Krishna Bhakta Seva Samiti

HARE KRISHNA
কৃষ্ণ ভক্ত সেবা সমিতি channel সবাইকে সাগত।
এই channel টি শুধু মাত্র রাধাকৃষ্ণর ভিডিও সম্প্রচার করার জন্য বানানো।
সব video নিজস্স edit।



Krishna Bhakta Seva Samiti

জয় জগন্নাথ

1 day ago | [YT] | 353

Krishna Bhakta Seva Samiti

জয় জগন্নাথ।।
যে রথের দড়ি টানতে স্বর্গের দেবতারা পর্যন্ত অধীর আগ্রহে
অপেক্ষা করেন..!!
সে দড়ি স্পর্শ করার সুযোগ পাচ্ছি আমরা।
ভাবতে পারেন কতোটা কৃপা নিয়ে এই মানব জন্ম পেয়েছেন আপনি।
এই রথের দড়ি স্পর্শ করলে কি কি ফললাভ হয় জেনে নিন:-

👉জন্ম জন্মান্তরের সমস্ত পাপ নাশ হয়।

👉পুণজন্ম হয় না।

👉বৃষ্টিস্নাত রথযাত্রায় প্রণাম করলে তার মানব জীবনের সমস্ত কষ্ট দূর হয়।

👉রথযাত্রায় জগন্নাথের মহাপ্রসাদ পেলে এই জীবনে সমস্ত সুখলাভ হয়।✨🥰🥰

#JoyJagannath #sanatandharma #rathayatra #explorepage #flowers #nonfollowers

2 days ago | [YT] | 527

Krishna Bhakta Seva Samiti

#যোগিনী একাদশী মাহাত্ম্য।

সনাতন ধর্মে একাদশী ব্রতের গুরুত্ব অপরিসীম। আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিকে যোগিনী একাদশী বলা হয়। এই ব্রত পরম কল্যাণকর এবং মানবজীবনের সমস্ত পাপ ও অভিশাপ দূর করতে সাহায্য করে।

যোগিনী একাদশী পালনের সময় (২০২৬)
চন্দ্র ও তিথির গণনার কারণে বছরের এই সময়টিতে স্মার্ত (গৃহস্থ) ও বৈষ্ণব (ইস্কন) মতে ব্রতের দিন আলাদা হতে পারে।
২০২৬ সালের জন্য সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো:তিথি আরম্ভ:১০ জুলাই, ২০২৬ (শুক্রবার) সকাল ০৮:১৬ মিনিটে এবং তিথি সমাপ্তি: ১১ জুলাই, ২০২৬ (শনিবার) ভোর ০৫:২২ মিনিটে।

ব্রতের প্রধান দিন ও পারণের সময়: স্মার্ত বা গৃহস্থদের জন্য: ব্রত পালন ১০ জুলাই, ২০২৬ (শুক্রবার)। পারণের সময়: ১১ জুলাই দুপুর ০১:৫০ থেকে বিকেল ০৪:৩৬ এর মধ্যে।

বৈষ্ণব বা ইস্কন অনুসারীদের জন্য (গৌণ একাদশী):ব্রত পালন ১১ জুলাই, ২০২৬ (শনিবার)। পারণের সময়: ১২ জুলাই (রবিবার) ভোর ০৫:৩২ থেকে সকাল ০৮:১৮ এর মধ্যে।

যোগিনী একাদশী ব্রতের ফল ও মাহাত্ম্যঃ পদ্মপুরাণে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে এই ব্রতের ফল সম্পর্কে বলেছেন।

পাপ ও অভিশাপ মোচন: মানুষের জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে করা সমস্ত মহাপাপ এই ব্রতের প্রভাবে দূর হয়ে যায়।
ব্রাহ্মণ ভোজনের পুণ্য: শাস্ত্র অনুযায়ী, এই একটি মাত্র ব্রত নিষ্ঠার সাথে পালন করলে ৮৮ হাজার ব্রাহ্মণকে ভোজন করানোর সমান পুণ্য লাভ হয়।
রোগ থেকে মুক্তি: এই ব্রত পালনে শারীরিক অসুস্থতা, বিশেষ করে চর্মরোগ বা কুষ্ঠ রোগ থেকে মুক্তি মেলে বলে বিশ্বাস করা হয়।

মোক্ষ লাভ: জীবনের সমস্ত সাংসারিক সুখ ভোগের পর অন্তিমে বিষ্ণুলোকে স্থান বা মুক্তি (মোক্ষ) লাভ হয়।

পৌরাণিক কাহিনিঃ যোগিনী একাদশীর মাহাত্ম্য বোঝাতে শ্রীকৃষ্ণ কুবেরের অনুচর হেমমালীর এই বিশেষ কাহিনিটি বর্ণনা করেছিলেন:
স্বর্গের অলকাপুরীতে যক্ষরাজ কুবের বাস করতেন। তিনি ছিলেন পরম শিবভক্ত। তাঁর 'হেমমালী' নামে একজন যক্ষ সেবক ছিল, যার কাজ ছিল প্রতিদিন কুবেরের শিবপূজার জন্য মানস সরোবর থেকে তাজা ফুল এনে দেওয়া। হেমমালী তার রূপবতী স্ত্রী 'বিশালাক্ষী'র প্রতি অত্যন্ত আসক্ত ছিল।
একদিন হেমমালী ফুল নিয়ে আসার পর স্ত্রীর রূপের মোহে মগ্ন হয়ে বাড়িতেই থেকে যায়, রাজপ্রাসাদে ফুল পাঠাতে ভুলে যায়। ওদিকে কুবের দুপুরের পূজা শুরু করার জন্য ফুলের অপেক্ষা করতে করতে রেগে যান। তিনি সৈন্যদের পাঠিয়ে জানতে পারেন যে হেমমালী কর্তব্য ভুলে স্ত্রীর সাথে আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত।
ক্রুদ্ধ কুবের হেমমালীকে রাজসভায় ডেকে পাঠান এবং অভিশাপ দেন:"তুমি কামের বশবর্তী হয়ে ঈশ্বরের সেবা এবং নিজের কর্তব্য ভুলে গেছ। তাই তুমি স্বর্গচ্যুত হয়ে মর্ত্যলোকে পতিত হও এবং কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হয়ে স্ত্রীর চিরবিরহ সহ্য করো।"

অভিশাপের সাথে সাথেই হেমমালী স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে এসে পড়ে। তার সারা শরীর কুষ্ঠ রোগে ভরে যায়, ক্ষুধা-তৃষ্ণায় সে কাতর হয়ে বনে বনে ঘুরতে থাকে। কিন্তু পূর্বের শিবপূজার পুণ্যফলের কারণে তার স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়নি।
ঘুরতে ঘুরতে একদিন সে হিমালয় পর্বতে মহর্ষি মার্কণ্ডেয়-এর আশ্রমে পৌঁছায়। মহর্ষি তার এই করুণ দশা দেখে দয়াপরবশ হয়ে এর কারণ জানতে চান। হেমমালী সব সত্য স্বীকার করে মুক্তির উপায় প্রার্থনা করে।
তখন মহর্ষি মার্কণ্ডেয় তাকে বলেন:"তুমি আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের 'যোগিনী একাদশী' ব্রত পরম নিষ্ঠার সাথে পালন করো। এই ব্রতের পুণ্যেই তুমি সমস্ত পাপ ও অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।"

হেমমালী ঋষির উপদেশ মেনে অত্যন্ত ভক্তিভরে যোগিনী একাদশী ব্রত উপবাস থেকে পালন করে। এই ব্রতের অলৌকিক প্রভাবে সে কুষ্ঠ রোগ থেকে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করে এবং পুনরায় তার দিব্য রূপ ফিরে পায়। এরপর সে স্বর্গে ফিরে গিয়ে স্ত্রীর সাথে পরম সুখে বসবাস করতে শুরু করে।
ব্রত পালনের সংক্ষিপ্ত নিয়মঃ
একাদশীর আগের দিন (দশমী) রাত থেকে পেঁয়াজ, রসুন ও আমিষ বর্জন করতে হয়।
একাদশীর দিন সকালে স্নান সেরে শ্রীবিষ্ণুর পূজা ও ধ্যান করতে হয়।
এই দিন সম্পূর্ণ নিরাহার (জল ছাড়া) বা ফলমূল, দুধ ও একাদশীর অনুকল্প খাদ্য (যেমন সাবুদানা, বাদাম) গ্রহণ করে উপবাস রাখা যায়। কোনো প্রকার শস্যদানা, চাল, গম বা ডাল খাওয়া নিষিদ্ধ।
পরদিন (দ্বাদশী তিথিতে) নির্দিষ্ট পারণ সময়ের মধ্যে পঞ্চশস্য বা সাধারণ অন্ন গ্রহণ করে ব্রত ভঙ্গ বা পারণ করতে হয়।

6 days ago | [YT] | 445

Krishna Bhakta Seva Samiti

🌸 সুখ যদি আসে, বলুন—"এটি ভগবানের দয়া।"
আর দুঃখ যদি আসে, বলুন—"এটিও ভগবানের কৃপা।"
🙏🙏
শুনতে অবাক লাগতে পারে,
কিন্তু একজন ভক্ত জানেন—ভগবান কখনোই অকারণে কাউকে দুঃখ দেন না🥺
অনেক সময় আমাদের পূর্বজন্ম বা এই জন্মের কর্মফলই তিনি এমনভাবে ভোগ করান, যাতে আমরা শুদ্ধ হতে পারি এবং তাঁর আরও নিকটে আসতে পারি।

সুখ আমাদের হাসতে শেখায়,
কিন্তু দুঃখ আমাদের ভগবানকে খুঁজতে শেখায়।
তাই দুঃখও অনেক সময় ঈশ্বরের এক নিঃশব্দ আশীর্বাদ।

একবার নিজের হৃদয়কে প্রশ্ন করুন—

🌿 সুখের সংবাদ পেলে প্রথমে কাকে স্মরণ করেন?

🌿 দুঃখে ভেঙে পড়লে কার নাম প্রথম আপনার মুখে আসে?

যার কথা সুখে-দুঃখে সবার আগে মনে পড়ে,
তিনিই আপনার হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের।
যদি সেই নামটি হয় শ্রীকৃষ্ণ,
তবে বুঝবেন—আপনার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে উঠছে। আর যদি না হয়, তবে আজ থেকেই তাঁর নামকে জীবনের প্রথম আশ্রয় করে নিন।🙏🙏

সুখে যেন তাঁকে ভুলে না যাই,
আর দুঃখে যেন তাঁকেই আঁকড়ে ধরি।
কারণ, ভগবানের দয়া ও কৃপা—দুটিই শেষ পর্যন্ত আমাদের কল্যাণের জন্যই।।হরে কৃষ্ণ।। 🙏

আপনার জীবনে সুখ বা দুঃখের সময় প্রথমে কার নাম মনে আসে? কমেন্টে জানাবেন কিন্তু ‼️ 🌿

6 days ago | [YT] | 920

Krishna Bhakta Seva Samiti

Today's Darshan Sri Sri Radha Madhav with Panchatatva Bhagwan &Sri Nirsimha Dev Bhagwan, 09.07.26

1 week ago | [YT] | 849

Krishna Bhakta Seva Samiti

‼️ যদি গৌর না হৈত, তবে কি হৈত,
ক্যামনে ধরিত দে..!!
‼️ রাধার মহিমা, প্রেম-রস-সীমা,
জগতে জানাত কে....!!
😭

1 week ago | [YT] | 1,414

Krishna Bhakta Seva Samiti

কতটা সৌভাগ্যবান হলে একজন কৃষ্ণপ্রেমী হওয়া যায়,ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজ মুখেই বলেছেন।

বহুনাং জন্মনামন্তে জ্ঞানবান্মং প্রপদ্যতে।
বাসুদেবঃ সর্বমিতি স মহাত্মা সুদুর্লভঃ।।
অনুবাদঃ বহু জন্মের পর তত্ত্বজ্ঞানী ব্যক্তি আমাকে সর্ব কারণের পরম কারণ রূপে জেনে আমার শরণাগত হন। সেইরূপ মহাত্মা অত্যন্ত দুর্লভ।

1 week ago | [YT] | 4,293