আস সালামু আলাইকুম
ইসলাম নিয়ে জানার আগ্রহ আছে আমাদের সবারই। কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের নানাবিধ ব্যস্ততা, সঠিক তথ্যসূত্র খুঁজে না পাওয়া কিংবা আলসেমির মতো নানাবিধ কারণে সেই ইচ্ছাটা পূরণ হয় না অনেকেরই। এই চ্যানেলের যাত্রা এই অপূর্ণতাকে দূর করার প্রয়াসেই।
"যা বলব
কোরআন হাদীসের
রেফারেন্সে বলব"
এই স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি আমি অধম। আমার লক্ষ্য,ভেজালের এই দিনে নির্ভেজাল ইসলাম প্রচার করা এবং বাংলা ভাষাভাষী জনগণের কাছে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় সুন্দরভাবে সহজ করে রেফারেন্স সহ উল্লেখ করা। আল্লাহ তাআলা তৌফিক দান করুন। আমাদের সাথেই থাকুন।
Sheikh Baratul Islam
ছাগলে কি সত্যিই কুরআনের আয়াত খেয়ে ফেলেছিল? এই কারণে কি কুরআনে সেই আয়াতটি লেখা হয়নি ?
এই বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের সঠিক ও নির্ভরযোগ্য গবেষণামূলক উত্তর জানতে এবং নাস্তিক-রাফেযীদের বানানো এই গল্পের অসারতা বুঝতে নিচের ভিডিওটি দেখুন।
ভিডিওটি দেখার পর এ বিষয়ে আপনার মনে আর কোনো প্রশ্ন থাকবে না, ইনশাআল্লাহ।
3 days ago | [YT] | 22
View 2 replies
Sheikh Baratul Islam
এই দ্বিমুখী নীতি কেন?
একজন অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। একটি মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ। তারপর জিজ্ঞাসাবাদ, নির্যাতন, এবং শেষ পর্যন্ত একটি তাজা প্রাণের নির্মম মৃত্যু!
একটু চিন্তা করুন, যদি এই ঘটনাটি কোনো মাদ্রাসায় ঘটত, তাহলে কি দেশের মিডিয়া, টকশো, ফেসবুকের সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী মহল এবং বিভিন্ন সংগঠন একইভাবে নীরব থাকত? নাকি তখন "সব মাদ্রাসা বন্ধ করে দাও", "মাদ্রাসা শিক্ষাই সমস্যা", "আলেমদের জবাবদিহি করতে হবে" এসব স্লোগানে দেশ সরগরম হয়ে যেত?
অপরাধ যেখানে ঘটুক, অপরাধই অপরাধ। স্কুলে ঘটলে যেমন নিন্দনীয়, মাদ্রাসায় ঘটলেও তেমন নিন্দনীয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো,প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে এই দ্বিমুখী নীতি কেন? কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়। কিন্তু ন্যায়বিচারের দাবি তখনই অর্থবহ হয়, যখন সবার জন্য একই মানদণ্ড প্রয়োগ করা হয়।
একটি ঘটনার বিচার করতে গিয়ে পুরো একটি শিক্ষাব্যবস্থাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া যেমন অন্যায়, তেমনি অন্য কোথাও একই ধরনের ঘটনা ঘটলে নীরব থাকাও অন্যায়।
আমাদের উচিত পরিচয় দেখে নয়, ঘটনার সত্যতা দেখে অবস্থান নেওয়া। কারণ ন্যায়বিচার তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন মাপকাঠি সবার জন্য সমান থাকে।
4 days ago | [YT] | 104
View 22 replies
Sheikh Baratul Islam
আলহামদুলিল্লাহ্, দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এর মাধ্যমে শুরু হলো নতুন হিজরি বর্ষ। আল্লাহ তাআলা এই বছরকে আমাদের জন্য ঈমান, তাকওয়া, কল্যাণ, নিরাপত্তা ও বরকতের বছর হিসেবে কবুল করুন। আমীন।
চাঁদ দেখার দোয়া:
اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ، رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু ‘আলাইনা বিল-ইউমনি ওয়াল-ঈমানি, ওয়াস-সালামাতি ওয়াল-ইসলাম। রাব্বী ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।
অর্থ:
হে আল্লাহ! এই চাঁদকে আমাদের ওপর উদিত করুন বরকত, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে। আমার ও তোমার রব আল্লাহ।
(তিরমিযী, হাদিস: ৩৪৫১)
মহররম ইসলামের চারটি সম্মানিত মাসের অন্যতম। এ মাসে বেশি বেশি নফল রোজা, তাওবা-ইস্তিগফার, কুরআন তিলাওয়াত এবং নেক আমলের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত।
নতুন হিজরি ১৪৪৮ সন সবার জন্য কল্যাণময় হোক।
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ صَالِحَ الْأَعْمَالِ
“আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের নেক আমলসমূহ কবুল করুন।” آمين.
#১৪৪৮ #১৪৪৮হিজরি #হিজরি #মুহাররম #আশুরা
5 days ago | [YT] | 127
View 3 replies
Sheikh Baratul Islam
একটি নাম, একটি স্মৃতি, একটি যুগ আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী হাফিজাহুল্লাহ
আজকের প্রজন্ম হয়তো সহজে বিশ্বাস করবে না, কিন্তু এমন একটি সময় ছিল যখন কোনো ওয়াজ মাহফিলে একজন আলেমের আলোচনা শুনতে মানুষ শুধু গ্রাম-গঞ্জ থেকেই নয়, দূর-দূরান্তের মাদ্রাসা থেকেও দলবেঁধে আসত। শুধু সাধারণ মানুষ নয়; মাদ্রাসার শিক্ষক, মুফতি, মুহাদ্দিস এবং বিজ্ঞ আলেমরাও আগ্রহ নিয়ে সেই বয়ান শুনতেন। সেই নামটি হলো আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী হাফিজাহুল্লাহ।
তাঁর কুরআন তিলাওয়াত, সাবলীল তরজমা এবং হৃদয়স্পর্শী ব্যাখ্যা আমাদের এতটাই প্রভাবিত করতো যে, আমরা নিজেরাই প্রতিযোগিতা করতা কে তাঁর মতো সুন্দরভাবে কুরআনের তরজমা বলতে পারে।
আমি ছোটবেলা থেকেই একটি বিষয় গভীরভাবে লক্ষ্য করেছি। অনেক বক্তার মাহফিলে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেলেও দেশের নির্ভরযোগ্য ও মুহাক্কিক আলেমদের খুব একটা দেখা যেত না। কিন্তু ওলিপুরী হুজুরের বয়ানের পরিবেশ ছিল ভিন্ন। যখনই তিনি আলোচনা করতেন, অনেক বড় বড় আলেম, মাদ্রাসার শিক্ষক এবং তালিবুল ইলম তাঁর বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। দেশের প্রতিষ্ঠিত ও নির্ভরযোগ্য বহু মাদ্রাসা তাঁকে বিশেষভাবে ইসলাহী আলোচনা ও দ্বীনি দিকনির্দেশনার জন্য আমন্ত্রণ জানাত।
এখনও আমার মনে পড়ে ২০১০-১১ সালের সেই আলোচিত ঘটনার কথা। সালাফিদের সঙ্গে একটি মুনাযারার ঘোষণা হয়েছিল। সেই মুনাযারা ঘিরে মানুষের আগ্রহ ছিল অবর্ণনীয়। ফজরের নামাজের পর থেকেই হাজার হাজার মাদ্রাসার ছাত্র পোস্তগোলা ব্রিজ হয়ে কেরানীগঞ্জ এলাকায় অবস্থান নিয়েছিল শুধুমাত্র মুনাযারাটি দেখার জন্য। হুজুর নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় মুনাযারা আর অনুষ্ঠিত হয়নি। সেই দিনের দৃশ্য আজও আমার চোখে ভাসে মানুষের সেই আগ্রহ, সেই অপেক্ষা, সেই উদ্দীপনা।
তবে তাঁর জনপ্রিয়তার চেয়েও বড় বিষয় ছিল তাঁর নীতির দৃঢ়তা। হক কথা বলার ক্ষেত্রে তিনি কখনো আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব বা পরিচিত-অপরিচিতের হিসাব করেননি। নিজের ছেলের বিরুদ্ধেও যদি সত্য কথা বলতে হয়, তবুও তিনি তা বলতে পিছপা হননি। সত্যের ব্যাপারে এই আপসহীনতা এবং আল্লাহভীতি তাঁকে মানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
বাংলাদেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে ঘুরে তিনি দ্বীনের দাওয়াত দিয়েছেন, বাতিল চিন্তাধারার মোকাবিলা করেছেন, অসংখ্য মুনাযারায় অংশগ্রহণ করেছেন এবং লাখো মানুষের হৃদয়ে দ্বীনের ভালোবাসা জাগিয়ে তুলেছেন। আজ অনেকেই বিভিন্ন ইসলামি ব্যক্তিত্বকে চেনেন; কিন্তু এমন এক সময় ছিল, যখন মাঠে-ময়দানে অক্লান্ত পরিশ্রম করে মানুষের ঈমান-আকিদা রক্ষার জন্য যারা সংগ্রাম করছিলেন, তাঁদের অন্যতম ছিলেন এই প্রবীণ আলেম।
আল্লাহ তাআলা তাঁর ইলম, আমল ও খেদমতকে কবুল করুন। তাঁকে সুস্থতা, আফিয়াত ও দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন এবং দ্বীনের আরও অধিক খেদমত করার তাওফিক দান করুন।
আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।
#নুরুল_ইসলাম_ওলিপুরী #আল্লামা_ওলিপুরী #হককথা #ইসলামী_বয়ান #দাওয়াত_ইলাল্লাহ #আলেমে_দ্বীন #বাংলাদেশ #ইসলাহী_আলোচনা #মুনাযারা #IslamicReminder #IslamicPost #BangladeshIslamicScholar
1 week ago | [YT] | 197
View 37 replies
Sheikh Baratul Islam
বর্তমান সময়ের আলোচিত ইসলামী ব্যক্তিত্ব মুফতি শামায়েল নদভী (হাফিঃ) সম্প্রতি বিশ্ববিখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ মুহাম্মদ আওয়ামা (হাফিঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তিনি এই সাক্ষাৎকে আল্লাহ তাআলার বিশেষ নিয়ামতগুলোর অন্যতম বলে উল্লেখ করেছেন।
এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। শায়খ মুহাম্মদ আওয়ামা (হাফিঃ) সমকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ও গবেষক। তাঁর মতো একজন আলেমের সান্নিধ্য লাভ নিঃসন্দেহে সৌভাগ্যের বিষয়।
তবে আমাদের জন্য চিন্তার বিষয় হলো, এই শায়খ মুহাম্মদ আওয়ামাই বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের খতিব শায়খ মুহাম্মদ আব্দুল মালেক (হাফিঃ)-এর প্রশংসায় বলেছেন,
"الرسوخ في العلم: اعتبره واحداً من أبرز من تخرجوا في علم الحديث ورسخوا فيه."
অর্থাৎ, "তিনি হাদীসশাস্ত্রে সুগভীর পাণ্ডিত্য অর্জনকারী এবং এ শাস্ত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত বিশিষ্ট আলেমদের অন্যতম।"
শুধু প্রশংসাই নয়, শায়খ আওয়ামা (হাফিঃ) তাঁর রচিত বিভিন্ন কিতাব শায়খ আব্দুল মালেক (হাফিঃ)-এর নিকট পাঠাতেন এবং সেগুলো পর্যালোচনা করার অনুরোধ করতেন। তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক, শ্রদ্ধা ও আস্থার এমন বহু ঘটনা রয়েছে।
অথচ দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমরা দূরের আলেমদের মর্যাদা বুঝতে পারি, কিন্তু নিজেদের দেশেই যে কী মূল্যবান সম্পদ আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন, তা অনেক সময় উপলব্ধি করতে পারি না।
বিশ্ববরেণ্য আলেমরা যাঁর জ্ঞান, গবেষণা ও প্রজ্ঞার স্বীকৃতি দেন, তাঁকে আমরা কতটুকু মূল্যায়ন করি সেটিই আজ ভাবনার বিষয়।
জ্ঞানীদের মর্যাদা জ্ঞানীরাই বোঝেন; অজ্ঞরা শুধু মানুষ দেখে, জ্ঞান দেখে না।
#মুহাম্মদ_আব্দুল_মালেক #MuftiAbdulMalek #শায়খ_মুহাম্মদ_আওয়ামা #MuhammadAwwamah #মুফতি_শামায়েল_নদভী #IslamicScholar #HadithScholar #বাংলাদেশের_গর্ব #উলামায়ে_কেরাম #ইলমের_মর্যাদা #AhlulHadith #IslamicKnowledge #বাংলাদেশ #দাওয়াহ #ইসলাম #MuslimUmmah #IslamicPost #Ulama #Knowledge #RespectScholars
1 week ago | [YT] | 125
View 4 replies
Sheikh Baratul Islam
বিদেশী পতাকা উত্তোলন: রাষ্ট্রীয় আইন ও শরয়ী বিধানের লঙ্ঘন
এখন ঘর থেকে বের হলেই এক অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়ে। রাস্তার দুই পাশে, বাড়ির ছাদে, গাছের মাথায়, এমনকি ছোট ছোট দোকানের সামনেও উড়ছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি কিংবা অন্য কোনো দেশের পতাকা। মনে হয় যেন আমরা বাংলাদেশে নয়, অন্য কোনো দেশে বসবাস করছি!
ফুটবল বিশ্বকাপ বা বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট এলেই আমাদের দেশে এই প্রবণতা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। শত শত টাকা খরচ করে বিশাল আকৃতির বিদেশী পতাকা বানানো হয়। অনেকেই প্রতিযোগিতায় নেমে যায় কার পতাকা বড়, কার পতাকা বেশি উঁচুতে উড়ছে! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব নিয়ে চলে গর্ব ও প্রদর্শন।
কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, এই কাজটি শুধু আবেগের প্রকাশ নয়; বরং এটি একদিকে অপচয়, অন্যদিকে শরয়ী ও রাষ্ট্রীয় বিধানেরও লঙ্ঘন?
ইসলাম অপচয়কে হারাম ঘোষণা করেছে। অথচ শুধুমাত্র খেলাকে কেন্দ্র করে বিপুল অর্থ ব্যয় করে বিদেশী পতাকা তৈরি ও প্রদর্শন করা হচ্ছে, যার কোনো বাস্তব উপকারিতা নেই। তদুপরি এটি কাফের ও অমুসলিম জাতিগোষ্ঠীর প্রতি অতি-আসক্তি এবং তাদের প্রতীককে সম্মান প্রদর্শনের একটি রূপ।
শুধু শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ীও বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা (People's Republic of Bangladesh Flag Rules, 1972) অনুযায়ী
• ৪ নং অনুচ্ছেদের বিধি ৯-এর ৪ ধারায় বলা হয়েছে: "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সুনির্দিষ্ট অনুমতি ছাড়া কোনো বিদেশী পতাকা বাংলাদেশের কোনো ভবন বা গাড়িতে উত্তোলন করা যাবে না।"
• ৪ নং অনুচ্ছেদের বিধি ৭-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে: "অন্য কোনো পতাকা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চেয়ে উঁচুতে উত্তোলন করা যাবে না এবং আকারেও তা ছোট হতে হবে।"
বাস্তবে দেখা যায়, অনেক স্থানে বিদেশী পতাকা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চেয়েও বড় আকারে এবং আরও উঁচুতে উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে জাতীয় পতাকার মর্যাদাও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
দুঃখজনক বিষয় হলো, আমরা একটি ফুটবল দলের সমর্থনের নামে এমনসব কাজ করছি, যা আমাদের মুসলিম পরিচয়, জাতীয় মর্যাদা এবং প্রচলিত আইন সবকিছুর সাথেই সাংঘর্ষিক।
খেলার প্রতি আগ্রহ থাকতেই পারে, কিন্তু সেই আগ্রহ যেন কখনো আমাদের ঈমান, বিবেক ও জাতীয় আত্মমর্যাদাকে ছাপিয়ে না যায়।এভাবে লিখলে পোস্টটি ফেসবুকে প্রচলিত ঘটনাভিত্তিক লেখার মতো হবে এবং পাঠক শুরু থেকেই বাস্তব দৃশ্যের সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিতে পারবে।
1 week ago | [YT] | 56
View 6 replies
Sheikh Baratul Islam
রাজধানীর মগবাজার আদ দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
1 week ago | [YT] | 11
View 0 replies
Sheikh Baratul Islam
ইনশাআল্লাহ
1 week ago | [YT] | 23
View 7 replies
Sheikh Baratul Islam
ভালো কাজের প্রশংসা করা উচিত
সম্প্রতি বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের দাড়ি রাখা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই এটাকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন এবং সুন্নাহর প্রতি আগ্রহ হিসেবে প্রশংসা করেছেন। তবে কিছু মানুষ এমন মন্তব্য করছেন, "শয়তানও দাড়ি রাখে!" যেন দাড়ি রাখা নিজেই কোনো মূল্য বহন করে না, বা কোনো ব্যক্তির ভালো কাজকে স্বীকার করারও প্রয়োজন নেই।
আসলে এই মানসিকতাটাই চিন্তার বিষয়।
তাহলে কি একজন মানুষ একবার কোনো ভুল করলে বা কারো সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়ে গেলে, সে আর কখনো ভালো হতে পারবে না? তার মধ্যে আর কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে না? ইসলামের শিক্ষা তো এমন নয়।
ইসলামের ইতিহাসে এমন বহু ব্যক্তি আছেন, যারা একসময় ইসলামের বিরোধিতা করেছেন, মুসলমানদের কষ্ট দিয়েছেন; কিন্তু আল্লাহ তাআলা তাদের হেদায়েত দিয়েছেন, আর তারাই পরবর্তীতে ইসলামের ইতিহাসের উজ্জ্বল নক্ষত্রে পরিণত হয়েছেন। একজন মানুষের বর্তমান অবস্থা দেখে তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চূড়ান্ত ফয়সালা দিয়ে দেওয়া ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি নয়।
কোনো মানুষের ভালো কাজ দেখলে অন্তত সেই ভালো কাজটুকুর প্রশংসা করা উচিত। যদি কারো প্রতি আপনার সমালোচনা থেকেও থাকে, তবুও তার প্রতিটি ভালো দিককে বিদ্রূপ করার মানসিকতা ন্যায়সঙ্গত নয়। কারণ হেদায়েত আল্লাহর হাতে। তিনি চাইলে মুহূর্তের মধ্যে মানুষের অন্তর পরিবর্তন করে দিতে পারেন।
তাই কারো পরিবর্তনের সম্ভাবনাকে অস্বীকার না করে বরং দোয়া করা উচিত, আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সত্যিকার অর্থে তাঁর দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখেন এবং ভালো থেকে আরও ভালো হওয়ার তাওফীক দান করেন।
#ওয়াকারউজ্জামান #সেনাপ্রধান #বাংলাদেশসেনাবাহিনী #দাড়ি #সুন্নাহ #হেদায়েত #ইসলাম #পরিবর্তন #তওবা #ইসলামেরশিক্ষা #মুসলিমসমাজ #আল্লাহরহেদায়েত #WakerUzZaman #GeneralWakerUzZaman #BangladeshArmy #Bangladesh #Beard #Sunnah #Islam #Hidayah #IslamicReminder #Muslim #ChangeForBetter #Repentance #IslamicThought #IslamicPost
1 week ago | [YT] | 88
View 13 replies
Sheikh Baratul Islam
হিল্লা বিয়ের প্রচারই কি "হালালা সেন্টার" ফিতনার পথ খুলে দিল?
কয়েক সপ্তাহ আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে "হালালা সেন্টার" নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা ছিল না। কিন্তু হিল্লা বিয়েকে ঘিরে কিছু মামুনুর রশিদ কাসেমীর দায়িত্বহীন বক্তব্য ও প্রচারণার পরপরই বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। এরপর দেখা যায়, বিভিন্ন আইডি ও পেজ থেকে তথাকথিত "হালালা সেন্টার" নামে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, এমনকি মানুষের কাছ থেকে তথ্য ও সিভি সংগ্রহের মতো কর্মকাণ্ডও সামনে আসে।
একটি বিষয় পরিষ্কার হিল্লা বিয়ে কোনো ফজিলতের বিষয় নয়, কোনো ব্যবসার বিষয়ও নয়। এটিকে যত বেশি প্রচার করা হবে, তত বেশি ইসলামবিদ্বেষী মহল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সুযোগ পাবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মনে ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হবে এবং সমাজে নতুন নতুন ফিতনার জন্ম হবে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এসব কর্মকাণ্ড নারীর মর্যাদা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং ইসলামের সৌন্দর্য সবকিছুকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই যারা দায়িত্বহীনভাবে এসব বিষয় প্রচার করেন, তাদের উচিত নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা।
ইসলামের দাওয়াতের নামে এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়, যা শেষ পর্যন্ত ইসলামের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হয়।
#হালালা_সেন্টার
#হিল্লা_বিয়ে
#ফিতনা_বন্ধ_হোক
#ইনসাফ_চাই
#সত্য_যাচাই_করুন
#ইসলামকে_বিতর্কমুক্ত_রাখুন
#দায়িত্বশীল_দাওয়াত
#গুজব_নয়_সত্য
#বাংলাদেশ
#IslamicAwareness
#StopFitna
#TruthMatters
1 week ago | [YT] | 37
View 6 replies
Load more