এবছর ২৪ মে, রোববার থেকে শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের কেল্লাপোশী এলাকায় শুরু হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কেল্লাপোশী মেলা।
জ্যৈষ্ঠ মাসের দ্বিতীয় রোববার থেকে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে তিন থেকে সাতদিন। মেলাকে কেন্দ্র করে এক সপ্তাহ আগে থেকেই এলাকাজুড়ে চলে উৎসবের আমেজ।
এই এলাকার জামাইরা এই মেলাকে কেন্দ্র করে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন এবং মেলার সবচাইতে বড় মাছ ও খাসি কিনে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যান, আর শ্বশুর মোটা অঙ্কের সেলামি দেন জামাইকে। এই কারণে এই মেলা জামাইবরণ মেলা হিসেবেও পরিচিত।
এই মেলায় বিভিন্ন ধরনের কাঠের আসবাবপত্র, মিষ্টি, ফলমূল, বড় মাছ, কুটির শিল্পসামগ্রী, রকমারি মসলা ছাড়াও বসেছে নানা ধরনের দোকানপাট, যেখানে স্থানীয় ও দূর-দূরান্ত থেকে আগত বিক্রেতারা তাদের পণ্যসামগ্রী নিয়ে এসেছেন। মেলা উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
কেল্লাপোশী মেলা শুধু কেনাকাটার স্থান নয়, এটি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক। মেলায় আগত মানুষেরা বলেন, এই মেলা আমাদের সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে এবং নতুন প্রজন্মকে আমাদের ঐতিহ্য সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেয়। মেলায় আগত দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও মেলা কমিটি একযোগে কাজ করছে।
মেলার সফলতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
আর নাই চিন্তা এখন থেকে সব ধরনের রক্ত এখানেই পাওয়া যাবে যখন ইচ্ছা তখন। এখানে সবাই একাউন্ট করতে পারেন এখান থেকে সবাই রক্ত নিতে পারেন এবং দিতেও পারবেন। link https://bludly.com/r/EF85B057
সভ্যতা...? দুনিয়া নাকি সভ্যতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে গেছে! প্রযুক্তির কল্যাণে নাকি গোটা পৃথিবী এখন একটি "গ্লোবাল ভিলেজ"!
কী ভয়ানক ঠাট্টা এই কথাগুলো!
যদি তাই হতো— তবে একটি ছোট্ট উপত্যকায় বছরের পর বছর, দিনের পর দিন, ঘন্টায় ঘন্টায়— এই অমানবিক হত্যাযজ্ঞ চলতে পারতো না!
সেই উপত্যকায় যখন শিশুর কান্না থেমে যায়— মায়ের বুক ফেটে চিৎকার বের হয় না— বাবার কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয় নিথর দেহ— তখন গোটা দুনিয়া নিঃশব্দে মুখ ফিরিয়ে নেয়!
কোথায় সেই সভ্যতা? কোথায় সেই মানবতা? কোথায় সেই ইসলামি উম্মাহর অন্তরের তাড়না?
যালিমেরা এখন আর ছদ্মবেশী নয়— তারা খোলা আকাশের নিচে, স্যাটেলাইটের চোখের সামনেই ঘোষণা দিয়ে হত্যা করে যাচ্ছে। আর আমরা...? আমরা চোখ বন্ধ করে বসে আছি। মনে হয়, আমাদের হৃদয়ের রক্ত চলাচলই বন্ধ হয়ে গেছে!
ইতিহাস একদিন লিখবে এই কাহিনি— লিখবে, কীভাবে পৃথিবীর সবচেয়ে সভ্য বলে দাবি করা জাতি সবচেয়ে নিষ্ঠুর নিরবতা বজায় রেখেছিলো।
Riyad Hassan
এবছর ২৪ মে, রোববার থেকে শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের কেল্লাপোশী এলাকায় শুরু হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কেল্লাপোশী মেলা।
জ্যৈষ্ঠ মাসের দ্বিতীয় রোববার থেকে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে তিন থেকে সাতদিন। মেলাকে কেন্দ্র করে এক সপ্তাহ আগে থেকেই এলাকাজুড়ে চলে উৎসবের আমেজ।
এই এলাকার জামাইরা এই মেলাকে কেন্দ্র করে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন এবং মেলার সবচাইতে বড় মাছ ও খাসি কিনে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যান, আর শ্বশুর মোটা অঙ্কের সেলামি দেন জামাইকে। এই কারণে এই মেলা জামাইবরণ মেলা হিসেবেও পরিচিত।
এই মেলায় বিভিন্ন ধরনের কাঠের আসবাবপত্র, মিষ্টি, ফলমূল, বড় মাছ, কুটির শিল্পসামগ্রী, রকমারি মসলা ছাড়াও বসেছে নানা ধরনের দোকানপাট, যেখানে স্থানীয় ও দূর-দূরান্ত থেকে আগত বিক্রেতারা তাদের পণ্যসামগ্রী নিয়ে এসেছেন। মেলা উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
কেল্লাপোশী মেলা শুধু কেনাকাটার স্থান নয়, এটি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক। মেলায় আগত মানুষেরা বলেন, এই মেলা আমাদের সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে এবং নতুন প্রজন্মকে আমাদের ঐতিহ্য সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেয়। মেলায় আগত দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও মেলা কমিটি একযোগে কাজ করছে।
মেলার সফলতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
2 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Riyad Hassan
আর নাই চিন্তা এখন থেকে সব ধরনের রক্ত এখানেই পাওয়া যাবে যখন ইচ্ছা তখন। এখানে সবাই একাউন্ট করতে পারেন এখান থেকে সবাই রক্ত নিতে পারেন এবং দিতেও পারবেন। link
https://bludly.com/r/EF85B057
1 year ago | [YT] | 1
View 2 replies
Riyad Hassan
আমার পরীক্ষা চলছে, তাই ভিডিও দিতে পারছি না। সবাই পাশে থাকুন।
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
Riyad Hassan
সভ্যতা...?
দুনিয়া নাকি সভ্যতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে গেছে!
প্রযুক্তির কল্যাণে নাকি গোটা পৃথিবী এখন একটি "গ্লোবাল ভিলেজ"!
কী ভয়ানক ঠাট্টা এই কথাগুলো!
যদি তাই হতো—
তবে একটি ছোট্ট উপত্যকায় বছরের পর বছর, দিনের পর দিন, ঘন্টায় ঘন্টায়—
এই অমানবিক হত্যাযজ্ঞ চলতে পারতো না!
সেই উপত্যকায় যখন শিশুর কান্না থেমে যায়—
মায়ের বুক ফেটে চিৎকার বের হয় না—
বাবার কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয় নিথর দেহ—
তখন গোটা দুনিয়া নিঃশব্দে মুখ ফিরিয়ে নেয়!
কোথায় সেই সভ্যতা?
কোথায় সেই মানবতা?
কোথায় সেই ইসলামি উম্মাহর অন্তরের তাড়না?
যালিমেরা এখন আর ছদ্মবেশী নয়—
তারা খোলা আকাশের নিচে, স্যাটেলাইটের চোখের সামনেই
ঘোষণা দিয়ে হত্যা করে যাচ্ছে।
আর আমরা...?
আমরা চোখ বন্ধ করে বসে আছি।
মনে হয়, আমাদের হৃদয়ের রক্ত চলাচলই বন্ধ হয়ে গেছে!
ইতিহাস একদিন লিখবে এই কাহিনি—
লিখবে, কীভাবে পৃথিবীর সবচেয়ে সভ্য বলে দাবি করা জাতি
সবচেয়ে নিষ্ঠুর নিরবতা বজায় রেখেছিলো।
আল্লাহ! তুমি এই যুলুম দেখছো।
তুমি নিশ্চয়ই সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক।
তুমি নিশ্চয়ই প্রতিশোধ গ্রহণকারী।
1 year ago | [YT] | 2
View 0 replies