The Better India - Bangla

The Better India is the world's largest solution-based media platform, reaching an audience of more than 250 million every month. We've moved the discourse from what's not working to what is, by narrating stories about unsung heroes, changemakers, innovations and positive news stories that are making India awesome every day! Join us as we help you stay inspired & do good.


The Better India - Bangla

বেশিরভাগ মানুষ ভ্রমণ থেকে ফিরে আসেন অনেক সুন্দর স্মৃতি নিয়ে। কিন্তু তিনি ফিরেছিলেন জীবনের সবচেয়ে কাছের একজন সঙ্গীকে নিয়ে।

মাত্র 17 বছর বয়সী অসমের রিকি ফুকন আজ তাঁর চার পায়ের সঙ্গী 'পা'-কে নিয়ে সাইকেলে করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন গোটা ভারত। তবে এই সুন্দর বন্ধুত্বের শুরু হয়েছিল এই যাত্রারও অনেক আগে।

2025 সালে বেঙ্গালুরুতে সাইকেল ভ্রমণে গিয়েছিলেন রিকি। সেখানেই তিনি একটি পথকুকুরকে উদ্ধার করেন। আর তখনই সিদ্ধান্ত নেন, ওকে আর রাস্তায় ফেলে রেখে যাবেন না।

সেদিন থেকে 'পা' সবসময় রিকির সঙ্গী। বদলে যাওয়া প্রকৃতি, দীর্ঘ রাস্তা আর ভারতের হাজার হাজার কিলোমিটার পথ—সবকিছুই তারা একসঙ্গে পাড়ি দিয়েছে।

একসঙ্গে তারা অনেক রাজ্য ঘুরেছে, নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। আর তাদের গল্প প্রমাণ করে, জীবনের সবচেয়ে গভীর সম্পর্কগুলো অনেক সময় একেবারেই অপ্রত্যাশিত মুহূর্তে তৈরি হয়।

Pic Credits: Anindya Chattopadhyay, TOI

#RickyPhukan #Paa #Cycling #TravelIndia #Heartwarming

[Ricky Phukan, Cycling, Travel India, Heartwarming India]

1 day ago | [YT] | 234

The Better India - Bangla

ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যোগ করলেন আরিয়ান বসু। মাত্র 17 বছর বয়সেই তিনি সুযোগ পেলেন বিশ্বের অন্যতম বড় ক্লাব Bayern Munich World Squad-এ। তিনি এই বছরের স্কোয়াডে নির্বাচিত একমাত্র দক্ষিণ এশীয় খেলোয়াড়, যা পুরো ভারতের জন্য এক বিরাট গর্বের মুহূর্ত।

এই সাফল্যের মাধ্যমে আরিয়ান এখন ইউরোপের সেরা যুব ফুটবল প্রতিভাদের সঙ্গে ট্রেনিং করবেন এবং শক্তিশালী ইউরোপীয় দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন।

আরিয়ানের গল্প শুরু হয় একেবারে সাধারণ পরিবার থেকে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিল একজন পেশাদার ফুটবলার হওয়ার। কলকাতার ফুটবল সংস্কৃতি তাঁকে খুব ছোটবেলা থেকেই অনুপ্রাণিত করে।

স্কুল জীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবলই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় আগ্রহ। মাঠে সময় কাটানো, প্রতিদিন অনুশীলন করা এবং নিজের দক্ষতা উন্নত করার জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন। অনেক সময় সুযোগ-সুবিধার অভাব থাকলেও তিনি নিজের লক্ষ্য থেকে কখনও সরে যাননি।

ধীরে ধীরে স্থানীয় টুর্নামেন্টে তাঁর পারফরম্যান্স নজর কাড়তে শুরু করে কোচদের। তাঁর গতি, বল নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণাত্মক খেলার ধরন তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। এরপর বিভিন্ন ট্রায়াল এবং সিলেকশনের মাধ্যমে তিনি পৌঁছে যান আন্তর্জাতিক স্তরের এই বড় সুযোগে।

আরিয়ানের এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি পুরো ভারতীয় ফুটবলের জন্য একটি বড় মাইলফলক। এটি প্রমাণ করে যে, ভারতের তরুণ প্রতিভারাও এখন বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের জায়গা করে নিতে সক্ষম।

এই অর্জন ভবিষ্যতের অনেক তরুণ ফুটবলারের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

এখন আরিয়ানের সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন চ্যালেঞ্জ—ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে নিজেকে প্রমাণ করা। তবে তাঁর পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাস দেখে বিশ্বাস করা যায়, এই যাত্রা আরও বড় সাফল্যের দিকে নিয়ে যাবে।

অভিনন্দন, আরিয়ান বোস! তোমার এই অর্জন ভারতের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করে তুলুক। 🇮🇳⚽

[Aryan Bose has added a new chapter to the history of Indian football. At just 17 years of age, he has earned a spot in the Bayern Munich World Squad—one of the world's most prestigious clubs.]

1 day ago | [YT] | 72

The Better India - Bangla

একটি ছবি শেয়ার করে IAS অফিসার সুপ্রিয়া সাহু জানিয়েছেন, যখন রোগী একটি হাতি, তখন হাসপাতালকেই তার কাছে যেতে হয়। তিনি লিখেছেন, ভান্ডালুর চিড়িয়াখানা এবং কোয়েম্বাটুরের সিরুমুগাইয়ে থাকা পোর্টেবল এক্স-রে ইউনিটের সাহায্যে পশুচিকিৎসক, মাহুত, বনকর্মী এবং সহায়ক কর্মীরা জঙ্গলের মধ্যেই আহত হাতি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণীর কাছে আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দিচ্ছেন।

তাঁর কথায়, "এটি শুধু চিকিৎসার গল্প নয়, মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে বিশ্বাস এবং দায়িত্ববোধের এক অনন্য গল্প।"

শুধু একটি ছবিই আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি সফল উদ্ধার অভিযানের পেছনে থাকে অনেক অজানা মুখ। কোনো পরিচিতি বা প্রশংসার আশা না করেই এই মানুষগুলো দিন-রাত জঙ্গলে কাজ করে চলেছেন, যাতে অবলা প্রাণীরা নিরাপদে বেঁচে থাকতে পারে।

পশুচিকিৎসক, মাহুত, বনকর্মী এবং পুরো উদ্ধারকারী দলকে জানাই আন্তরিক কুর্নিশ। আপনাদের নিরলস পরিশ্রম শুধু বন্যপ্রাণীদের জীবনই রক্ষা করছে না, আমাদের বনভূমি এবং আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎকেও নিরাপদ করে তুলছে। 🌿🐘

Photo Credit- Supriya Sahu IAS

[Forest Veterinarians, Tamil Nadu Forest Department, Elephant Rescue, Wildlife Conservation, Supriya Sahu IAS]

1 day ago | [YT] | 59

The Better India - Bangla

কোভিড মহামারির সময়, যখন গোটা বিশ্ব অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করছিল, তখন বেঙ্গালুরুর এক তরুণী চুপচাপ নিজের জীবনের অন্যতম বড় সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলেন। তিনি স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছিলেন।

কিন্তু তাঁর বাবা-মা উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং তাঁকে চিকিৎসা-সংক্রান্ত পেশায় যেতে দিতে চাইছিলেন না।
তবুও স্পন্দনা আই. ভয়কে নিজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দেননি।

তিনি দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ব্যাচেলর অব ফিজিওথেরাপি (BPT) কোর্সে ভর্তি হন এবং নিজের সমস্ত মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করেন।

বছর কয়েক পর, অটোচালক ইন্দ্রেশ এম.-এর মেয়ে সমাবর্তনের মঞ্চে দাঁড়িয়েছিলেন—
একটি নয়, দুটি নয়, তিন-তিনটি স্বর্ণপদক গলায় ঝুলিয়ে। ✨

যে স্বপ্ন নিয়ে একসময় তাঁর পরিবার চিন্তিত ছিল, আজ সেই স্বপ্নই তাঁদের গর্বের সবচেয়ে বড় কারণ হয়ে উঠেছে।

স্পন্দনার এই সাফল্য প্রমাণ করে, স্বপ্ন যদি বড় হয় আর পরিশ্রম যদি সৎ হয়, তাহলে কোনো বাধাই শেষ পর্যন্ত আপনাকে থামাতে পারে না। ❤️🎓🌟

#TripleGoldMedallist #Physiotherapy #Bengaluru #WomenInHealthcare #Education

[Spandhana I, Bengaluru, physiotherapy gold medal]

1 week ago | [YT] | 481

The Better India - Bangla

1978 সালের একটি ঘটনা গোটা দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

16 বছরের গীতা চোপড়া এবং 14 বছরের সঞ্জয় চোপড়া অল ইন্ডিয়া রেডিও (AIR)-এর একটি যুব অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছিল, যখন তাদের অপহরণ করা হয়।

কিন্তু এটি শুধু একটি অপরাধের গল্প নয়, এটি অসাধারণ সাহস ও লড়াইয়ের গল্পও।

অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ভাই-বোন দু’জন হাল ছাড়েনি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তারা সাহসের সঙ্গে লড়াই করেছে। তাদের এই প্রতিরোধ তদন্তকে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

এই ঘটনা দেশের শিশুদের নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা এবং বিচারব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু করেছিল।

আজও গীতা ও সঞ্জয় চোপড়াকে সাহস, দৃঢ়তা এবং অদম্য মানসিক শক্তির প্রতীক হিসেবে স্মরণ করা হয়।

এবার তাঁদের গল্প নতুনভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

Endemol Shine India-র সিরিজ ‘Raakh’, যা Amazon Prime Video-তে স্ট্রিম হচ্ছে, এই বহুল আলোচিত ঘটনাটি থেকে অনুপ্রাণিত।

👉 SWIPE করে জানুন গীতা ও সঞ্জয় চোপড়ার সত্যিকারের গল্প এবং সেই ঘটনা সম্পর্কে, যা একসময় পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। ❤️

#GeetaChopra #SanjayChopra #Raakh #TrueCrimeIndia #IndianHistory

[Geeta Chopra, Sanjay Chopra, Chopra Children Case, 1978 Delhi Case, True Crime India]

1 week ago | [YT] | 86

The Better India - Bangla

এক সময় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রাতভর চৌকিদারের কাজ করতেন। আজ তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে মেজর হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।

অরুণাচল প্রদেশের লংডিং জেলার এক সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন লাইচাট পল ওয়াংপান।
আর্থিক সমস্যার কারণে তাঁকে অষ্টম শ্রেণির পর পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হয়।

পরিবারকে সাহায্য করার জন্য তিনি নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে কাজ শুরু করেন। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন ছিল আরও বড়।

তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে একজন সৈনিক হিসেবে যোগ দিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেন।
সেনাবাহিনীতে চাকরি করার সময় তিনি পুনরায় পড়াশোনা শুরু করেন।

ডিউটির পর যে সময় পেতেন, সেই সময়ে পড়াশোনা করতেন, পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতেন এবং SSB-র জন্য কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতেন।

তাঁর এই নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের ফল মিলেছিল 2020 সালে।

সেই বছর তিনি ওয়ানচো সম্প্রদায়ের প্রথম কমিশনপ্রাপ্ত (Commissioned) আর্মি অফিসার হন।
আর এবার, জুন 2026-এ, তিনি আরও এক নতুন ইতিহাস গড়েছেন।

লাইচাট পল ওয়াংপানকে মেজর পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, ফলে তিনি তাঁর সম্প্রদায়ের প্রথম ব্যক্তি, যিনি এই সম্মান অর্জন করলেন।

তাঁর গল্প আমাদের শেখায়—
পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, যদি সাহস, পরিশ্রম এবং নিজের ওপর বিশ্বাস থাকে, তাহলে স্বপ্ন একদিন সত্যি হয়ই।

একজন নাইট ওয়াচম্যান থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর হয়ে ওঠার এই যাত্রা আজ লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। 💪🇮🇳❤️

1 week ago | [YT] | 178

The Better India - Bangla

চারপাশের সবাই যখন পরের বিরাট কোহলি হওয়ার স্বপ্ন দেখছিল, তখন সে চুপচাপ স্বপ্ন দেখত ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো হওয়ার।

যে গ্রামে প্রতিটি মাঠে শুধু ক্রিকেটই খেলত সবাই, সেখানে নিশু কুমার বেছে নিয়েছিলেন ফুটবল।
ফুটবল জনপ্রিয় ছিল বলে নয়, বরং এটাই ছিল এমন একটি খেলা, যা তিনি সবচেয়ে কম খরচে খেলতে পারতেন।

উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরের ভোপা গ্রামের এক স্কুল-পিয়নের ছেলে নিশু, স্কুলের মাঠেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনুশীলন করতেন।

তিনি এমন এক স্বপ্নের পেছনে ছুটছিলেন, যার মূল্য বা গুরুত্ব তখন আশেপাশের খুব কম মানুষই বুঝত।
কিন্তু নিশুর নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল অটুট।

সেই বিশ্বাসই তাঁকে গ্রামের ছোট মাঠ থেকে ভারতের U-19 দলের জার্সি পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। পরে সিনিয়র আন্তর্জাতিক ফুটবলে জর্ডানের বিরুদ্ধে অভিষেক ম্যাচেই গোল করেন তিনি। এরপর ভারতের অন্যতম শীর্ষ ফুটবল ক্লাব বেঙ্গালুরু এফসি-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও করেন।

আজ সবার প্রিয় ‘রোনাল্ডো ভাই’ একজন পেশাদার ডিফেন্ডার হিসেবে ইন্টার কাশি-র হয়ে খেলছেন।

আর তাঁর গল্প হাজারো তরুণকে শেখাচ্ছে—
সবাই যে পথে হাঁটে, সেই পথেই হাঁটতে হবে এমন নয়। নিজের স্বপ্নে বিশ্বাস রাখুন, সাহস করে আলাদা কিছু ভাবুন। কারণ বড় সাফল্য অনেক সময় সেই মানুষগুলোর কাছেই আসে, যারা ভিড়ের বাইরে দাঁড়িয়ে নিজের পথ নিজেই তৈরি করে। ⚽✨🇮🇳❤️

@nishu_kumar22 | @indianfootball | @interkashi

#NishuKumar #Gamechangers #IndianFootball #Muzaffarnagar #Sports

[Nishu Kumar, Ronaldo Bhai, Inter Kashi, Muzaffarnagar footballer, Uttar Pradesh, Gamechangers]

1 week ago | [YT] | 22

The Better India - Bangla

নাগপুরের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার শ্রীকান্ত সহস্রবুদ্ধে এমন এক কাজ করেছেন, যা শুধু মন ছুঁয়ে যায় না, বরং জীবনের প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গিও শেখায়।

প্রায় 10 বছর আগে তিনি তাঁর জীবনসঙ্গিনীকে হারিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর স্মৃতিকে শুধু নিজের হৃদয়ে সীমাবদ্ধ রাখেননি, বরং সেটিকে রূপ দিয়েছেন একটি মহৎ কাজে।

শ্রীকান্ত এবং তাঁর স্ত্রী—দু'জনেই পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে অবসর নিয়েছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের পর তাঁদের একটি স্বপ্ন ছিল—পিএফ এবং সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে একসঙ্গে পৃথিবী ভ্রমণ করবেন।

কিন্তু ভাগ্যের পরিকল্পনা ছিল অন্যরকম। ভ্রমণে বের হওয়ার আগেই তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু হয়, আর তাঁদের সেই স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায়।

শ্রীকান্ত বলেন,
"স্ত্রী চলে যাওয়ার পর আর কোথাও ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছাই হয়নি। যে সফরের স্বপ্ন আমরা একসঙ্গে দেখেছিলাম, তা একা পূরণ করতে মন চায়নি।"

এরপর একদিন তিনি একটি খবর পড়েন।

অকোলার এক ব্যক্তি ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য 1 কোটি টাকা দান করেছেন। সেই খবর পড়েই তাঁর মনে একটি ভাবনা আসে।

তিনি বলেন,
"আমার কাছে এত বড় অঙ্কের টাকা ছিল না। কিন্তু ভাবলাম, আমি 25 লক্ষ টাকা দান করতে পারি। এই টাকাই ছিল আমাদের বিশ্বভ্রমণের জন্য জমিয়ে রাখা সঞ্চয়ের অংশ। আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, সেই সঞ্চয়ের অর্ধেক ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দান করব। হয়তো এতে আমি সেই আনন্দই পাব, যা স্ত্রীর সঙ্গে পৃথিবী ঘুরে পেতাম।"

আর তারপর তিনি তাঁর স্বপ্নের জন্য জমিয়ে রাখা অর্থের মধ্যে থেকে 25 লক্ষ টাকা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দান করেন।

আজও নিজের প্রয়াত স্ত্রীর কথা বলতে গিয়ে শ্রীকান্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তাঁর একসঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, স্ত্রীর ভালোবাসা আর স্মৃতিগুলো মনে পড়লে তাঁর চোখ ভিজে ওঠে। কখনও কখনও ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর স্মারক কোনো মূর্তি বা স্মৃতিস্তম্ভ নয়।

বরং তা হতে পারে এমন একটি মহৎ কাজ, যা প্রিয়জনের স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখে মানুষের উপকারের মাধ্যমে।

শ্রীকান্তের এই সিদ্ধান্ত আমাদের শেখায়—অপূর্ণ স্বপ্নও কখনও কখনও অন্য কারও জন্য আশা, অনুপ্রেরণা এবং শক্তির উৎস হয়ে উঠতে পারে। ❤️✨🙏

1 week ago | [YT] | 442

The Better India - Bangla

ইতিহাস তাঁকে মনে রাখেনি, পাঠ্যবইয়েও খুব একটা জায়গা মেলেনি!

কিন্তু ঝলকারী বাঈ এমন এক সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন, যা আজও শিহরণ জাগায়।

এক দলিত কন্যা, যিনি ব্রিটিশদের চোখে চোখ রেখে বলেছিলেন—
"রানী সেখানে আছেন, যেখানে তোমাদের গুলি পৌঁছাতে পারবে না।"

আজও তাঁর বীরত্ব, আত্মত্যাগ এবং অসীম সাহসের গল্প আমাদের অনুপ্রাণিত করে।

আপনিও যদি এখনও ঝলকারী বাঈয়ের এই অসাধারণ গল্প না শুনে থাকেন, তাহলে অবশ্যই Swipe করুন >> 🇮🇳✨❤️

#JhalkariBai #UnsungHero #RaniKiChhaya #IndianWomenWarriors #DalitHistoryMatters

[Jhalkari Bai, Unsung Hero, Rani Ki Chhaya, Indian Women Warriors]

1 week ago | [YT] | 107

The Better India - Bangla

18 জুন, 1858 — সেই দিন, যেদিন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সাহসী বীরাঙ্গনা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন, কিন্তু পরাজয় মেনে নেননি।

মাত্র 29 বছর বয়সে, রাণী লক্ষ্মীবাঈ ব্রিটিশ শাসনের সামনে মাথা নত করার বদলে যুদ্ধক্ষেত্রে বীরের মতো লড়াই করে শহিদ হওয়ার পথ বেছে নিয়েছিলেন।

1857 সালের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়, যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ঝাঁসি দখল করতে চেয়েছিল, তখন রানি লক্ষ্মীবাঈ নিজের দত্তক পুত্রকে পিঠে বেঁধে যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন।

তাঁর সাহস, নেতৃত্ব এবং অদম্য মনোবল তাঁকে ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

18 জুন 1858 সালে, গোয়ালিয়রের কাছে কোটা-কি-সারাইয়ের যুদ্ধে, তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন।

গুরুতরভাবে আহত হওয়ার পরও তিনি আত্মসমর্পণ করেননি এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিলেন।

আজ, তাঁর মৃত্যুর 168 বছর পরেও, রাণী লক্ষ্মীবাঈ শুধুমাত্র ইতিহাসের একটি অধ্যায় নন।

তিনি সাহস, আত্মমর্যাদা এবং দেশপ্রেমের এক জীবন্ত প্রতীক।

কিছু মানুষ শুধু জীবন কাটিয়ে যান, আর কিছু মানুষ এমন ইতিহাস তৈরি করেন, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।

ঝাঁসির রাণীকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। 🙏🇮🇳❤️

#RaniLakshmibai #JhansiKiRani #IndianHistory #FreedomStruggle #1857Revolt

[Rani Lakshmibai, Jhansi Ki Rani, Rani Lakshmibai Balidan Diwas, Rani Lakshmibai Death Anniversary, Queen of Jhansi, First War of Independence]

1 week ago | [YT] | 116