Experienced in Family medicine, Diabetes and asthma. Primary Care Respiratory Physician, Trainer of Education for health UK & ICDDRB, coordinator and mentor of International Asthma Module. Lifestyle Modifier.
সুস্থ থাকার জন্য শরীরকে ভেতর থেকে জানা খুবই জরুরি। তাই শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে এবং নানা রোগের ঝুঁকি এড়াতে ‘ফাস্টিং লিপিড প্রোফাইল’ পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্তে চর্বির মাত্রা পরিমাপ করার একটি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
✅হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে আগে থেকেই সতর্ক করে।
✅রক্তে কোলেস্টেরলের ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা পরিমাপ নির্ণয় করতে সহায়তা করে।
✅কার্ডিওভাসকুলার রোগের অগ্রিম ঝুঁকি জানাতে সহায়তা করে
✅ধমনী বা শিরাতে ব্লকেজ তৈরির সম্ভাবনা নির্ণয়ে অগ্রিম তথ্য প্রদান করে
📞 সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আমাদের স্পেশালাইজড বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ গ্রহণ করার জন্য আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করতে কল করুন: ০৯৬৭৮-২৪২৪০৪ / ০৯৬৬৬-২৪২৪০৪ (সকাল ৮টা – রাত ৯টা) 📲 WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন: ০১৫৯৫-৩৩৩৩৩৩ 📩 ফেসবুকে মেসেজ পাঠান 🏥 আমাদের ঠিকানা: বাড়ি-২৯/৩১, নূর টাওয়ার, ব্লক-ডি, রোড-১, সেক্টর-২, আফতাবনগর, বাড্ডা, ঢাকা ১২১২
কখনো কি এমন হয়— আপনি জানেন এটা করা ঠিক না, তবুও ভেতর থেকে একটা শক্ত টান আসে… যেন কেউ বলছে, “করেই ফেলো”?
আপনি জানেন এই খাবারটা আপনার জন্য ক্ষতিকর, তবুও বারবার খাচ্ছেন। আপনি জানেন রাত জাগা খারাপ, তবুও স্ক্রল করতে করতে রাত পার করে দিচ্ছেন। আপনি জানেন ব্যায়াম ভালো, হাঁটা দরকার, শরীর নড়ানো দরকার—তবুও শুরু করা হয়ে ওঠে না।
আপনি করতে চান না… তবুও কখনো করে ফেলেন। তারপর ভেতরে একটা অপরাধবোধ।
প্রথমেই একটা জিনিস পরিষ্কার করে নিই— এই ভেতরের তাগিদটা আপনি না।
ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—মনে যে চিন্তা আসে, সেটা নিজে পাপ না, যতক্ষণ না আমরা সেটাকে কাজে পরিণত করি।
তাহলে এই ভেতরের “কণ্ঠ” কোথা থেকে আসে?
এখানে তিনটা জিনিস একসাথে কাজ করে— এক. নফস, মানে নিজের প্রবৃত্তি দুই. শয়তানের ওসওয়াসা তিন. আপনার আগের অভ্যাসে তৈরি brain pattern
শয়তান আপনাকে ধরে টেনে কিছু করায় না। সে শুধু আপনার ভেতরে কথা ঢুকায়—
“এটা একবার করলে কিছু হবে না” “আজ একটু করি, কাল থেকে ঠিক হবো” “এখন mood নেই, পরে করবো” “কেউ তো দেখছে না” “এতে একটু শান্তি পাবা”
এইগুলোই ওসওয়াসা—নীরব, কিন্তু খুব প্রভাবশালী।
এখন brain-এর ভেতরে কী হয়?
যখন এই তাগিদ আসে, তখন কয়েকটা সিস্টেম একসাথে কাজ করে—
মস্তিষ্কের একটা অংশ সেটাকে জরুরি বা আবেগপূর্ণ বানায় আরেকটা অংশ বলে—এটা করলে একটু ভালো লাগবে পুরনো অভ্যাস মনে করিয়ে দেয়—আগেও করেছিলে আর যে অংশটা আপনাকে থামানোর কথা—যেটা self-control দেয়— সেটা যদি ক্লান্ত থাকে, ঘুম কম হয়, stress বেশি হয়, মাথা overload থাকে—তাহলে সেটার শক্তি কমে যায়
তখনই হয়— আপনি জানেন এটা ভুল তবুও করে ফেলেন
এটা শুধু ইচ্ছাশক্তির সমস্যা না এটা অনেক সময় শরীর, মস্তিষ্ক আর অভ্যাস—সবকিছুর combination
এই পুরো প্রক্রিয়াটা এমন—
কোনো trigger তারপর একটা চিন্তা তারপর একটা তাগিদ তারপর কাজ
এই loop বারবার repeat হলে সেটা habit হয়ে যায়
আর একটা জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ—imagination
আপনি যদি বারবার মনে মনে সেই কাজটা কল্পনা করেন, সেই scene-টা replay করেন, সেই খাবারটা ভাবেন, সেই অনুভূতিটা চিন্তা করেন— তাহলে brain সেটাকে আরও real মনে করতে শুরু করে
তাগিদটা আরও strong হয়
আবার উল্টোটা-ও সত্য— আপনি যদি নিজেকে কল্পনা করেন—আমি থামছি, আমি না বলছি, আমি উঠে যাচ্ছি, আমি control নিচ্ছি— তাহলে brain নতুন পথ তৈরি করতে শুরু করে
এখন সবচেয়ে জরুরি অংশ— এই “command” আপনি কীভাবে block করবেন?
প্রথম ধাপ—নামকরণ নিজেকে বলুন— এটা আমি না এটা একটা তাগিদ এটা একটা কুমন্ত্রণা
এই একটাই কাজ আপনার মাথাকে clear করে দেয়
দ্বিতীয় ধাপ—তর্ক করবেন না এই চিন্তার সাথে argue করলে এটা আরও শক্তিশালী হয় বরং আল্লাহর কাছে আশ্রয় চান, এবং চিন্তাটা ছেড়ে দিন
তৃতীয় ধাপ—শরীরকে নড়ান চুপচাপ বসে থাকবেন না উঠে দাঁড়ান, ওজু করুন, একটু হাঁটুন, পানি খান এই তাগিদ wave-এর মতো—কিছু সময় পরে কমে যায়
চতুর্থ ধাপ—trigger কেটে দিন যে জিনিসগুলো আপনাকে বারবার ওই জায়গায় নিয়ে যায়— রাত জাগা, একা থাকা, ফোন, নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্ট— এইগুলো দূরে না রাখলে আপনি বারবার একই জায়গায় যাবেন
পঞ্চম ধাপ—শরীর ঠিক করুন ঘুম ঠিক না থাকলে, খাবার ঠিক না হলে, stress বেশি হলে, দিনভর স্ক্রিনে ডুবে থাকলে—
আপনার control কমে যাবে এটা স্বাভাবিক
তাই এগুলো ঠিক করা কোনো অপশন না—এটা foundation
ষষ্ঠ ধাপ—দোয়া ও যিকির আউযুবিল্লাহ পড়ুন নামাজে মন দিন বারবার আল্লাহকে স্মরণ করুন— সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার
এগুলো শুধু মুখের কথা না— এগুলো হৃদয়কে জাগিয়ে রাখে, মনকে পরিষ্কার করে
সপ্তম ধাপ—replacement শুধু “করবো না” বললে হবে না তার জায়গায় কিছু করতে হবে— হাঁটা, দোয়া, ব্যায়াম, কারও সাথে কথা বলা—কিছু একটা
অষ্টম ধাপ—নিজেকে দোষী বানাবেন না আপনি ভুল করলে আপনি খারাপ হয়ে যান না বরং আপনি মানুষ আপনি শিখছেন
“আমি শেষ”—এই চিন্তা সবচেয়ে dangerous
নবম ধাপ—লিখে ফেলুন কি trigger ছিল কি চিন্তা এসেছিল আপনি কি করতে পারতেন
এইটা clarity দেয়
দশম ধাপ—একা থাকবেন না একাকীত্বে এই তাগিদগুলো বড় হয় ভালো মানুষ, ভালো সঙ্গ, accountability—এগুলো আপনাকে শক্ত রাখে
কারণ শয়তান অন্ধকার, একাকিত্ব আর গোপন rehearsal পছন্দ করে; আর আলো, সংযোগ আর একটি গুছানো জীবনযাপন তার সেই প্রবাহকে ভেঙে দেয়
সবশেষে একটা কথা মনে রাখবেন—
চিন্তা আপনার না তাগিদ আপনার না কিন্তু সিদ্ধান্ত আপনার
শয়তান শুধু প্রস্তাব দেয় আপনি গ্রহণ করলে তবেই সেটা বাস্তব হয়
আপনি যদি চিন্তা আর নিজের মধ্যে পার্থক্য করতে শিখে যান আপনি অর্ধেক যুদ্ধ জিতে গেছেন
আর যদি কখনো মনে হয় এই তাগিদগুলো খুব বেশি হচ্ছে, বারবার আসছে, কষ্ট দিচ্ছে— তাহলে চুপ করে থাকবেন না কাউকে বলুন, প্রয়োজনে সাহায্য নিন
আমরা কি তেল খাচ্ছি, নাকি মেশিনের লুব্রিকেন্ট? সয়াবিন তেলের অন্ধকার ইতিহাস!
শুনলে গা শিউরে উঠবে, আজ আমরা যেটাকে "হার্ট হেলদি" ভেজিটেবল অয়েল বা সয়াবিন তেল বলে বাজার থেকে কিনে আনি, তার জন্ম হয়েছিল মূলত সাবান আর মোমবাতি বানানোর জন্য! খাবারের জন্য নয়!
গল্পটা ১৯০০ সালের শুরুর দিকের। আমেরিকা জুড়ে তখন প্রচুর তুলা চাষ হতো। তুলার বীজ (Cottonseed) ছিল এক ধরণের বিষাক্ত বর্জ্য বা আবর্জনা, যা কেউ ছুঁয়েও দেখত না। বড়জোর সার হিসেবে বা বাতি জ্বালানোর তেল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তখন Procter & Gamble (P&G) নামের একটি কোম্পানি এই সস্তা বর্জ্য তেল দিয়ে সাবান আর মোমবাতি তৈরি করত। কিন্তু হঠাৎ ইলেকট্রিসিটি বা বিদ্যুৎ চলে আসায় মোমবাতির চাহিদা কমে গেল। কোম্পানি পড়ল মহাবিপদে! গুদাম ভর্তি এই তেল এখন তারা কী করবে? তখনই তাদের মাথায় এলো এক ভয়ংকর বুদ্ধি! তারা ল্যাবরেটরিতে এই তরল তেলের সাথে হাইড্রোজেন মিশিয়ে (Hydrogenation) সেটাকে জমিয়ে ফেলল। দেখতে হুবহু পশুর চর্বি বা মাখনের মতো সাদা ও থকথকে। নাম দিল—Crisco (ক্রিসকো)।
ব্যাস! শুরু হলো ইতিহাসের অন্যতম বড় ব্রেইনওয়াশ। তারা কোটি কোটি টাকা খরচ করে প্রচার করতে লাগল—"পশুর চর্বি বা মাখন হলো নোংরা, আর আমাদের ল্যাবরেটরিতে বানানো এই তেল হলো পরিষ্কার ও হজমের জন্য ভালো।" তারা বিনামূল্যে রেসিপি বই বিলি করল, যেখানে মাখনের বদলে তাদের এই 'মেকি চর্বি' ব্যবহারের কথা বলা হলো। ডা জাহাঙ্গীর কবির এই বিষয়ে শত ভিডিও বানিয়ে প্রচার করেছেন কীভাবে এই কৃত্রিম তেল (যা আসলে ট্রান্স ফ্যাট) আমাদের ধমনিতে প্রদাহ বা Inflammation তৈরি করে। হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস আর ক্যানসারের মূল শিকড় গেড়ে দেওয়া হয়েছিল সেদিনই, যেদিন আমরা প্রাকৃতিক মাখন-ঘি ছেড়ে এই কারখানার তেল ধরেছিলাম। ডা. জাহাঙ্গীর কবির (Dr. Jahangir Kabir) এবং JK Lifestyle ঠিক এই জায়গাটিতেই আমাদের সতর্ক করেন। কেন জেকে লাইফস্টাইলে সয়াবিন/রাইসব্রান তেল নিষিদ্ধ? কারণ এগুলো মেশিন আর কেমিক্যালে প্রসেস করা 'মৃত খাবার'।
এর বদলে আমরা কেন ঘানি ভাঙা সরিষার তেল, ঘি বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল খেতে বলি? কারণ এগুলো সরাসরি প্রকৃতি থেকে আসে, কোনো ল্যাবরেটরির কারসাজি এতে নেই।
১০০ বছর আগে ব্যবসায়ীরা তাদের 'বর্জ্য' আমাদের প্লেটে তুলে দিয়েছিল শুধু লাভের আশায়। আজ এত বছর পর আমরা যখন হাসপাতালে দৌড়াচ্ছি, তখন কি আমাদের হুঁশ ফিরবে? প্রকৃতিতে ফিরে আসুন, সুস্থতা এমনিতেই আসবে। সিদ্ধান্ত আপনার হাতে—বর্জ্য খাবেন, নাকি রিয়েল ফুড?
সবজি ভাত রুটি আলু ছাড়া শুধু মাংস আর চর্বি খেয়ে কি সুস্থ থাকা সম্ভব? ১৯২৮ সালের একটি পাগলাটে এক্সপেরিমেন্ট!
আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি—সুস্থ থাকতে হলে প্লেট ভরে শাক-সবজি খেতেই হবে। আর চর্বি? ওরে বাবা! ওটা তো হার্ট অ্যাটাকের যম!
কিন্তু ১৯০৬ সালে হার্ভার্ডের বিজ্ঞানী Vilhjalmur Stefansson যা দেখলেন, তা পুরো চিকিৎসা বিজ্ঞানকে একশ বছর আগে চ্যালেঞ্জ করেছিল।
তিনি কানাডিয়ান আর্কিটিকে Inuit (এস্কিমো) দের সাথে থাকতে শুরু করলেন। তিনি অবাক হয়ে দেখলেন, ইনুইটরা কোনো সবজি খায় না, কোনো ফল খায় না, কোনো শস্য (Grain) ছোঁয় না। তাদের খাবারের ৭০-৮০% ক্যালরি আসে Caribou (হরিণ) এবং Seal-এর চর্বি ও মাংস থেকে। ফলাফল? ১. তাদের কোনো হার্ট ডিজিজ, ডায়াবেটিস বা ক্যান্সার ছিল না। ২. তাদের দাঁত ছিল একদম মজবুত, কোনো ক্যাভিটি ছাড়া। তিনি ফিরে এসে যখন এই কথা বললেন, ডাক্তাররা তাকে পাগল ভাবলেন! "এটা অসম্ভব! ভিটামিন সি ছাড়া তো স্কার্ভি হয়ে মরে যাওয়ার কথা!" তখন Stefansson নিলেন এক ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ! সাল ১৯২৮। নিউ ইয়র্কের Bellevue Hospital-এ এক অদ্ভুত পরীক্ষা শুরু হলো। Stefansson এবং তার সঙ্গী ১ বছর ল্যাবরেটরিতে কড়া নজরদারিতে থাকলেন। শর্ত একটাই—তারা শুধুমাত্র মাংস আর চর্বি খাবেন। কোনো সবজি বা শর্করা ছোঁবেন না। বিজ্ঞানিরা অপেক্ষায় ছিলেন কখন তাদের শরীর ভেঙে পড়ে। কিন্তু ১ বছর পর রিপোর্ট দেখে সবার চোখ কপালে উঠল: তাদের কোনো পুষ্টির অভাব হয়নি (স্কার্ভি হয়নি)। কিডনি ও হার্ট ছিল ঘোড়ার মতো শক্তিশালী।
Stefansson উল্টো কয়েক কেজি মেদ কমিয়ে ফিট হয়েছিলেন! ইতিহাস কীভাবে ফিরে আসে দেখুন!
আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে যা প্রমাণিত হয়েছিল, মাঝখানে বাণিজ্যিক স্বার্থে আমরা তা ভুলে গিয়েছিলাম। ডা. জাহাঙ্গীর কবির Muhammad Jahangir Kabirএবং তার JK Lifestyle ঠিক এই বিজ্ঞানটাকেই আমাদের সামনে সহজ করে তুলে ধরেছেন। আমরা জেকে লাইফস্টাইলে ঠিক এই মেথডটাই ফলো করি: ১. ফ্যাট অ্যাডাপ্টেশন (Fat Adaptation): শুরুতে আমরা শরীরকে চিনি ও বাজে কার্বোহাইড্রেট থেকে সরিয়ে আনি। এ সময় আমরা পর্যাপ্ত ভালো ফ্যাট (ঘি, মাখন, ডিমের কুসুম) ও প্রোটিন খাই। ঠিক ইনুইটদের মতো আমাদের শরীর তখন শর্করা বাদ দিয়ে চর্বি গলিয়ে শক্তি তৈরি করা শেখে। ২. মেইন্টেনেন্স (Maintenance): শরীর যখন পুরোপুরি সুস্থ ও ফ্যাট-অ্যাডাপ্টেড হয়ে যায়, তখন আমরা সারাজীবন সুস্থ থাকার জন্য নিয়ম মেনে নিরাপদ শর্করা বা সিজনাল ফল খাদ্যতালিকায় যোগ করি। Dr. Jahangir kabir বরাবরই বলে এসেছেন, প্রকৃতি কখনো ভুল করে না। কারখানায় তৈরি সয়াবিন তেলের চেয়ে আল্লাহর তৈরি ডিমের কুসুম বা গরুর চর্বি আপনার শরীরের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ। এটি বোঝার জন্য বিজ্ঞানী হওয়ার দরকার নেই, সামান্য কমন সেন্স থাকলেই যথেষ্ট। খোদ আমেরিকাই (FDA) এখন তাদের ভুল শুধরে প্রসেসড অয়েলের বিরুদ্ধে কথা বলছে।
১৯২৮ সালের সেই বিজ্ঞানী আর আজকের ডা. জাহাঙ্গীর কবির—দুজনেই একই সত্যের কথা বলেছেন। মাঝখানে কেটে গেছে ১০০ বছর। আমরা কি আর ভুল পথে থাকব? নাকি প্রকৃতির কাছে ফিরব? সিদ্ধান্ত আপনার।
Dr Jahangir Kabir
ঈদ মুবারক, চলুন নিজের পছন্দ স্যাক্রিফাইস করে যেটা আমার জন্য কল্যাণ সেটাই করি, ওষুধমুক্ত সুস্থ জীবন গড়ি, দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যানে কাজ করি ❤️❤️
4 weeks ago | [YT] | 11,897
View 179 replies
Dr Jahangir Kabir
আল্লাহর নামে আল্লাহর ঘরে পবিত্র হজ্জ্ব পালনের উদ্দেশ্য নিয়ে রওনা করিলাম আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন
1 month ago | [YT] | 17,190
View 826 replies
Dr Jahangir Kabir
1999 সাল দেখেন আমাকে চিনতে পারেন কিনা মাইনাস ফিগার 😂😂
1 month ago | [YT] | 1,893
View 121 replies
Dr Jahangir Kabir
সুস্থ থাকার জন্য শরীরকে ভেতর থেকে জানা খুবই জরুরি। তাই শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে এবং নানা রোগের ঝুঁকি এড়াতে
‘ফাস্টিং লিপিড প্রোফাইল’ পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্তে চর্বির মাত্রা পরিমাপ করার একটি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
✅হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে আগে থেকেই সতর্ক করে।
✅রক্তে কোলেস্টেরলের ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা পরিমাপ নির্ণয় করতে সহায়তা করে।
✅কার্ডিওভাসকুলার রোগের অগ্রিম ঝুঁকি জানাতে সহায়তা করে
✅ধমনী বা শিরাতে ব্লকেজ তৈরির সম্ভাবনা নির্ণয়ে অগ্রিম তথ্য প্রদান করে
📞 সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আমাদের স্পেশালাইজড বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ গ্রহণ করার জন্য আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করতে কল করুন: ০৯৬৭৮-২৪২৪০৪ / ০৯৬৬৬-২৪২৪০৪
(সকাল ৮টা – রাত ৯টা)
📲 WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন: ০১৫৯৫-৩৩৩৩৩৩
📩 ফেসবুকে মেসেজ পাঠান
🏥 আমাদের ঠিকানা: বাড়ি-২৯/৩১, নূর টাওয়ার, ব্লক-ডি, রোড-১, সেক্টর-২, আফতাবনগর, বাড্ডা, ঢাকা ১২১২
#JKLifeStyle #drjahangirkabir #healthrevolution #ultimateorganiclife
2 months ago | [YT] | 457
View 13 replies
Dr Jahangir Kabir
কখনো কি এমন হয়—
আপনি জানেন এটা করা ঠিক না, তবুও ভেতর থেকে একটা শক্ত টান আসে… যেন কেউ বলছে, “করেই ফেলো”?
আপনি জানেন এই খাবারটা আপনার জন্য ক্ষতিকর, তবুও বারবার খাচ্ছেন।
আপনি জানেন রাত জাগা খারাপ, তবুও স্ক্রল করতে করতে রাত পার করে দিচ্ছেন।
আপনি জানেন ব্যায়াম ভালো, হাঁটা দরকার, শরীর নড়ানো দরকার—তবুও শুরু করা হয়ে ওঠে না।
আপনি করতে চান না… তবুও কখনো করে ফেলেন।
তারপর ভেতরে একটা অপরাধবোধ।
প্রথমেই একটা জিনিস পরিষ্কার করে নিই—
এই ভেতরের তাগিদটা আপনি না।
ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—মনে যে চিন্তা আসে, সেটা নিজে পাপ না, যতক্ষণ না আমরা সেটাকে কাজে পরিণত করি।
তাহলে এই ভেতরের “কণ্ঠ” কোথা থেকে আসে?
এখানে তিনটা জিনিস একসাথে কাজ করে—
এক. নফস, মানে নিজের প্রবৃত্তি
দুই. শয়তানের ওসওয়াসা
তিন. আপনার আগের অভ্যাসে তৈরি brain pattern
শয়তান আপনাকে ধরে টেনে কিছু করায় না।
সে শুধু আপনার ভেতরে কথা ঢুকায়—
“এটা একবার করলে কিছু হবে না”
“আজ একটু করি, কাল থেকে ঠিক হবো”
“এখন mood নেই, পরে করবো”
“কেউ তো দেখছে না”
“এতে একটু শান্তি পাবা”
এইগুলোই ওসওয়াসা—নীরব, কিন্তু খুব প্রভাবশালী।
এখন brain-এর ভেতরে কী হয়?
যখন এই তাগিদ আসে, তখন কয়েকটা সিস্টেম একসাথে কাজ করে—
মস্তিষ্কের একটা অংশ সেটাকে জরুরি বা আবেগপূর্ণ বানায়
আরেকটা অংশ বলে—এটা করলে একটু ভালো লাগবে
পুরনো অভ্যাস মনে করিয়ে দেয়—আগেও করেছিলে
আর যে অংশটা আপনাকে থামানোর কথা—যেটা self-control দেয়—
সেটা যদি ক্লান্ত থাকে, ঘুম কম হয়, stress বেশি হয়, মাথা overload থাকে—তাহলে সেটার শক্তি কমে যায়
তখনই হয়—
আপনি জানেন এটা ভুল
তবুও করে ফেলেন
এটা শুধু ইচ্ছাশক্তির সমস্যা না
এটা অনেক সময় শরীর, মস্তিষ্ক আর অভ্যাস—সবকিছুর combination
এই পুরো প্রক্রিয়াটা এমন—
কোনো trigger
তারপর একটা চিন্তা
তারপর একটা তাগিদ
তারপর কাজ
এই loop বারবার repeat হলে সেটা habit হয়ে যায়
আর একটা জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ—imagination
আপনি যদি বারবার মনে মনে সেই কাজটা কল্পনা করেন, সেই scene-টা replay করেন, সেই খাবারটা ভাবেন, সেই অনুভূতিটা চিন্তা করেন—
তাহলে brain সেটাকে আরও real মনে করতে শুরু করে
তাগিদটা আরও strong হয়
আবার উল্টোটা-ও সত্য—
আপনি যদি নিজেকে কল্পনা করেন—আমি থামছি, আমি না বলছি, আমি উঠে যাচ্ছি, আমি control নিচ্ছি—
তাহলে brain নতুন পথ তৈরি করতে শুরু করে
এখন সবচেয়ে জরুরি অংশ—
এই “command” আপনি কীভাবে block করবেন?
প্রথম ধাপ—নামকরণ
নিজেকে বলুন—
এটা আমি না
এটা একটা তাগিদ
এটা একটা কুমন্ত্রণা
এই একটাই কাজ আপনার মাথাকে clear করে দেয়
দ্বিতীয় ধাপ—তর্ক করবেন না
এই চিন্তার সাথে argue করলে এটা আরও শক্তিশালী হয়
বরং আল্লাহর কাছে আশ্রয় চান, এবং চিন্তাটা ছেড়ে দিন
তৃতীয় ধাপ—শরীরকে নড়ান
চুপচাপ বসে থাকবেন না
উঠে দাঁড়ান, ওজু করুন, একটু হাঁটুন, পানি খান
এই তাগিদ wave-এর মতো—কিছু সময় পরে কমে যায়
চতুর্থ ধাপ—trigger কেটে দিন
যে জিনিসগুলো আপনাকে বারবার ওই জায়গায় নিয়ে যায়—
রাত জাগা, একা থাকা, ফোন, নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্ট—
এইগুলো দূরে না রাখলে আপনি বারবার একই জায়গায় যাবেন
পঞ্চম ধাপ—শরীর ঠিক করুন
ঘুম ঠিক না থাকলে,
খাবার ঠিক না হলে,
stress বেশি হলে,
দিনভর স্ক্রিনে ডুবে থাকলে—
আপনার control কমে যাবে
এটা স্বাভাবিক
তাই এগুলো ঠিক করা কোনো অপশন না—এটা foundation
ষষ্ঠ ধাপ—দোয়া ও যিকির
আউযুবিল্লাহ পড়ুন
নামাজে মন দিন
বারবার আল্লাহকে স্মরণ করুন—
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার
এগুলো শুধু মুখের কথা না—
এগুলো হৃদয়কে জাগিয়ে রাখে, মনকে পরিষ্কার করে
সপ্তম ধাপ—replacement
শুধু “করবো না” বললে হবে না
তার জায়গায় কিছু করতে হবে—
হাঁটা, দোয়া, ব্যায়াম, কারও সাথে কথা বলা—কিছু একটা
অষ্টম ধাপ—নিজেকে দোষী বানাবেন না
আপনি ভুল করলে আপনি খারাপ হয়ে যান না
বরং আপনি মানুষ
আপনি শিখছেন
“আমি শেষ”—এই চিন্তা সবচেয়ে dangerous
নবম ধাপ—লিখে ফেলুন
কি trigger ছিল
কি চিন্তা এসেছিল
আপনি কি করতে পারতেন
এইটা clarity দেয়
দশম ধাপ—একা থাকবেন না
একাকীত্বে এই তাগিদগুলো বড় হয়
ভালো মানুষ, ভালো সঙ্গ, accountability—এগুলো আপনাকে শক্ত রাখে
কারণ শয়তান অন্ধকার, একাকিত্ব আর গোপন rehearsal পছন্দ করে; আর আলো, সংযোগ আর একটি গুছানো জীবনযাপন তার সেই প্রবাহকে ভেঙে দেয়
সবশেষে একটা কথা মনে রাখবেন—
চিন্তা আপনার না
তাগিদ আপনার না
কিন্তু সিদ্ধান্ত আপনার
শয়তান শুধু প্রস্তাব দেয়
আপনি গ্রহণ করলে তবেই সেটা বাস্তব হয়
আপনি যদি চিন্তা আর নিজের মধ্যে পার্থক্য করতে শিখে যান
আপনি অর্ধেক যুদ্ধ জিতে গেছেন
আর যদি কখনো মনে হয় এই তাগিদগুলো খুব বেশি হচ্ছে, বারবার আসছে, কষ্ট দিচ্ছে—
তাহলে চুপ করে থাকবেন না
কাউকে বলুন, প্রয়োজনে সাহায্য নিন
এটা দুর্বলতা না
এটা সচেতনতা
আপনি একা না
আর আপনি পারবেন
ইনশাআল্লাহ
Dr. Jahangir kabir
2 months ago | [YT] | 2,655
View 80 replies
Dr Jahangir Kabir
ঈদ মুবারক, আল্লাহ আমাদের সবাইকে ওষুধ মুক্ত সুস্থ জীবন দান করুন, আমিন
3 months ago | [YT] | 4,288
View 156 replies
Dr Jahangir Kabir
Success Meet With Dr. Jahangir Kabir এর প্রথম Episode এর ট্রেইলার আজ সন্ধ্যা ৭ টায় আসছে, ইন শা আল্লাহ।
3 months ago | [YT] | 116
View 3 replies
Dr Jahangir Kabir
সাবান তৈরির বর্জ্য কীভাবে আমাদের রান্নাঘরে ঢুকল?
আমরা কি তেল খাচ্ছি, নাকি মেশিনের লুব্রিকেন্ট? সয়াবিন তেলের অন্ধকার ইতিহাস!
শুনলে গা শিউরে উঠবে, আজ আমরা যেটাকে "হার্ট হেলদি" ভেজিটেবল অয়েল বা সয়াবিন তেল বলে বাজার থেকে কিনে আনি, তার জন্ম হয়েছিল মূলত সাবান আর মোমবাতি বানানোর জন্য! খাবারের জন্য নয়!
গল্পটা ১৯০০ সালের শুরুর দিকের। আমেরিকা জুড়ে তখন প্রচুর তুলা চাষ হতো। তুলার বীজ (Cottonseed) ছিল এক ধরণের বিষাক্ত বর্জ্য বা আবর্জনা, যা কেউ ছুঁয়েও দেখত না। বড়জোর সার হিসেবে বা বাতি জ্বালানোর তেল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
তখন Procter & Gamble (P&G) নামের একটি কোম্পানি এই সস্তা বর্জ্য তেল দিয়ে সাবান আর মোমবাতি তৈরি করত। কিন্তু হঠাৎ ইলেকট্রিসিটি বা বিদ্যুৎ চলে আসায় মোমবাতির চাহিদা কমে গেল। কোম্পানি পড়ল মহাবিপদে! গুদাম ভর্তি এই তেল এখন তারা কী করবে?
তখনই তাদের মাথায় এলো এক ভয়ংকর বুদ্ধি!
তারা ল্যাবরেটরিতে এই তরল তেলের সাথে হাইড্রোজেন মিশিয়ে (Hydrogenation) সেটাকে জমিয়ে ফেলল। দেখতে হুবহু পশুর চর্বি বা মাখনের মতো সাদা ও থকথকে। নাম দিল—Crisco (ক্রিসকো)।
ব্যাস! শুরু হলো ইতিহাসের অন্যতম বড় ব্রেইনওয়াশ।
তারা কোটি কোটি টাকা খরচ করে প্রচার করতে লাগল—"পশুর চর্বি বা মাখন হলো নোংরা, আর আমাদের ল্যাবরেটরিতে বানানো এই তেল হলো পরিষ্কার ও হজমের জন্য ভালো।" তারা বিনামূল্যে রেসিপি বই বিলি করল, যেখানে মাখনের বদলে তাদের এই 'মেকি চর্বি' ব্যবহারের কথা বলা হলো।
ডা জাহাঙ্গীর কবির এই বিষয়ে শত ভিডিও বানিয়ে প্রচার করেছেন কীভাবে এই কৃত্রিম তেল (যা আসলে ট্রান্স ফ্যাট) আমাদের ধমনিতে প্রদাহ বা Inflammation তৈরি করে।
হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস আর ক্যানসারের মূল শিকড় গেড়ে দেওয়া হয়েছিল সেদিনই, যেদিন আমরা প্রাকৃতিক মাখন-ঘি ছেড়ে এই কারখানার তেল ধরেছিলাম।
ডা. জাহাঙ্গীর কবির (Dr. Jahangir Kabir) এবং JK Lifestyle ঠিক এই জায়গাটিতেই আমাদের সতর্ক করেন।
কেন জেকে লাইফস্টাইলে সয়াবিন/রাইসব্রান তেল নিষিদ্ধ?
কারণ এগুলো মেশিন আর কেমিক্যালে প্রসেস করা 'মৃত খাবার'।
এর বদলে আমরা কেন ঘানি ভাঙা সরিষার তেল, ঘি বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল খেতে বলি?
কারণ এগুলো সরাসরি প্রকৃতি থেকে আসে, কোনো ল্যাবরেটরির কারসাজি এতে নেই।
১০০ বছর আগে ব্যবসায়ীরা তাদের 'বর্জ্য' আমাদের প্লেটে তুলে দিয়েছিল শুধু লাভের আশায়। আজ এত বছর পর আমরা যখন হাসপাতালে দৌড়াচ্ছি, তখন কি আমাদের হুঁশ ফিরবে?
প্রকৃতিতে ফিরে আসুন, সুস্থতা এমনিতেই আসবে। সিদ্ধান্ত আপনার হাতে—বর্জ্য খাবেন, নাকি রিয়েল ফুড?
#VegetableOilMyth #CriscoHistory #TransFat #Inflammation #JKLifestyle #DrJahangirKabir #RealFood #ToxicOil
5 months ago | [YT] | 1,689
View 28 replies
Dr Jahangir Kabir
Have a relax. .Vitamin D...Sun kissed. .Beach Mood
5 months ago | [YT] | 887
View 11 replies
Dr Jahangir Kabir
সবজি ভাত রুটি আলু ছাড়া শুধু মাংস আর চর্বি খেয়ে কি সুস্থ থাকা সম্ভব? ১৯২৮ সালের একটি পাগলাটে এক্সপেরিমেন্ট!
আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি—সুস্থ থাকতে হলে প্লেট ভরে শাক-সবজি খেতেই হবে। আর চর্বি? ওরে বাবা! ওটা তো হার্ট অ্যাটাকের যম!
কিন্তু ১৯০৬ সালে হার্ভার্ডের বিজ্ঞানী Vilhjalmur Stefansson যা দেখলেন, তা পুরো চিকিৎসা বিজ্ঞানকে একশ বছর আগে চ্যালেঞ্জ করেছিল।
তিনি কানাডিয়ান আর্কিটিকে Inuit (এস্কিমো) দের সাথে থাকতে শুরু করলেন। তিনি অবাক হয়ে দেখলেন, ইনুইটরা কোনো সবজি খায় না, কোনো ফল খায় না, কোনো শস্য (Grain) ছোঁয় না। তাদের খাবারের ৭০-৮০% ক্যালরি আসে Caribou (হরিণ) এবং Seal-এর চর্বি ও মাংস থেকে।
ফলাফল?
১. তাদের কোনো হার্ট ডিজিজ, ডায়াবেটিস বা ক্যান্সার ছিল না।
২. তাদের দাঁত ছিল একদম মজবুত, কোনো ক্যাভিটি ছাড়া।
তিনি ফিরে এসে যখন এই কথা বললেন, ডাক্তাররা তাকে পাগল ভাবলেন! "এটা অসম্ভব! ভিটামিন সি ছাড়া তো স্কার্ভি হয়ে মরে যাওয়ার কথা!"
তখন Stefansson নিলেন এক ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ!
সাল ১৯২৮। নিউ ইয়র্কের Bellevue Hospital-এ এক অদ্ভুত পরীক্ষা শুরু হলো। Stefansson এবং তার সঙ্গী ১ বছর ল্যাবরেটরিতে কড়া নজরদারিতে থাকলেন। শর্ত একটাই—তারা শুধুমাত্র মাংস আর চর্বি খাবেন। কোনো সবজি বা শর্করা ছোঁবেন না।
বিজ্ঞানিরা অপেক্ষায় ছিলেন কখন তাদের শরীর ভেঙে পড়ে। কিন্তু ১ বছর পর রিপোর্ট দেখে সবার চোখ কপালে উঠল:
তাদের কোনো পুষ্টির অভাব হয়নি (স্কার্ভি হয়নি)।
কিডনি ও হার্ট ছিল ঘোড়ার মতো শক্তিশালী।
Stefansson উল্টো কয়েক কেজি মেদ কমিয়ে ফিট হয়েছিলেন!
ইতিহাস কীভাবে ফিরে আসে দেখুন!
আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে যা প্রমাণিত হয়েছিল, মাঝখানে বাণিজ্যিক স্বার্থে আমরা তা ভুলে গিয়েছিলাম।
ডা. জাহাঙ্গীর কবির Muhammad Jahangir Kabirএবং তার JK Lifestyle ঠিক এই বিজ্ঞানটাকেই আমাদের সামনে সহজ করে তুলে ধরেছেন।
আমরা জেকে লাইফস্টাইলে ঠিক এই মেথডটাই ফলো করি:
১. ফ্যাট অ্যাডাপ্টেশন (Fat Adaptation): শুরুতে আমরা শরীরকে চিনি ও বাজে কার্বোহাইড্রেট থেকে সরিয়ে আনি। এ সময় আমরা পর্যাপ্ত ভালো ফ্যাট (ঘি, মাখন, ডিমের কুসুম) ও প্রোটিন খাই। ঠিক ইনুইটদের মতো আমাদের শরীর তখন শর্করা বাদ দিয়ে চর্বি গলিয়ে শক্তি তৈরি করা শেখে।
২. মেইন্টেনেন্স (Maintenance): শরীর যখন পুরোপুরি সুস্থ ও ফ্যাট-অ্যাডাপ্টেড হয়ে যায়, তখন আমরা সারাজীবন সুস্থ থাকার জন্য নিয়ম মেনে নিরাপদ শর্করা বা সিজনাল ফল খাদ্যতালিকায় যোগ করি।
Dr. Jahangir kabir বরাবরই বলে এসেছেন, প্রকৃতি কখনো ভুল করে না। কারখানায় তৈরি সয়াবিন তেলের চেয়ে আল্লাহর তৈরি ডিমের কুসুম বা গরুর চর্বি আপনার শরীরের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ। এটি বোঝার জন্য বিজ্ঞানী হওয়ার দরকার নেই, সামান্য কমন সেন্স থাকলেই যথেষ্ট। খোদ আমেরিকাই (FDA) এখন তাদের ভুল শুধরে প্রসেসড অয়েলের বিরুদ্ধে কথা বলছে।
১৯২৮ সালের সেই বিজ্ঞানী আর আজকের ডা. জাহাঙ্গীর কবির—দুজনেই একই সত্যের কথা বলেছেন। মাঝখানে কেটে গেছে ১০০ বছর। আমরা কি আর ভুল পথে থাকব? নাকি প্রকৃতির কাছে ফিরব?
সিদ্ধান্ত আপনার।
#JKlifestyle #HealthyFats #FatAdaptation #FDA2026 #DrJahangirKabir #TheBigFatSurprise #RealFood #TruthRevealed
5 months ago | [YT] | 2,892
View 44 replies
Load more