আপনি কি জানেন, তথাকথিত অনেক শিক্ষা, কোন কাজে আসবে না? এআই থেকে মানুষ ডিগ্রি নিবে শিঘ্রই। পাঁচ-ছয় বছর ধরে অনার্স করা, সাথে ১-২ বছর সেশনজট উপহার—এসব শিঘ্রই অন্ধকার যুগের বিষয় হিসেবে গণ্য হবে।
১৮-২০ বছরে ব্যাচেলর শেষ—এমনটা খুব কমন হবে। প্রথাগত কোর্সে অনেক ভুল ডিজাইন আছে, শিক্ষকদের সংকট, ইগো, আবোকাঠামোগত সমস্যা এসব কারনে অনেক ডিগ্রি অকারণেই দীর্ঘ সময়ের। এআই এসব বিষয়গুলো সমাধান করবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, প্রাসঙ্গিক ও প্রায়োগিক বিষয়গুলো নিয়ে কোর্স রিডিজাইন করবে। আপনার শেখা সহজ হবে।
পাশাপাশি, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের উপর ভিত্তি করা শিক্ষার মূল্য আরো বাড়ছে। এআই কমপ্লিমেন্টারি ভূমিকা রাখবে। তাই আপনার সন্তান যদি ১৫ বছরের কম বয়সী হয়, তাদেরকে ভিন্নভাবে গাইড দেন। ইউনিভার্সিটিতে তথাকথিত বহু বিষয়ের পড়াশুনার মূল্য কমে যাবে।
বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্ব, ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক শিক্ষা, ম্যাথ, লজিক—এগুলোর গুরুত্ব আগে যেমন ছিলো, এখন আরো বাড়ছে। বিজ্ঞান পড়ে সবাইকে যে ফিজিক্স কেমেস্ট্রিতে অনার্স-মাস্টার্স করতে হবে, বিষয়টা তা না। দ্বাদাশ শ্রেণী পর্যন্ত খুব ভালো করে বিজ্ঞান শিক্ষা স্টুডেন্টদের ফিউচারকে সহজ করবে।
মাল্টি টাস্কিং ভবিষ্যতের জন্য অনিবার্য। আজকের দিনের একজন শিক্ষক-ছাত্র, কর্মচারী সবাইকে টুলস ব্যবহার করা জানতে হয়। এটা নরমাল হয়ে গেছে। বিভিন্ন বিষয়ে স্কিল থাকা আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কে কতো দ্রুত এবং সঠিকভাবে টুলস ব্যবহার করতে পারবে, সেটার উপরই স্মার্টনেস বা ট্যালেন্ট নির্ভর করবে।
ভয়েস রেকগনিশন ডিভাইস অহরহ হচ্ছে। আমি গত ৯ বছর ধরে এমাজন আলেক্সা ব্যবহার করছি। চ্যাটজিপিট আগামী বছর আলেক্সার চেয়ে অনেক বেটার ভার্সন নিয়ে আসতেছে। সবকিছু ভয়েস রেকগনিশনে হবে। Saider AI আমার ভয়েস থেকেই হুবহু বাংলা টাইপ করে দিচ্ছে। দু বছর আগেও এটা সম্ভব ছিলো না।
ক্রিয়েটেভিটির মূল্য সবসময়ই থাকবে। আপনি আমি 3D এনিমেশন মুভি দেখছি না! হলিউডের কতো মুভি এখন এআই দিয়ে করা। সেখানে অনেক মানুষের ক্রিয়েটিভ স্কিল যুক্ত হয়েছে। তাই শিল্প সংস্কৃতিও এআই-র ক্রিয়েটিভ ব্যাবহার বাড়বে। এটাই এখন ট্যালেন্ট!
এআই-র কাজ (আউটপুট) ভেরিফাই করতে পারাটাই এখন স্কিল। এআই প্রপারলি ব্যব্যাবহার করতে পারা, কি কাজ করবেন সেটার সঠিক ইনপুট দেয়া—এগুলোই এখন টেলেন্ট! আপনার লজিক প্রয়োগের ক্ষমতা আসবে আপনার স্কিল, স্মার্টনেস এবং অভিজ্ঞতা থেকে।
১৪৩টি বিজনেস আইডিয়া, বেছে নিন আপনার স্বপ্নের উদ্যোগ।
1. প্যাকেটজাত পণ্য।
2. মোবাইল এন্ড কম্পিউটার পার্স।
3. অর্গানিক খাদ্য সরবরাহ। মাছ মাংস থেকে শুরু করে শাক সবজি ফলমূল, স্থানীয় উৎপাদিত পন্য শহুরে সরবারহ করা যেতে পারে।
4. অনলাইনে বই বিক্রি।
5. একটার সাথে আর একটার সেইন কানেকশান।
6. বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও রিফাইন করে স...
7. বোতল রিসাইকেলিং।
8. ফরমালিন মুক্ত খাবার উৎপাদন থেকে শুরু করে পৌঁছে দেয়া।
9. আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস তৈরী ক...
10. Cosmetics।
11. Handcraft।
12. বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাব...
13. চা বাগানে কি কি বিজনেস সার্ভিস দেয়া যায়...
14. Export and Import।
15. ঘি।
16. মসলা জাতীয় গাছের চাষ
। 17. চকবাজার থেকে প্রডাক্টস কিনে ।
18. মাছ একোরিয়ামে ।
19. ইট তৈরি
। 20. তাঁতের পোশাক শিল্প।
21. ফুল।
22. হোম মেড বিভিন্ন খাবারের আইটেম ।
23. অনলাইন ট্রেনিং সেন্টার: আইটি ।
24. চট্টগ্রাম পাহারী অঞ্চল থেকে হলুদ, মরিচ, পেয়াজ এনে বিক্রি করা ।
25. ফ্রেস জুস ।
26. গিফট আইটেম ।
27. বিনোদন পার্ক ।
28. বাচ্চাদের যত আইটেম ।
29. অটো কার ওয়াশ ।
30. ইন্টরিয়র ডিজাইন ।
31. গ্যারেজ ।
32. কাগজের বাক্স, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ও তৈরি ।
33. পার্লার ।
34. কুরিয়ার বিজনেস ।
35. গহনা ।
36. সিরামিক টাইলস ।
37. ফার্নিচার ।
38. দেশি মুরগীর খামার ।
39. প্লাস্টিক থেকে সুতা ।
40. ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাস তৈরি ।
41. ট্রাভেল এবং ট্যুরিজম ব্যবসা ।
42. ডিটারজেন্ট ।
43. এলোব্যারা ও মাশরুম চাষ ।
44. ফুড কার্ট ।
45. এগ্রো ফার্ম ।
46. মসল্লার চাষ ।
47. সবজি রপ্তানি ।
48. ফল রপ্তানি ।
49. মাছ রপ্তানি ।
50. লাইভ ফিস ।
51. নিজ জেলায় ডাক্তার এপায়ন্টমেন্ট এপস ।
52. নিজ জেলায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি ।
53. ককংক্রিটের ব্যবসা ।
54. ফুলের চাষ ।
55. তাত নিয়ে কাজ ।
56. হোম মেড খাবার নিয়ে কাজ ।
57. আইসক্রীম তৈরি ।
58. হাসের খামার ।
59. মুরগীর খামার ।
60. কবুতরের খামার ।
61. বায়োগ্যাস ।
62. কয়েলের ব্যবসা ।
63. মোমবাতি তৈরি ।
64. গিফট আইটেম সেল ।
65. বেবী খেলনা ইম্পোর্ট করা ।
66. নিজ জেলায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ।
67. স্যানেটারি ন্যাপকিন ।
68. কসমেটিক্স ইম্পোর্ট ।
69. বাচ্চাদের খেলনা নিয়ে দোকান ।
70. ডেইরি ফার্ম ।
71. জুয়েলারি ব্যবসা ।
72. কার ওয়াশ ।
73. লন্ড্রি অনলাইন সার্ভিস ।
74. ইন্টরিয়ার ডিজাইন ।
75. ইলিশ মাছের বিভিন্ন আইটেম নিয়ে খাবারের দোকান ।
76. নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি ।
77. কাগজের ব্যাগ তৈরি ।
78. কাগজের প্যাকেট তৈরি ।
79. প্রিন্টিং ব্যবসা ।
80. স্টক লটের ব্যবসা ।
81. আধুনিক ফার্মেসী ।
82. গুড়া মসল্লার ব্যবসা ।
83. ফার্নিচার তৈরি ।
84. ফার্নিচার হোলসেল ।
85. চিড়ার ফ্যাক্টরি ।
86. মুড়ির ফ্যাক্টরি ।
87. সিরামিক টাইলস এর দোকান ।
88. সিরামিক সামগ্রী ।
89. বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই ব্যবসা ।
90. ঠিকাদারি ব্যবসা ।
91. ম্যান পাওয়ার সাপ্লাই ।
92. বিভিন্ন ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং ।
93. চা পাতার ব্যবসা ।
94. ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা ।
95. কফি শপ ।
96. ফাস্ট ফুড ।
97. লেদার নিয়ে কাজ করা ।
98. নিজ জেলায় বিভিন্ন পণ্য হোলসেল দেওয়া ।
99. ড্রাগন চাষ ।
100. খেজুর চাষ ।
101. নারিকেল চাষ ।
102. কাকড়া চাষ ও রপ্তানি করা ।
103. ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ।
104. ভ্রাম্যমাণ রেস্টুরেন্ট ।
105. চকলেটের দোকান ।
106. চকলেট ইম্পোর্ট করা ।
107. বেকারি ব্যবসা ।
108. পুরাতন ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবসা ।
109. বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন সরজামাদি সাপ্লাই দেওয়া ।
110. শোপিস তৈরির ব্যবসা ।
111. নিজ এলাকায় আইটি ফার্ম ।
112. অনলাইনে রেল, এয়ার ও বাসের টিকেট ব্যবসা ।
113. স্পোর্টস আইটেমের দোকান ।
114. স্কুল ব্যাগের ব্যবসা ।
115. আধা রসুনের পেষ্ট তৈরি ।
116. পটেটো চিপস তৈরি ।
117. ডেলিভারি ম্যান বা সিকিউরিটি বয় সার্ভিস ।
118. এপসের মাধ্যমে ক্লিনার ও কাজের বুয়া সার্ভিস ।
119. ডিম উৎপাদনে মুরগির খামার ।
120. চেইন শপের ব্যবসা ।
121. মৌমাছি পালন ।
122. সেলুন ব্যবসা ।
123. একুরিয়াম শপ ।
124. খাতা বানানোর কারাখানা ।
125. মানি ব্যাগ তৈরি ।
126. ডে-কেয়ার সার্ভিস ।
127. বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী ।
128. ঝিনুক থেকে চুন ।
129. বিভিন্ন ফলের বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি ।
130. সবজির বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি ।
131. জিম আইটেম সেল ।
132. জিমনিসিয়াম দেওয়া নিজ এলাকায় ।
133. পার্লার ব্যবসা ।
134. জি আই পাইপ তৈরি ।
135. মিনি সুগার মিল ।
136. আটা, ময়দা ও সুজির মিল ।
137. সয়াবিন রিফাইন ।
138. শতরঞ্জি, শাল, ব্যাগ, ফ্লোরম্যাটসহ বিভিন্ন পাটজাত পণ্য ।
139. শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, স্যুটের কাপড় ।
140. শর্ষের তেল ।
141. পেপার মিল ।
142. ফার্মেসি ও বিদেশি ঔষধের দোকান।
143. ঠিকাদারি ব্যবসা ।
আপনার কোনটা?
ও ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া:
ব্যবসা? পুঁজি লাগবে না? না, এই অনলাইনের যুগে একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকেন পুঁজি ছাড়াই আজ থেকেই আপনি ব্যবসায় নামতে পারেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া।
০১. এসইও কনসালটেন্ট : আপনি কি সার্চ ইঞ্জিনের বিষয়ে অভিজ্ঞ? মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানেন; কিন্তু কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানের আশায় বসে না থেকে অনলাইনেই শুরু করুন এসইও সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া। অনেক প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা আপনার পরামর্শ নেওয়ার জন্য বসে আছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটে এমন কাজ পাবেন। না হলে সোজা গুগল সার্চ দিন।
০২. বিজনেস প্রশিক্ষণ : আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতেই পারে। কিন্তু পয়সার অভাবে নিজের স্বপ্ন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন না। আপনার এই অভিজ্ঞতা বসে বসে নষ্ট করার কোন মানে নেই।
অনলাইনে এমন অনেককে পাবেন যারা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাইছে। লিংকডইনে যান, সেখানে আপনি ব্যবসা সংক্রান্ত আর্টক্যাল লিখতে পারবেন। এর দ্বারা সেখানে আপনি অনেক ক্লায়েন্ট পাবেন। তাদের সদুপদেশ দিয়ে নিজের মেধা এবং অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে টু-পাইস ইনকাম তো আছেই।
০৩. স্পেশালাইজড রিটেইলার : বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন দেশের সব বড় শহরগুলোতেই স্পেশালাইজড শপ বা সুপারশপ আছে। এদের মধ্যে অনেক ছোট বড় প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং বিজনেস শুরু করতে ইচ্ছুক। সেই সব প্রতিষ্ঠানের কোন একটির সঙ্গে চুক্তি করে আপনি তাদের পণ্যসম্ভার দিয়ে একটি অনলাইন শপ চালু করে ফেলতে পারেন। ঘরে বসে হয়ে যান রিটেইলার শপার।
০৪. সোশ্যাল মিডিয়া পরামর্শক : তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল সাইটগুলো চরম উত্কর্ষ অর্জন করেছে। জীবনের সব সমস্যার সমাধান যেন হয়ে উঠছে ফেসবুকের মত মাধ্যমগুলো। নিত্য নতুন ফিচারের পাশাপাশি বাড়ছে সোশ্যাল সাইট হ্যাক করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করার মত ঘটনা। আপনার যদি সোশ্যাল সাইটগুলোর ব্যবহারবিধি, নিরাপত্তাসহ ফ্রেন্ড-ফলোয়ার বৃদ্ধির বিভিন্ন ট্রিকস জানা থাকে হবে আপনি হয়ে যেতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া কনসাল্টেন্ট। এমনটা করলে অনেক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ পেতে পারেন।
০৫. ওয়েব ডিজাইন : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস এটা। এখন একটি ছোটখাট প্রতিষ্ঠানও চিন্তা করে তাদের একটা ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আপনার যদি ওয়েব ডিজাইন জানা থাকে তবে বসে থাকার কোন মানে নেই। ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোতে নিজের পোর্টফোলিও পোস্ট করুন। একটি নমুনা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে রাখুন। বাজারদর বিবেচনা করে সাশ্রয়ী পারিশ্রমিক ঘোষণা করুন। আপনাকে আর ঠেকায় কে?
০৬. আবেদনপত্র/কভার লেটার লেখা : আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে অনেক শিক্ষিত মানুষ সুন্দর করে একটি চাকরির আবেদনপত্র লিখতে জানে না। কিন্তু চাকরিক্ষেত্রে একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্র কিংবা কভার লেটার অন্যদের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আপনার এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকলে লিংকডইন কিংবা সোশ্যাল সাইটগুলোয় এই বিষয়ে ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারেন। ক্লায়েন্ট যে পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।
০৭. টাস্ক ম্যানেজার/সহকারী : আপনার যদি ভাল অর্গানাইজিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এই ব্যবসার উপযুক্ত। আপনি কি অনলাইনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে পারেন? তবে আপনার এই দক্ষতা একজন ব্যাক্তিগত সহকারী কিংবা অনলাইন টাস্ক ম্যানেজার হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। TaskRabbit কিংবা Zirtual এর মত কোম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনার মত মানুষকেই খুঁজে থাকে। এসব সাইটে আপনি ডাটা রিসার্চ, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট সহ বিভিন্ন কাজে সহকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
০৮. প্রফেশনাল ফ্রিল্যন্সার : ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত অবসর সময়ের কাজকেই আমরা বুঝে থাকি। কিন্তু সময়ের পাশাপাশি ধারণাও পাল্টে গেছে। এখন প্রচুর বেকার তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংকে মূল পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। আপনি চাইলে পার্টটাইম কাজও করতে পারেন। বেকার বসে না থেকে আজই যুক্ত হোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে।
০৯. অনলাইন মার্কেটিং : আপনি যদি আমাজানের মত সাইটগুলোতে পণ্যের রিভিউ লেখায় অভ্যস্ত থাকেন তবে এখনই তা বন্ধ করুন। কারণ বিনামূল্যে কেন আপনি কোন পণ্যের মার্কেটিং করবেন? ওয়ার্ড অব মাউথ-এর মত অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের প্রোডাক্ট অনলাইনে প্রমোট করার জন্য আপনাকে পয়সা দেবে। আপনার যদি প্রচুর ফলোয়ার সমৃদ্ধ সাইট কিংবা সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে তো সোনায় সোহাগা। আজই লেগে যান কাজে।
১০. ই-বুক লেখক : আপনার লেখালেখির হাত, ভাষার দক্ষতা এবং টাইপিং স্পীড যদি ভাল থাকে তবে আপনি অনায়াসে একজন ই-বুক রাইটার হতে পারেন। এটি অনেক সহজ একটা কাজ। ই-বুকের চাহিদা এত পরিমাণে বাড়ছে যে ই-বুক রাইটার খুঁজতে পাবলিকেশন্সগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। অনলাইনে এমন গ্রাহক খুঁজে নিতে পারেন সহজেই।
১১. প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান : অনেক ছোটখাট কোম্পানী আছে যাদের কোন আইটি স্পেশালিস্ট নেই। তাদের প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা হলে বাইরের লোক ডাকতে হয়। আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বসেই শুরু করতে পারেন প্রযুক্তগত পরামর্শ প্রদান। সমস্যা হলে তারা আপনাকে জানাবে এবং আপনি ঘরে বসেই সমাধান দিয়ে দেবেন। আর কী চাই?
১২. ভার্চুয়াল চালান : শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এই কাজটি আপনি নিজেই অহরহ করে থাকেন ব্যাংক কিংবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। আপনার একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে গুগল চেকআউটের মত ট্রানজেকশন হ্যান্ডল করতে পারেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের অনলাইন চালানসমূহ অর্গানাইজ করার জন্য আপনাকে খুঁজে নেবে। আপনি তাদের সাইট থেকে পণ্যের ছবি বিবরণ কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে আনুন। তারপর নির্দিষ্ট আর্থিক চুক্তির বিনিময়ে নেমে পড়ুন পণ্য বিক্রয়ে।
১৩. হস্তশিল্প বিক্রেতা : অটোমেটিক মেশিনের যুগে হস্তশিল্পের কদর মোটেই কমেনি। বরং প্রচারের অভাবে এই প্রাচীণ শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না। আপনি এমন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন। তাদের পণ্য আপনি অনলাইনে বিক্রি করবেন। গ্রাহকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপনি কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন তাদের কাছে।
১৪. অ্যাপ ডেভলপার : স্মার্টফোনের যুগে অ্যাপের ছড়াছড়ি। মানুষ এখন কম্পিউটারে বসে সাইট ব্রাউজ করার চাইতে স্মার্টফোন অ্যাপেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে আগ্রহী। আপনি যদি কোডিং সম্পর্কে ভাল জেনে থাকেন তবে লেগে পড়ুন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন সফওয়্যার ডেভলপার কোম্পানীও অনলাইনে ডেভলপার চায়। প্রথমে নিজে একটি আকর্ষণীয় অ্যাপ তৈরি করে নমুনা হিসেবে দেখান এবং যৌক্তিক পারিশ্রমিক দাবি করুন। আপনার কাজ পাওয়া নিশ্চিত।
বাংলাদেশের স্বচ্ছ রাজনীতির এই নতুন ধারায় আপনাদের সাড়ায় আমরা অভিভূত!
২০২৪-এর ছাত্র জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তৈরি হওয়া নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি পরিচালনার জন্য একটি "ফাইন্যান্স মডেল" তৈরি করেছে, যা এদেশের রাজনীতিতে সম্পূর্ণ নতুন।আপনারা জানেন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও নৈতিক রাজনৈতিক অর্থায়ন একটি রাজনৈতিক দলের শক্তিশালী ভিত্তি। গত চুয়ান্ন বছরের রাজনীতিতে বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলো যে আর্থিক কাঠামোতে তাদের দল পরিচালনা করেছে, সেটা যথেষ্ট অস্বচ্ছ ও ত্রুটিপূর্ণ। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, অর্থ লোপাটই ছিক অর্থায়নের মূল উৎস।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বাস্তবায়নে এনসিপি একটি স্বচ্ছ রাজনৈতিক অর্থায়নের নতুন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। আর তাই “আপনার অনুদানে আগামীর বাংলাদেশ” এই উদ্যোগ। এখন থেকে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার অনুদানেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে পরিচালিত হবে জাতীয় নাগরিক পার্টি।
এনসিপির হাত ধরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডোনেট করুন নিম্নোক্ত মাধ্যমে।
এনসিপিতে অনুদানের বিভিন্ন মাধ্যম:
মাধ্যম-০১: এনসিপি'র ওয়েবসাইট থেকে ওয়েবসাইট লিংক: donate.ncpbd.org/ নির্দেশনা: ওয়েবসাইট ক্লিক করে আপনার তথ্য দিন। তারপর shurjoPay অপশন গিয়ে পছন্দমত মাধ্যম সিলেক্ট করে আপনার অনুদানটি পাঠিয়ে দিন।
ফিলিপাইন ভিসা নিজে যেভাবে করবেন!
১. ট্যুরিস্ট ভিসায় আপনার আগ্রহ প্রকাশ করে ফিলিপাইন দূতাবাসে একটি ইমেল পাঠাবেন (dhakape.visaconcerns@gmail.com)
২. ফিডব্যাক মেইলে ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম সহ যে সকল ডকুমেন্টস লাগবে তার একটি চেকলিস্ট পাবেন। এবং তারা আপনাকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়ার জন্য একটি লিংক দিবে। ওই লিংকে গিয়ে আপনার বেসিক ইনফরমেশন গুলো দিবেন এবং অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি ফিল আপ করে ওখানে সাবমিট করবেন।
** যে সকল ডকুমেন্টস লাগবে :
* ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম নির্ভুলভাবে পূরণ করবেন
* ২*২" সাইজের ছবি; অবশ্যই ল্যাব প্রিন্ট হতে হবে।
* ভিসা রিকোয়েস্ট লেটার - আপনি কে, কি করেন, কেন যেতে চান, কত দিন থাকবেন, কোন শহরগুলিতে যাবেন, আপনার সাথে পরিবারের কে কে যাচ্ছে - এসব লিখবেন, আপনার পূর্বের ট্রাভেল হিস্টোরি উল্লেখ করবেন।
৩. ব্যাংক স্টেটমেন্ট : এক জনের জন্য মিনিমাম ৩-৫লক্ষ টাকা ব্যালেন্স সহ লাস্ট ছয় মাসের স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে। বিজনেস একাউন্টে অবশ্যই প্রতিমাসে ৫/১০ টা লেনদেন থাকতে হবে। যদি ৩ জন ফ্যামিলি মেম্বার আবেদন করেন তাহলে একজনের স্টেটমেন্ট দেখালেই হবে এবং কমপক্ষে ৬-১০ লক্ষ প্লাস ব্যালেন্স দেখাতে হবে। সেই সাথে সলভেন্সি সার্টিফিকেট দিবেন ।
৪. ফ্লাইট বুকিং: নন পেইড টিকেট বুক করবেন। এটা প্রিন্ট করে নিলেই হবে।
৫. হোটেল বুকিং: একটা ননপেইড বুকিং দিবেন ।
৬. ট্রাভেল আইটেনারি : যেহেতু আপনাকে ম্যানিলাতেই ল্যান্ড করতে হবে আপনি সহজে ভিসা পাওয়ার জন্য শুধু মাত্র ম্যানিলারই ৪/৫ দিনের ট্রাভেল আইটেনারি দিবেন। ধরেন আপনার অন্য সিটিতে যাওয়ার প্লান আছে, আপনি ট্রাভেল আইটেনারিতে উল্লেখ করলেন কিন্তু ওই সিটিতে যাওয়ার এয়ার টিকেট/বাস টিকেট দিলেন না, এ কারনেই আপনার ভিসা রিজেক্ট হয়ে যাবে। আপনি ভিসা পাওয়ার পর যেখানে মন চায় যান সমস্যা নেই।
৭. পেশাগত প্রমান : আপনি জব হোল্ডার হলে অবশ্যই এনওসি, অফিস আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে।
আর বিজনেস করলে ট্রেড লাইসেন্স এর নোটারাইজড কপি এবং ভিজিটিং কার্ড ও পেড লাগবে।
* সঙ্গে বাচ্চা থাকলে অবশ্যই বাচ্চার বার্থ সার্টিফিকেট লাগবে এবং পাসপোর্ট ইনফরমেশন পেজ ফটোকপি।
* স্পাউস সঙ্গে থাকলে স্পাউসের নাম যদি পাসপোর্টে মেনশন না থাকে তাহলে ম্যারেজ সার্টিফিকেট নোটারাইজড কপি লাগবে।
৮. সকল ডকুমেন্টস রেডি হলে ফিলিপাইন দূতাবাসের মেইলের রিপ্লাই করবেন ডকুমেন্টস গুলো অ্যাটাচ করে এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাইবেন। ওরা ৭/১০ দিনের মধ্যেই আপনাকে মেইল করবে এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডেট দিবে।
৯. ফ্যামিলি হলে যে কোন একজন গিয়ে সকলের পাসপোর্ট এবং ডকুমেন্টস জমা দিয়ে আসতে পারবেন।
১০. ভিসা ফি: আগে ৪৬০০ টাকা ছিলো রিসেন্টলি ৫০০০ টাকা হয়েছে ।
অনেক সময় আমরা যেসব Prompt দেই, ChatGPT সেগুলো বুঝে না বা উলটাপালটা রেজাল্ট দেয় বা আমরা যেমন চাচ্ছি তেমন দেয় না। রাইট?
সমস্যা AI-এ না, সমস্যা prompt-এ!
👇 নিচে ৯টি Powerful Prompt Framework দিলাম —
যেগুলো ব্যবহার করে আপনি যেকোনো কাজ ChatGPT দিয়ে নিখুঁতভাবে করিয়ে নিতে পারবেন! 🚀
🔵 ১. ERA = Expectation + Role + Action ➡️ আপনি কী রেজাল্ট চান, ChatGPT কোন রোলে কাজ করবে, আর কী অ্যাকশন নিতে হবে। 🎯 Example Prompt: “Act as a science teacher and explain how gravity works in simple terms I can understand.”
🔵 ২. APE = Action + Purpose + Expectation ➡️ কী কাজ, কেন করবেন, আর কী রেজাল্ট চান। 🎯 Example Prompt: “Write a blog post to help beginners understand SEO, and make sure it’s simple and practical.”
🔵 ৩. TAE = Task + Action + End Goal ➡️ কাজ কী, কিভাবে হবে, আর শেষ লক্ষ্য কী। 🎯 Example Prompt: “Explain the steps to start a YouTube channel that makes passive income.”
🔵 ৪. CARE = Context + Action + Result + Example ➡️ ব্যাকগ্রাউন্ড দিন, কাজ বুঝিয়ে বলুন, রেজাল্ট ও উদাহরণ দিন। 🎯 Example Prompt: “Help me write an Instagram caption for a new coffee shop launch. I want it to sound cozy and modern.”
🔵 ৫. RACE = Role + Action + Context + Expectation ➡️ কে, কী করবে, কোন পরিস্থিতিতে, এবং আপনি কী আশা করছেন। 🎯 Example Prompt: “Act as a digital marketer like NShamimPRO and write a strategy for a clothing brand’s Facebook ads.”
🔵 ৬. RISE = Role + Input + Steps + Expectation ➡️ কোন রোলে কাজ করবে, কী ইনপুট দেবেন, করণীয় ধাপগুলো কী, আর শেষ ফলাফল কী হবে। 🎯 Example Prompt: “As a video scriptwriter, use this blog post and turn it into a 60-second YouTube Short.”
🔵 ৭. ROSES = Role + Objective + Scenario + Expected Solution + Steps ➡️ কে, উদ্দেশ্য কী, পরিস্থিতি কী, সমাধান কী, করণীয় কী। 🎯 Example Prompt: “As a coach, help me overcome procrastination. I want practical, step-by-step advice.”
🔵 ৮. COAST = Context + Objective + Actions + Scenario + Task ➡️ পটভূমি দিন, উদ্দেশ্য বলুন, অ্যাকশন ও পরিস্থিতি বুঝিয়ে দিন। 🎯 Example Prompt: “Write a welcome email for new subscribers to my AI course AIinBangla .com who just signed up from a Facebook ad.”
🔵 ৯. TRACE = Task + Request + Action + Context + Example ➡️ কী কাজ, কী চাইছেন, কীভাবে করতে হবে, ব্যাকগ্রাউন্ড ও একটি উদাহরণ দিন। 🎯 Example Prompt: “Create a motivational quote image caption for Instagram, targeting students preparing for exams.”
🌟 এখন থেকে ChatGPT দিয়ে কনটেন্ট, আইডিয়া, মার্কেটিং, বা যেকোনো কাজ করানো হবে আরো সহজ, স্মার্ট এবং প্রফেশনাল! 📥 পোস্টটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, যারা AI দিয়ে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করছে!
এনসিপি মৌলিক সংস্কারের যে রূপরেখা প্রণয়ন ও প্রস্তাবনা করেছে সেগুলো দেশ ও জনগণের স্বার্থে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে হবে। এনসিপি'র মৌলিক সংস্কার প্রস্তাবনার মূল উপাদানগুলো দেখে নিন এক পলকে- #NCP#সংস্কার#জাতীয়_নাগরিক_পার্টি
Arrival Card & Customs Declaration Form আমরা সাধারণত যে সব দেশ গুলো নিয়মিত ট্রাভেল করে থাকি তার মধ্যে কিছু কিছু দেশে ইমিগ্রেশন লাইনে দাঁড়ানোর আগে এরাইভাল কার্ড ও কাস্টমস ডিক্লারেশন ফর্ম অনলাইনে ফিলাপ করতে হয়। এটি অনেকেই না জানার কারণে অনেক বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হয়। বাংলাদেশে কিছু কিছু এয়ারলাইন্স বোর্ডিং পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে এটা চেক করে থাকে। এ ছাড়া আপনি লম্বা লাইন ধরে যদি ইমিগ্রেশন অফিসারের ডেস্ক এর সামনে থেকে যদি ফেরত আসতে হয় তাহলে কেমন লাগবে?! সুতরাং ট্রাভেল করার সময় এই এরাইভাল কার্ড বা কাস্টমস ডিক্লারেশন ফর্ম যথাসময়ে ফিলাপ করে নিবেন।
নিছে কিছু দেশের Arrival Card & Customs Declaration Form এর অথেনটিক লিঙ্ক সাজিয়ে দিয়েছি আপনাদের জন্য। আশাকরি সবার উপকারে আসবে।
ট্যারিফ যুদ্ধের দুঃশ্চিন্তায় ডুবে থাকা বিশ্ব অর্থনীতির ফাঁক গলে এক নতুন ফ্রন্ট খুলে দিয়েছে চীন— যেখানে টার্গেট সরাসরি ব্র্যান্ড, বিলাসিতা আর ভোক্তার মনস্তত্ত্ব। গত কয়েক মাসে, আমেরিকা চাইনিজ পণ্যের উপর সর্বোচ্চ ১৩৫% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে। পাল্টা চীনও ১৪৫% পর্যন্ত ট্যারিফ বসিয়েছে আমেরিকান পণ্যে। তবে শুধু রাজস্বেই নয়, মূল আঘাত আসছে এক অদৃশ্য দিক থেকে— বিশ্ববিখ্যাত লাক্সারি ব্র্যান্ড যেগুলোর চীনে কারখানা রয়েছে প্রকৃত উৎপাদন রহস্য ফাঁস করে দিচ্ছে চীন।
চীনের বিভিন্ন ই-কমার্স সাইট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ঝড়ের মতো ছড়িয়ে পড়েছে তথাকথিত ‘রিয়েল কস্ট এক্সপোজার’ ক্যাম্পেইন। যেখানে তুলে ধরা হচ্ছে আসল কস্টের তুলনায় অত্যধিক বিক্রয়মূল্যের তথ্য। এমনকি দেশটি শুধু তথ্য ফাঁসেই থামেনি। তারা সরাসরি উৎপাদকদের (OEM Factories) মাধ্যমে মূল উপকরণ এবং কারিগরির উপর ভিত্তি করে ‘লোগো-ছাড়া লাক্সারি’ পণ্য সরবরাহ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। বিশেষ করে, Shenzhen, Guangzhou এবং Yiwu-এর মতো শহরে এখন শত শত কারখানা বিশ্বমানের স্যুট, ব্যাগ, ঘড়ি, ফোন পার্টস বানিয়ে রপ্তানি করছে— যার মূল্য মূল ব্র্যান্ডের তুলনায় ৯০%-এরও কম।
শুধু পোশাক বা ব্যাগ নয়—সোনা, হীরার অলংকার, ওয়াচ মুভমেন্ট, এমনকি প্রিমিয়াম ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ক্ষেত্রেও এই ‘ডুপ্লিকেট অথ অথেনটিক কোয়ালিটি’ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি নিছক মূল্য-যুদ্ধ নয়। চীন চায় আমেরিকার লাক্সারি ব্র্যান্ডগুলোর Core Asset অর্থাৎ, Consumer Trust এবং Prestige Perception-কে ধ্বংস করে দিতে। একবার যদি ভোক্তাদের মনে প্রশ্ন জন্ম নেয়, ‘আমি আসলে কী কিনছি?’, তখন বিলাসিতার পুরো স্থাপত্যই ভেঙে পড়বে। অন্যদিকে চীন এই কৌশলে তার দেশের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত ক্রেতাদেরও গ্লোবাল বিলাসবহুল ব্র্যান্ড থেকে সরিয়ে নিজের অভ্যন্তরীণ বাজার তৈরি করছে।
Made-in-China Premium— এই নতুন ধারণার প্রচারে TikTok, Taobao, Douyin, RED-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে বিশাল ক্যাম্পেইন চলছে। উদাহরণস্বরূপ : - TikTok-এ #RealCostLuxury হ্যাশট্যাগে ভিডিও ভিউ এর সংখ্যা ইতোমধ্যে ২ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। - Alibaba-র একটি নতুন সাবসিডিয়ারি ‘Luxury Without Logo’ গত ৩ মাসে ৪৮০% বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়েছে। - চীনা কোম্পানি Miniso এমনকি Dior-এর স্টাইলের পারফিউম বাজারে এনেছে, যার মূল্য Dior-এর আসল পারফিউমের মাত্র ১০ ভাগের এক ভাগ।
বিশ্বব্যাপী বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলোর জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা। উচ্চমূল্যের স্বপ্ন আর একচেটিয়া ইমেজের যে জাদুতে এতদিন বাজার শাসন করছিল তারা, সেই জাদু ভাঙতে শুরু করেছে। ভোক্তারা এখন গুণগত মান বনাম দামের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন করছেন। কেবল প্রচার আর মিথ তৈরি করে আর কতদিন তাদের আস্থা ধরে রাখা যাবে?
বিশেষজ্ঞরা এটিকে বলছেন— The Silent Collapse of Luxury Monarchy.
৫০টা ফ্রি AI টুল — আপনার কাজ করবে ১০ গুণ দ্রুত! এগুলো জানলে আপনি সামনে এগিয়ে থাকবেন, না জানলে পিছিয়ে পড়বেন। ডিজাইন, কনটেন্ট, ভিডিও এডিট, মার্কেটিং—সব কিছুই অটো!
নিচে ৫০টি ফ্রি AI টুলের তালিকা দেওয়া হলো —
1. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। 2. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা। 3. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে। 4. Copy. ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে। 5. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে। 6. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে। 7. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে। 8. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়। 9. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে। 10. Remove. bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে। 11. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে। 12. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে। 13. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়। 14. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে। 15. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে। 16. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে। 17. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে। 18. Cleanup. pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে। 19. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী। 20. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে। 21. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে। 22. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়। 23. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে। 24. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে। 25. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়। 26. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়। 27. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে। 28. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে। 29. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে। 30. Play. ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে। 31. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে। 32. AI Dungeon – ইন্টার্যাকটিভ গল্প বানায়। 33. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে। 34. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়। 35. Designs. ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে। 36. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে। 37. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে। 38. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়। 39. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে। 40. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে। 41. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়। 42. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে। 43. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে। 44. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য। 45. FormX. ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে। 46. Murf. ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে। 47. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়। 48. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে। 49. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে। 50. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।
farhad sabuj
আপনি কি জানেন, তথাকথিত অনেক শিক্ষা, কোন কাজে আসবে না? এআই থেকে মানুষ ডিগ্রি নিবে শিঘ্রই। পাঁচ-ছয় বছর ধরে অনার্স করা, সাথে ১-২ বছর সেশনজট উপহার—এসব শিঘ্রই অন্ধকার যুগের বিষয় হিসেবে গণ্য হবে।
১৮-২০ বছরে ব্যাচেলর শেষ—এমনটা খুব কমন হবে। প্রথাগত কোর্সে অনেক ভুল ডিজাইন আছে, শিক্ষকদের সংকট, ইগো, আবোকাঠামোগত সমস্যা এসব কারনে অনেক ডিগ্রি অকারণেই দীর্ঘ সময়ের। এআই এসব বিষয়গুলো সমাধান করবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, প্রাসঙ্গিক ও প্রায়োগিক বিষয়গুলো নিয়ে কোর্স রিডিজাইন করবে। আপনার শেখা সহজ হবে।
পাশাপাশি, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের উপর ভিত্তি করা শিক্ষার মূল্য আরো বাড়ছে। এআই কমপ্লিমেন্টারি ভূমিকা রাখবে। তাই আপনার সন্তান যদি ১৫ বছরের কম বয়সী হয়, তাদেরকে ভিন্নভাবে গাইড দেন। ইউনিভার্সিটিতে তথাকথিত বহু বিষয়ের পড়াশুনার মূল্য কমে যাবে।
বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্ব, ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক শিক্ষা, ম্যাথ, লজিক—এগুলোর গুরুত্ব আগে যেমন ছিলো, এখন আরো বাড়ছে। বিজ্ঞান পড়ে সবাইকে যে ফিজিক্স কেমেস্ট্রিতে অনার্স-মাস্টার্স করতে হবে, বিষয়টা তা না। দ্বাদাশ শ্রেণী পর্যন্ত খুব ভালো করে বিজ্ঞান শিক্ষা স্টুডেন্টদের ফিউচারকে সহজ করবে।
মাল্টি টাস্কিং ভবিষ্যতের জন্য অনিবার্য। আজকের দিনের একজন শিক্ষক-ছাত্র, কর্মচারী সবাইকে টুলস ব্যবহার করা জানতে হয়। এটা নরমাল হয়ে গেছে। বিভিন্ন বিষয়ে স্কিল থাকা আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কে কতো দ্রুত এবং সঠিকভাবে টুলস ব্যবহার করতে পারবে, সেটার উপরই স্মার্টনেস বা ট্যালেন্ট নির্ভর করবে।
ভয়েস রেকগনিশন ডিভাইস অহরহ হচ্ছে। আমি গত ৯ বছর ধরে এমাজন আলেক্সা ব্যবহার করছি। চ্যাটজিপিট আগামী বছর আলেক্সার চেয়ে অনেক বেটার ভার্সন নিয়ে আসতেছে। সবকিছু ভয়েস রেকগনিশনে হবে। Saider AI আমার ভয়েস থেকেই হুবহু বাংলা টাইপ করে দিচ্ছে। দু বছর আগেও এটা সম্ভব ছিলো না।
ক্রিয়েটেভিটির মূল্য সবসময়ই থাকবে। আপনি আমি 3D এনিমেশন মুভি দেখছি না! হলিউডের কতো মুভি এখন এআই দিয়ে করা। সেখানে অনেক মানুষের ক্রিয়েটিভ স্কিল যুক্ত হয়েছে। তাই শিল্প সংস্কৃতিও এআই-র ক্রিয়েটিভ ব্যাবহার বাড়বে। এটাই এখন ট্যালেন্ট!
এআই-র কাজ (আউটপুট) ভেরিফাই করতে পারাটাই এখন স্কিল। এআই প্রপারলি ব্যব্যাবহার করতে পারা, কি কাজ করবেন সেটার সঠিক ইনপুট দেয়া—এগুলোই এখন টেলেন্ট! আপনার লজিক প্রয়োগের ক্ষমতা আসবে আপনার স্কিল, স্মার্টনেস এবং অভিজ্ঞতা থেকে।
#AI #farhadsabuj #CreativeLesson
3 weeks ago | [YT] | 0
View 0 replies
farhad sabuj
১৪৩টি বিজনেস আইডিয়া, বেছে নিন আপনার স্বপ্নের উদ্যোগ।
1. প্যাকেটজাত পণ্য।
2. মোবাইল এন্ড কম্পিউটার পার্স।
3. অর্গানিক খাদ্য সরবরাহ। মাছ মাংস থেকে শুরু করে শাক সবজি ফলমূল, স্থানীয় উৎপাদিত পন্য শহুরে সরবারহ করা যেতে পারে।
4. অনলাইনে বই বিক্রি।
5. একটার সাথে আর একটার সেইন কানেকশান।
6. বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও রিফাইন করে স...
7. বোতল রিসাইকেলিং।
8. ফরমালিন মুক্ত খাবার উৎপাদন থেকে শুরু করে পৌঁছে দেয়া।
9. আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস তৈরী ক...
10. Cosmetics।
11. Handcraft।
12. বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাব...
13. চা বাগানে কি কি বিজনেস সার্ভিস দেয়া যায়...
14. Export and Import।
15. ঘি।
16. মসলা জাতীয় গাছের চাষ ।
17. চকবাজার থেকে প্রডাক্টস কিনে ।
18. মাছ একোরিয়ামে ।
19. ইট তৈরি ।
20. তাঁতের পোশাক শিল্প।
21. ফুল।
22. হোম মেড বিভিন্ন খাবারের আইটেম ।
23. অনলাইন ট্রেনিং সেন্টার: আইটি ।
24. চট্টগ্রাম পাহারী অঞ্চল থেকে হলুদ, মরিচ, পেয়াজ এনে বিক্রি করা ।
25. ফ্রেস জুস ।
26. গিফট আইটেম ।
27. বিনোদন পার্ক ।
28. বাচ্চাদের যত আইটেম ।
29. অটো কার ওয়াশ ।
30. ইন্টরিয়র ডিজাইন ।
31. গ্যারেজ ।
32. কাগজের বাক্স, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ও তৈরি ।
33. পার্লার ।
34. কুরিয়ার বিজনেস ।
35. গহনা ।
36. সিরামিক টাইলস ।
37. ফার্নিচার ।
38. দেশি মুরগীর খামার ।
39. প্লাস্টিক থেকে সুতা ।
40. ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাস তৈরি ।
41. ট্রাভেল এবং ট্যুরিজম ব্যবসা ।
42. ডিটারজেন্ট ।
43. এলোব্যারা ও মাশরুম চাষ ।
44. ফুড কার্ট ।
45. এগ্রো ফার্ম ।
46. মসল্লার চাষ ।
47. সবজি রপ্তানি ।
48. ফল রপ্তানি ।
49. মাছ রপ্তানি ।
50. লাইভ ফিস ।
51. নিজ জেলায় ডাক্তার এপায়ন্টমেন্ট এপস ।
52. নিজ জেলায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি ।
53. ককংক্রিটের ব্যবসা ।
54. ফুলের চাষ ।
55. তাত নিয়ে কাজ ।
56. হোম মেড খাবার নিয়ে কাজ ।
57. আইসক্রীম তৈরি ।
58. হাসের খামার ।
59. মুরগীর খামার ।
60. কবুতরের খামার ।
61. বায়োগ্যাস ।
62. কয়েলের ব্যবসা ।
63. মোমবাতি তৈরি ।
64. গিফট আইটেম সেল ।
65. বেবী খেলনা ইম্পোর্ট করা ।
66. নিজ জেলায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ।
67. স্যানেটারি ন্যাপকিন ।
68. কসমেটিক্স ইম্পোর্ট ।
69. বাচ্চাদের খেলনা নিয়ে দোকান ।
70. ডেইরি ফার্ম ।
71. জুয়েলারি ব্যবসা ।
72. কার ওয়াশ ।
73. লন্ড্রি অনলাইন সার্ভিস ।
74. ইন্টরিয়ার ডিজাইন ।
75. ইলিশ মাছের বিভিন্ন আইটেম নিয়ে খাবারের দোকান ।
76. নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি ।
77. কাগজের ব্যাগ তৈরি ।
78. কাগজের প্যাকেট তৈরি ।
79. প্রিন্টিং ব্যবসা ।
80. স্টক লটের ব্যবসা ।
81. আধুনিক ফার্মেসী ।
82. গুড়া মসল্লার ব্যবসা ।
83. ফার্নিচার তৈরি ।
84. ফার্নিচার হোলসেল ।
85. চিড়ার ফ্যাক্টরি ।
86. মুড়ির ফ্যাক্টরি ।
87. সিরামিক টাইলস এর দোকান ।
88. সিরামিক সামগ্রী ।
89. বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই ব্যবসা ।
90. ঠিকাদারি ব্যবসা ।
91. ম্যান পাওয়ার সাপ্লাই ।
92. বিভিন্ন ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং ।
93. চা পাতার ব্যবসা ।
94. ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা ।
95. কফি শপ ।
96. ফাস্ট ফুড ।
97. লেদার নিয়ে কাজ করা ।
98. নিজ জেলায় বিভিন্ন পণ্য হোলসেল দেওয়া ।
99. ড্রাগন চাষ ।
100. খেজুর চাষ ।
101. নারিকেল চাষ ।
102. কাকড়া চাষ ও রপ্তানি করা ।
103. ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ।
104. ভ্রাম্যমাণ রেস্টুরেন্ট ।
105. চকলেটের দোকান ।
106. চকলেট ইম্পোর্ট করা ।
107. বেকারি ব্যবসা ।
108. পুরাতন ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবসা ।
109. বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন সরজামাদি সাপ্লাই দেওয়া ।
110. শোপিস তৈরির ব্যবসা ।
111. নিজ এলাকায় আইটি ফার্ম ।
112. অনলাইনে রেল, এয়ার ও বাসের টিকেট ব্যবসা ।
113. স্পোর্টস আইটেমের দোকান ।
114. স্কুল ব্যাগের ব্যবসা ।
115. আধা রসুনের পেষ্ট তৈরি ।
116. পটেটো চিপস তৈরি ।
117. ডেলিভারি ম্যান বা সিকিউরিটি বয় সার্ভিস ।
118. এপসের মাধ্যমে ক্লিনার ও কাজের বুয়া সার্ভিস ।
119. ডিম উৎপাদনে মুরগির খামার ।
120. চেইন শপের ব্যবসা ।
121. মৌমাছি পালন ।
122. সেলুন ব্যবসা ।
123. একুরিয়াম শপ ।
124. খাতা বানানোর কারাখানা ।
125. মানি ব্যাগ তৈরি ।
126. ডে-কেয়ার সার্ভিস ।
127. বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী ।
128. ঝিনুক থেকে চুন ।
129. বিভিন্ন ফলের বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি ।
130. সবজির বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি ।
131. জিম আইটেম সেল ।
132. জিমনিসিয়াম দেওয়া নিজ এলাকায় ।
133. পার্লার ব্যবসা ।
134. জি আই পাইপ তৈরি ।
135. মিনি সুগার মিল ।
136. আটা, ময়দা ও সুজির মিল ।
137. সয়াবিন রিফাইন ।
138. শতরঞ্জি, শাল, ব্যাগ, ফ্লোরম্যাটসহ বিভিন্ন পাটজাত পণ্য ।
139. শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, স্যুটের কাপড় ।
140. শর্ষের তেল ।
141. পেপার মিল ।
142. ফার্মেসি ও বিদেশি ঔষধের দোকান।
143. ঠিকাদারি ব্যবসা ।
আপনার কোনটা?
ও ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া:
ব্যবসা? পুঁজি লাগবে না? না, এই অনলাইনের যুগে একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকেন পুঁজি ছাড়াই আজ থেকেই আপনি ব্যবসায় নামতে পারেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া।
০১. এসইও কনসালটেন্ট : আপনি কি সার্চ ইঞ্জিনের বিষয়ে অভিজ্ঞ? মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানেন; কিন্তু কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানের আশায় বসে না থেকে অনলাইনেই শুরু করুন এসইও সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া। অনেক প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা আপনার পরামর্শ নেওয়ার জন্য বসে আছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটে এমন কাজ পাবেন। না হলে সোজা গুগল সার্চ দিন।
০২. বিজনেস প্রশিক্ষণ : আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতেই পারে। কিন্তু পয়সার অভাবে নিজের স্বপ্ন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন না। আপনার এই অভিজ্ঞতা বসে বসে নষ্ট করার কোন মানে নেই।
অনলাইনে এমন অনেককে পাবেন যারা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাইছে। লিংকডইনে যান, সেখানে আপনি ব্যবসা সংক্রান্ত আর্টক্যাল লিখতে পারবেন। এর দ্বারা সেখানে আপনি অনেক ক্লায়েন্ট পাবেন। তাদের সদুপদেশ দিয়ে নিজের মেধা এবং অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে টু-পাইস ইনকাম তো আছেই।
০৩. স্পেশালাইজড রিটেইলার : বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন দেশের সব বড় শহরগুলোতেই স্পেশালাইজড শপ বা সুপারশপ আছে। এদের মধ্যে অনেক ছোট বড় প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং বিজনেস শুরু করতে ইচ্ছুক। সেই সব প্রতিষ্ঠানের কোন একটির সঙ্গে চুক্তি করে আপনি তাদের পণ্যসম্ভার দিয়ে একটি অনলাইন শপ চালু করে ফেলতে পারেন। ঘরে বসে হয়ে যান রিটেইলার শপার।
০৪. সোশ্যাল মিডিয়া পরামর্শক : তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল সাইটগুলো চরম উত্কর্ষ অর্জন করেছে। জীবনের সব সমস্যার সমাধান যেন হয়ে উঠছে ফেসবুকের মত মাধ্যমগুলো। নিত্য নতুন ফিচারের পাশাপাশি বাড়ছে সোশ্যাল সাইট হ্যাক করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করার মত ঘটনা। আপনার যদি সোশ্যাল সাইটগুলোর ব্যবহারবিধি, নিরাপত্তাসহ ফ্রেন্ড-ফলোয়ার বৃদ্ধির বিভিন্ন ট্রিকস জানা থাকে হবে আপনি হয়ে যেতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া কনসাল্টেন্ট। এমনটা করলে অনেক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ পেতে পারেন।
০৫. ওয়েব ডিজাইন : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস এটা। এখন একটি ছোটখাট প্রতিষ্ঠানও চিন্তা করে তাদের একটা ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আপনার যদি ওয়েব ডিজাইন জানা থাকে তবে বসে থাকার কোন মানে নেই। ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোতে নিজের পোর্টফোলিও পোস্ট করুন। একটি নমুনা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে রাখুন। বাজারদর বিবেচনা করে সাশ্রয়ী পারিশ্রমিক ঘোষণা করুন। আপনাকে আর ঠেকায় কে?
০৬. আবেদনপত্র/কভার লেটার লেখা : আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে অনেক শিক্ষিত মানুষ সুন্দর করে একটি চাকরির আবেদনপত্র লিখতে জানে না। কিন্তু চাকরিক্ষেত্রে একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্র কিংবা কভার লেটার অন্যদের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আপনার এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকলে লিংকডইন কিংবা সোশ্যাল সাইটগুলোয় এই বিষয়ে ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারেন। ক্লায়েন্ট যে পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।
০৭. টাস্ক ম্যানেজার/সহকারী : আপনার যদি ভাল অর্গানাইজিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এই ব্যবসার উপযুক্ত। আপনি কি অনলাইনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে পারেন? তবে আপনার এই দক্ষতা একজন ব্যাক্তিগত সহকারী কিংবা অনলাইন টাস্ক ম্যানেজার হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। TaskRabbit কিংবা Zirtual এর মত কোম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনার মত মানুষকেই খুঁজে থাকে। এসব সাইটে আপনি ডাটা রিসার্চ, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট সহ বিভিন্ন কাজে সহকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
০৮. প্রফেশনাল ফ্রিল্যন্সার : ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত অবসর সময়ের কাজকেই আমরা বুঝে থাকি। কিন্তু সময়ের পাশাপাশি ধারণাও পাল্টে গেছে। এখন প্রচুর বেকার তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংকে মূল পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। আপনি চাইলে পার্টটাইম কাজও করতে পারেন। বেকার বসে না থেকে আজই যুক্ত হোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে।
০৯. অনলাইন মার্কেটিং : আপনি যদি আমাজানের মত সাইটগুলোতে পণ্যের রিভিউ লেখায় অভ্যস্ত থাকেন তবে এখনই তা বন্ধ করুন। কারণ বিনামূল্যে কেন আপনি কোন পণ্যের মার্কেটিং করবেন? ওয়ার্ড অব মাউথ-এর মত অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের প্রোডাক্ট অনলাইনে প্রমোট করার জন্য আপনাকে পয়সা দেবে। আপনার যদি প্রচুর ফলোয়ার সমৃদ্ধ সাইট কিংবা সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে তো সোনায় সোহাগা। আজই লেগে যান কাজে।
১০. ই-বুক লেখক : আপনার লেখালেখির হাত, ভাষার দক্ষতা এবং টাইপিং স্পীড যদি ভাল থাকে তবে আপনি অনায়াসে একজন ই-বুক রাইটার হতে পারেন। এটি অনেক সহজ একটা কাজ। ই-বুকের চাহিদা এত পরিমাণে বাড়ছে যে ই-বুক রাইটার খুঁজতে পাবলিকেশন্সগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। অনলাইনে এমন গ্রাহক খুঁজে নিতে পারেন সহজেই।
১১. প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান : অনেক ছোটখাট কোম্পানী আছে যাদের কোন আইটি স্পেশালিস্ট নেই। তাদের প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা হলে বাইরের লোক ডাকতে হয়। আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বসেই শুরু করতে পারেন প্রযুক্তগত পরামর্শ প্রদান। সমস্যা হলে তারা আপনাকে জানাবে এবং আপনি ঘরে বসেই সমাধান দিয়ে দেবেন। আর কী চাই?
১২. ভার্চুয়াল চালান : শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এই কাজটি আপনি নিজেই অহরহ করে থাকেন ব্যাংক কিংবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। আপনার একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে গুগল চেকআউটের মত ট্রানজেকশন হ্যান্ডল করতে পারেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের অনলাইন চালানসমূহ অর্গানাইজ করার জন্য আপনাকে খুঁজে নেবে। আপনি তাদের সাইট থেকে পণ্যের ছবি বিবরণ কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে আনুন। তারপর নির্দিষ্ট আর্থিক চুক্তির বিনিময়ে নেমে পড়ুন পণ্য বিক্রয়ে।
১৩. হস্তশিল্প বিক্রেতা : অটোমেটিক মেশিনের যুগে হস্তশিল্পের কদর মোটেই কমেনি। বরং প্রচারের অভাবে এই প্রাচীণ শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না। আপনি এমন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন। তাদের পণ্য আপনি অনলাইনে বিক্রি করবেন। গ্রাহকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপনি কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন তাদের কাছে।
১৪. অ্যাপ ডেভলপার : স্মার্টফোনের যুগে অ্যাপের ছড়াছড়ি। মানুষ এখন কম্পিউটারে বসে সাইট ব্রাউজ করার চাইতে স্মার্টফোন অ্যাপেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে আগ্রহী। আপনি যদি কোডিং সম্পর্কে ভাল জেনে থাকেন তবে লেগে পড়ুন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন সফওয়্যার ডেভলপার কোম্পানীও অনলাইনে ডেভলপার চায়। প্রথমে নিজে একটি আকর্ষণীয় অ্যাপ তৈরি করে নমুনা হিসেবে দেখান এবং যৌক্তিক পারিশ্রমিক দাবি করুন। আপনার কাজ পাওয়া নিশ্চিত।
#Entrepreneurship #উদ্যোক্তা #farhadsabuj #businessidea
8 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
farhad sabuj
Chelsea signings in 24 hours
✅ Jamie Gittins £55m
✅ Joao Pedro £60m
Do you still believe in Chelsea project?
11 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
farhad sabuj
বাংলাদেশের স্বচ্ছ রাজনীতির এই নতুন ধারায় আপনাদের সাড়ায় আমরা অভিভূত!
২০২৪-এর ছাত্র জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তৈরি হওয়া নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি পরিচালনার জন্য একটি "ফাইন্যান্স মডেল" তৈরি করেছে, যা এদেশের রাজনীতিতে সম্পূর্ণ নতুন।আপনারা জানেন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও নৈতিক রাজনৈতিক অর্থায়ন একটি রাজনৈতিক দলের শক্তিশালী ভিত্তি। গত চুয়ান্ন বছরের রাজনীতিতে বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলো যে আর্থিক কাঠামোতে তাদের দল পরিচালনা করেছে, সেটা যথেষ্ট অস্বচ্ছ ও ত্রুটিপূর্ণ। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, অর্থ লোপাটই ছিক অর্থায়নের মূল উৎস।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বাস্তবায়নে এনসিপি একটি স্বচ্ছ রাজনৈতিক অর্থায়নের নতুন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। আর তাই “আপনার অনুদানে আগামীর বাংলাদেশ” এই উদ্যোগ। এখন থেকে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার অনুদানেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে পরিচালিত হবে জাতীয় নাগরিক পার্টি।
এনসিপির হাত ধরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডোনেট করুন নিম্নোক্ত মাধ্যমে।
এনসিপিতে অনুদানের বিভিন্ন মাধ্যম:
মাধ্যম-০১: এনসিপি'র ওয়েবসাইট থেকে
ওয়েবসাইট লিংক: donate.ncpbd.org/
নির্দেশনা: ওয়েবসাইট ক্লিক করে আপনার তথ্য দিন। তারপর shurjoPay অপশন গিয়ে পছন্দমত মাধ্যম সিলেক্ট করে আপনার অনুদানটি পাঠিয়ে দিন।
মাধ্যম-০২: বিকাশ
বিকাশ নাম্বার: 01857038774 (মার্চেন্ট একাউন্ট)
নাম: National Citizen Party - NCP
নির্দেশনা: আপনার বিকাশ একাউন্টের Payment/Make Payment অপশনে গিয়ে অনুদান করুন এনসিপিতে।
মাধ্যম-০৩: নগদ
নগদ নাম্বার: 01857038774
নাম: National Citizen Party - NCP
নির্দেশনা: আপনার নগদ একাউন্টে গিয়ে Send Money অপশন থেকে এনসিপিতে অনুদান করুন।
মাধ্যম-০৪: ইসলামি ব্যাংক
ব্যাংক নাম: ISLAMI BANK
একাউন্ট নাম: NATIONAL CITZEN PARTY NCP
একাউন্ট নাম্বার: 20504300100053608
রাউটিং নাম্বার: 125270852
একাউন্ট টাইপ: AWCA(REGULAR)
ব্রাঞ্চ: বাংলামোটর
মাধ্যম-০৫: সিটি ব্যাংক
ব্যাংক নাম: CITY BANK
একাউন্ট নাম: National Citizen Party (NCP)
একাউন্ট নাম্বার: 1404463317001
রাউটিং নাম্বার: 225275357
ব্রাঞ্চ: বাংলামোটর (প্রিন্সিপাল অফিস)
#NCP #জাতীয়_নাগরিক_পার্টি #donate #BangladeshPolitices #bangladeshpoliticalissues
11 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
farhad sabuj
ফিলিপাইন ভিসা নিজে যেভাবে করবেন!
১. ট্যুরিস্ট ভিসায় আপনার আগ্রহ প্রকাশ করে ফিলিপাইন দূতাবাসে একটি ইমেল পাঠাবেন (dhakape.visaconcerns@gmail.com)
২. ফিডব্যাক মেইলে ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম সহ যে সকল ডকুমেন্টস লাগবে তার একটি চেকলিস্ট পাবেন। এবং তারা আপনাকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়ার জন্য একটি লিংক দিবে। ওই লিংকে গিয়ে আপনার বেসিক ইনফরমেশন গুলো দিবেন এবং অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি ফিল আপ করে ওখানে সাবমিট করবেন।
** যে সকল ডকুমেন্টস লাগবে :
* ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম নির্ভুলভাবে পূরণ করবেন
* ২*২" সাইজের ছবি; অবশ্যই ল্যাব প্রিন্ট হতে হবে।
* ভিসা রিকোয়েস্ট লেটার - আপনি কে, কি করেন, কেন যেতে চান, কত দিন থাকবেন, কোন শহরগুলিতে যাবেন, আপনার সাথে পরিবারের কে কে যাচ্ছে - এসব লিখবেন, আপনার পূর্বের ট্রাভেল হিস্টোরি উল্লেখ করবেন।
৩. ব্যাংক স্টেটমেন্ট : এক জনের জন্য মিনিমাম ৩-৫লক্ষ টাকা ব্যালেন্স সহ লাস্ট ছয় মাসের স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে। বিজনেস একাউন্টে অবশ্যই প্রতিমাসে ৫/১০ টা লেনদেন থাকতে হবে। যদি ৩ জন ফ্যামিলি মেম্বার আবেদন করেন তাহলে একজনের স্টেটমেন্ট দেখালেই হবে এবং কমপক্ষে ৬-১০ লক্ষ প্লাস ব্যালেন্স দেখাতে হবে। সেই সাথে সলভেন্সি সার্টিফিকেট দিবেন ।
৪. ফ্লাইট বুকিং: নন পেইড টিকেট বুক করবেন। এটা প্রিন্ট করে নিলেই হবে।
৫. হোটেল বুকিং: একটা ননপেইড বুকিং দিবেন ।
৬. ট্রাভেল আইটেনারি : যেহেতু আপনাকে ম্যানিলাতেই ল্যান্ড করতে হবে আপনি সহজে ভিসা পাওয়ার জন্য শুধু মাত্র ম্যানিলারই ৪/৫ দিনের ট্রাভেল আইটেনারি দিবেন। ধরেন আপনার অন্য সিটিতে যাওয়ার প্লান আছে, আপনি ট্রাভেল আইটেনারিতে উল্লেখ করলেন কিন্তু ওই সিটিতে যাওয়ার এয়ার টিকেট/বাস টিকেট দিলেন না, এ কারনেই আপনার ভিসা রিজেক্ট হয়ে যাবে। আপনি ভিসা পাওয়ার পর যেখানে মন চায় যান সমস্যা নেই।
৭. পেশাগত প্রমান : আপনি জব হোল্ডার হলে অবশ্যই এনওসি, অফিস আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে।
আর বিজনেস করলে ট্রেড লাইসেন্স এর নোটারাইজড কপি এবং ভিজিটিং কার্ড ও পেড লাগবে।
* সঙ্গে বাচ্চা থাকলে অবশ্যই বাচ্চার বার্থ সার্টিফিকেট লাগবে এবং পাসপোর্ট ইনফরমেশন পেজ ফটোকপি।
* স্পাউস সঙ্গে থাকলে স্পাউসের নাম যদি পাসপোর্টে মেনশন না থাকে তাহলে ম্যারেজ সার্টিফিকেট নোটারাইজড কপি লাগবে।
৮. সকল ডকুমেন্টস রেডি হলে ফিলিপাইন দূতাবাসের মেইলের রিপ্লাই করবেন ডকুমেন্টস গুলো অ্যাটাচ করে এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাইবেন। ওরা ৭/১০ দিনের মধ্যেই আপনাকে মেইল করবে এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডেট দিবে।
৯. ফ্যামিলি হলে যে কোন একজন গিয়ে সকলের পাসপোর্ট এবং ডকুমেন্টস জমা দিয়ে আসতে পারবেন।
১০. ভিসা ফি: আগে ৪৬০০ টাকা ছিলো রিসেন্টলি ৫০০০ টাকা হয়েছে ।
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
farhad sabuj
অনেক সময় আমরা যেসব Prompt দেই, ChatGPT সেগুলো বুঝে না বা উলটাপালটা রেজাল্ট দেয় বা আমরা যেমন চাচ্ছি তেমন দেয় না। রাইট?
সমস্যা AI-এ না, সমস্যা prompt-এ!
👇 নিচে ৯টি Powerful Prompt Framework দিলাম —
যেগুলো ব্যবহার করে আপনি যেকোনো কাজ ChatGPT দিয়ে নিখুঁতভাবে করিয়ে নিতে পারবেন! 🚀
🔵 ১. ERA = Expectation + Role + Action
➡️ আপনি কী রেজাল্ট চান, ChatGPT কোন রোলে কাজ করবে, আর কী অ্যাকশন নিতে হবে।
🎯 Example Prompt:
“Act as a science teacher and explain how gravity works in simple terms I can understand.”
🔵 ২. APE = Action + Purpose + Expectation
➡️ কী কাজ, কেন করবেন, আর কী রেজাল্ট চান।
🎯 Example Prompt:
“Write a blog post to help beginners understand SEO, and make sure it’s simple and practical.”
🔵 ৩. TAE = Task + Action + End Goal
➡️ কাজ কী, কিভাবে হবে, আর শেষ লক্ষ্য কী।
🎯 Example Prompt:
“Explain the steps to start a YouTube channel that makes passive income.”
🔵 ৪. CARE = Context + Action + Result + Example
➡️ ব্যাকগ্রাউন্ড দিন, কাজ বুঝিয়ে বলুন, রেজাল্ট ও উদাহরণ দিন।
🎯 Example Prompt:
“Help me write an Instagram caption for a new coffee shop launch. I want it to sound cozy and modern.”
🔵 ৫. RACE = Role + Action + Context + Expectation
➡️ কে, কী করবে, কোন পরিস্থিতিতে, এবং আপনি কী আশা করছেন।
🎯 Example Prompt:
“Act as a digital marketer like NShamimPRO and write a strategy for a clothing brand’s Facebook ads.”
🔵 ৬. RISE = Role + Input + Steps + Expectation
➡️ কোন রোলে কাজ করবে, কী ইনপুট দেবেন, করণীয় ধাপগুলো কী, আর শেষ ফলাফল কী হবে।
🎯 Example Prompt:
“As a video scriptwriter, use this blog post and turn it into a 60-second YouTube Short.”
🔵 ৭. ROSES = Role + Objective + Scenario + Expected Solution + Steps
➡️ কে, উদ্দেশ্য কী, পরিস্থিতি কী, সমাধান কী, করণীয় কী।
🎯 Example Prompt:
“As a coach, help me overcome procrastination. I want practical, step-by-step advice.”
🔵 ৮. COAST = Context + Objective + Actions + Scenario + Task
➡️ পটভূমি দিন, উদ্দেশ্য বলুন, অ্যাকশন ও পরিস্থিতি বুঝিয়ে দিন।
🎯 Example Prompt:
“Write a welcome email for new subscribers to my AI course AIinBangla .com who just signed up from a Facebook ad.”
🔵 ৯. TRACE = Task + Request + Action + Context + Example
➡️ কী কাজ, কী চাইছেন, কীভাবে করতে হবে, ব্যাকগ্রাউন্ড ও একটি উদাহরণ দিন।
🎯 Example Prompt:
“Create a motivational quote image caption for Instagram, targeting students preparing for exams.”
🌟 এখন থেকে ChatGPT দিয়ে কনটেন্ট, আইডিয়া, মার্কেটিং, বা যেকোনো কাজ করানো হবে আরো সহজ, স্মার্ট এবং প্রফেশনাল!
📥 পোস্টটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, যারা AI দিয়ে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করছে!
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
farhad sabuj
এনসিপি মৌলিক সংস্কারের যে রূপরেখা প্রণয়ন ও প্রস্তাবনা করেছে সেগুলো দেশ ও জনগণের স্বার্থে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে হবে। এনসিপি'র মৌলিক সংস্কার প্রস্তাবনার মূল উপাদানগুলো দেখে নিন এক পলকে-
#NCP #সংস্কার #জাতীয়_নাগরিক_পার্টি
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
farhad sabuj
Arrival Card & Customs Declaration Form
আমরা সাধারণত যে সব দেশ গুলো নিয়মিত ট্রাভেল করে থাকি তার মধ্যে কিছু কিছু দেশে ইমিগ্রেশন লাইনে দাঁড়ানোর আগে এরাইভাল কার্ড ও কাস্টমস ডিক্লারেশন ফর্ম অনলাইনে ফিলাপ করতে হয়। এটি অনেকেই না জানার কারণে অনেক বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হয়। বাংলাদেশে কিছু কিছু এয়ারলাইন্স বোর্ডিং পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে এটা চেক করে থাকে। এ ছাড়া আপনি লম্বা লাইন ধরে যদি ইমিগ্রেশন অফিসারের ডেস্ক এর সামনে থেকে যদি ফেরত আসতে হয় তাহলে কেমন লাগবে?! সুতরাং ট্রাভেল করার সময় এই এরাইভাল কার্ড বা কাস্টমস ডিক্লারেশন ফর্ম যথাসময়ে ফিলাপ করে নিবেন।
নিছে কিছু দেশের Arrival Card & Customs Declaration Form এর অথেনটিক লিঙ্ক সাজিয়ে দিয়েছি আপনাদের জন্য। আশাকরি সবার উপকারে আসবে।
🇹🇭Thailand - tdac.immigration.go.th/arrival-card/#/home
🇸🇬Singapore - eservices.ica.gov.sg/sgarrivalcard/fvipa
🇲🇾Malaysia - imigresen-online.imi.gov.my/mdac/main?registerMain
🇲🇻Maldives-
imuga.immigration.gov.mv/traveller
🇵🇭Philippine - etravel.gov.ph/
🇮🇩Indonesia - ecd.beacukai.go.id/
🇧🇳Brunei - www.imm.gov.bn/
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
farhad sabuj
ট্যারিফ যুদ্ধের দুঃশ্চিন্তায় ডুবে থাকা বিশ্ব অর্থনীতির ফাঁক গলে এক নতুন ফ্রন্ট খুলে দিয়েছে চীন— যেখানে টার্গেট সরাসরি ব্র্যান্ড, বিলাসিতা আর ভোক্তার মনস্তত্ত্ব। গত কয়েক মাসে, আমেরিকা চাইনিজ পণ্যের উপর সর্বোচ্চ ১৩৫% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে। পাল্টা চীনও ১৪৫% পর্যন্ত ট্যারিফ বসিয়েছে আমেরিকান পণ্যে। তবে শুধু রাজস্বেই নয়, মূল আঘাত আসছে এক অদৃশ্য দিক থেকে— বিশ্ববিখ্যাত লাক্সারি ব্র্যান্ড যেগুলোর চীনে কারখানা রয়েছে প্রকৃত উৎপাদন রহস্য ফাঁস করে দিচ্ছে চীন।
চীনের বিভিন্ন ই-কমার্স সাইট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ঝড়ের মতো ছড়িয়ে পড়েছে তথাকথিত ‘রিয়েল কস্ট এক্সপোজার’ ক্যাম্পেইন। যেখানে তুলে ধরা হচ্ছে আসল কস্টের তুলনায় অত্যধিক বিক্রয়মূল্যের তথ্য। এমনকি দেশটি শুধু তথ্য ফাঁসেই থামেনি। তারা সরাসরি উৎপাদকদের (OEM Factories) মাধ্যমে মূল উপকরণ এবং কারিগরির উপর ভিত্তি করে ‘লোগো-ছাড়া লাক্সারি’ পণ্য সরবরাহ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। বিশেষ করে, Shenzhen, Guangzhou এবং Yiwu-এর মতো শহরে এখন শত শত কারখানা বিশ্বমানের স্যুট, ব্যাগ, ঘড়ি, ফোন পার্টস বানিয়ে রপ্তানি করছে— যার মূল্য মূল ব্র্যান্ডের তুলনায় ৯০%-এরও কম।
শুধু পোশাক বা ব্যাগ নয়—সোনা, হীরার অলংকার, ওয়াচ মুভমেন্ট, এমনকি প্রিমিয়াম ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ক্ষেত্রেও এই ‘ডুপ্লিকেট অথ অথেনটিক কোয়ালিটি’ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি নিছক মূল্য-যুদ্ধ নয়। চীন চায় আমেরিকার লাক্সারি ব্র্যান্ডগুলোর Core Asset অর্থাৎ, Consumer Trust এবং Prestige Perception-কে ধ্বংস করে দিতে। একবার যদি ভোক্তাদের মনে প্রশ্ন জন্ম নেয়, ‘আমি আসলে কী কিনছি?’, তখন বিলাসিতার পুরো স্থাপত্যই ভেঙে পড়বে। অন্যদিকে চীন এই কৌশলে তার দেশের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত ক্রেতাদেরও গ্লোবাল বিলাসবহুল ব্র্যান্ড থেকে সরিয়ে নিজের অভ্যন্তরীণ বাজার তৈরি করছে।
Made-in-China Premium— এই নতুন ধারণার প্রচারে TikTok, Taobao, Douyin, RED-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে বিশাল ক্যাম্পেইন চলছে। উদাহরণস্বরূপ :
- TikTok-এ #RealCostLuxury হ্যাশট্যাগে ভিডিও ভিউ এর সংখ্যা ইতোমধ্যে ২ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে।
- Alibaba-র একটি নতুন সাবসিডিয়ারি ‘Luxury Without Logo’ গত ৩ মাসে ৪৮০% বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
- চীনা কোম্পানি Miniso এমনকি Dior-এর স্টাইলের পারফিউম বাজারে এনেছে, যার মূল্য Dior-এর আসল পারফিউমের মাত্র ১০ ভাগের এক ভাগ।
বিশ্বব্যাপী বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলোর জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা। উচ্চমূল্যের স্বপ্ন আর একচেটিয়া ইমেজের যে জাদুতে এতদিন বাজার শাসন করছিল তারা, সেই জাদু ভাঙতে শুরু করেছে। ভোক্তারা এখন গুণগত মান বনাম দামের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন করছেন। কেবল প্রচার আর মিথ তৈরি করে আর কতদিন তাদের আস্থা ধরে রাখা যাবে?
বিশেষজ্ঞরা এটিকে বলছেন— The Silent Collapse of Luxury Monarchy.
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
farhad sabuj
৫০টা ফ্রি AI টুল — আপনার কাজ করবে ১০ গুণ দ্রুত!
এগুলো জানলে আপনি সামনে এগিয়ে থাকবেন, না জানলে পিছিয়ে পড়বেন।
ডিজাইন, কনটেন্ট, ভিডিও এডিট, মার্কেটিং—সব কিছুই অটো!
নিচে ৫০টি ফ্রি AI টুলের তালিকা দেওয়া হলো —
1. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
2. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
3. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
4. Copy. ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
5. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
6. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
7. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
8. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
9. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
10. Remove. bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
11. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
12. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
13. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
14. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
15. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
16. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
17. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
18. Cleanup. pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
19. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
20. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
21. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
22. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
23. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
24. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
25. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
26. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
27. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
28. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
29. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
30. Play. ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
31. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
32. AI Dungeon – ইন্টার্যাকটিভ গল্প বানায়।
33. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
34. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
35. Designs. ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
36. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
37. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
38. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
39. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
40. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
41. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
42. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
43. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
44. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
45. FormX. ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
46. Murf. ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
47. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
48. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
49. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
50. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
Load more