News Bengal 365 is a trusted digital news web portal based in Kolkata, India, dedicated to the people. We bring you accurate, unbiased, and timely news from Bengal, across India, and around the world—365 days a year. Our mission is to keep citizens informed, aware, and empowered with real stories, ground reports, and responsible journalism.
News Bengal 365
নন্দীগ্রাম আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন শুভেন্দু অধিকারী
নিউজ বেঙ্গল 365, কলকাতা: ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী হারিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবারের নির্বাচনেও সবার নজর এই আসনে। একদা শুভেন্দু অধিকারীর ডানহাত বলে পরিচিত পবিত্র কর এবার দাঁড়িয়েছেন তাঁরই বিরুদ্ধে তৃণমূলের টিকিটে। হেভিওয়েট নন্দীগ্রামে হঠাৎ করেই নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তিনি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নন। নামের মিল থাকলেও এই শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি কলকাতার গড়ফায়। তিনি যাদবপুর বিধানসভার ভোটার।
নন্দীগ্রামে নির্দল প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারী মনোনয়ন জমা দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় নানান জল্পনা কল্পনা। তবে নির্দল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
বছর চুয়াল্লিশের উচ্চমাধ্যমিক পাশ নির্দল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর জমা দেওয়া হলফনামায় জানা গেছে তিনি যাদবপুর বিধানসভার ভোটার, বাড়ি কলকাতার গড়ফায়। তাঁর হলফনামায় দেখা গেছে, শুভেন্দু অধিকারীর নামে কোনও ফৌজদারি অভিযোগ নেই। তাঁর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ লক্ষ ৯৮ হাজার ১৮১ টাকার। আর তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৪২১ টাকার। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় তাঁর ও স্ত্রীর নামে কৃষি জমি রয়েছে এবং তা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বলে হলফনামায় জানিয়েছেন তিনি। ময়নায় তাঁর নামে অকৃষি জমিও রয়েছে এবং একটি বাড়িও রয়েছে। পেশায় ব্যবসায়ী বলে হলফনামায় জানিয়েছেন নির্দল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
নির্দল প্রার্থী শুভেন্দুবাবু নাম প্রত্যাহার করার পর এখন নন্দীগ্রাম আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। প্রথম দফায় এই আসনে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৩ এপ্রিল।
#newsbengal365 #newsbengal365official #BengalElection2026 #Nandigram
1 month ago | [YT] | 2
View 0 replies
News Bengal 365
Running successfully...
https://youtu.be/X2fLOTCXxTo?si=JUqV6...
2 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
News Bengal 365
‘কর্মজীবী নারীরা পতিতা!’ প্রকাশ্যে এল জামাতের আসল চেহারা
আমিনুল ইসলাম, নিউজ বেঙ্গল 365, ঢাকা: নির্বাচনের মুখে খুলে গেল জামাতের মুখোশ। বেরিয়ে এলো আসল চেহারা। খোদ জামাতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজেই কর্মরত নারীদের সঙ্গে পতিতাদের তুলনা করলেন। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই বিবৃতির প্রেক্ষিতে প্রশ্ন ওঠে, ‘বাংলাদেশে প্রায় আড়াইকোটি কর্মজীবী নারী আছে। জামাতের আমিরের চোখে এইসব নারীরা পতিতা?’ পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পোস্টটি ডিলিট করে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার গল্প ফাঁদেন জামাতের নেতারা। কিন্তু জাতীয় সংসদের নির্বাচনের আগে নারীদের মধ্যে জামাত বয়কটের ডাক তীব্র হচ্ছে। অনেকেই মনে করেন, কর্মরত নারীদের পতিতা বলে আসলে দেশকে ফের মধ্যযুগে পিছিয়ে নিয়ে যেতে চান স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামাতের নেতারা। তাঁদের কদর্য চেহারাটাই ফুটে উঠেছে সামাজিক মাধ্যমে।
জামাতে ইসলামি বাংলাদেশের প্রধান ডা. শফিকুর রহমান নিজেই নারীদের পতিতা বলার আগে অবশ্য তাঁর দলেরই বরগুনা জেলার সহকারি সেক্রেটারি শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বেশ্যাখানার তুলনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে।’ বিতর্কের জেরে তাঁর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হলেও আমিরের ঝোলা থেকে তাঁদের মনের কথা বার হয়ে এসেছে। জামাত নারী বিদ্বেষী। তাঁরা নারীর স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশেও তাঁরা নারীদের ঘরে বন্দি করে রাখতে চায়। তাঁদের প্রশ্রয়েই নারীদের ওপর মধ্যযুগীয় অনুশাসন চলছে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। নারীদের পোশাক থেকে শুরু করে খেলাধুলার ওপর মৌলবাদীরা প্রকাশ্যেই ফতোয়া জারি করছেন। তালেবানি মনোভাব থেকেই তাঁরা একজন নারীকেও নির্বাচনে প্রার্থী করেননি। অথচ, দু’জন নারীই দীর্ঘদিন বাংলাদেশ শাসন করেছেন। নারীদের প্রধানমন্ত্রী করা তো দূরঅস্ত জামাত নেতারা তাঁদের অন্তপুরেই বন্দি করে রাখতে চান। ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচন। আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। গোটা দেশে ৩০০ আসনে ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থীর মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ৭৬। জামাত-সহ ৩০টি দলের কোনও নারী প্রার্থী নেই।
একাত্তরের পরাজিত শক্তির দোসর জামাত চায় বাংলাদেশে তালিবানি শাসন কায়েম করতে। তাই নারীদের স্বাধীনতায় বিন্দুমাত্র বিশ্বাসী নয় তাঁরা। সেইসঙ্গে জামাতের দ্বিচারিতাও প্রকট হচ্ছে। মুখে তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করলেও গোপনে বৈঠকও করছেন মার্কিন নেতাদের সঙ্গে। অতীতে আফগানিস্তানে তালেবানদের ফেরাতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল বাংলাদেশেও আরোপিত হচ্ছে। তাই দাবি উঠছে জামাত বয়কটের। বাংলাদেশি নারীরা নিজেরাই সামাজিক মাধ্যমে জামাতকে ভোট না দেওয়ার প্রচারে নেমেছেন। সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলিকেও তাঁরা নারীদের মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিয়ে সজাগ করছেন। পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত বছর বাংলাদেশে ৭ হাজার ৬৮টি ধষর্ণের ঘটনার অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে। ২০২৪ সালে সংখ্যাটি ছিল ৫ হাজার ৫৭০। এছাড়াও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জানিয়েছে,অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় দেড় বছরের শাসনে সংখ্যালঘুদের ওপর ৬১টি হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকে গত বছর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ২১৮৪টি সাম্প্রদায়িক আক্রমণ হয়েছে।
#newsbengal365 #newsbengal365official #follower #highlights #NewsUpdate #dhakanews #BDnews #bdnews24 #BD #Bangladesh #BangladeshPolitics #Banglanews #yunus #ChiefAdviserGoB
3 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
News Bengal 365
দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন অভিনেতা ও বিধায়ক হিরন চট্টোপাধ্যায়
নিউজ বেঙ্গল 365, কলকাতা: দ্বিতীয় বার বিয়ে সারলেন খড়্গপুরের বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সোশাল মিডিয়ার দৌলতেই জানা গিয়েছে বিধায়কের দ্বিতীয় বিয়ের খবর।
মঙ্গলবার তিনি নিজেই তার বিয়ের বিভিন্ন ছবি সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। যদিও ছবি ছাড়া হিরন বিয়ের ব্যাপারে আর কিছুই লেখেননি। সোশাল মিডিয়ার দৌলতে জানা গিয়েছে পাত্রীর নাম ঋতিকা গিরি। তিনি ২০২২ সালে বিয়ন্ডইউ মিস ইন্ডিয়া খেতাব জিতেছেন৷ যোগাতেও তিনি স্বর্ণ পদক জয়ী। মেধাবী ঋতিকা বিএ এলএলবি ইন্টিগ্রেটেড ল অনার্স পাস৷
অনেক দিন ধরেই হিরণ ও ঋতিকা সম্পর্কে থাকলেও কিন্তু সে ভাবে প্রকাশ্যে তা নিয়ে আলোচনা হয়নি। বিধায়ক হওয়ার পর থেকে হিরণ মূলত খড়্গপুরেই থাকতেন। শোনা গিয়েছিল প্রাক্তন স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অনেক দিন ধরে সমস্যা চলার পর ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে, যদিও সেই খবর কখনো প্রকাশ্যে আসেনি। হিরণ এবং অনিন্দিতার এক কন্যাসন্তান রয়েছে।
#newsbengal365 #newsbengal365official #follower #highlights #Kharagpur #mlakharagpur #HiranChatterjee
4 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
News Bengal 365
পাপী...মাত্র 10 দিনে 120K+ ভিউ—এই কৃতিত্ব আপনার।
আমাদের দর্শকদের অফুরন্ত ভালোবাসা, আশীর্বাদ এবং অটল সমর্থনের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।
আপনার উৎসাহ আমাদের আরও শক্তিশালী গল্প বলার শক্তি দেয়।
এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
❤️🙏 অশেষ কৃতজ্ঞতা 🙏❤️
#JDInfotech #jdinfotechyoutubechannel #jdinfotechshortfilm #BengaliShortFilm #BanglaShortFilm #ZEE5 #ZeeBangla #Paapi #follower #highlights
4 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
News Bengal 365
নারী কেলেঙ্কারীতে বিদায় ঢাকায় ‘অতি সক্রিয়’ পাকিস্তানি হাইকমিশনারের
আমিনুল ইসলাম, ঢাকা: নারী কেলেঙ্কারীর পর্দা ফাঁস হতেই বাংলাদেশ থেকে তড়িঘড়ি বিদায় নিতে বাধ্য হলেন ঢাকায় নিযুক্ত ‘অতি সক্রিয়’ পাকিস্তানি হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ। নিজের ‘বান্ধবীকে’ নিয়ে কক্সবাজার সফরের পরই তাকে দেশে ফিরিয়ে নেয় পাকিস্তান। জানা গিয়েছে মারুফ ও তার বান্ধবী হাফিজা হক শাহের একই হোটেলে রহস্যজনক উপস্থিতি নিয়ে ঢাকায় রিপোর্ট পাঠান কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। বিষয়টি নজরে আনা হয় ইসলামাবাদেরও। তাই মারুফকে তড়িঘড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তার দেশে। তার অনুপস্থিতিতে উপহাইকমিশনার মুহাম্মদ আসিফ সামলাবেন হাইকমিশানের দায়িত্ব, এমনটাই বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পাকিস্তানি দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসাবে দায়িত্ব ভার নিয়েছিলেন সৈয়দ আহমেদ মারুফ। প্রথম থেকেই একটু বেশিই সক্রিয় ছিলেন পাকিস্তানি এই কূটনীতিক। গত বছর, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার বিদায়ের পর প্রকাশ্যে তার সক্তিয়তা বাড়তে থাকে। গোটা বাংলাদেশ চষে বেড়ান তিনি। জামায়াত, এনসিপি, বিএনপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তার মেলামেশা বাড়তে থাকে। সাংবাদিকদের মধ্যেও নিজের প্রভাব বাড়াতে থাকেন। একাত্তরের ‘ঘাতকবাহিনী’ বলে পরিচিত পাকিস্তানের সেনা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ঢাকার সঙ্গে যোগসূত্র রচনাতেও তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। এমনকী, মৌলবাদীদের সঙ্গেও তিনি নিয়মিত বৈঠক করতেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সেই মারুফকেই হঠাৎ করে ছাড়তে হলো বাংলাদেশ।
রোববার, ১১ মে সন্ধ্যা ৭টা ৪০মিনিটে ঢাকার হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮৭ ফ্লাইটে তিনি বাংলাদেশ ছাড়েন। তারপর দুবাই হয়ে তিনি ইসলামাবাদ পৌঁছান। হঠাৎ করে তার এই বাংলাদেশ ত্যাগের কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, নারীঘটিত কেলেঙ্কারিই তাকে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে। কক্সবাজারের হোটেলে তার বান্ধবীকে নিয়ে রাত কাটানোর রিপোর্ট পেতেই পাকিস্তান সরকার তাকে তড়িঘড়ি দেশে ফিরতে বলে। আপাতত তাকে দুসপ্তাহের ছুটিতে থাকতে বলা হয়েছে। তবে সেটা নিয়েও রহস্যের জাল বুনতে চাইছে পাকিস্তান।
জানা গিয়েছে, ৯ মে সরকারি সফরে কক্সবাজার গিয়েছিলেন সৈয়দ আহমেদ মারুফ। বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার বিএস-১৫৯ নম্বর বিমানে চেপে রাত ৮টা ১৫ মিনিটে তিনি কক্সবাজারে পৌঁছান। তার সঙ্গে একই বিমানে কক্সবাজার পৌঁছান তার ব্যবসায়ী বন্ধু আজহার মাহমুদ এবং হাফিজা হক শাহ। তারা বিমানবন্দর থেকে সোজা চলে যান কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত হোটেল সি-পার্লে। বিষয়টি নজরে আসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তাদের এই হোটেলে অবস্থান নিয়ে নেতিবাচক রিপোর্ট পাঠানো হয় ঢাকায়। বিষয়টি জানতে পারেন পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষও। তাই পত্রপাঠ মারুফকে দেশে ফিরতে বলা হয়।
এখন প্রশ্ন হলো, কে এই হাফিজা হক শাহ? ঢাকার ঝিগাতলার বাসিন্দা হাফিজাকে বহুদিন ধরেই মারুফের সঙ্গে বহু জায়গায় দেখা গিয়েছে। এমনকী, তার ঝিগাতলার ফ্ল্যাটেও নিয়মিত আসতেন পাকিস্তানি হাইকমিশনার। হাফিজা ২৩ ব্যাচের বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক। তিনি বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগে কর্মরত। তার সঙ্গে পাকিস্তানি হাইকমিশনারের ‘বন্ধুত্ব’ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে অনেক কথাই প্রচলিত রয়েছে। হাফিজা নিজেও সামাজিক মাধ্যমে দুজনের ঘণিষ্ঠতার বহু ছবি দিয়েছিলেন। এখন অবশ্য সেইসব অতীত। কারণ কক্সবাজারে সরকারি সফরে ‘বান্ধবীকে’ নিয়ে যাওয়া পছন্দ হয়নি পাকিস্তানের। তারই শাস্তি পেলেন মারুফ। এখন তাকে তাকে পাকিস্তানেই বিভিন্ন সংস্থার জেরার মুখে পড়তে হবে।
তবে, মারুফের পাকিস্তানে অবস্থান নিয়ে দুরকম বক্তব্য সামনে আসছে। পাকিস্তানি হাইকমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ ‘সরকারি কাজে’ পাকিস্তানে আছেন। আবার হাইকমিশনের বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিনি ‘দু সপ্তাহের ছুটিতে’ পাকিস্তানে গিয়েছেন। আন্তর্জাতিক প্রোটোকল অনুযায়ী, রাষ্ট্রদূত না থাকলে স্বাগতিক দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রককে সরকারি ভাবে অবহিত করতে হয় বিষয়টি। সেখানেই রয়েছে ‘দু সপ্তাহের ছুটির’ কথা। কিন্তু দূতাবাসের ‘সরকারি কাজে’ ইসলামাবাদে যাওয়ার বিবৃতি রহস্য বাড়িয়ে তুলেছে। আসলে মারুফের নারী কেলেঙ্কারী ঢাকতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান। বাংলাদেশের মিডিয়ার দৌলতে পুরো কেলেঙ্কারীই এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এমনকি, হাফিজা স্বীকারও করেছেন মারুফের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার কথা। ফলে নারী কেলেঙ্কারীর হাত ধরে বিপাকে পাকিস্তানের ‘অতি সক্রিয়’ কূটনীতিকের ভবিষ্যৎ।
ছবিঃ পাকিস্তানি হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ ও তার বান্ধবী হাফিজা হক শাহ, কক্সবাজারে। ছবিঃ সংগৃহীত।
#newsbengal365 #newsbengal365official #highlights2025 #Bangladesh #bangladeshivlogger #BangladeshCrisis #Pakistan #pakistanhighcommissioninbangladesh #bds #Dhaka #islamabad #pakistanembassydhaka
1 year ago | [YT] | 2
View 0 replies
News Bengal 365
স্ত্রীকে ঢাকায় পাঠিয়ে পরিস্থিতি বুঝতে চাইছেন তারেক
আমিনুল ইসলাম, ঢাকা: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে এখনই ঢাকায় ফিরছেন না। তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সোমবার তারেকের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন। জুবাইদার নিরাপত্তার জন্য ইতিমধ্যেই পুলিশকে চিঠি দিয়েছে বিএনপি। সেই চিঠিতে জিয়া পরিবারের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর আস্থা নেই তারেক রহমানের। তাই তিনি নিজে এখনই দেশে ফিরছেন না। তার স্ত্রী কতোটা নিরাপত্তা পান সেটা দেখেই সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুজিব ও জিয়া পরিবার চিরকালই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনার দেশত্যাগের পর মুজিব পরিবারের আর কেউ বাংলাদেশে নেই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা শেখ হাসিনার যাবতীয় স্মারক মুছে ফেলার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে জিয়া পরিবারেরও কেউ বাংলাদেশে নেই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গত ৮ জানুয়ারি লন্ডনে যান চিকিৎসার জন্য। তার ছেলে ২০০৮ সাল থেকেই সপরিবারে সেখানেই বসবাস করছেন। আওয়ামি লিগের আমলে সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বেশির ভাগ মামলা থেকেই মুক্তি পেয়েছেন। তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে সাজার রায়ও স্থগিত রাখা হয়েছে। তাই বিএনপি কর্মীরা উদগ্রিব তারেকের প্রত্যাবর্তনের জন্য। কিন্তু তারেক নয়, ফিরছেন তার মা ও স্ত্রী।
সোমবার ফিরছেন বেগম খালেদা জিয়া। সঙ্গে আসছেন তারেকের চিকিৎসক স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান-সহ আট জন। সেই তালিকায় নাম নেই তাদের একমাত্র সন্তান জায়মা রহমানেরও। খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের সাধারণ বিমানে ঢাকায় ফিরছেন আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিঁথি, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ডা. আমিনুল হক চৌধুরী, এপিএস মাসুদুর রহমান ও দুই গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম এবং রূপা হক।
শোনা যাচ্ছে, নিজের নিরাপত্তা একশো শতাংশ নিশ্চিত না করে তারেক রহমান দেশে ফিরতে চান না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথাবার্তায় ভরসা নেই বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের। তাই মা খালেদাকে পাঠালেও তারেক নিজে এখনই বাংলাদেশে ফিরছেন না। অসুস্থ মা ও তার স্ত্রীর সঙ্গে ড. ইউনূসের সরকার কী ব্যবহার করে সেটা দেখতে চাইছেন তারেক রহমান। কাতারের এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর তিনি ক্ষিপ্ত বলেও জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিএনপির সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরোধ।
এদিকে, তারেকের স্ত্রীর নিরাপত্তা চেয়ে বাংলাদেশ পুলিশের মহা নির্দেশকের কাছে ৩০ এপ্রিল ‘জরুরি গোপনীয়’ চিঠি পাঠিয়েছে বিএনপি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার চিঠিতে, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া পরিবারের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান’-এর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার অনুরোধ করেছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে ‘তারেক রহমানের সহধর্মিণীর নিরাপত্তার ঝুঁকি আছে’। তাই তার ধানমন্ডিস্থ পিতার বাসা মাহবুব ভবন-এ ‘একজন সশস্ত্র গানম্যান, গাড়িসহ পুলিশ প্রটেকশন, বাসার পুলিশ পাহাড়া, বাসায় আর্চওয়ে স্থাপন’-এর অনুরোধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের শীর্ষ আধিকারিকদেরও বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান। আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও তার মা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে একটি মামলায় জুবাইদা রহমানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন ঢাকার একটি আদালত। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে ওই সাজা স্থগিত হয়।
পেশায় চিকিৎসক জুবাইদা রহমানের জন্ম সিলেট জেলায়। তার পিতা প্রয়াত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনাকালে বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রধান ছিলেন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকারের সময়ে তিনি ছিলেন যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী।
১৯৯৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের সঙ্গে জুবাইদা রহমানের বিয়ে হয়। ১৯৯৫ সালে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দেন জুবাইদা। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। পরে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে মেডিসিনে এমএসসি-ও করেন। স্বামীর সঙ্গে লন্ডনেই থাকতেন তিনি। সোমবার ১৭ বছর পর তিনি দেশে ফিরছেন। আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিঁথি অবশ্য আগেও ঢাকায় এসেছেন। কিন্তু ডা. জুবাইদা আসছেন ১৭ বছর পর। গিয়েছিলেন তারেকের সঙ্গে। ফিরছেন খালেদার সঙ্গে। তাই কৌতূহল রাজনৈতিক মহলে। অনেকেই মনে করেন, জুবাইদার নিরাপত্তার হাল দেখেই দেশের ফেরার পরিকল্পনা করবেন তারেক রহমান। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। ন্যূনতম আস্থাও নেই এই সরকারের ওপর। কারণ সেই ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’। মুজিব ও জিয়া পরিবারকে বাদ দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন ড. ইউনূসরা, এমন আশঙ্কা রয়েছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের। নির্বাচন নিয়ে সরকারের টালবাহানা সেই আশঙ্কাকে আরও পোক্ত করছে। তাই ঝুঁকি নিতে নারাজ শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক রহমান।
#newsbengal365 #newsbengal365official #highlights2025 #highlightsシ゚ #bangladeshivlogger #Banglanews #highlight #Bangladesh #BNP #BD #tarekrahman #yunusgovernment
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
News Bengal 365
ড. ইউনূসের চক্রান্তে মেলেনি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স, বিমানেই দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া
আমিনুল ইসলাম, ঢাকা: পুরোপুরি সুস্থ নন সাবেক প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করেই ঢাকায় ফেরৎ আনতে চেয়েছিলেন বিএনপি নেতারা। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চক্রান্তে এবার এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। তাই সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গেই ফিরতে হচ্ছে খালেদাকে।
বছরের শুরুতেই কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতার কথা জেনে রাজকীয় বহরের একটি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স তাকে ঢাকা থেকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন। তাতে চেপেই ৮ জানুয়ারি লন্ডন যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী। লন্ডন থেকে দেশে ফেরার সময়ও একই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু শান্তিতে নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূসের কুটচালে সেটি ভেস্তে যায়, বলে জানা গিয়েছে। জল্পনা চলছে, ড. ইউনূস চাননি খালেদা জিয়া আন্তর্জাতিক কোনও সম্মান বা কোনও সুবিধা পান। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তায় ক্ষুব্ধ প্রধান উপদেষ্টা তাই ভেস্তে দিয়েছেন এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে খালেদা জিয়ার দেশের ফেরার পরিকল্পনা।
ড. ইউনূসের নীচ মানসিকতা ও ব্যক্তিগত স্বার্থে ক্ষুদ্র রাজনীতির কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু অসুস্থ ৭৮ বছরের বৃদ্ধা, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি যেটা করলেন সেটা অতীতের সমস্ত অপকর্মকে ছাপিয়ে গিয়েছে। চলতি বছর ৮ জানুয়ারি কাতারের আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা তিনি সহ্য করতে পারেননি। তাই বেগম জিয়ার প্রত্যাবর্তনের জন্য রয়েল কাতার এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাওয়ার প্রস্তাবটি তিনি নিজেই ব্যর্থ করে দেন। ড. ইউনূস জিয়া পরিবারের আন্তর্জাতিক মর্যাদাকে সহ্য করতে পারেননি। তার ধারনা বাংলাদেশে তিনিই একমাত্র আন্তর্জাতিক মর্যাদা এবং সম্মানের অধিকারী। অন্য কেউ আন্তর্জাতিক সম্মান পাক সেটা তিনি সহ্য করতে পারেন না। বেগম খালেদা জিয়া জনপ্রিয়তায় বাংলাদেশে তার থেকে অনেক এগিয়ে, এটা ভালোই বোঝেন তিনি। তাই নিজের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স নিয়েও ড. ইউনূস নোংরা রাজনীতি করলেন। তার এই ধরনের চক্রান্তের বিষয়ে বিএনপি নেতারা এখনও মুখ না খুললেও তারা সবই বুঝতে পারছেন।
সোমবার খালেদা জিয়া দেশে ফিরছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাধারণ বিমানে। বিমানটি রবিবার লন্ডনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় ছেড়ে সিলেট হয়ে ঢাকা পৌঁছাবে সকাল ১১টা নাগাদ। তার সঙ্গে সেই বিমানেই দেশে ফিরছেন, তারই দুই পুত্রবধূ তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিঁথি, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ডা. আমিনুল হক চৌধুরী, এপিএস মাসুদুর রহমান ও দুই গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম এবং রূপা হক। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন।
চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় কাতারের আমির সৌজন্যতা দেখিয়ে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স পাঠিয়েছিলেন। লন্ডন ক্লিনিকে টানা ১৭ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৫ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে তারেক রহমানের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি বর্তমানে রয়েছেন। এখন কিছুটা সুস্থ বোধ করায় তিনি দেশে ফিরতে চান। তবে চিকিৎসকরা তাকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সেই ঢাকায় ফেরার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেইমতো দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অন্তর্বর্তী সরকারকে চিঠি দেন। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। বরং কাতারের আমির যাতে খালেদা জিয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স না পাঠান তারজন্যও তদ্বির করেন ড. ইউনূস, এমনটাই শোনা যাচ্ছে।
দেশবাসীর টানে বাধ্য হয়েই সাধারণ বিমানে ঢাকায় ফিরছেন খালেদা জিয়া। বাংলাদেশ সরকারের তরফে বলা হয়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা চিন্তা করে তারা বিমানটিকে সিলেটের বদলে সোজা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরনের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু যাত্রীদের অসুবিধার কথা ভেবে বিএনপি চেয়ারপার্সন ঠিক করেছেন লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ণের পর সিলেট হয়েই ঢাকায় আসবেন। বিমানের অন্যান্য যাত্রীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিজেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার নির্দেশ দিয়ে ফ্লাইটের নিয়ম অনুযায়ী লন্ডন-সিলেট-ঢাকা হয়ে পরিচালনা করতে বলেন।
৭৮ বছরের বৃদ্ধা, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইউনূসের অমানবিক আচরণে ক্ষুব্ধ বিএনপির সাধারণ কর্মীরাও। তাঁরা ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করেছেন, দলের চেয়ারপার্সনের যদি শারীরিক কোনও ক্ষতি হয় তারজন্য দায়ী থাকবেন ড. ইউনূস এবং তার ফলও তাকেই ভোগ করতে হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ড. ইউনূস রাজনৈতিক অসৌজন্যের নতুন নজির গড়লেন।
#newsbengal365 #newsbengal365official #BD #BNP #KhaledaZia #yunus #Bangladesh #Banglanews #BangladeshCrisis #bangladeshivlogger #BangladeshGovernment #highlight #highlights2025 #highlightsシ゚ #BMW
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
News Bengal 365
জগন্নাথ ধামের মিলন মেলায় মমতা-দিলীপ,
নাম না করে সমাজ মাধ্যমে আক্রমণ সৌমিত্র খানের।
নিউজ বেঙ্গল 365, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণে স্ত্রীকে নিয়ে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে এলেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও প্রাক্তন সাংসদ সদ্য বিবাহিত দিলীপ ঘোষ। দ্বারোদ্ঘাটনের ঘণ্টাখানেক বাদে স্ত্রীকে নিয়ে জগন্নাথ মন্দিরে আসেন দিলীপ ঘোষ। চার নম্বর গেট দিয়ে মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করার মুখে নবদম্পতিকে উত্তরীয় পরিয়ে অভ্যর্থনা জানান মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও কুণাল ঘোষ।
মন্দির দর্শন সেরে সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষকে বেশ কিছুক্ষণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে খোলামেলা আড্ডা দিতে দেখা যায়।
এরপরই বঙ্গ বিজেপিতে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। অস্বস্তি এড়াতে বিজেপির বর্তমান রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার পরিস্কার জানিয়ে দেন, এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার, এর সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে এড়িয়ে যান।
কিন্তু বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খান নাম না করে দিলীপ ঘোষকে সমাজ মাধ্যমে কট্টর ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি লেখেন, 'একজন "ত্যাগী" থেকে কিভাবে "ভোগী" হতে হয় তার আদর্শ নিদর্শন আপনি! বাবুল সুপ্রিয় থেকে মুকুল রায়, এদের তাড়িয়ে আজ নিজেই তাদের পথ অনুসরণ করছেন'। তিনি আরও লেখেন, 'কতটা নির্লজ্জ হলে এমন "আদর্শবান পুরুষ" হওয়া যায় তা চিন্তার বিষয়! বাংলার বিজেপি র লজ্জা আপনি'।
#newsbengal365 #newsbengal365official #BJP4IND #BJPNEWS #TMC #saumitrakhan #BJPBengal #DilipGhosh #KunalGhosh #ArupBiswas #TMCWestBengal #SuvenduAdhikari #SukantaMajumdar #MamataBanerjee
1 year ago | [YT] | 2
View 0 replies
News Bengal 365
বাংলাদেশের রাজশাহীতে লাদেনের ছবি ও আইএসআই-এর পতাকা নিয়ে মিছিল মৌলবাদীদের
নিউজ বেঙ্গল 365, ঢাকা: গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলার প্রতিবাদে উত্তাল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গায় চলছে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা। সেই সঙ্গে চলছে ব্যাপক ভাঙচুর, লুঠতরাজ। প্রকাশ্যে চলছে আল কায়দা, আইএসআইএস জঙ্গিদের দাপাদাপি।
বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে রাজশাহীতেও চলছে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা। তবে এদিন রাজশাহীতে ওসামা বিন লাদেনের ছবি হাতে আইএসআই-এর পতাকা নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করতে দেখা গেল জঙ্গি জিহাদি হিজবুত তাহেরি ও বিএনপির- জামায়াতের সমন্বয়ে হেফাজাত-ই-ইসলামের যুবশাখাকে। মিছিলে শিশুদেরকেও ব্যবহার করতে দেখা গেছে। কোন রাখঢাক না করেই এই মিছিল থেকে উগ্রবাদী স্লোগান দিয়ে তারা ইসরায়েল ও আমেরিকার উপর খুব উগরে দেয়। আজকের ওসামা বিন লাদেনের ছবি সহ এই মিছিলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সামনে সংগঠিত হলেও তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ যে এই মুহূর্তে সরাসরি আইএসআইএস, আল কায়দার হস্তক্ষেপে চলছে এদিনের মিছিল দেখে সেকথা সহজেই অনুমেয়।
আজকের এই প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন হেফাজাত-ই-ইসলামের যুব বিষয়ক সচিব মীর ফরহাদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাহানপুর, নবাবগঞ্জ, চ্যাপাই অঞ্চলের শিবির পরিবারের সদস্য ও রাজশাহী বারেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিবুল্লাহ।
#newsbengal365 #newsbengal365official #Bangladesh #BangladeshCrisis #yunus #Dhaka #DhakaBangladesh #everyonefollowers #everyoneactive #everyoneシ゚ #follower #everyone #everyonehighlights #everyonehighlightsfollowers #BMW #bmwgram
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Load more