করে সিদ্ধান্ত হলে ১৪ নং ধারা ভঙ্গ হবে, চাকরির ক্ষেত্র্রে ১৬ নং ধারা ভঙ্গ হবে। ১৬ নং ধারা জীবিকার মৌলিক অধিকার, সেটা ভঙ্গ হলে ২১ নং ধারা [ বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার ] ভঙ্গ হবে, কারন জীবন জীবিকার উপর নির্ভরশীল।
উপরে যে কথাগুলো লিখলাম সেটা কি হরিশ সালভে, মুকুল রোহিতগী এবং সুপ্রীম কোর্টের জজেরা জানেন না ? সবাই জানেন, কিন্তু SLP অথবা হাইকোর্টে natural justice ভঙ্গের মামলায় পিটিশনে legal error বোঝাতে বিশদে legal pleading দিতে হয়। কারন –
[১] সুপ্রীম কোর্ট এবং হাইকোর্ট Court of Records. লিখিত pleading ছাড়া মৌখিক বক্তব্য দাম পায় না। সুপ্রীম কোর্টে শুনানীর সময় আমি জজকে জিজ্ঞেস করতে শুনেছি আইনজীবিকে – এই কথাগুলো আপনি পিটিশনের কোন্ পাতার কোন্ paraয় বলেছেন ? তখন আইনজীবি খোঁজেন, কিছুক্ষণ পরে জজ বলেন, সময় নষ্ট করবেন না, কোথাও বলেননি। কারন মামলা ওরা বাড়িতে পড়ে আসেন।
[২] বড়ো আইনজীবিরা ব্যস্ত মানুষ, একদিনে বিভিন্ন ধরনের মামলা করেন, তাঁদের পক্ষে ৩৮ বছর আগে natural justice এর উপর সুপ্রীম কোর্টের রায় মনে রাখা সম্ভব নয়, এই কারনে পিটিশনে বিস্তারিত legal pleading থাকলে বক্তব্য পেশে সুবিধা হয়।
[৩] সুপ্রীম কোর্টের জজেরা SLPর admission hearing এর আগের দিন বাড়িতে মামলার legal pleading পড়েই আসেন, natural justice এর legal pleading থাকলে তাদের decision making প্রভাবিত হয়। তাদের পক্ষে মনে রাখা সম্ভব না ৩৮ বছর আগে এই বিষয়ে কি বলেছেন অন্য বিচারপতি।Legal pleading তাদের memory refresh করে। জজেরা কখনো নিজে থেকে কোনো পক্ষকে বলেন না যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পিটিশনে নেই, এটাই court procedure, নিরপেক্ষতার স্বার্থে।
যদি একশো SLP পড়া হয় যেগুলো natural justice ভঙ্গের অভিযোগে দায়ের হয়েছে, দেখা যাবে সবকটাতেই লেখা আছে – there are gross violations of the principles of natural justice. কিন্তু admit হয় পাঁচটি, কারন বাকিগুলোতে বিশদ legal pleading নেই। সুদক্ষ আইনজীবিরা natural justice ভঙ্গের SLPর Legal pleading তিনটি স্তরে লেখেন –
[১] গ্রীস থেকে natural justice এর উদ্ভব ও বিবর্তন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, আমাদের কৌটিল্যের ‘অর্থশাস্ত্র’ তেও এর স্বীকৃতি। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদে এবং রাষ্ট্রসংঘের সনদে natural justiceএর স্বীকৃতি।
[২] এই স্তরে তারা লেখেন কিভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে সিদ্ধন্ত হয়েছে যেটা মারাত্মক legal error. আইনের ভাষায় error crept into the judgment.
[৩] এই স্তরে তারা লেখেন সুপ্রীম কোর্টের রায় উল্লেখ করে – violation of natural justice amounts to violations of Article 14,16 and 21 of the Constitution of India.
উপরের কথাগুলো কিন্তু আইনজীবিরা মনগড়া ব্যক্তিগত বক্তব্য এবং নিজেদের ভাষায় লেখেন না। সুপ্রীম কোর্টের পিটিশন সুপ্র্রীম কোর্টের ভাষাতেই লেখা জজেদের রায়ের ভিত্তিতে লিখতে হয়। জীবিকার ক্ষেত্রে এই ধরণের মামলার legal pleading লেখা হয় সাত জন জজের রায়ের ভিত্তিতে এবং ভাষায় – Union of India versus Tulsiram Patel. ১২২ পাতার এই ঐতিহাসিক রায় netএ পাবেন, আপনার আইনজীবির chamberএও পাবেন – Union of India versus Tulsiram Patel, Supreme Court Cases [1985] 3, page 398, AIR 1985 SC PG 1416. এক বিশাল সংখ্যক কেন্দ্রীয় কর্মচারীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে বরখাস্ত করা হয়, ১৭ই জুন ১৯৮৫ তে সাত জজের এই রায়ে তারা চাকরি ফিরে পান। Natural Justice এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সনদে তার স্বীকৃতি এবং natural justice ভঙ্গ করে সিদ্ধান্ত নিলে সেটা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী, সমস্তই এই রায়ে বলা আছে।
একথা মনে করবার কারন নেই যে আমি যে legal pleading বললাম, সেইভাবে Tulsiram Patel এর রায় উল্লেখ না করে শিক্ষকদের ছটি SLP লেখা হয়ে থাকলে সেটা খারিজ হবে। এই রায়ের ভিত্তিতে মামলার LEGAL PLEADING লিখে কলকাতা পুলিশের বহু কর্মচারীর ক্ষেত্রে এই ধরনের মামলায় রায় পেয়েছি। সুপ্রীম কোর্ট বিশেষ কারন ছাড়া নিজেদের settled principle of law এর বাইরে যায় না, দু জজের বেঞ সাত জজের রায় মানতে বাধ্য। হাইকোর্ট তো সংবিধানের ১৪১ ধারায় সুপ্রীম কোর্টের যে কোনো রায় মানতে বাধ্য।
ইচ্ছে করলে শিক্ষকেরা উপরে বলা পদ্ধতিতে Tulsiram Patel এর রায়ের ভিত্তিতে সুপ্রীম কোর্টে তাদের SLPতে Interlocutory Application [IA] Application for permission for additional legal pleadings করতে পারেন, মামলা যদি হাইকোর্টে ফিরে আসে, ডিভিশন বেঞ্চে Supplementary affidavit for additional legal pleading করতে পারেন, এখন অবধি ডিভিশন বেঞ্চের কোনো appealএ শিক্ষকরা এই legal pleading করেননি।
মাননীয় বিচারপতি শ্র্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইতে একজন whistle blower, তাঁকে কুর্ণিশ, কিন্তু একটি ভাল কাজ আরেকটি বেআইনী কাজের অধিকার দেয় না। জীবনের শেষ ঘাটে মাঝির অপেক্ষায় বসে থাকা এই বৃদ্ধের কাছে natural justice গাঙ্গুলীবর্ণিত ‘niceties of law’ আইনের প্রসাধন নয়, তার চোখে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার, unbiased রায় পাওয়ার অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার।
Collected from
শিশির কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় (ফেসবুক)
3 years ago | [YT] | 6
View 3 replies
EduArun
https://youtu.be/VYX2Z3WUaPk
3 years ago | [YT] | 0
View 0 replies
EduArun
https://youtu.be/_NG5xY7SQBY
4 years ago | [YT] | 7
View 0 replies
Load more